Home RSS bangla national শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে ভুয়ো চোটের দাবি ঘিরে মমতার ২০২১-এর পায়ের চোট তদন্তের...

শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে ভুয়ো চোটের দাবি ঘিরে মমতার ২০২১-এর পায়ের চোট তদন্তের নির্দেশ দিলেন

3
0

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari অভিযোগ করেছেন, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় Nandigram-এ Mamata Banerjee তাঁর পায়ের চোটের ঘটনা সাজিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, Bangur Institute of Neurosciences-এর медицинা নথিতে “ফ্র্যাকচার বা ডিসলোকেশনের কোনও প্রমাণ নেই”—এমন তথ্য রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি “মিথ্যা দাবি” বলে অভিহিত করা ঘটনাটি নিয়ে নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

Nandigram II ব্লকের Birulia Bazaar-এ প্রচারের সময় Adhikari প্রকাশ্যে এই অভিযোগ তোলেন—২০২১ সালের মার্চে Banerjee ঠিক এই এলাকাতেই আহত হয়েছিলেন। তিনি একটি রিপোর্ট দেখান, যা তাঁর দাবি অনুযায়ী Bangur Institute থেকে জারি করা হয়েছিল। রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, আগের দাবির বিপরীতে Banerjee-র চিকিৎসা নথিতে কোনও ফ্র্যাকচারের উল্লেখ নেই।

—

## Adhikari কী অভিযোগ করেছেন

– তাঁর দাবি, ২০২১ সালে Nandigram-এ প্রচারের সময় Mamata Banerjee “পায়ের চোটের ঘটনা সাজিয়েছিলেন” এবং Bangur Institute-এর মেডিক্যাল রিপোর্টে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: *কোনও ফ্র্যাকচার বা ডিসলোকেশন নেই*।
– মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি রিপোর্টটি সংগ্রহ করেন। তিনি জানান, X-ray প্লেটটি Banerjee-কে দেওয়া হলেও হাসপাতাল রিপোর্টটির একটি কপি সংরক্ষণ করে রেখেছিল।
– Banerjee-র আগের অভিযোগের কথাও তিনি উল্লেখ করেন। Banerjee বলেছিলেন, Nandigram-এ কয়েকজন মানুষ “ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁকে গাড়ির খোলা দরজার দিকে ঠেলে দিয়েছিল”, যার ফলে তাঁর পা গাড়ির দরজায় চাপা পড়ে যায়। পরে এমনও রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল যে, একটি ভিড় তাঁর গাড়ির উপর চাপ সৃষ্টি করেছিল এবং তাতেই তিনি আহত হন।

—

## ২০২১ সালের ঘটনা ফের আলোচনায়

**১০ মার্চ, ২০২১**-এ প্রচারের সময় Nandigram-এর Birulia-র Reyapara এলাকায় Mamata Banerjee-র বাঁ পা ও কোমরে চোট লাগে। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে গাড়ির খোলা দরজার দিকে জোর করে ঠেলে দিয়েছিল, যার ফলে দরজাটি তাঁর পায়ে আঘাত করে। অন্যথায়, একটি ভিড় তাঁর গাড়ির উপর চাপ সৃষ্টি করায় তাঁর পা চাপা পড়েছিল বলেও তিনি দাবি করেছিলেন। তাঁকে SSKM Hospital-এ চিকিৎসা দেওয়া হয়।

চিকিৎসকেরা তাঁর বাঁ পা ও গোড়ালিতে *গুরুতর হাড় ও লিগামেন্টে চোট* শনাক্ত করেন। পাশাপাশি, তাঁর ডান কাঁধ, বাহু, ঘাড় ও কোমরে ব্যথা এবং কালশিটে দাগ ছিল। **১২ মার্চ, ২০২১**-এ তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাঁর বাঁ পায়ে প্লাস্টার করা ছিল এবং তিনি হুইলচেয়ারে করে প্রচার চালিয়ে যান।

—

## নির্বাচন কমিশনের অনুসন্ধান বনাম সাম্প্রতিক দাবি

– **ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)** সেই সময় ঘটনাটি তদন্ত করেছিল। কমিশনের সিদ্ধান্ত ছিল, Banerjee-র চোটটি দুর্ঘটনাজনিত বলেই মনে হচ্ছে। তাঁর কনভয়ের উপর পরিকল্পিত হামলার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
– তবে ECI তাঁর প্রচারকে ঘিরে নিরাপত্তার গাফিলতির কথা স্বীকার করেছিল। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

Adhikari-র নতুন অভিযোগ এই বয়ানকে চ্যালেঞ্জ করছে। তাঁর জোর দাবি, চোট পাওয়ার বিষয়টি অতিরঞ্জিত করা হয়েছিল এবং সম্প্রতি উদ্ধৃত এই চিকিৎসা নথিগুলি ফ্র্যাকচার বা ডিসলোকেশনের ঘটনা ঘটেনি বলে প্রমাণ করে।

—

## উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক নাটক

সাম্প্রতিক এই বিতর্ক সামনে এসেছে **Nandigram এবং Rejinagar**-এ উপনির্বাচন ঘনিয়ে আসার সময়। ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারিত হয়েছে **৬ অক্টোবর, ২০২৬**, আর ফল ঘোষণা করা হবে **৯ অক্টোবর**।

Adhikari বলেছেন, এই উপনির্বাচনের পর **Model Code of Conduct (MCC)** উঠে গেলে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত শুরু হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, তাঁর সাংবাদিক সম্মেলনে প্রদর্শিত Bangur Institute-এর মেডিক্যাল রিপোর্টটি তাঁর অভিযোগকে সমর্থন করে।

—

## কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ

এই পুরনো বিরোধ নতুন করে সামনে আসায় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এর যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। ২০২১ সালের মূল নির্বাচন ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, যেখানে Nandigram-এ Banerjee এবং Adhikari সরাসরি মুখোমুখি হয়েছিলেন। মিথ্যা চোটের দাবি নিয়ে অভিযোগ বিশ্বাসযোগ্যতা, নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক কৌশল সংক্রান্ত বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করছে।

Banerjee-র বয়ানকে চ্যালেঞ্জ করার পেছনে Adhikari-র বিস্তৃত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। এই ঘটনাকে নতুনভাবে তুলে ধরার ফলে উপনির্বাচনের আগে জনমত বদলে যেতে পারে, বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলটি অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হওয়ায়।

—

## এরপর কী নজরে থাকবে

– চলমান তদন্তের বিস্তারিত এবং তা ২০২১ সালের চিকিৎসা রিপোর্টের সঙ্গে কোনও অসঙ্গতি প্রকাশ করে কি না।
– Adhikari-র অভিযোগ খণ্ডন করতে Banerjee বা Trinamool Congress-এর পক্ষ থেকে কোনও পাল্টা প্রমাণ হাজির করা হয় কি না।
– উপনির্বাচনে Nandigram এবং Rejinagar-এ ভোটদানের আচরণে এই বিতর্কের প্রভাব।
– প্রচার তীব্র হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনায় নিরাপত্তার গাফিলতি নাকি কথিত ভুল তথ্য—কোন বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পায়।

Mamata Banerjee-র চোট নিয়ে এই পুনরায় শুরু হওয়া তদন্ত আবারও দেখিয়ে দিল, নির্বাচনী প্রচারের সময়কার ঘটনাগুলি কীভাবে বছরের পর বছর প্রতিধ্বনিত হতে পারে—বিশেষ করে যখন নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তোলেন।

This article is AI-generated content. Please verify the information independently before taking any action based on this article.