Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘জঙ্গি হামলার শঙ্কা, ৮ বিমানবন্দরে হাই অ্যালার্ট’

পত্রিকা: ‘জঙ্গি হামলার শঙ্কা, ৮ বিমানবন্দরে হাই অ্যালার্ট’

10
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

জঙ্গি হামলার সম্ভাব্য হুমকি গোয়েন্দা নজরে আসায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার পাশাপাশি ৮টি বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বিশেষ করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নজরদারি ও নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ সদরদপ্তরের নির্দেশনার পর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেয়।

বিমানবন্দরগুলোতে পোশাকে ও সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। যাত্রী, যানবাহন ও আগতদের তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলেই দ্রুত জানাতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলো সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে, যদিও এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট হুমকি পাওয়া যায়নি।

মানবজমিন
কালের কণ্ঠ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী জনগণের রায় ও জুলাই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। কিন্তু জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা সফল হবে না। বিএনপি সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই কাজ করছে এবং জুলাই সনদের প্রতিটি শর্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিএনপির কাছে কী কী অগ্রাধিকার, আপনাদের সামনে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরতে চাই। বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল মিলে আমরা সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ সই করেছি। বাংলাদেশের মানুষ ভোটের মাধ্যমে রায় দিয়েছে যে যেই জুলাই সনদ সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সই করা হয়েছে, সেই জুলাই সনদ পাস করতে হবে।”

“সে জন্যই আমরা বলেছি যে যেই জুলাই সনদ আমরা দক্ষিণ প্লাজায় সই করেছি, সেই জুলাই সনদের প্রত্যেকটি শর্ত প্রত্যেকটি লাইন ইনশাআল্লাহ বিএনপি সংসদে পাস করবে।”

গতকাল সোমবার বিকেলে যশোর ঈদগাহ ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বণিক বার্তা

দেশের সমুদ্রসীমার ব্লক-১৮ এলাকায় টেকনাফ, সেন্ট মার্টিন ও কোরাল দ্বীপ ঘিরে প্রায় ৬ টিসিএফ গ্যাসের সম্ভাবনা পাওয়া গেছে গবেষণায়। এর আগেও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় এ অঞ্চলে বড় গ্যাস মজুদের ইঙ্গিত মিলেছিল।

দেশের গভীর ও অগভীর সাগরে মোট ২৬টি গ্যাস ব্লক রয়েছে। এর মধ্যে পূর্বাঞ্চলীয় ব্লক-৮ থেকে ব্লক-১৮ প্রবল সম্ভাবনাময় এলাকা হিসেবে বিবেচিত। সাগরে বিদেশি বেশ কয়েকটি কোম্পানি ইজারা নিলেও পরবর্তী সময়ে নানা কারণে তারা ব্লক ছেড়ে চলে যায়।

মার্কিন প্রতিষ্ঠান ব্লক ১৮-তে গ্যাসের সম্ভাব্যতার যে তথ্য দিয়েছিল, সেসব তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গ্যাসের বাড়তি সম্ভাব্যতার তথ্যও উঠে আসছে গবেষণায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এ সম্ভাবনা থাকলেও বড় পরিসরে অনুসন্ধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে দেশ আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। তবে এখন নতুন করে অফশোর এলাকায় গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের প্রস্তুতি নিচ্ছে পেট্রোবাংলা।

আজকের পত্রিকা

অব্যবহৃত ও ঝামেলামুক্ত জমি কাজে লাগিয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ রেলওয়ে। এ জন্য অন্তত ১০ একর একসঙ্গে থাকা জমি চিহ্নিত করে বিনিয়োগকারীদের দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ইতোমধ্যে উপযুক্ত জমি খোঁজার কাজ শুরু হয়েছে এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রকল্পের কাঠামো ঠিক করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে অব্যবহৃত জমি থেকে আয় বাড়বে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে অবদান রাখবে।

তবে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি, স্বচ্ছতা ও রেলের ভবিষ্যৎ প্রয়োজন বিবেচনায় না নিলে ঝুঁকিও থাকতে পারে। বর্তমানে রেলের বড় অংশ জমি অব্যবহৃত বা দখলে থাকায় সেগুলো কার্যকরভাবে ব্যবহারের সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে এই উদ্যোগকে।

প্রথম আলো

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, হামে আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে সাধারণত পাঁচ ধরনের গুরুতর জটিলতা দেখা দেয়, যা অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণও হতে পারে। শিশু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম শিশুদের শরীরে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করতে পারে, যার কিছু স্থায়ী হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, হামের কারণে শিশুর দৃষ্টি ক্ষীণ হতে পারে, তীব্র ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা দেখা দেয়, কানের সংক্রমণ হয়, নিউমোনিয়া বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা তৈরি হয় এবং এনকেফালাইটিসের মাধ্যমে মস্তিষ্কে প্রদাহ হয়ে গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে ২৬৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যেসব শিশু অপুষ্ট বা টিকা নেয়নি, তাদের মধ্যে এই রোগের ঝুঁকি বেশি।

চিকিৎসকরা বলছেন, হাম হলে শিশুর শরীরে ভিটামিন ‘এ’-এর ঘাটতি তৈরি হয়, যা চোখের ক্ষতি, রাতকানা এমনকি দৃষ্টিহীনতার ঝুঁকি বাড়ায়। পাশাপাশি নিউমোনিয়া, কান পাকা, মুখে ঘা ও অপুষ্টিও দেখা দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে খিঁচুনি ও মৃগীরোগের মতো সমস্যা দেখা দেয়।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, হামের জটিলতা রোধে ভিটামিন ‘এ’ সাপ্লিমেন্ট, পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। একই সঙ্গে দরিদ্র ও অপুষ্ট শিশুদের জন্য সামাজিক সহায়তা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নয়া দিগন্ত

