Home rss world bengali নিউজিল্যান্ডের ব্যক্তির ৩৭০-মিটার হোয়াঙ্গানুই মিনি রেলওয়ে সম্পত্তি NZ$240,000-এ পরিবারের কাছে বিক্রি, তারা...

নিউজিল্যান্ডের ব্যক্তির ৩৭০-মিটার হোয়াঙ্গানুই মিনি রেলওয়ে সম্পত্তি NZ$240,000-এ পরিবারের কাছে বিক্রি, তারা এটি চালু রাখবে

7
0

Whanganui-তে দেশীয় প্রকৌশলের এক অসাধারণ নিদর্শন নতুন মালিক পেয়েছে—তবে মানুষের কল্পনাকে আকৃষ্ট করা ক্ষুদ্র রেলপথটি চলতেই থাকবে। অবসরপ্রাপ্ত Ian Jones-এর তৈরি Cornfoot Street-এর সম্পত্তিটি সম্প্রতি **NZ$240,000**-এ বিক্রি হয়েছে, এবং ক্রয়কারী পরিবারটি এই ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে রেলপথটি চালু রাখার পরিকল্পনা করেছে।

## কীভাবে সপ্তাহান্তের শখ Whanganui-এর ক্ষুদ্র রেলপথের বিস্ময়ে পরিণত হলো

৭০ বছর বয়সি Jones গত **১১ বছর** ধরে তাঁর Castlecliff-এর জমিতে বিস্তৃত, অসাধারণভাবে বিস্তারিত একটি মডেল রেলপথ তৈরি করেছেন, যাকে তিনি **Nikau Junction Railway** নামে অভিহিত করেন। এই বিন্যাসে রয়েছে **৩৭০ মিটার রেলপথ**, দশটি সুড়ঙ্গ, **দুটি সেতু**, **দুটি স্টেশন** এবং একটি **কৃত্রিম টিলা**—সবকিছু দুটি পরস্পর-সংযুক্ত লুপে সাজানো। ট্রেনে চেপে পুরো একটি চক্কর সম্পূর্ণ করতে প্রায় **১২ মিনিট** সময় লাগে।

প্রকল্পটির শুরু প্রায় আকস্মিকভাবেই। একটি অনলাইন নিলাম সাইটে শিশুর আকারের একটি পেট্রলচালিত লোকোমোটিভের জন্য কিছুটা খেয়ালের বশে দর হাঁকিয়েছিলেন Jones—এবং অপ্রত্যাশিতভাবে জিতেও যান। Cambridge-এ বিক্রেতার বাড়িতে সেটি দেখতে গিয়ে তিনি প্রথমবার একটি ব্যক্তিগত রেলপথে চড়েন। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁর মধ্যে আগ্রহের স্ফুলিঙ্গ জ্বালিয়ে দেয়: বাড়ি ফিরে তিনি নির্মাণকাজ শুরু করেন এবং নিজের প্রকৌশল-জ্ঞান কাজে লাগান। বহু বছর আগে Jones Woburn Workshops-এ কোচ নির্মাণের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে সেই দক্ষতাই তাঁকে রেললাইন বসানো, ইস্পাত বাঁকানো, ওয়েল্ডিং করা এবং রেলপথের সব কাঠামোগত উপাদান নিজ হাতে নির্মাণে সহায়তা করে।

## Castlecliff-এর লুকিয়ে থাকা রেলপথের বিস্ময়জগৎ

রাস্তা থেকে সম্পত্তিটিকে খুব সাধারণ বলেই মনে হয়—উঁচু ঢেউটিনের বেড়ার আড়ালে থাকা এই জায়গার পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া খুব কম মানুষই অনুমান করতে পারবেন যে এর ভেতরে এমন অসাধারণ কিছু রয়েছে। ভেতরে ঢুকলে পরিণত **kawakawa** ও **nikau palms**-এর মাঝ দিয়ে একটি কাঠের পথ এগিয়ে গেছে; সেখান থেকে সুড়ঙ্গ ও উঁচু সেতুগুলোর দৃশ্য দেখা যায়, যা ঘন সবুজ গাছপালার মধ্য দিয়ে বেঁকে গেছে। একটি স্থায়ী বাসকে স্টেশনগুলোর একটির কাজে ব্যবহার করা হয়।

