Source : BBC NEWS

এক ঘন্টা আগে
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
গণভোটের প্রচারে বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। হামে আক্রান্ত শিশুদের জন্য আইসিইউ খুঁজতে খুঁজতে অনেক শিশু মারা যাচ্ছে। পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশ। ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রে এসব খবর গুরুত্ব দিয়ে ছাপা হয়েছে।
খবরে বলা হচ্ছে, গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ১ কোটি টাকা অনুদান পেয়েছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সেই অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র সিনথিয়া জাহীন আয়েশা।
অন্যদিকে ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিল থেকে দেশের নাগরিক সংগঠন ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’ বা ‘সুজন’ আড়াই কোটি টাকার অনুদান পেয়েছিল।
আর এ তহবিল থেকে বিতর্ক সংগঠন ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’ও ২০ লাখ টাকা অনুদান পেয়েছিল। তবে এই টাকা কীভাবে এসেছে এবং ব্যয় হয়েছে কীভাবে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক পক্ষের নেতারা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ বিতর্ক চলছে। প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই খাতে অর্থ দিতে পারে কিনা প্রশ্ন উঠায় এ বিষয়ে অডিট তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সাধারণত বঞ্চিত ও অনগ্রসর মানুষের সামাজিক ও শিক্ষামূলক উন্নয়নে দেশের ব্যাংকগুলোর করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার (সিএসআর) অর্থ ব্যয় হতো।

নিউ এইজের শিরোনাম ‘Suicide among police members rising’ অর্থাৎ ‘পুলিশ সদস্যদের মধ্যে আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে’।
খবরে বলা হচ্ছে, অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা, নিম্নমানের জীবনযাপন, আর্থিক সংকট এবং পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্যহীনতার কারণে নিম্নস্তরের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ২৬শে এপ্রিল পর্যন্ত ১৬ বছরে মোট ১২৪ জন পুলিশ সদস্য আত্মহত্যা করেছেন। যাদের অধিকাংশই কনস্টেবল থেকে সহকারী উপ-পরিদর্শক।
তাদের মধ্যে ২০২৫ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ২৬শে এপ্রিল পর্যন্ত ২০ জন আত্মহত্যা করেছে। শুধু ২০২৬ সালেই এখন পর্যন্ত সাতজন আত্মহত্যা করেছেন।
এই বিষয়ে কনস্টেবল থেকে শুরু করে পুলিশ সুপার পর্যন্ত বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছে নিউ এইজ।
তারা এই দুর্দশার কারণ হিসেবে অতিরিক্ত কাজের চাপ, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন পরিবেশ, পারিবারিক ও পেশাগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা, পারিবারিক কলহ এবং আর্থিক সংকটের কথা উল্লেখ করেছেন।

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Teknaf to Tentulia economic corridor on the horizon’ অর্থাৎ ‘টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া অর্থনৈতিক করিডর হচ্ছে।’
খবরে বলা হচ্ছে, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত একটি প্রধান অর্থনৈতিক করিডর নির্মাণের জন্য প্রায় ৭৯ বিলিয়ন ডলারের একটি ২০ বছর মেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রস্তাব করা হয়েছে। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ঢাকা ও চট্টগ্রামের যানজট কমানোর লক্ষ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এই প্রস্তাব করেছে।
‘উত্তর-পশ্চিম ঢাকা দক্ষিণ-পূর্ব অর্থনৈতিক করিডর’ শীর্ষক এই পরিকল্পনায় প্রথম তিন বছরে ২০ বিলিয়ন ডলার। পরবর্তী সাত বছরে ৪৫ বিলিয়ন ডলার এবং শেষ দশকে বাকি অর্থ বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছে।
প্রস্তাবিত করিডরটি মাতারবাড়ী, চট্টগ্রাম, মিরসরাই, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ, গাজীপুর, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং তেঁতুলিয়াকে সংযুক্ত করবে। উন্নয়ন কার্যক্রম ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত হবে। যা পার্শ্ববর্তী ৪৪টি জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।

