Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘২৩ লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা করছে বিএনপি...

পত্রিকা: ‘২৩ লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা করছে বিএনপি সরকার’

7
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

২ ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: 7 মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, রাজনৈতিক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে আজ অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। দায়িত্ব গ্রহণের সময় নতুন সরকারের কাঁধে চাপতে যাচ্ছে ২৩ লাখ কোটি টাকারও বেশি ঋণের বোঝা।

পাশাপাশি ২০২৫ সালেও ব্যাংকিং উৎস থেকে সরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩২ শতাংশের বেশি। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই বিএনপি সরকারকে অর্থনীতির এ বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে নেওয়া সরকারি ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৫০ হাজার ৯০৪ কোটি টাকায়। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে সরকার ব্যাংকিং উৎস থেকে ৬১ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা নিয়েছে।

এ সময়ে এসেছে ১০৭ কোটি ৪০ লাখ ডলারের নিট বৈদেশিক ঋণ। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ১৩ হাজার ১০৩ কোটি টাকায়।

সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সরকার দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ৭৪ হাজার ২৫১ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছে। সব মিলিয়ে গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ২৫ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা।

বণিক বার্তা

খবরে ব‍লা হচ্ছে, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পথচলার ইতি টেনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হচ্ছে।

একই সঙ্গে ফের গণতন্ত্রের পথে হাঁটবে লাল-সবুজের বাংলাদেশ। আজ বিকাল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করবে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।

এর আগে সংসদ ভবনের নিচতলায় অবস্থিত শপথ কক্ষে সকাল ১০টায় দুই ভাগে শপথ নেবেন নবনির্বাচিত সংসদ-সদস্যরা।

প্রথমে বিএনপিসহ তাদের জোটের সংসদ-সদস্যরা, এরপর জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের সংসদ-সদস্যরা এবং সবশেষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও স্বতন্ত্র সংসদ-সদস্যরা শপথ নেবেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন তাদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।

এর মধ্য দিয়ে গণ-অভ্যুত্থানের দেড় বছরের মাথায় নতুন সরকার ও সংসদ পেতে যাচ্ছে দেশ। সেই সঙ্গে দিনবদলের অভিযাত্রার সূচনা হবে আজ থেকে। নতুন সংসদ এবং সরকারকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত হচ্ছে জাতীয় সংসদ ভবনও।

বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন, তা নিয়ে এখনই নানা আলোচনা ও গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এসব আলোচনায় দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।

এ ছাড়া কেউ কেউ দলটির প্রবীণ আরেক নেতা নজরুল ইসলাম খানের নামও বলছেন। তবে সূত্রগুলো জানাচ্ছে, বিএনপির এই তিনজনের মধ্য থেকে একজনকে রাষ্ট্রপতি পদে দেখা যেতে পারে

যুগান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, নবীন-প্রবীণ আর দক্ষদের মিশেলে হবে তারেক রহমানের নেতৃত্বের মন্ত্রিসভা। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এই মন্ত্রিসভা তিন প্রজন্মের রাজনীতিবিদদের প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও বিষয়ভিত্তিক প্রযুক্তিজ্ঞানের সম্মিলন ঘটিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করবে।

এটিই নতুন মন্ত্রিসভার মূল লক্ষ্য হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এদিকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন।

জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করানো হবে। শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো সিইসি নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পড়াতে যাচ্ছেন। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সাংবিধানিক বিধানের আলোকেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো হবে।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। একই সঙ্গে শপথ নেবেন তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

দলের দায়িত্বশীল সূত্র কালের কণ্ঠকে জানায়, নতুন মন্ত্রিসভার আকার ৩৫ থেকে ৪০ সদস্যের হতে পারে। এর মধ্যে ২৬ থেকে ২৭ জন পূর্ণ মন্ত্রী হতে পারেন।

নয়াদিগন্ত

খবরে বলা হচ্ছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিজয়ের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন- নতুন জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ কিভাবে গঠন হবে।

দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদব্যবস্থার প্রস্তাব অনুমোদিত হওয়ার মধ্য দিয়ে একটি নতুন সাংবিধানিক অধ্যায়ের সূচনা হলেও বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে শুরু হয়েছে বিস্তৃত বিতর্ক।

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত মোট ভোটের ভিত্তিতে আসন বণ্টন হবে, নাকি নিন্মকক্ষে প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠিত হবে- এই প্রশ্নই এখন চারদিকে।

এর সাথে যুক্ত হয়েছে জুলাই সংস্কার বাস্তবায়নের আইনি ভিত্তি-স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অনুযায়ী, নাকি গণভোট-পূর্ববর্তী প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ‘হ্যাঁ’ ভোটের আলোকে কার্যকর হবে, এটা নিয়েই চলছে আলোচনা সমালোচনা।

খবরে বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য বিদেশি অতিথিরা ঢাকা পৌঁছাতে শুরু করেছেন।

সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল সোমবার রাতেই কয়েকটি দেশের মন্ত্রিদের ঢাকা পৌঁছানোর কথা। অন্য অতিথিরা আজ মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে ঢাকা পৌঁছাবেন।

ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা একটি বিশেষ ফ্লাইটে আজ দুপুরের দিকে ঢাকা পৌঁছাবেন। দেশটির পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি তার সফরসঙ্গী হচ্ছেন।

