Home RSS bangla national গাজিয়াবাদের মহিলা জিম ট্রেনারের প্রেমে পড়ে স্বামীকে খুনের ছক কষেন; বেঁচে যান...

গাজিয়াবাদের মহিলা জিম ট্রেনারের প্রেমে পড়ে স্বামীকে খুনের ছক কষেন; বেঁচে যান স্বামী

2
0

গাজিয়াবাদের বসুন্ধরা সেক্টর-১-এ নিজের বাড়ির ভিতর নৃশংস ছুরিকাঘাতের হামলা থেকে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ২৬ বছরের এক যুবক। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাটি তার স্ত্রী এবং স্ত্রীর জিম প্রশিক্ষক মিলে পরিকল্পনা করেছিলেন। ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে—কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

## হামলার বিবরণ: তারিখ, সময়, স্থান

**২৬ অক্টোবর, ২০২৬** সকালে বসুন্ধরা সেক্টর-১-এর জাগৃতি রেসিডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন সোসাইটিতে নিজের বাড়িতে আক্রান্ত হন শশাঙ্ক কাঁথারিয়া। এলাকাটি ইন্দিরাপুরম থানার আওতাধীন। তার স্ত্রী **প্রিয়া শর্মা** জিমে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হচ্ছিলেন। সেই সময় তার জিম প্রশিক্ষক **প্রতাপ সিং** খোলা থাকা একটি গেট দিয়ে বাড়িতে ঢুকে শশাঙ্ককে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ। শশাঙ্কের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। এরপর পুলিশ পৌঁছনোর আগেই হামলাকারী পালিয়ে যায়। অ্যাম্বুল্যান্সে শশাঙ্ককে যশোদা মেডিসিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তিনি প্রাণে বেঁচে যান।

## জড়িত ব্যক্তিরা: পটভূমি ও উদ্দেশ্য

ঝাঁসির পুরানি পসারাত এলাকার বাসিন্দা শশাঙ্কের সঙ্গে প্রিয়ার প্রায় চার বছর আগে বিয়ে হয়। দু’জনেই দিল্লিতে সিনিয়র অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করতেন এবং বসুন্ধরায় একসঙ্গে থাকতেন।

এটি প্রিয়ার প্রথম বিয়ে ছিল না। রিপোর্ট অনুযায়ী, “Fitness Headquarters” জিমে প্রতাপের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। তিনি প্রায় সাত থেকে আট মাস ধরে সেখানে শরীরচর্চা করছিলেন। সময়ের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক প্রেমের সম্পর্কে পরিণত হয় বলে অভিযোগ। তারা WhatsApp-এ বার্তা আদান-প্রদান করতেন এবং বিয়ে নিয়ে আলোচনা করতেন।

## ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস: পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, শশাঙ্ক তাদের সম্পর্কের কথা জানতে পারার পর প্রিয়া ও প্রতাপ তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সম্পর্কের বিষয়টি জানার পর শশাঙ্ক দীপাবলির পরে অন্যত্র চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে জানা গেছে।

হামলার দু’দিন আগে—**২৫ অক্টোবর, ২০২৬**—প্রিয়া ও প্রতাপ তার সকালের দৌড়ের সময় দেখা করেন এবং শশাঙ্ককে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেন। পরের দিন সকালে পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতাপ খোলা গেট দিয়ে শশাঙ্কের বাড়িতে ঢোকেন এবং প্রিয়ার প্ররোচনায় তাকে ছুরিকাঘাত করেন।

## প্রমাণ ও আইনি অভিযোগ

তদন্তকারীরা হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করেছেন। হামলার আগের রাতে প্রিয়া ও প্রতাপের মধ্যে হওয়া WhatsApp কথোপকথনকে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পুলিশের অভিযোগ, স্বামী কর্মস্থলে থাকাকালীন প্রিয়া বাড়িতে অসুস্থতার ভান করতেন এবং প্রতাপকে সেখানে ডেকে নিতেন।

শশাঙ্কের ভাইয়ের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রিয়া শর্মা এবং প্রতাপ সিং—উভয়ের বিরুদ্ধে **খুনের চেষ্টা** এবং **অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের** অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে।

—

## মূল বিষয়গুলি

– হামলাটি **২৬ অক্টোবর, ২০২৬** গাজিয়াবাদের বসুন্ধরা সেক্টর-১-এ ঘটে।
– একাধিকবার ছুরিকাঘাতের পরও আক্রান্ত শশাঙ্ক বেঁচে যান।
– হামলাকারীরা হলেন তার স্ত্রী প্রিয়া শর্মা এবং তার জিম প্রশিক্ষক প্রতাপ সিং।
– উদ্দেশ্য: অভিযোগ অনুযায়ী, প্রিয়া প্রতাপের প্রেমে পড়েছিলেন এবং শশাঙ্ক তাদের সম্পর্কের কথা জানতে পারার পর তারা তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেন।
– প্রমাণের মধ্যে রয়েছে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা ছুরি এবং incriminating WhatsApp বার্তা।

এই ঘটনা দেখিয়ে দেয়, সম্পর্কের বিশ্বাসঘাতকতা এবং গোপন পরিকল্পনা কীভাবে চরম হিংসার দিকে গড়াতে পারে। трагেডি এড়াতে সম্পর্কের ক্ষেত্রে যোগাযোগ এবং সতর্কতার গুরুত্বও এই ঘটনা তুলে ধরে।

—

This article is AI-generated content. Please verify the information independently before taking any action based on this article.