‘আইসিইউ খুঁজতে খুঁজতে নিভে যায় শিশুদের প্রাণ’ প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, নাটোরের সোহাগ কুমার আর বন্দনা রানীর ঘরে প্রথম সন্তান এসেছিল মাত্র ছয় মাস আগে। ছোট্ট গৌরী-যার কান্না, হাসি আর নড়াচড়ায় ভরে উঠেছিল পুরো ঘর। কিন্তু সেই ঘরই এখন নিঃশব্দ।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ঢোকার অপেক্ষায় থাকতে থাকতে একসময় থেমে যায় গৌরীর শ্বাস। ১৮ এপ্রিল হাসপাতালের, হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে মৃত্যু হয় শিশুটির।
গৌরীর বাবা সোহাগ কুমার ২০ এপ্রিল মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আইসিইউতে ভর্তির জন্য যখন সিরিয়াল পাওয়া গেল, ততক্ষণে আমার গৌরী আর নাই। আমি চেষ্টা করলাম, ডাক্তাররা চেষ্টা করলেন। কিন্তু আইসিইউতে যারা ভর্তি ছিল, তাদের সবার অবস্থাই খারাপ ছিল। সিরিয়াল তো আর ভাঙা যাবে না। সরকার যদি পারে আইসিইউর শয্যা বাড়াক।’
গৌরীর মতো অনেক শিশুর বাবা-মায়েরা চিকিৎসকের পরামর্শে যখন পিআইসিইউ শয্যার খোঁজে, তখন তাঁরা পাচ্ছেন সন্তানের মৃত্যুসংবাদ। পিআইসিইউর সংকট নতুন করে সামনে এসেছে হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে।
বিভিন্ন ঘটনা জানা যাচ্ছে, যেখানে শিশুদেরকে জরুরিভাবে পিআইসিইউতে নেওয়ার জন্য চিকিৎসকেরা পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু শয্যা খালি পাওয়া যাচ্ছে না।

খবরে বলা হচ্ছে, পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন তামাম দুনিয়ায় অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি প্রক্রিয়া। ৩৩তম দেশ হিসেবে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হলো বাংলাদেশ।
পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লিপাত্রে গতকাল মঙ্গলবার জ্বালানি বা ইউরেনিয়াম প্রবেশ করানোর মাধ্যমে শুরু হয়েছে যাত্রা। সবার আশা, নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার ধাপ পেরিয়ে আগামী ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণাঙ্গ বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে পারে কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটটি।
আর্থিক বিবেচনায় বাংলাদেশের একক প্রকল্প হিসেবে সবচেয়ে বড় এটি। এখানে আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সব সহযোগিতা করছে রাশিয়া। প্রায় এক লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পের ৯০ শতাংশ অর্থ ঋণ দিচ্ছে রাশিয়া, যেটি ২৮ বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রটির স্বাভাবিক আয়ুষ্কাল ৬০ বছর। এই সময়ে এখান থেকে মিলবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। তবে প্রয়োজনীয় মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ সাপেক্ষে আরও ৩০ বছর পর্যন্ত কেন্দ্রটির আয়ু বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। কেন্দ্রটিতে একবার জ্বালানি লোড করার পর তা দিয়ে চলবে টানা দেড় বছর।

খবরে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য ফজলুর রহমানের দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়েছে।
মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বিরোধী দলের সদস্যদের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে তাঁর দেওয়া বক্তব্যের সময় দফায় দফায় বিরোধী দলের প্রতিবাদে অধিবেশনে অচলাবস্থার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্পিকারকে একাধিকবার হস্তক্ষেপ করতে হয় এবং সংসদীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহবান জানাতে দেখা যায়।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে ‘চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থান’-এর তুলনা প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফজলুর রহমান।
তিনি বিরোধীদলীয় নেতা শহীদ পরিবারের সদস্য উল্লেখ করে বলেন, শহীদ পরিবারের কোনো সদস্যের জামায়াতে ইসলামী করা ‘ডবল অপরাধ’।