Jones-এর হিসাব অনুযায়ী, বছরের পর বছর সময় ও উপকরণ মিলিয়ে তাঁর বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় **NZ$30,000–40,000**। তবে তাঁর তৈরি জিনিসটি কেবল উপাদানগুলোর মোট মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে এই রেলপথ এক অনন্য আকর্ষণে পরিণত হয়েছিল; সম্ভাব্য ক্রেতাদের সম্পত্তি দেখার সময় ট্রেনে চড়ানো হতো—সাধারণ সম্পত্তি পরিদর্শনে যা ছিল এক অস্বাভাবিক সংযোজন।

## মূল্যায়িত করমূল্যের চেয়ে বেশি দামে রেলপথসহ সম্পত্তি বিক্রি

সম্পত্তিটির বিক্রয়মূল্য **NZ$240,000**, যা এর মূল্যায়িত করমূল্যের চেয়ে **NZ$20,000 বেশি**। এমন একটি বাজারে এটি উল্লেখযোগ্য ফল, যেখানে সাধারণ আবাসিক জমি বিক্রি করাও কখনও কখনও কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক আগ্রহী ক্রেতা শুধু জমির মধ্যেই মূল্য দেখেছিলেন এবং রেলপথটিকে নিছক অভিনবত্ব বা এমনকি একটি বাধা হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত যে পরিবারটি এটি কিনেছে, তারা সম্পূর্ণ ব্যবস্থাটিই গ্রহণ করেছে।

নতুন মালিকরা—এক দম্পতি ও তাঁদের এক কিশোর সন্তান—বর্তমানে একটি বাসে বসবাস করেন। লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার পর তাঁদের সেই বাসটি বিক্রি করে সম্পত্তিটিতেই নিয়ে আসার পরিকল্পনা ছিল। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, তাঁরা রেলপথটি চালু রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

## Ian Jones এবং তাঁর ট্রেনগুলোর পরবর্তী পরিকল্পনা

Jones-এর কাছে এই বিক্রির অর্থ ক্ষুদ্র রেলপথের সবকিছু থেকে অবসর নেওয়া নয়। তিনি নিজের বাড়িটি সংস্কার করার পরিকল্পনা করছেন—রেলপথের কাজে সময় দেওয়ার কারণে যে বাড়িটিকে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই অবহেলিত রেখেছিলেন। পাশাপাশি, Castlecliff-এর কাছে এক বন্ধুর আরও বড় মডেল রেলপথ প্রকল্পে সহায়তা করারও পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর; প্রকল্পটি একটি বিবাহের আয়োজনে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হচ্ছে।

তাঁর তৈরি এই অদ্ভুত ও হাতে নির্মিত সৃষ্টির মর্যাদা বোঝেন—এমন ক্রেতা পাওয়ায় তিনি গর্বিত। এই অনন্য বাড়ির জন্য উপযুক্ত ক্রেতা খুঁজে পাওয়ার বিষয়ে রিয়েল এস্টেট এজেন্ট Kerryn Irvin বলেন, “সবকিছু ঠিক মিলে গিয়েছিল।”

—

Nikau Junction-এর গল্প শুধু একটি বাড়ির গল্প নয়—এটি একজন মানুষের আবেগ, ধৈর্য এবং কারিগরি দক্ষতার গল্প। আর উৎসাহী নতুন মালিকদের সৌজন্যে এর রেললাইন ঘুরে চলতে থাকবে। দর্শনার্থীরা হয়তো আর শুধু পাশ দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাবেন না; তাঁরা ট্রেনে উঠবেন, সুড়ঙ্গের ভেতর দিয়ে চক্কর দেবেন, সেতু পার হবেন এবং Ian Jones-এর কল্পনাপ্রসূত ক্ষুদ্র রেলপথের ভবিষ্যতের মধ্য দিয়ে যাত্রা করবেন।

This article is AI-generated content. Please verify the information independently before taking any action based on this article.