Source : BBC NEWS

এক ঘন্টা আগে
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
এতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ২৯শে অগাস্ট থেকে চলতি বছরের ১১ই এপ্রিল পর্যন্ত ১৯ মাসে দেশে শতাধিক মাজারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
এসব ঘটনায় তিনজন নিহত এবং দুই শতাধিক আহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় জনমনে তৈরি হয়েছে গভীর উদ্বেগ।
হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএস) ও কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, গত ১৯ মাসে দেশে ‘মব সন্ত্রাস’, ‘গণপিটুনি’, মাজারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে।
আর বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের প্রায় দুই মাসের কাছাকাছি সময়ে কুষ্টিয়ায় মাজারে হামলার ঘটনাটি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এ ধরনের ঘটনায় সরকার কঠোর অবস্থান না নিলে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের মতো মব পরিস্থিতি আবারও তৈরি হতে পারে।
ধর্মীয় মতাদর্শগত বিরোধ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, সামাজিক অসন্তোষ ও জমিসংক্রান্ত বিরোধ— মাজারে হামলার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সুফি সমাজকেন্দ্রিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান মাকাম।
মাজারে হামলার বেশিরভাগ ঘটনায় প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা স্পষ্ট বলে উল্লেখ করা হয়েছে মাকামের প্রতিবেদনে।

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সূত্র বলছে, ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত কৌশলগত পরিকল্পনা বা ওপির মাধ্যমে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল কেনা ও বিতরণ হতো। এরপর নতুন ওপি না হওয়ায় এই ক্যাপসুল কেনা হয়নি।
সর্বশেষ ২০২৫ সালের মার্চে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন হয় আগের কেনা ক্যাপসুল দিয়ে।
পুষ্টি ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভিটামিন এ শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এই ক্যাম্পেইন বন্ধ থাকলে দীর্ঘ মেয়াদে শিশুদের পুষ্টিহীনতা ও সংক্রমণজনিত ঝুঁকি বাড়তে পারে।
এছাড়া, গত দুই বছর নিয়মিত কৃমিনাশক সপ্তাহ-ও পালন করা হয়নি। ২০০৩ সাল থেকে ভিটামিন এ ক্যাপসুলের সঙ্গে কৃমিনাশক ট্যাবলেট যুক্ত করা হয়েছিল।
৬ মাস পরপর ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুকে নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হতো। প্রতিবার গড়ে সোয়া ২ কোটি শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Fiscal pressure builds as Bangladesh faces $26b debt servicing in next five years; অর্থাৎ আর্থিক চাপ বাড়ছে, আগামী পাঁচ বছরে ২৬ বিলিয়ন ডলারের ঋণ পরিশোধ করতে হবে বাংলাদেশকে।
এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ দ্রুত বাড়তে যাচ্ছে, যা আগেই দুর্বল রাজস্ব ভিত্তির সীমাবদ্ধতাকে স্পষ্ট করে তুলছে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছর থেকে ২০৩০ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশকে প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে হবে।
১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশ মোট প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধ করেছে। অথচ এখন সেই মোট অর্থের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যেই পরিশোধ করতে হবে।
এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এমন এক সময়ে, যখন দেশের কর-জিডিপি অনুপাত সাত শতাংশের নিচে নেমে এসেছে— সমমানের অর্থনীতিগুলোর মধ্যে যা সর্বনিম্ন।
ফলে অর্থনৈতিক ধাক্কা সামাল দেওয়া বা ব্যয় বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারের সক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়ছে।
ইআরডি’র আরেক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ৭৭.২৮ বিলিয়ন ডলার, যা এক বছর আগে ছিল ৬৮.৮২ বিলিয়ন ডলার।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বৈদেশিক ঋণের ফাঁদ এড়াতে হলে জরুরি ভিত্তিতে রপ্তানি বাড়ানো, দক্ষ জনশক্তি তৈরি, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন এবং রাজস্ব কাঠামো শক্তিশালী করতে হবে।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, নেপাল ও থাইল্যান্ডগামী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট সংখ্যা কমিয়ে আনছে আকাশ পরিবহন সংস্থাগুলো।
বিশেষ করে ইন্ডিগো ও এয়ার ইন্ডিয়ার মতো ভারতীয় এয়ারলাইনগুলো এরই মধ্যে তা শুরু করেছে। এয়ার ইন্ডিয়া ঢাকা রুটে ফ্লাইট কমিয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলত জ্বালানির দাম বাড়তে থাকায় এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হচ্ছে উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থাগুলো। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলের (এটিএফ) খরচ। এর প্রভাব পড়েছে উড়োজাহাজ ভাড়ায়, যা অনেক যাত্রীর নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
বিশেষ করে অবকাশযাপনের পরিকল্পনা করা যাত্রীরা উচ্চ ভাড়ার কারণে ভ্রমণ স্থগিত রাখছেন।
নিয়মিত ফ্লাইট চালু হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে জানিয়ে টিএএস এভিয়েশন গ্রুপের চেয়ারম্যান কেএম মোজিবুল হক বলেছেন, ফ্লাইট কমিয়ে দেয়ায় বড় ব্যাকলগ তৈরি হবে। নিয়মিত ফ্লাইট চালু হলেও এ ব্যাকলগ কাটতে অন্তত এক বছর লাগতে পারে। ব্যবসায়িক দিক থেকেও এটি বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

