Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘স্ক্রিনে শিশুদের আসক্তি, ঢাকায় ‘নীরব মহামারি”

পত্রিকা: ‘স্ক্রিনে শিশুদের আসক্তি, ঢাকায় ‘নীরব মহামারি”

11
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।

Published এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান খবর— The hidden pandemic in Dhaka’s homes: Children glued to screens; অর্থাৎ স্ক্রিনে শিশুদের আসক্তি, ঢাকায় ‘নীরব মহামারি’। এই খবর আজ শুক্রবার ঢাকার বেশিরভাগ দৈনিকের প্রথম পাতায় গুরুত্ব পেয়েছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, ঢাকার স্কুলপড়ুয়া শিশুরা প্রতিদিন গড়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা সময় কাটাচ্ছে ডিজিটাল স্ক্রিনে। যা শিশুদের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দিনে সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা স্ক্রিন টাইমের সুপারিশের চেয়ে বেশি।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) গবেষণায় এ তথ্য ওঠে এসেছে।

আইসিডিডিআর,বির সহকারী বিজ্ঞানী ও গবেষক শাহ্‌রিয়া হাফিজ কাকন বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারির সময় শিক্ষা ও সামাজিক যোগাযোগের প্রয়োজনেই শিশুদের হাতে ডিজিটাল ডিভাইস তুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মহামারি শেষ হওয়ার পরও সেই নির্ভরতা কমেনি। বরং এখন তা এক ধরনের আসক্তিতে রূপ নিয়েছে।

গবেষণায় শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক নানা প্রভাবের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।

এ নিয়ে শাহ্‌রিয়া হাফিজ কাকন আরও বললেন, ‘চোখের সমস্যা বাড়ছে, মানসিক সমস্যার হারও ধরা পড়েছে। এই বয়সে শিশুদের মস্তিষ্ক বিকশিত হয়। এই সময়ে অতিরিক্ত স্ক্রিন এক্সপোজার ভবিষ্যতে আরও জটিল সমস্যা তৈরি করতে পারে।’

দুই বছর ধরে ঢাকার ছয়টি স্কুলের ছয় থেকে ১৪ বছর বয়সী ৪২০ জন শিশুর ওপর এই গবেষণা করা হয়।

দ্য ডেইলি স্টার

এতে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা দুদক অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে যাওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশন আইন নতুন করে সংশোধনের খসড়া করছে দুদক।

এতে দেশের বাইরে থেকে বাংলাদেশে দুর্নীতি, অর্থপাচার বা দুদক আইনের তফসিলভুক্ত অপরাধ সংঘটন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নাগরিক হোন বা না হোন, তাকে আইনের আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

গোপনীয় অনুসন্ধান, এনফোর্সমেন্ট অভিযান, গোয়েন্দা কার্যক্রম, এজাহার দায়ের, সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং কমিশনশূন্য অবস্থায় সচিবের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও খসড়ায় যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে।

সংবাদ

নিউ এইজের শেষের পাতার খবর— Local polls may start in Oct: EC; অর্থাৎ নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, অক্টোবরে স্থানীয় নির্বাচন শুরু হতে পারে।

এই খবরে বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে না দিলেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাসুদ জানালেন, আগামী অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে। যদিও এখন পর্যন্ত তারা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বার্তা পায়নি।

তিনি বলেছেন, এই নির্বাচন আয়োজনে শুরুতে সিটি কর্পোরেশনগুলো অগ্রাধিকার নাও পেতে পারে; উপজেলা বা পৌরসভা দিয়ে শুরু হতে পারে প্রক্রিয়াটি।

অধিক ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে আবহাওয়া, পরীক্ষা এবং অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ভোটের সময়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান এই নির্বাচন কমিশনার।

এদিকে, জামায়াত ও এনসিপির অভিযোগ, সরকার ইতোমধ্যে সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে নির্বাচন বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে।

অন্যদিকে, স্থানীয় সরকার বিষয়ক মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ৫ই মে বলেছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে সব স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।

নিউ এইজ

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন জেলায় বিএডিসির সরবরাহ করা ব্রি- ৮৮ এর বীজের সঙ্গে ব্রি-৯২ জাতের ধানের মিশ্রণ ঘটেছে। আর এটা ঘটেছে চুয়াডাঙ্গায় বিএডিসির বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে।

এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের জড়িত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়ার কথা জানালেন বিএডিসির মহাব্যবস্থাপকের (বীজ) দপ্তরের গবেষণা সেলের যুগ্ম পরিচালক ড. মো. নাজমুল ইসলাম।

কৃষি কর্মকর্তারা জানান, ব্রি-৮৮ ধান পাকতে সময় লাগে ১৪০ থেকে ১৪৫ দিন। আর ব্রি-৯২ পাকতে সময় লাগে ১৫০ থেকে ১৫৬ দিন।

হাওর অঞ্চলে কৃষক যাতে তুলনামূলক আগে ফসল তুলতে পারেন, সে জন্য ব্রি-৮৮ লাগানো হয়। কারণ সেখানে এক সপ্তাহ-দশ দিনের ব্যবধানে ফসলডুবির মতো বড় বিপর্যয় অতীতে ঘটেছে।

এবারও এক সপ্তাহ সময় পেলে কৃষক নিরাপদে ধান ঘরে তুলতে পারত।

সমকাল

স্থানীয় নির্বাচনে একক পথে জামায়াত, ১২ সিটিতে প্রার্থী চূড়ান্ত— প্রথম আলোর প্রথম পাতার সংবাদ এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন জোটগতভাবে করলেও সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিজেদের শক্তিতেই করতে চাইছে জামায়াত।

সেই পরিকল্পনা নিয়ে ১২টি সিটি করপোরেশনে ১২ জন মেয়র পদপ্রার্থী ঠিকও করে ফেলেছে দলটি।

একসময় শুধু রুকনদের (শপথধারী কর্মী) দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হলেও এখন সেই নীতিতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে বলে দলটির সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও একই নীতি অনুসরণ করা হতে পারে।

এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে তরুণ নেতৃত্বকে। ২০২৪ সালের ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সামনে আনতে চায় জামায়াত।

এই পরিকল্পনায় রাখা হয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতাদেরও।

প্রথম আলো

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উপকূলে আবার জলদস্যুদের উৎপাত শুরু হয়েছে। যারা অস্ত্র জমা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছিল, তাদের অনেকেই আবার দস্যুপনায় ফিরে এসেছে।

এতে সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরে নতুন করে দেখা দিয়েছে অপহরণ ও মুক্তিপণ আতঙ্ক।

২০১৬ সালে দলবল নিয়ে ৩২টি জলদস্যু বাহিনী র‍্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করে। বছর পাঁচেক ভালোই ছিল তারা। ভালো ছিল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও। কিন্তু আর্থিক সুবিধা না পেয়ে অনেকেই আবার চলে যায় পুরনো কর্মযজ্ঞে!

এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে জেলে-মাঝিসহ সাধারণ লোকজনের মাঝে।

পুলিশ ও র‍্যাবের কপালেও চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। ইতোমধ্যে জলদস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বিশেষ বার্তা পাঠিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

দেশ রূপান্তর

এই খবরে বলা হচ্ছে, নদী গবেষকরা বলছেন, আগামী এক দশকে পদ্মার গতিপথে আরো বদল আসবে।

নদীটি এখন আগের তুলনায় বেশি আঁকাবাঁকা ও বহু শাখায় বিভক্ত হয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

প্রাকৃতিক কারণের পাশাপাশি পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রভাবেও নদীর গতিপথ ও গঠন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এর ফলে কোথাও তীব্র নদীভাঙন, আবার কোথাও দ্রুত পলি জমে নতুন চর সৃষ্টি হচ্ছে।

বিভিন্ন সময় পদ্মার ভাঙনের ধরন নিয়ে স্যাটেলাইট ইমেজভিত্তিক একাধিক গবেষণা বিশ্লেষণে দেখা যায়, পদ্মার ভাঙন ও চর জাগার প্রবণতা প্রায় সমান। কখনো কখনো চর জাগার পরিমাণ বেশিও দেখা গেছে।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০৫ থেকে ২০২৫— এ দুই দশকের মধ্যে পদ্মা নদীর ভাঙন সবচেয়ে তীব্র ছিল ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত। মূলত এ সময়কালে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ চলমান ছিল।

সেতু নির্মাণের আগে এবং সেতু নির্মাণের পর পদ্মার ভাঙন ও চর জাগার প্রবণতা তুলনামূলক কম ছিল বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

বণিক বার্তা

এই খবরে বলা হচ্ছে, সরকার এবার এমন এক বাজেটের পথে এগোচ্ছে, যেখানে প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লক্ষ্যকে সামনে রেখে বড় ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আবার সেই ব্যয় নিয়ন্ত্রণেও রাখা হচ্ছে বাড়তি সতর্কতা।

