Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘বিদ্যুতের দাম বাড়ছে’

পত্রিকা: ‘বিদ্যুতের দাম বাড়ছে’

27
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা- দুই স্তরেই মূল্য পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার ইতালি থেকে বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। দেশে অকটেনের মজুত বাড়লেও সরবরাহ কমেছে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত আজকের সংবাদপত্রগুলোতে এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে।

খবরে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকায় বাংলাদেশেও ফার্নেস অয়েলের দাম ইতিমধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যয় বেড়েছে, পাশাপাশি সরকারের ভর্তুকির বোঝাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই পরিস্থিতি সামাল দিতে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা- দুই স্তরেই মূল্য পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অর্থমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে গঠিত এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী এবং বাণিজ্যমন্ত্রী।

পাশাপাশি অর্থ বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিবরাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ বিদ্যুৎ খাতে নতুন মূল্য সমন্বয়ের স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করছে।

নয়াদিগন্ত

খবরে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার ইতালি থেকে বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। আগামী ২০শে এপ্রিল ৩০ বাংলাদেশিকে চার্টার্ড ফ্লাইটে ফেরত পাঠানোর কথা।

ইতালি সরকার ইতিমধ্যে এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি দিয়েছে। গতকাল সোমবার ইমিগ্রেশন পুলিশের একটি সূত্র থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে। এর আগেও ইতালি থেকে বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।

অবৈধ অভিবাসন, অপরাধে জড়ানোর অভিযোগ, ভূ-রাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বেশ কিছু দেশের ভিসায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

আবার ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়মের কারণেও বাংলাদেশিদের জন্য তৈরি হয়েছে ভিসা জটিলতা। ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে মানব পাচারের ঘটনাও ঘটছে।

গত ৮ই এপ্রিল কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ ইউরোপের ১৩টি দেশ বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে একটি নির্দেশনা পাঠিয়েছে।

 সমকাল

‘অকটেনের মজুত বাড়ছে, কমেছে সরবরাহ, ভোগান্তি’ প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, অকটেন নিয়ে এ মাসের শুরুতেই দেশে এসেছে একটি জাহাজ, আসছে আরেকটি। দেশীয় উৎস থেকেও বেড়েছে উৎপাদন।

অথচ গত মাসের তুলনায় বাজারে অকটেনের সরবরাহ কমেছে। গত বছরের এপ্রিলের তুলনায়ও সরবরাহ কম। এতে ফিলিং স্টেশনের লাইন আরও দীর্ঘ হচ্ছে, বাড়ছে মানুষের ভোগান্তি।

জ্বালানি তেল আমদানি ও সরবরাহের সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। তিন বিপণন কোম্পানি-পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার ডিলারদের মাধ্যমে তেল বিক্রি করে তারা।

সংস্থাটির তথ্য বলছে, গত বছরের মার্চে প্রতিদিন গড়ে অকটেন বিক্রি করা হয়েছে ১ হাজার ১৯৩ টন। গত বছরের তুলনায় এবার মার্চে দিনে গড়ে বিক্রি বেড়েছে ২৬ টন। তবে এপ্রিলে বিক্রি কমেছে ৪৯ টন। আর গত মাসের তুলনায় এ মাসে বিক্রি কমেছে ৮৩ টন।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, অর্থনৈতিক অস্থিরতার ছাপ এবারের পহেলা বৈশাখ উৎসব বাণিজ্যে। সীমিত আয়ের বিপরীতে জিনিসপত্রের বাড়তি দাম কেনাকাটায় কিছুটা মন্দাভাব নিয়ে এসেছে।

বৈশাখী বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম এবং কেনাকাটায় দেখা গেছে ভাটার টান। উৎসবের রং থাকলেও বাজারজুড়ে অনুপস্থিত সেই প্রত্যাশিত প্রাণচাঞ্চল্য, যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেখছেন অর্থনৈতিক চাপ ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার সরাসরি প্রতিফলন হিসেবে।