এই সংবাদে বলা হয়েছে, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একটি দরবারে হামলা চালিয়ে ‘পীর’কে কুপিয়ে হত্যার আগে গত শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে উপজেলার ফিলিপনগর এলাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সাতটি আইডি থেকে ৩৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট হতে থাকে।
ধর্ম অবমাননার অভিযোগ আনা ভিডিওর লিংকগুলো গত শনিবার সকাল পর্যন্ত ফিলিপনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের মেসেঞ্জার ও আইডিতে শেয়ার হতে থাকে।
মানে ভিডিওগুলো ছড়িয়ে দিয়ে মব তৈরি করে শনিবার দরবারে হামলা চালানো হয়।
এদিন সকাল ৯টার দিকে এই লিংকগুলোর তথ্য সেখানকার পুলিশ কর্মকর্তার নজরে আসে। তারা কয়েক ঘণ্টা আগেই আন্দাজ করতে পেরেছিলেন হামলার বিষয়টি।
ভিডিওগুলো সম্পর্কে এবং কোনো কিছু হতে যাচ্ছে কি না, এ বিষয়ে স্থানীয় নেতাদের সাথে আলাপ-ও চালায়।
কিন্তু দরবারের নিরাপত্তা দিতে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারেনি পুলিশ।
এই ঘটনায় স্থানীয় একজন রাজনৈতিক নেতা জড়িত বলে পুলিশের সূত্র জানিয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, সরকার গঠনের পরই দলবদ্ধ সহিংসতা বা মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে বিএনপি।
এই ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না বলেও সরকারপ্রধান স্পষ্ট ঘোষণা দেন।
তবে, বিএনপি সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের এক মাস ২৫ দিনে অন্তত ২১ জন মব সন্ত্রাসের শিকার হয়ে মারা গেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যার মধ্যে গত শনিবার কুষ্টিয়ায় এক ‘পীর’কে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মব সন্ত্রাস নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
ঘটনাটি নিয়ে বিশিষ্টজন যেমন উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তেমনি সরকারের ভেতরেও শুরু হয়েছে আলোচনা।
মব সন্ত্রাস বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নতুন করে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আইন হাতে তুলে না নিতে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী।

এই খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি তেলের সংকটের বড় প্রভাব পড়েছে দেশের নৌপরিবহন খাতে।
চাহিদামতো তেল না পাওয়ায় অধিকাংশ নৌযান বসে থাকছে। আর যেগুলো চলছে, সেগুলো চালাতে হচ্ছে পালা করে।
এতে যাত্রীসেবার চেয়ে বড় চাপ তৈরি হয়েছে পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায়।
যার ফলে সারাদেশে পণ্য সরবরাহেও বিঘ্ন ঘটছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ গন্তব্যগুলোতে নৌ চলাচল অনেক কমে গেছে। পাশাপাশি সারাদেশে ৪০টির লঞ্চের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। আরও অনেক বন্ধ হওয়ার পথে।
রাজধানীর চিত্রও প্রায় একই রকম। ঢাকার সদরঘাট থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৩৮টি নৌপথে রোটেশনের মাধ্যমে লঞ্চ চলাচল করতে হচ্ছে।
লঞ্চ মালিকদের সংগঠনের তথ্যমতে, সারাদেশে লঞ্চ চলাচলে চার লাখ টন ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনা করতে শুরুতেই মালয়েশিয়ায় গেছে সরকারের একটি প্রতিনিধি দল।
সেখান থেকে ফিরে গতকাল রোববার দুপুরে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর কার্যক্রম দ্রুত পুনরায় চালু করতে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
এ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের সিন্ডিকেট যেন না থাকে, সেজন্য মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সরকারই ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যেমন আগ্রহী, তেমনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীও এ বিষয়ে সহযোগিতামূলক মনোভাব দেখিয়েছেন।

এই খবরে বলা হয়েছে, সংসদীয় প্রক্রিয়ায় থাকা কোনো অধ্যাদেশ হারিয়ে যায়নি, বরং সেগুলো বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ায় আইন হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন সরকারের নীতিনির্ধারকগণ।
গতকাল রোববার বিকেলে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১১০টি সংসদে পাশ হয়েছে। যার মধ্যে ১৩টি সংশোধিত আকারে।
আর ৭টি অধ্যাদেশ রহিতকরণ ও হেফাজত বিল হিসেবে পাস হয়েছে। বাকি ১৬টি অধ্যাদেশ এই মুহূর্তে উত্থাপন না করে অধিকতর পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আইনমন্ত্রী বিশেষ জোর দিয়ে বলেছেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত বিলগুলোর প্রস্তাবনা স্পষ্টভাবে অধিকতর যাচাইবাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যা সরকারের স্বচ্ছতার বহিঃপ্রকাশ।
আসাদুজ্জামানের মতে, যারা এগুলো বাদ দেয়া হয়েছে বলে দাবি করছেন তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, কারণ রহিতকরণ বিল হলেও এগুলো এখন নিয়মিত আইনের অংশ এবং প্রক্রিয়ার মধ্যেই রয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Trump orders blockade of Hormuz as talks falter; অর্থাৎ আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর হরমুজ প্রণালি অবরোধের ঘোষণা ট্রাম্পের।
এই খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুক্টরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে।
এবার হরমুজ প্রণালি ‘অবরোধ’ করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক জলসীমায় যেসব জাহাজ ইরানকে ‘টোল’ প্রদান করেছে, সেগুলোকে আটক বা গতিরোধ করার জন্য মার্কিন নৌবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
গতকাল রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই হুঁশিয়ারি দেন।
ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড-ও (আইআরজিসি) এর জবাব দিতে সময় নেয়নি।
তারা দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের সরু নৌপথের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের হাতেই আছে।
যদি ‘হিসাবে কোনো ভুল হয়’, তাহলেই শত্রুবাহিনীর সদস্যরা এক ‘মারাত্মক ঘূর্ণিপাকে’ জড়াবে— এমন হুঁশিয়ারি এসেছে আইআরজিসির কাছ থেকে।




