Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘১/১১ জমানার ভোট: বাড়তি ব্যালট ছাপার অভিযোগ, কাঠগড়ায় যারা’

পত্রিকা: ‘১/১১ জমানার ভোট: বাড়তি ব্যালট ছাপার অভিযোগ, কাঠগড়ায় যারা’

14
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

২ ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, এক/এগারোর জমানায় হওয়া নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে শুরুতে মোটা দাগে প্রশ্ন উঠেছিল।

২০০৮ সালের নানা কৌশলে নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসানো এবং বিরোধী দল হিসেবেও বিএনপিকে ক্ষমতাহীন অবস্থায় রাখার পরিকল্পনা করেছিল সেনানিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বড় ভূমিকায় ছিলেন তৎকালীন ডিজিএফআই ও সেনাবাহিনীর কিছু কর্মকর্তা। যাদের কয়েকজন ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

এর বাইরে তৎকালীন নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের একটি অংশ এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছিল। সম্মিলিত এই পরিকল্পনার ফলে আওয়ামী লীগ তথাকথিত ভূমিধস জয় নিয়ে ক্ষমতায় আসে।

সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক সেনা কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদে বিতর্কিত ওই নির্বাচনের পরিকল্পনার চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনছেন।

যার অন্যতম ছিল অতিরিক্ত ব্যালট পেপার ছাপানো। ওই ব্যালট নির্ধারিত আসনে বণ্টন করা হয়েছিল।

এই বাড়তি ব্যালট যোগ করেই নির্ধারিত ছকে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয়েছিল।

মানবজমিন

খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশের ওপর সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার ইস্যুতে জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক হয়েছে।

এ আদেশকে অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তহীন প্রতারণার দলিল হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সরকারি দল বলেছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের কোনো সুযোগ নেই। অপরদিকে বিরোধীদলীয় সংসদ-সদস্যরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে ধারণ করে তা বাস্তবায়নের দাবি জানান।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান নিয়ে সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

স্পিকারকে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সংসদে যে আলোচনা হয়েছে, আপনি উত্তম মনে করলে তার ওপর একটি কমিটি গঠন করতে পারেন। তবে সেখানে দুদিক থেকে সমানসংখ্যক সদস্য থাকতে হবে। না হলে এখানে যেমন বিতর্ক হচ্ছে সেখানেও তাই হবে।

অপরদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংবিধান সংশোধনে সর্বদলীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সংসদ নেতার পক্ষে তিনি এই প্রস্তাব দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।

তবে, স্পিকারের তরফ থেকে কোনো প্রস্তাবের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসেনি।

 যুগান্তর

‘টিকা কেনায় গাফিলতি ছিল’ প্রথম আলোর শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত সব ধরনের টিকা কেনায় বিলম্ব ঘটিয়েছে।

সম্প্রতি হাম-রুবেলার টিকা পেয়েছে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)।

ইপিআই কর্মকর্তারা বলেছেন, হাম-রুবেলার জাতীয় ক্যাম্পেইনের টিকা হাতে এসেছে, সিরিঞ্জ আসেনি। দেশব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু করতে দেড়-দুই মাস সময় লেগে যাবে।

শিশুদের নিয়মিত টিকা দেওয়া নিশ্চিত না করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং দাতা সংস্থা সময় ব্যয় করেছে টিকা কেনার প্রক্রিয়া কী হবে, তা ঠিক করতে।

সরকার সরাসরি টিকা কিনবে নাকি ইউনিসেফের সহায়তা নেবে, আর্থিক লাভ-লোকসান কী হবে-এসব নিয়ে। এতে টিকার মজুত ফুরিয়েছে।

জাতীয় ক্যাম্পেইনের সময় পেছাতে হয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা কিনতে এটা আসলে গাফিলতি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন বিলম্ব না করে সরকারের ত্বরিত কর্মসূচি হাতে নেওয়া উচিত।

গুরুত্ব না দিলে হাম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আছে। একজন রোগী ১৬ থেকে ১৮ জনের মধ্যে হাম ছড়াতে পারে।