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ও মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহামেদ মুইজ্জু আজ সকালে পৃথক ফ্লাইটে ঢাকা আসছেন। মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুল্লাহ খলিল প্রেসিডেন্টের সফরসঙ্গী হওয়ার কথা রয়েছে।

পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা ও শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নালিন্দা জয়াতিসা গতরাতেই আলাদাভাবে ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

দেশ রূপান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, নতুন সরকার গঠনের আগের তিন দিনে জনপ্রশাসনের দুটি শীর্ষ পদের দুজন কর্মকর্তা নিজে থেকে সরে গেছেন। একজন হলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশীদ, অন্যজন প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।

গতকাল সোমবার চুক্তিতে থাকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নিলে প্রশাসনে আরও বড় পরিবর্তন আসতে পারে। এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু সচিব, মাঠ প্রশাসনের জেলা প্রশাসকসহ (ডিসি) গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু পদে পরিবর্তন আসতে পারে।

বিশেষ করে চুক্তিতে থাকা কয়েকজন সচিবের জায়গায় নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এখন গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন, এমন বেশ কিছু কর্মকর্তাকে বদলি করা হতে পারে।

ইতিমধ্যে এসব নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ বদলি হতে পারেন, এমন প্রস্তুতিও নিচ্ছেন।

একইভাবে পুলিশসহ অন্যান্য সরকারি দপ্তরেও পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। এসব নিয়ে এখন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নানা আলাপ-আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, চট্টগ্রাম বন্দরে ভোগ্যপণ্য নিয়ে ভাসতে থাকা ৫৫ জাহাজ ধরতে পারছে না রমজানের বাজার। পাইকারি মোকাম খাতুনগঞ্জ ঘিরে এসব পণ্য বন্দরে আনা হলেও সেগুলো যথাসময়ে খালাস করতে পারেননি আমদানিকারকরা।

বন্দরসীমায় বিভিন্ন পণ্য নিয়ে এখনও ভাসছে ১১০টি জাহাজ। এর মধ্যে ভোগ্যপণ্য বোঝাই জাহাজ আছে অর্ধেক। এসব জাহাজে আছে চাল, ডাল, ছোলা, খেজুর, চিনি, ফলমূল, তেলসহ নানা ভোগ্যপণ্যা আগামী দুদিনে আরও ১০টি জাহাজ নোঙর করবে বন্দরে।

শবেবরাতের পর থেকে পরের ১৫ দিন রমজানের পণ্য বেচাকেনা হয় পাইকারি মোকামে। তবে টানা কর্মবিরতি ও নির্বাচনের ছুটির ফাঁদে পড়ে এবার সে সময়ে পণ্য বাজারজাত করতে পারেননি আমদানিকারকরা।

রমজানের পণ্য জাহাজ থেকে নামাতে বন্দর কর্তৃপক্ষ অগ্রাধিকার দিলেও নির্বাচনের ছুটিতে কাঙ্ক্ষিত পণ্য খালাস করা যায়নি। স্বাভাবিকভাবে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ হাজার পণ্যভর্তি কনটেইনার খালাস হয়।

নির্বাচনের সময় যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ ছিল। আবার নির্বাচন উপলক্ষে ১১ই ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা বন্দরে কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তবে খাদ্যদ্রব্যসহ রমজানের সামগ্রী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে খালাসের সুযোগ ছিল।

সমকাল

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, গত ১৮ মাসে গণতান্ত্রিক অধিকার ও মূল্যবোধ নিশ্চিত করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে একটি ন্যায়সঙ্গত, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

গত রাতে জাতির উদ্দেশ্যে তার বিদায়ী ভাষণে তিনি বলেন, ‌’আমি দল, ধর্ম, বর্ণ এবং লিঙ্গ নির্বিশেষে সকলকে একটি ন্যায্য, মানবিক এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। এই আবেদনের মাধ্যমে, আমি অত্যন্ত আশাবাদের সাথে বিদায় জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, গত ১৮ মাসে এ দেশের মানুষ ধীরে ধীরে গণতন্ত্র, কল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থা, বাকস্বাধীনতা, ক্ষমতার প্রশ্ন তোলার ও সমালোচনা করার ক্ষমতা এবং জবাবদিহি করার ক্ষমতা ফিরে পেতে শুরু করেছে। সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচন কেবল ক্ষমতা হস্তান্তর নয়, বরং দেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি নতুন যাত্রার সূচনা।

অধ্যাপক ইউনূস ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, তাদের অভূতপূর্ব ত্যাগ ছাড়া এই রূপান্তর সম্ভব হত না।

দ্য ডেইলি স্টার

খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদেও ব্যবসায়ীদের আধিপত্য থাকবে। প্রায় ৬০ শতাংশ সংসদ সদস্য ব্যবসায়ী।

গতকাল সোমবার ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ নবনির্বাচিত ব্যক্তিগত হলফনামা বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদে এ সংখ্যা ছিল ৬৫ দশমিক ৩ শতাংশ। আর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ব্যবসায়ীদের অনুপাত ৫৯দশমিক ৯ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০০৯ সালে গঠিত নবম জাতীয় সংসদে এটি ছিল ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ।

গতকাল সোমবার রাজধানীতে টিআইবির এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বর্তমান বাজার মূল্য বিশ্লেষণ করে টিআইবির আউটরিচ ও যোগাযোগ পরিচালক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ১৩ জন বিলিয়নিয়ারসহ ২৩৬ জন কোটিপতি নতুন সংসদে অংশ নিতে যাচ্ছেন।