রাজধানীর নিউমার্কেট, বসুন্ধরা সিটি শপিং মল, আজিজ সুপার মার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, চাঁদনী চক এবং মিরপুর ও উত্তরার বিভিন্ন শপিং জোন ঘুরে একই চিত্র পাওয়া গেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, দোকানে ভিড় থাকলেও প্রকৃত ক্রেতার সংখ্যা কম। অনেকেই ঘুরে দেখছে, ছবি তুলছে, কিন্তু কেনাকাটায় আগ্রহ দেখাচ্ছে না। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের মধ্যে ব্যয় সংযমের প্রবণতা স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবসহ মানবসৃষ্ট নানা কারণে দেশে কমছে ইলিশ উৎপাদন।

দুই বছরের ব্যবধানে এ মাছের উৎপাদন ১২ দশমিক ৪৯ শতাংশ কমেছে, পরিমাণের হিসাবে যেটি ৭১ হাজার টনের বেশি।

দুই দশকের মধ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরে রেকর্ড ৫ লাখ ৭১ হাজার টনের বেশি ইলিশ উৎপাদন হয়েছিল। এরপর টানা দুই বছরে সেটি কমে গত অর্থবছরে পাঁচ লাখ টনে নেমে এসেছে।

বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, অতিরিক্ত ও বেআইনি আহরণ, ইলিশের অভয়াশ্রম ও প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস হওয়া, কারেন্ট জাল ব্যবহার, নদীতে চর, দূষণসহ সাগরে মৎস্য আহরণের নিষিদ্ধ সময়ের ক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘ ব্যবধানের কারণে এমনটি ঘটে থাকতে পারে।

বণিক বার্তা

খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশেই কিশোর গ্যাং এখন বিষফোড়া। গ্যাংগুলোর প্রকাশ্যে হত্যা, ছিনতাই, দখলসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এলাকায় এলাকায় সৃষ্টি করেছে আতঙ্ক।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রমতে, সারা দেশে কিশোর গ্যাং বর্তমানে ২৩৭ টি। এসব গ্যাংয়ের মোট সদস্য অন্তত ৫০ হাজার। নির্বাচনের পর কিশোর গ্যাংগুলো স্থানীয় রাজনীতিকদের আশ্রয় পাওয়ার চেষ্টায় রয়েছে।

পুলিশের তথ্য বলছে, দেশে বর্তমানে মোট অপরাধের ৪০ শতাংশের সঙ্গে কিশোর অপরাধীরা জড়িত। এসব অপরাধের মধ্যে ছিনতাই, অপহরণ, খুন, মাদক, দখল, চুরি, ডাকাতি, হুমকি ও ইভ টিজিং উল্লেখযোগ্য। কিশোর গ্যাংয়ের নৃশংসতা আঁতকে দিচ্ছে মানুষকে।

গত রোববার বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজারে প্রকাশ্যে অ্যালেক্স ইমন নামের এক কিশোর গ্যাং লিডারকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষ গ্যাংয়ের সদস্যরা।

আজকের পত্রিকা

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের অর্থনীতি আগে থেকেই মন্দায় আক্রান্ত। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে এ মন্দা আরও প্রকট হয়েছে। এতে একদিকে ভোক্তার আয় কমেছে, অন্যদিকে যুদ্ধের প্রভাবে পরিবহণ খচরসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। এতে কঠিন চাপের মুখে পড়েছে ভোক্তা।

বিশেষ করে মধ্যবিত্তের অবস্থা এখন সবচেয়ে নাজুক পরিস্থিতিতে রয়েছে। বিভিন্ন খাতে খরচ কমিয়ে বাধ্য হয়ে তাদের জীবনযাত্রার মান কমাতে হচ্ছে।

এদিকে মার্চে যুদ্ধ, রোজা ও ঈদের প্রভাবে পণ্যমূল্য বাড়লেও সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদন থেকে দেখা গেছে, মার্চে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে। তবে এখনো মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বাড়ার হার কম।

