Source : BBC NEWS
ছবির উৎস, Reuters
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই অর্থাৎ ২৮শে ফেব্রুয়ারির হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
এরপর দেশের নতুন সর্বোচ্চ নেতার নাম ঘোষণা করা হলেও ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কাঠামো এবং দেশটির ক্ষমতা আসলে কার হাতে রয়েছে, সে সম্পর্কে নানা আলোচনা রয়েছে।
বিবিসি ফার্সির সংবাদদাতা ঘোনচে হাবিবিয়াজাদ লিখেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অধিকারী হিসেবে পরিচিত।
তবে গত মার্চের শুরুতে নিযুক্ত হওয়ার পর থেকে তাকে এখনো জনসমক্ষে কিংবা সাম্প্রতিক কোনো ভিডিও বা ছবিতে দেখা যায়নি।
দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, আলোচনাকারীরা খামেনির ‘নির্দেশনা’ অনুযায়ী কাজ করছেন। তিনি সরাসরি আলোচনার বিষয়ে কোনো কথা বলেননি, তবে তার নামে প্রচারিত সাম্প্রতিক বার্তাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা করছে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের যে দলটি, তাতে পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের কালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে বেশ সক্রিয় ও প্রভাবশালী ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে।
কালিবাফের সাথে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
আইআরজিসির প্রভাব কেবল একটি প্রথাগত সামরিক বাহিনীর ভূমিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিশেষ করে যুদ্ধকালীন সময়ে।
যদিও আইআরজিসি যুদ্ধে তাদের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাকে হারিয়েছে, তবুও তারা প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন সরকারের পাশাপাশি একটি সমান্তরাল সরকার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
পেজেশকিয়ান নিয়মিত বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছেন, তবে তার হাতে আসলে কতটুকু ক্ষমতা রয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন রয়ে যায়।



