Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগে সায় নেই হাসিনার’

পত্রিকা: ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগে সায় নেই হাসিনার’

22
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিশোধিত আওয়ামী লীগ গড়তে দু’টি প্রস্তাব নিয়ে কাজ শুরু করেছিল ভারত সরকার।

এজন্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলা হয়েছিল তাকে কাতারে যেতে, না হয় নতুন আওয়ামী লীগ গড়ার বিষয়ে মত দিতে।

তবে, তিনি দুই প্রস্তাবই উড়িয়ে দিয়েছেন ভিন্ন কৌশলে।

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যাতে অংশ নিতে পারে সে লক্ষ্যেই ভোটের আগে প্রস্তাবটি চালাচালি হয়েছিল।

তবে কয়েক দফা বৈঠকের পর ভারত তাদের আগ্রহ অনেকটাই হারিয়ে ফেলে।

ওয়াকিবহাল কূটনীতিকরা বলছেন, ভারতের এই মনোভাবে হাসিনা প্রচণ্ড হতাশ। কিন্তু করার কিছুই নেই!

অন্যদিকে, এসব উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ায় ভারতের মনোভাবে বেশ পরিবর্তন আসে বাংলাদেশের ভোটের বিষয়ে। নির্বাচন নিয়ে তাদের মধ্যে ভিন্নমত থাকলেও শেষ পর্যন্ত পক্ষেই মত দেন শীর্ষ নীতিনির্ধারকরা।

শেখ হাসিনা নাকি শুরুতে তার পরিবারের পক্ষে কাউকে দলের নেতৃত্ব দিতে চাইলেও আওয়ামী লীগ মহলে ইতিবাচক সাড়া পাননি।

এক্ষেত্রে ক্ষমতাচ্যুত এ প্রধানমন্ত্রী তার বোনের ছেলে রাদওয়ান সিদ্দিক ববিকে-ও নাকি সবুজ সংকেত দেননি।

এ অবস্থায় ঢাকা-দিল্লির সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় আনুষ্ঠানিক আলোচনায় শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের পুনর্গঠন, দলটির কার্যক্রম নিয়েও কোনো কথা উঠেনি।

মানবজমিন

এতে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের মাত্র একটি সিদ্ধান্তেই মুখ থুবড়ে পড়েছে স্বাস্থ্য খাত।

সেই সিদ্ধান্তটি হচ্ছে অপারেশনাল প্ল্যান (ওপি) বন্ধ করে দেওয়া।

যেটিকে অবৈজ্ঞানিক ও অপরিণামদর্শী সিদ্ধান্ত বলছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা। যার নেতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যে দৃশ্যমান।

এই সিদ্ধান্তের কারণে টিকা কার্যক্রমে ভাটা, জীবনরক্ষাকারী ওষুধের ঘাটতি, মাঠপর্যায়ে কর্মীদের বেতন বন্ধ হয়ে পড়ে; আর তাতে জনস্বাস্থ্য এখন বড় ধরনের হুমকির মুখে।

সামনে পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারলে আরও ভয়াবহ আকার ধারণের আশঙ্কা করছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা।

শঙ্কা রয়েছে ডিপথেরিয়া, টিভি, ধনুষ্টংকার, হুপিংকাশির প্রাদুর্ভাবের।

উল্লেখ্য, আগে টিকা কেনা হতো ইউনিসেফ থেকে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার ৫০ শতাংশ টিকা ইউনিসেফ এবং ৫০ শতাংশ কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে (সিএমএসডি) ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে কেনার সিদ্ধান্ত নেয়।

এ কারণে টিকা কেনায় দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেয়।

এতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সব ধরনের টিকার সংকট দেখা দেয়। সেই সংকট এখনো বিদ্যমান। বর্তমান সরকার তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।

দেশ রূপান্তর

এই খবরে বলা হয়েছে, মাত্র দেড় মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৭৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার।

যদিও বেসরকারি খাতে ঋণ মিলছে খুবই কম। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকেই বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি এক অঙ্কের ঘরে।

দীর্ঘ সময় বেসরকারি খাতে এমন বিনিয়োগ খরার ফলে জাতীয় সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

যার কারণে বাড়তে পারে বেকারত্ব।

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ৯ মাসেই (জুলাই-মার্চ) সরকারের ব্যাংকঋণের পরিমাণ পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে গেছে।

যেখানে ব্যাংক থেকে পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক লাখ চার হাজার কোটি টাকা, সেখানে মার্চের শেষেই ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ আট হাজার ৯৮৫ কোটি টাকায়।

পরবর্তী সময়ে বিশেষ নিলামের মাধ্যমে আরো ১০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে।

অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারের এই বাড়তি ঋণগ্রহণ বেসরকারি খাতের অর্থপ্রবাহে চাপ তৈরি করবে। যদিও বর্তমান ব্যবসা পরিস্থিতি দুর্বল থাকায় তাৎক্ষণিক প্রভাব কম হতে পারে, তবে দীর্ঘ মেয়াদে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কালের কণ্ঠ