এদিকে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও ঋণ প্রবাহ সর্বনিম্নে পৌঁছেছে। এতে নতুন কর্মসংস্থান যেমন হচ্ছে না, তেমনি বিদ্যমান কর্মও ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

যুগান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানি বন্দরে অবরোধ কার্যকর করেছে মার্কিন নৌবাহিনী। গতকাল স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

এ সপ্তাহের শুরুতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে সংলাপ ভেস্তে যাওয়ার পর এই পদক্ষেপ নিয়েছে ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের এমন পদক্ষেপ হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এখন মূলত যুদ্ধটা হবে এই হরমুজ নিয়েই। কেননা, যুক্তরাষ্ট্রের এই অবরোধের জবাবে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।

দেশটির সশস্ত্রবাহিনীর সদর দপ্তর বলেছে, উপসাগরীয় অঞ্চল এবং ওমান সাগরের নিরাপত্তা হয় সবার জন্য হবে, অন্যথায় তা কারও জন্যই নয়। পাশাপাশি ইরানের বন্দরে হামলা হলে আঞ্চলিক সব বন্দরে পাল্টা হামলা চালানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তেহরান।

মানবজমিন

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘NHRC ORDINANCES: Govt’s rationale for repeal flawed ‘ অর্থাৎ ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিলের পক্ষে সরকারের যুক্তি ত্রুটিপূর্ণ’

খবরে বলা হচ্ছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদ্যবিদায়ী কমিশনাররা অভিযোগ করেছেন, কমিশন-সংক্রান্ত অধ্যাদেশগুলো বাতিলের ন্যায্যতা প্রমাণের জন্য সরকার সংসদে ভুল তথ্য উপস্থাপন করেছে।

একটি খোলা চিঠিতে তারা বলেছেন, এই আইন বাতিলের পেছনে সরকারের আসল উদ্দেশ্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা খর্ব করা। তারা সতর্ক করে বলেছেন , এই পদক্ষেপ গুমের শিকার ব্যক্তি ও জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।

তারা আরও বলেছেন, ২০০৯ সালের মানবাধিকার কমিশন আইন বহাল করলে, নিজেদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করার সুযোগ পাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

যোগাযোগ করা হলে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, খোলা চিঠিতে উত্থাপিত সব বিষয় ভুল ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

দ্য ডেইলি স্টার

নিউ এইজের শিরোনাম ‘Staff shortage keeps 50pc ICU beds idle’ অর্থাৎ ‘জনবল সংকটের কারণে ৫০ শতাংশ আইসিইউ বেড ব্যবহার হচ্ছে না’।

খবরে বলা হচ্ছে, করোনা মহামারীর পর বাংলাদেশে নিবিড় পরিচর্যা পরিকাঠামো বাড়ানো হলেও জীবনরক্ষাকারী সেবায় রূপান্তরিত হতে ব্যর্থ হয়েছে। মূলত জনবলের ঘাটতির কারণে দেশের

নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটের (আইসিইউ) অধিকাংশ শয্যাই অব্যবহৃত পড়ে আছে। অথচ গুরুতর অসুস্থ রোগীরা এ ধরনের চিকিৎসার অপেক্ষায় থেকেও মারা যাচ্ছেন।

চলমান হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে সংকটটি প্রকট হয়ে উঠেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ১৫ই মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৫৬টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমিত হয়েছে ১৭ হাজারেরও বেশি শিশু। এটি স্বাস্থ্য খাতের পরিকল্পনা ও জবাবদিহিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে ৭২টি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১ হাজার ৩৭২টি আইসিইউ বেড এবং ৫১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১ হাজার ৫৪টি সিসিইউ বেড রয়েছে। যা কোভিড-পূর্ববর্তী ৪৯৮টি আইসিইউ বেডের প্রায় তিনগুণ।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, জনবলের তীব্র ঘাটতি, রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এই আইসিইউ বেডগুলোর অর্ধেকেরও বেশি অব্যবহৃত থেকে যাচ্ছে।

নিউ এইজ