আন্তঃদেশীয় উগ্রপন্থী নেটওয়ার্কের বিস্তার, রোহিঙ্গা সংকট এবং দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার কারণে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠছে। বিশ্লেষণে ইঙ্গিত মিলছে, আরসা, টিটিবি ও টিটিপিকে ঘিরে একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক সক্রিয় হতে পারে, যা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের জটিল হুমকি মোকাবেলায় সমন্বিত ও তথ্যভিত্তিক কৌশল প্রয়োজন। গোয়েন্দা সমন্বয়, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার এবং অনলাইন উগ্রবাদ প্রতিরোধের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নিউ এইজ

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- Reliance on indirect taxes to grow in FY27 budget অর্থাৎ আসছে অর্থ বছরে পরোক্ষ করের ওপর নির্ভরতা বাড়বে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকার প্রায় ৬ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারে, যেখানে পরোক্ষ কর বিশেষ করে ভ্যাটের ওপর নির্ভরতা বাড়বে। মোট রাজস্বের অর্ধেকের বেশি আসতে পারে ভ্যাট থেকে, আর প্রায় ৩৮ শতাংশ আসবে আয়কর থেকে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, পরোক্ষ কর বাড়লে নিম্ন আয়ের মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এতে আয় বৈষম্য আরও বাড়তে পারে। ইতোমধ্যে দেশে জিনি সহগ বেড়ে অসমতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে সরকার বলছে, কর ফাঁকি রোধ ও কর আদায়ে শৃঙ্খলা বাড়িয়ে রাজস্ব বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

দেশ রুপান্তর

বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুর এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে প্রবেশ করছে। পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মিত এই প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে আজ থেকে ইউরেনিয়াম জ্বালানি লোডিং শুরু হচ্ছে, যার মাধ্যমে ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এটি দেশের জ্বালানি খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দুটি ইউনিট মিলে রূপপুর কেন্দ্রের মোট উৎপাদন সক্ষমতা ২৪০০ মেগাওয়াট। প্রথম ইউনিট থেকে আগামী মাসগুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন শুরু হওয়ার আশা করা হচ্ছে। দ্বিতীয় ইউনিটেও কাজ চলছে এবং একই বছর এর জ্বালানি লোডিং শুরু হবে।

সরকার বলছে, এই প্রকল্প দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখবে এবং শিল্প ও অর্থনীতিতে নতুন গতি আনবে। একই সঙ্গে এটি পরিবেশবান্ধব ও দীর্ঘমেয়াদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

যুগান্তর

চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক সময়ে টার্গেট কিলিং বেড়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। গত দেড় বছরে জেলার ১৫ উপজেলায় প্রায় ১২৪টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, যার বেশির ভাগই পরিকল্পিত হামলা। রাউজান উপজেলায় এসব ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটছে, যেখানে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর সংঘর্ষ চলছে।

সম্প্রতি রাউজানে যুবদল কর্মী নাসির উদ্দিনকে গুলি করে এবং সাতকানিয়ায় ব্যবসায়ী শাহাদাত হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পরপর এসব ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

অনেক ক্ষেত্রে সন্ত্রাসীরা মুখোশ পরে দলবদ্ধভাবে হামলা চালাচ্ছে এবং পরে পাহাড় বা দুর্গম এলাকায় আত্মগোপন করছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু সন্ত্রাসী বিদেশে বসে এসব কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে।

পুলিশ বলছে, সন্ত্রাসীদের দমনে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

তবে ভৌগোলিক জটিলতা ও সংগঠিত অপরাধচক্রের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সমন্বিত উদ্যোগ ও কঠোর নজরদারি ছাড়া এই সহিংসতা কমানো কঠিন হবে।

দ্য ডেইলি স্টার

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার শেষ পাতার খবর, Third Terminal opening delayed to early 2027; অর্থাৎ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হতে আরও সময় লাগবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন না হওয়া এবং অপারেশন রেডিনেস অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার (ORAT) প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় এটি এখন ২০২৭ সালের শুরুর দিকে চালু হতে পারে।

সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ জানায়, চুক্তি স্বাক্ষরে আরও অন্তত তিন মাস লাগবে। এরপর ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত ORAT টেস্ট রান চলবে। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে পরীক্ষামূলক পর্বের প্রায় ছয় মাস পর টার্মিনালটি পূর্ণভাবে চালু করা সম্ভব হবে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, বড় বিমানবন্দর পরিচালনায় ঝুঁকি এড়াতে ধীরগতিতে এগোনো হচ্ছে, কারণ আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুযায়ী অনেক বিমানবন্দর ট্রানজিশন ব্যর্থ হয়। তাই জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় চুক্তি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে সতর্কভাবে আলোচনা চলছে।

জাপানি কনসোর্টিয়াম ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে টার্মিনালের আয়, ফি এবং ব্যবস্থাপনা কাঠামো নিয়ে এখনো কিছু বিষয় নিষ্পত্তি হয়নি। কনসোর্টিয়ামে রয়েছে জাপানের কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠান, যারা পিপিপি ভিত্তিতে পরিচালনার দায়িত্ব পেতে পারে, আর নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকবে সিভিল এভিয়েশনের হাতে।