অর্থাৎ একদিকে নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের চাপ, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাগুলোর চাওয়া অনুযায়ী আর্থিক শৃঙ্খলা ও সংস্কার কার্যক্রমের বাধ্যবাধকতা— দুই বাস্তবতাকেই একসঙ্গে সামাল দেওয়ার চেষ্টা থাকছে সম্ভাব্য বাজেটে।

তবে এই সংযমের মধ্যেও জনকল্যাণের কিছু খাতে ছাড় দিচ্ছে সরকার। বিশেষ করে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ সহায়তার মতো ব্যয়ে আন্তর্জাতিক চাপ পুরোপুরি মানা হচ্ছে না।

বরং মূল্যস্ফীতি ও জনজীবনের চাপ বিবেচনায় এসব খাতে ব্যয় অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত মিলছে পরিচালন ব্যয়ের প্রাথমিক কাঠামোতেই।

একই সঙ্গে সাধারণের ওপর নতুন করের চাপও সীমিত রাখার রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই ব্যয় কমিয়ে কৃচ্ছ্রসাধনের পথে পুরোপুরি যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আবার বেপরোয়া সম্প্রসারণও করা যাচ্ছে না।

আজকের পত্রিকা

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম পাতার খবর— Vulnerable homes fuel measles surge; অর্থাৎ ঘনবসতিপূর্ণ ঘরবাড়িতে বাড়ছে হামের প্রকোপ।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে হামের প্রকোপ দিন দিন আশঙ্কাজনক হয়ে উঠছে। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ ঘরবাড়িতে আক্রান্ত শিশুদের মাধ্যমে তাদের ভাইবোন এবং খেলার সাথীদের মধ্যে এই ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

চিকিৎসকদের বারবার সতর্কবার্তা সত্ত্বেও সচেতনতার অভাব, আর্থিক অনটন কিংবা গাদাগাদি করে থাকার কারণে অনেক পরিবার সুস্থ শিশুদের অসুস্থদের থেকে দূরে রাখতে পারছে না।

ঘরবাড়িগুলোই এখন সংক্রমণের প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা।

এছাড়া, অনেক বাবা-মা আক্রান্ত শিশুর পাশাপাশি সুস্থ শিশুদেরও সাথে নিয়ে হাসপাতালে আসছেন। কারণ, বাড়িতে তাদের দেখাশোনা করার মতো কেউ নেই।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, হাম পৃথিবীর অন্যতম সংক্রামক রোগ। এটি আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি, হাঁচি বা নিশ্বাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

একজন আক্রান্ত ব্যক্তি ১২ থেকে ১৮ জন সুস্থ মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে।

বিশেষ করে যেসব শিশু বা গর্ভবতী নারী টিকা নেননি, তারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে থাকেন।

টাইমস অব বাংলাদেশ

এই খবরে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বড় অঙ্কের ঋণ বিতরণ নীতিমালা শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

পাশাপাশি বড় অঙ্কের পরোক্ষ ঋণের (এলসি, ব্যাংক গ্যারান্টি ইত্যাদি) ক্ষেত্রে একক গ্রাহকের ঋণসীমা ও ঝুঁকি নিরূপণ পদ্ধতিও শিথিল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বেশকিছু ধারা নির্ধারিত এক থেকে সাড়ে তিন বছর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

ফলে নতুন নিয়মে ব্যাংকগুলো এখন থেকে কোনো একক ঋণগ্রহীতা বা শিল্পগ্রুপের নামে আরও বেশি পরিমাণে ঋণ বিতরণ করতে পারবে।

বৈশ্বিক ও দেশে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে শিল্প খাতকে সচল রাখা এবং ব্যবসায়িক অর্থায়নের ওপর চাপ কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ পদক্ষেপ নিয়েছে। যাতে উদ্যোক্তারা চাহিদা অনুযায়ী ব্যাংক থেকে ঋণের জোগান পেয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পারেন।

নীতিমালা অনুযায়ী আগে ব্যাংকগুলো তাদের মোট মূলধনের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ কোনো একক ঋণগ্রহীতা বা শিল্প গ্রুপকে নগদ ঋণ দিতে পারত। এখন নগদ ও প্রত্যক্ষ ঋণ মিলিয়ে মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ নিতে পারবেন।

যুগান্তর