২৫ বছর বয়সী জিম প্রশিক্ষক, নন্দন নামে পরিচিত, বেঙ্গালুরুতে এক ক্লায়েন্টের অ্যাপার্টমেন্টে রাত কাটানোকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিবাদের পর মারধরের জেরে মারা গেছেন বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, এই প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় চারজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
## কেম্পাপুরার ফ্ল্যাটে বচসা
রবিবার ভোরে কেম্পাপুরার একটি ফ্ল্যাটে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। নর্থইস্টের ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ (DCP) মিথুন কুমারের মতে, ইয়েলাহাঙ্কার জাক্কুর লেআউটে বসবাসকারী এবং সহকারা নগরের একটি জিমে কর্মরত নন্দন তাঁর তিন জিম-সহকর্মীর সঙ্গে তাঁদের ক্লায়েন্ট অনুশের বাড়িতে রাত কাটাতে গিয়েছিলেন।
নন্দনের সহকর্মী বিশ্বনাথ, শরৎ এবং নিশান্তও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন অনুশ। শনিবার রাতে জিমে বার্ষিকী উদ্যাপনের পর দলটি ওই ফ্ল্যাটে গিয়েছিল। সকাল ৭:০০টা থেকে ৭:৩০টার মধ্যে ব্যক্তিগত মতপার্থক্য ক্রমে হিংসাত্মক রূপ নিলে বচসা শুরু হয় বলে জানা গেছে।
## হতাহত ও গ্রেফতার
শারীরিক সংঘর্ষের সময় নন্দন গুরুতরভাবে আহত হন। তাঁকে দ্রুত হেব্বালের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা সত্ত্বেও তিনি আঘাতের কারণে মারা যান। বিশ্বনাথ এবং শরৎ সামান্য আহত হন।
পুলিশ চার অভিযুক্তকে বিশ্বনাথ, শরৎ, নিশান্ত এবং অনুশ হিসেবে শনাক্ত করেছে। বিশ্বনাথ, শরৎ এবং নিশান্ত নন্দনের সঙ্গে একই জিমে কাজ করতেন, আর অনুশ ছিলেন তাঁদের ক্লায়েন্ট ও প্রশিক্ষণার্থী। বিশ্বনাথ অনুশের ব্যক্তিগত প্রশিক্ষকও ছিলেন।
## তদন্ত শুরু
হত্যার অভিযোগে অমৃতহল্লি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ব্যক্তিগত বিষয়কে কেন্দ্র করেই এই মারামারির সূত্রপাত হয়েছিল।
ডেপুটি কমিশনার মিথুন কুমার জানিয়েছেন, ঘটনাটির সময়ক্রম পুনর্গঠন এবং হামলার উদ্দেশ্য নির্ধারণের জন্য পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করছে। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
—
একটি ব্যক্তিগত বৈঠক কীভাবে মর্মান্তিক ঘটনায় পরিণত হল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বিবাদের সম্পূর্ণ কারণ এখনও তদন্তাধীন।
This article is AI-generated content. Please verify the information independently before taking any action based on this article.