এই খবরে বলা হয়েছে, আনুষ্ঠানিক চিঠি কিংবা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে বিজ্ঞপ্তি ছাড়া কেবল টেলিফোন করে ডেকে এনে দুই ব্যাচের কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে নিয়োগের জন্য প্রায় ৯০ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে।

এক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম হচ্ছে, ডিসি নিয়োগের তালিকা (ফিটলিস্ট) তৈরির জন্য প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের ব্যাচভিত্তিক সাক্ষাৎকার নিতে হবে।

এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়ে চিঠি দিয়ে ডাকা হবে। সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতির জন্য সময়ও দেওয়া হবে।

পাশাপাশি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

কিন্তু বিএনপি সরকারের ডিসি নিয়োগের ফিটলিষ্ট তৈরি প্রথম উদ্যোগে এসব নিয়মকানুন না মানেই শেষ হয়েছে।

এজন্য বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২৮ ও ২৯তম ব্যাচ থেকে কর্মকর্তাদের ডাকা হয়। কিন্তু অনেক কর্মকর্তা বিষয়টি জানতেও পারেননি।

নিয়মানুযায়ী সব কর্মকর্তাকে এই সাক্ষাৎকারে ডাক পাওয়ার কথা।

পছন্দের কর্মকর্তাদের ডাকার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই দুই ব্যাচের অনেকে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মেধাতালিকার ক্রম অনুযায়ী সব কর্মকর্তাকে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হয়েছিল।

সমকাল

এতে বলা হয়েছে– বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ ভারতে দেশজ বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে ৩৩টি। আর বাংলাদেশে এ শ্রেণীর ব্যাংকের সংখ্যা ৫২। গত দুই যুগে একীভূতকরণ ও অধিগ্রহণের মাধ্যমে ভারতে ব্যাংকের সংখ্যা অন্তত ৪০টি কমানো হয়েছে।

দেশটিতে সরকারি ব্যাংকের সংখ্যা ২৭ থেকে নামিয়ে আনা হয়েছে মাত্র ১২টিতে, আর বেসরকারি ব্যাংক আছে ২১টি। সংখ্যা কমানো ও করপোরেট সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভারতের ব্যাংক খাত শক্তিশালী হয়েছে। খেলাপি ঋণের হার নেমে এসেছে মাত্র ২ শতাংশের ঘরে।

যদিও এক্ষেত্রে বিগত সময়ে বিপরীতমুখী ছিল বাংলাদেশের যাত্রা। বর্তমানে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার ৩০ শতাংশেরও বেশি। সরকারি মালিকানাধীন নয়টি ব্যাংকের একটি ছাড়া বাকিগুলোর পরিস্থিতি নাজুক। মূলধন ও সঞ্চিতি (প্রভিশন) ঘাটতিতে থাকা এ ব্যাংকগুলো এখন বড় সংকটে রয়েছে।

অনেক বেসরকারি ব্যাংকও ভঙ্গুর দশায়। বাংলাদেশে ব্যাংকের সংখ্যা বেশি হওয়াকেও এ খাতের একটি সংকট হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট অনেকে।

বণিক বার্তা

এই খবরে বলা হয়েছে, বড় রাজনৈতিক দলগুলোর বঞ্চিত, কোণঠাসা ও নিষ্ক্রিয় নেতাদের টানতে চায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

দলের জনপ্রিয়তা বাড়াতে এবং সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে এনসিপির এই প্রচেষ্টা।

এমনকি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টির ‘নির্দোষ’ নেতারাও এই সুযোগ পেতে পারেন।

এনসিপির বিভিন্ন সূত্র বলছে, বড় রাজনৈতিক দলগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে কোণঠাসা, পদবঞ্চিত ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার বাইরে থাকা তৃণমূল থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের কেউ কেউ এনসিপিতে যোগ দিতে যোগাযোগ করেছেন।

আবার বিভিন্ন বড় দলের সৎ, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির অনেকের সঙ্গে এনসিপির পক্ষ থেকেও যোগাযোগ করা হচ্ছে।

আজকের পত্রিকা

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম— খরচে দিশাহারা অভিভাবকেরা।

এতে বলা হয়েছে, সারা দেশে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়া হামে আক্রান্ত শিশুর অভিভাবকেরা খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসায় খরচ কম হলেও যে রোগীকে নিয়ে একাধিক হাসপাতাল ঘুরতে হয়, সেই পরিবারের খরচ অনেক বেড়ে যায়। আর বেসরকারি হাসপাতালে খরচ আরও বেশি।

রোগীর স্বজনেরা বলছেন, অনেক ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালে সব ওষুধের সরবরাহ থাকে না। বাইরে থেকে কিনতে হয়। রোগের পরীক্ষা করাতে হয়।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে নিতে যাতায়াত খরচ যুক্ত হয়। হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের খাবার ও নানা কিছু কেনার পেছনে ব্যয় করতে হয়।

সব মিলিয়ে স্বল্প আয় ও দরিদ্র পরিবারের জন্য খরচ অনেক।

তারপরও সন্তানকে সুস্থ করে বাড়ি ফিরতে পারলে তবু সান্ত্বনা থাকত, অনেকেই সন্তানের লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।