প্রথম আলো

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Govt moves to repatriate illicit funds from 10 territories.’ অর্থাৎ ‘১০টি দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার’।

বিদেশে পাচার হওয়া অবৈধ অর্থ পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে চিহ্নিত নয়টি দেশ ও একটি অঞ্চলের সঙ্গে আইনি চুক্তি স্থাপনের চেষ্টা করছে সরকার।

বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সমস্যার ব্যাপকতা ও তা মোকাবেলায় গৃহীত পদক্ষেপ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করে সরকারের কাছে একটি হালনাগাদ প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা দেশগুলো হলো কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, থাইল্যান্ড এবং হংকং।

এই দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তি (এমএলএটিএস) স্বাক্ষরের জন্য আলোচনা চলছে। তবে, অগ্রগতি কম।

মালয়েশিয়া, হংকং এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত চুক্তি স্বাক্ষরে রাজি হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং সুইজারল্যান্ড সমঝোতা স্মারক এবং ক্ষেত্র-ভিত্তিক চুক্তিসহ বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার

নিউ এইজের শিরোনাম ‘Govt plans new austerity steps amid energy crisis’ অর্থাৎ ‘জ্বালানি সংকটের মধ্যে সরকার নতুন ব্যয় সংকোচনমূলক পদক্ষেপের পরিকল্পনা করছে’।

খবরে বলা হচ্ছে, সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে তিন দিনের অনলাইন ক্লাস চালু করে এবং দেশব্যাপী মজুত করা জ্বালানি তেল উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করার মাধ্যমে জ্বালানি সাশ্রয় আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে।

মঙ্গলবার, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যে বিঘ্নের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার জরুরি ভিত্তিতে দুই লাখ ৬০ হাজার টন ডিজেল আমদানির অনুমোদন দেওয়ার পাশাপাশি এপ্রিল মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গত ২৯ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ব্যয় সংকোচনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের পূর্ববর্তী নির্দেশনার উল্লেখ করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহারের লক্ষ্যে নতুন নির্দেশনা জারি করে।

কর্মকর্তাদের জানালা, দরজা বা পর্দা খোলা রেখে দিনের বেলায় প্রাকৃতিক আলোর ব্যবহার সর্বোচ্চ করতে এবং বৈদ্যুতিক আলোর ওপর নির্ভরতা কমাতে বলা হয়েছে।

নিউ এইজ

খবরে বলা হচ্ছে, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে বলে জানিয়েছে সরকার। ফলে তেলের দাম চলতি মাসে বাড়ানো হয়নি। এতে আপাতত একধরনের স্বস্তি পাবেন গ্রাহকেরা।

কিন্তু সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় তেলের জন্য দৌড়ঝাঁপ কাটছে না কোনোমতেই। যদিও মজুতদারি বন্ধে প্রশাসনিক তৎপরতা এবং আমদানির জন্য বাড়তি উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গতকাল মঙ্গলবার জানানো হয়, এপ্রিল মাসে সরকার পেট্রল, অকটেন, ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়াচ্ছে না। বিশ্ববাজারে দাম বাড়লেও আগের দামেই বিক্রি হবে।

জ্বালানি বিভাগ থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানকে পাঠানো অফিস আদেশে জানানো হয়, ভোক্তাপর্যায়ে ডিজেলের বর্তমান মূল্য প্রতি লিটার ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

১ এপ্রিল থেকে এই মূল্যই কার্যকর থাকবে।

আজকের পত্রিকা

খবরে বলা হচ্ছে, পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি গাজী মো. মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে জমি দখল, নদী ভরাট এবং শত শত কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

একাধিক অনুসন্ধান, নথিপত্র এবং স্থানীয়দের অভিযোগ বলছে, নিজের পদ-পদবিকে তিনি সম্পদ গড়া আর দুর্নীতির হাতিয়ার হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন।