খবরে বলা হচ্ছে, বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী ইশতাহারে ‘মেধাভিত্তিক’ জনপ্রশাসন বা মেরিটোক্রেসি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ ছিল।
মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র গড়ে তোলার ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।
তবে দীর্ঘদিন ধরে দলীয় আনুগত্য ও রাজনীতিঘনিষ্ঠ প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কৃতি গড়ে ওঠায় মেধাকে প্রাধান্য দিয়ে প্রশাসন সাজাতে বর্তমান বিএনপি সরকারকে বেগ পেতে হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সরকারের দায়িত্বশীলরাও বলছেন, অতীতের দলীয়করণের সংস্কৃতির কারণে তাদের জন্য কাজটি সহজ হচ্ছে না।
সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, প্রশাসন পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল এবং বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তাদের রদবদল শুরু হয়েছে। তবে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের জন্য উপযুক্ত কর্মকর্তা বাছাই নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা।
জানা গেছে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে কর্মকর্তাদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করা হলেও বার্ষিক গোপনীয় অনুবেদন (এসিআর) সন্তোষজনক না হওয়ায় সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে ইতিবাচক সাড়া মিলছে না।

খবরে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের কালো ছায়া পড়েছে বিশ্বের দেশে দেশে। নানা সংকটে পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। বাংলাদেশও এর বাইরে নেই।
অনিশ্চয়তার ছাপ এসে পড়েছে দেশের অর্থনীতির প্রতিটি খাতে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে পরিবহন ব্যয় থেকে বাজারদর, শিল্প উৎপাদন থেকে আমদানি-রপ্তানিতে। সব জায়গায় বেড়ে যাচ্ছে ব্যয়। আর তাতে শেষ পর্যন্ত ভুগতে হচ্ছে মানুষকেই।
অর্থনীতির এই অবস্থা নিয়ে এরই মধ্যে সতর্ক করেছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি বলছে, যুদ্ধকেন্দ্রিক সংকটের কারণে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৯ শতাংশে নেমে আসতে পারে। পাশাপাশি প্রায় ১২ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচেই থেকে যেতে পারে।

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের ‘ব্যাংক রেজ্যুলেশন অধ্যাদেশ।’ কিন্তু অধ্যাদেশটিতে সংশোধনী এনে রীতিমতো ব্যাংক লুটেরাদের ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। চলতি সংসদে এই আইন পাশ করা হয়।
এর ফলে অতীতে যারা ব্যাংক লুট করেছে, তাদের কাছে ব্যাংকের মালিকানা অনেকটা সহজ শর্তে ফিরে যাবে। ধসেপড়া ব্যাংকগুলোর আর সোজা হয়ে দাঁড়ানোর কোনো পথ খোলা থাকবে না। এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত আমানতকারীরা আরও বিপদের মুখে পড়বেন।
যুগান্তরের কাছে এমন আশঙ্কা জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।
তারা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে রাষ্ট্র সংস্কারে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে-তার মধ্যে এ অধ্যাদেশটি ছিল অনেকটা আশার বাতিঘর। কিন্তু বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে যেভাবে সংশোধন করে আইন পাশ করেছে তাতে তারা একেবারে হতাশ।

খবরে বলা হচ্ছে, গণ-অভ্যুত্থানের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদ ভেঙে দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার।
বর্তমানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রশাসক পদে আমলাদের সরিয়ে দলীয় নেতাদের নিয়োগ দিলেও নির্বাচনের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই।
স্থানীয় সরকার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, ১২টি সিটি করপোরেশনসহ এক হাজার ৪০০-এর বেশি স্থানীয় প্রতিষ্ঠান এখন পুরোপুরি নির্বাচন উপযোগী হয়ে আছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এসব প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন আয়োজনে কোনো আইনগত বাধা, সীমানা বিরোধ বা মামলাজনিত জটিলতা নেই। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে আইন নির্ধারিত সময়সীমাও পার হয়ে গেছে।




