Source : BBC NEWS
ছবির উৎস, Reuters
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন,
ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং একমুখী ড্রোনহামলা “সংঘাত শুরুর পর থেকে ৯০ শতাংশ কমে গেছে”।
পেন্টাগনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে পৃথিবীতে যে কাজটি কেউই করতে চাইবে না” তা হলো ইরানি সামরিক বাহিনীর জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বের একটি পদে থাকা;
তার ভাষায় এগুলো এখন “অস্থায়ী চাকরি”।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ১২০টি ইরানি নৌযান ক্ষতিগ্রস্ত বা ডুবিয়ে দিয়েছে,
যার ফলে তাদের পৃষ্ঠ-নৌবহর “আর কোনো কার্যকর শক্তি নয়” এবং তাদের সাবমেরিনগুলো
“শেষ হয়ে গেছে”।
হেগসেথ বলেন, “এ ধরনের একটি শাসনব্যবস্থা, যারা তাদের পারমাণবিক আকাঙ্ক্ষা ছাড়তে অস্বীকার করছে—তারা শুধু আঞ্চলিক সমস্যা নয়, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য,
স্বাধীনতার জন্য এবং সভ্যতার জন্যও সরাসরি হুমকি”।
তিনি আরও বলেন, “বিশ্ব, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপের আমাদের অকৃতজ্ঞ মিত্ররা, এমনকি আমাদের নিজস্ব গণমাধ্যমের কিছু অংশেরও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে একটি মাত্র কথা বলা উচিত—‘ধন্যবাদ’।”
গাজায় হামাসের সঙ্গে ইরানি শাসন ব্যবস্থার তুলনা করতে গিয়ে হেগসেথ বলেন, ইরান টানেল, রকেট,
ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনে বিপুল অর্থ ঢেলেছে।
কিন্তু তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র তাদেরকে খুঁজে বের করছে “পদ্ধতিগতভাবে,
নির্মমভাবে এবং প্রবল শক্তিদিয়ে—যেমনটি বিশ্বের অন্য কোনো সামরিক বাহিনী করতে পারে না”।
তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভেতরে সাত হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে, এবং বৃহস্পতিবারও “গতকালের মতোই” সর্ববৃহৎ আঘাত হানার প্রস্তুতি রয়েছে।
“আমাদের সক্ষমতা ক্রমাগত বাড়ছে, আর ইরানের সক্ষমতা ক্রমশ ক্ষয় হচ্ছে,” তিনি বলেন।