গত বছর পুলিশের এই কর্মকর্তা অতিরিক্ত ডিআইজি থেকে অবসরে গেছেন। স্থানীয়রা তাঁকে আখ্যা দিচ্ছে দ্বিতীয় বেনজীর (সাবেক দুর্নীতিবাজ আইজিপি) হিসেবে।

রাজধানীর উপকণ্ঠ রূপগঞ্জে রয়েছে নানাভাবে দখল করা প্রায় তিন হাজার বিঘার আবাসন প্রকল্প।

এর পাশে প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে রয়েছে বাগানবাড়ি (বর্তমান মূল্য প্রায় ১৬৫ কোটি টাকা)। বান্দরবানে এক দাগে ১৭৫ বিঘা জমি রয়েছে। সেখানে আতর চাষ করা হয়।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের রফতানি খাত নেতিবাচক ধারায় রয়েছে, পাশাপাশি আমদানিতেও উল্লেখযোগ্য কোনো প্রবৃদ্ধি নেই। এমন পরিস্থিতিতে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স প্রবাহ থাকা সত্ত্বেও দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিদেশী হিসাবে (নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট) ডলারের স্থিতি কমে গেছে।

ব্যাংকগুলোর নেট ওপেন পজিশন (এনওপি) অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়ায় ৩৮০ কোটি বা ৩ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলারে। অথচ গত অর্থবছরের শুরুতে ছিল ৬ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ অল্প সময়ের ব্যবধানে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ডলার ধারণক্ষমতা প্রায় অর্ধেকে নেমেছে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গণনার ক্ষেত্রে নস্ট্রো হিসাবের ডেবিট ব্যালান্স এবং অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের (ওবিইউ) বিনিয়োগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সর্বশেষ ২৬ ফেব্রুয়ারি এনওপি ভিত্তিতে এ রিজার্ভের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ব্যাংকগুলোর ডলার ধারণের যে পরিমাণ উঠে এসেছে, সেটিকে অর্থনীতির দুর্বল দিক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বণিক বার্তা

খবরে বলা হচ্ছে, জ্বালানি সাশ্রয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ নানা উদ্যোগ নিলেও এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো বেশ পিছিয়ে। যদিও সরকার কিছু উদ্যোগের ঘোষণা দিলেও তা বাস্তবায়নের নজির খুব একটা চোখে পড়ছে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি সাশ্রয় মানে শুধু খরচ কমানো নয়, এটি বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয়, পরিবেশ সুরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। জ্বালানি অপচয়ের পেছনে কয়েকটি কাঠামোগত সমস্যা রয়েছে।

এর মধ্যে সচেতনতার অভাব, সংকটকালীন নির্দেশনাগুলো দীর্ঘমেয়াদি নীতিতে রূপ না নেওয়া, শিল্প ও প্রতিষ্ঠানে পুরনো এবং অদক্ষ যন্ত্রপাতির ব্যবহার, সরকারি নজরদারির দুর্বলতা উল্লেখযোগ্য।

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত ক্রমেই আমদানিনির্ভর হয়ে ওঠার কারণে একদিকে যেমন ঝুঁকি বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে আমদানি ব্যয়। অতিরিক্ত ব্যয় সামলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে সরকার।

দেশ রূপান্তর

এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের মৎস্য খাতে। ডিজেলের সংকটে মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার নদী কিংবা সাগরে যেতে পারছে না।

মৎস্যজীবীদের ভাষ্য, এ অবস্থা চলতে থাকলে মাছ ধরা কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা।

জেলে ও সংশ্লিষ্টদের দাবি, ইতোমধ্যে নদনদীতে মাছ আহরণ ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে উপকূলীয় মৎস্যবন্দর ও মোকামগুলোতে।

অনেক জায়গায় কার্যক্রম প্রায় স্থবির।

ফলে শুধু জেলে নয়; আড়তদার, পাইকার, শ্রমিক, বরফকল মালিক, পরিবহনকর্মীসহ পুরো মৎস্যভিত্তিক অর্থনীতি চাপে পড়েছে।

এই খাতের ওপর নির্ভরশীল লাখো মানুষের কর্মসংস্থান এখন ঝুঁকির মুখে।

সমকাল