প্রথম আলো

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম—Fuel, fertiliser imports: Govt needs $2.61b extra until June; অর্থাৎ জুন পর্যন্ত জ্বালানি ও সার আমদানিতে সরকারের অতিরিক্ত দুই দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।

এই খবরে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মার্চ-জুনের জ্বালানি ও সার আমদানির ক্রমবর্ধমান ব্যয় মেটাতে বাংলাদেশের অতিরিক্ত দুই দশমিক ৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তিন দশমিক শূন্য এক বিলিয়ন ডলারের তুলনায় এবার তেল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও সার আমদানিতে মোট খরচ হবে প্রায় পাঁচ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার।

যার ফলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকসহ উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারের জরুরি সহায়তা পাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে চলমান আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বসন্তকালীন বৈঠকের সাইডলাইনে এই দুই ঋণদাতা সংস্থার কর্মকর্তাদের কাছে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ নিয়ে অনুরোধ জানিয়েছেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের আমির খসরু জানান, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নীতিগত নির্দেশনা ও আর্থিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছে।

এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তার সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত অর্থায়নের ঘাটতি মেটাতে সরকার অন্যান্য ঋণদাতা সংস্থার সঙ্গেও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে গতকাল বুধবার এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস অনলাইন সামিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটাতে ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা চেয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত মার্চে ডিজেলের দাম ২৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে এলএনজির দাম হয়েছে দ্বিগুণ এবং সারের দাম বেড়েছে ৫০ শতাংশ।

দ্য ডেইলি স্টার

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— No work, full salary; অর্থাৎ কাজ নেই, তবে পূর্ণ বেতন।

এই খবরে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসনে সচিব থেকে উপসচিব পদমর্যাদার প্রায় ৭০০ কর্মকর্তা এখন ‘বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা’ (ওএসডি) হিসেবে সংযুক্ত। যাদের কি না এখন কোনো কাজ নেই।

প্রশাসনের একদিকে যখন কর্মকর্তারা কাজহীন হয়ে আছেন, অন্যদিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কর্মকর্তারা হিমশিম খাচ্ছেন।

ওএসডি থাকা এসব কর্মকর্তাদের পেছনে মাসে রাষ্ট্রের ব্যয় প্রায় ১০ কোটি টাকা।

যদিও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী ৭০০ কর্মকর্তা ওএসডি থাকার তথ্যটি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, এত বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা ওএসডি থাকা অসম্ভব এবং সম্ভবত মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটটি সময়মতো আপডেট করা হয়নি।

প্রতিমন্ত্রী ওএসডি বা সংযুক্তিতে রাখাকে একটি নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করে দাবি করেন, এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পরই ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনের সময় যারা রিটার্নিং কর্মকর্তা বা জেলা প্রশাসক ছিলেন, প্রথম ধাক্কাতেই তাদের ওএসডি করে অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর থেকে ধাপে ধাপে চলে আগের সরকারে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে থাকা কর্মকর্তাদের কর্মহীন করার প্রক্রিয়া।

এ নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ কে এম আব্দুল আউয়াল বলেছেন, সরকার এসব কর্মকর্তাদের না পারছে পুরোপুরি বিশ্বাস করতে, না পারছে চাকরি থেকে সরাতে। এটি কোনো দ্রুত সমাধানযোগ্য সমস্যা নয়, বরং এটি সিভিল প্রশাসনের ভেতরকার এক গভীর বিশৃঙ্খলার প্রতিফলন।

পত্রিকা

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Real estate sinks deeper as booking cancellations surge, defaults hit 26.7%; অর্থাৎ বুকিং বাতিলের ঢেউয়ে গভীর সংকটে আবাসন খাত, খেলাপি ঋণ ২৬.৭ শতাংশ।

এই খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ মন্দার মুখে পড়েছে বাংলাদেশের আবাসন খাত।

মূলত চব্বিশের পাঁচই অগাস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে বুকিং বাতিলের ঢেউ শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে, নির্মাণ খরচের ঊর্ধ্বগতি, উচ্চ সুদের হার এবং বৈশ্বিক অস্থিরতা— খাতটির খেলাপি ঋণের হার প্রায় ২৭ শতাংশে ঠেলে দিয়েছে।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সংকট ডেভেলপারদের নগদ প্রবাহকে সংকুচিত করছে, প্রকল্প বাস্তবায়ন থমকে দিচ্ছে এবং এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ছে সংশ্লিষ্ট ডজনখানেক শিল্পে।

ডেভেলপারদের মতে, বুকিং বাতিলের প্রধান কারণ হলো অনেক বিনিয়োগকারী ও উচ্চ আয়ের ক্রেতা দেশ ছেড়ে চলে গেছেন অথবা ‘অপেক্ষা করে দেখার’ কৌশল নিয়েছেন।

হঠাৎ এই চাহিদা কমে যাওয়ায় সেই অগ্রিম অর্থ-নির্ভর মডেল ভেঙে পড়েছে, যার ওপর নির্ভর করেই অনেক ডেভেলপার প্রকল্প অর্থায়ন করতেন।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড