Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি- বছরে ১৩২৭ কোটি টাকা হারানোর শঙ্কা : সিপিডি’

পত্রিকা: ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি- বছরে ১৩২৭ কোটি টাকা হারানোর শঙ্কা : সিপিডি’

6
0

Source : BBC NEWS

যুগান্তর

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রে বেশিরভাগ শিরোনামে এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব, ফ্লাইট বাতিল, আদালতের জালিয়াতি ও টাকা চাওয়া, কঙ্কাল চোরাচালান, পোশাক রফতানিতে চাপ, যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি, আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স অনিয়ম এবং ভুয়া পাইলটের মতো নানা সংবাদ।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হলে বছরে প্রায় ১ হাজার ৩২৭ কোটি টাকার আমদানি শুল্ক রাজস্ব হারানোর আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে সংস্থাটির কার্যালয়ে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

ব্রিফিংয়ে সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বক্তব্য দেন এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ শীর্ষক চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা প্রায় সাড়ে চার হাজার পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিতে হবে। এছাড়া আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যে আরও ২ হাজার ২১০ ধরনের পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার কথা রয়েছে।

সিপিডির মতে, এসব পণ্য থেকে বর্তমানে সরকারের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আমদানি শুল্ক রাজস্ব আসে। ফলে চুক্তি কার্যকর হলে ওই আয় কমে যেতে পারে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রকে একতরফাভাবে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়া বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে এবং এতে অন্য সদস্য দেশগুলোকেও একই সুবিধা দেওয়ার চাপ তৈরি হতে পারে।

ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি, বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের চাপের মধ্যে আগামী অর্থবছরের জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব ব্যবস্থায় সংস্কার এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সিপিডি।

মানবজমিন

১০ই মার্চ একদিনেই বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের অন্তত ৩২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

এর মধ্যে কুয়েত, এয়ার অ্যারাবিয়া, গালফ এয়ার, কাতার, এমিরেটস, জাজিরা, ফ্লাই দুবাই, বিমান বাংলাদেশ ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট রয়েছে। তবে একই সময়ে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স মোট ৩২৫টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির মধ্যে ভিসা জটিলতা ও যাতায়াত অনিশ্চয়তায় পড়েছেন অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি।

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে এসে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন তারা। এই পরিস্থিতির মধ্যে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, আগামী ১৩ এপ্রিল থেকে সপ্তাহে চারদিন ঢাকা-শারজাহ এবং ১৪ এপ্রিল থেকে সপ্তাহে তিনদিন ঢাকা-আবুধাবি রুটে ফ্লাইট চালু করবে।

এছাড়া প্রতি সোমবার চট্টগ্রাম থেকে আবুধাবির উদ্দেশ্যে সরাসরি একটি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্রথম আলো

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার আসামিকে জামিন পাইয়ে দেওয়ার জন্য এক কোটি টাকা দাবি করা হয়েছে, এমন অভিযোগের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন দল।

এ ঘটনায় চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তথ্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সব সদস্যই প্রসিকিউটর।

মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, মামলার এক আসামিকে জামিন করিয়ে দিতে একজন প্রসিকিউটর এক কোটি টাকা চেয়েছেন।

প্রথম আলো ও নেত্র নিউজের যৌথ সেই প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় এবং আরও কয়েকটি গণমাধ্যমেও খবর প্রকাশিত হয়। এরপর দিনেই দুই দফা বৈঠক করে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন দল।

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বিকেলে কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং বুধবার দুপুরে একটি বৈঠকে তদন্তের কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা হবে।

এদিকে বিশ্লেষকেরা বলছেন, জামিনের জন্য টাকা চাওয়ার মতো অভিযোগ বিচার প্রক্রিয়ার ওপর মানুষের আস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিষয়টির নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জুলাইয়ের সহিংসতার ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।

নিউ এইজ

নিউ এইজ পত্রিকার খবর – Dental students among four arrested over graveyard skeleton trade অর্থাৎ কবরস্থান থেকে কঙ্কাল বেচাকেনার অভিযোগে ডেন্টাল শিক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার।

কবরস্থান থেকে মানুষের কঙ্কাল সংগ্রহ করে অনলাইনে বিক্রির অভিযোগে ঢাকায় দুই ডেন্টাল শিক্ষার্থীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৪৭টি মানব খুলি ও বিপুল পরিমাণ মানব অস্থি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

মঙ্গলবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ ইবনে মিজান বলেন, সোমবার রাতে মনিপুরি পাড়া ও উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে মো. ফয়সাল আহমেদ (২৬) ও কাজী জহুরুল ইসলাম সৌমিক (২৫) ডেন্টাল শিক্ষার্থী। অপর দুইজন হলেন আবুল কালাম (৩৯) ও আসাদুল মুন্সি (৩২)।

পুলিশ জানায়, একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মনিপুরি পাড়ায় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কাছ থেকে একটি মানব কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। পরে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্যদেরও আটক করা হয়।

তদন্তকারীরা বলছেন, তারা দেশজুড়ে সক্রিয় একটি সংগঠিত নেটওয়ার্কের অংশ, যারা বিভিন্ন কবরস্থান থেকে কঙ্কাল সংগ্রহ করে বিক্রি করত।

বণিক বার্তা

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালসহ উপসাগরীয় গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুটে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশের রফতানিমুখী শিল্প, বিশেষ করে পোশাক খাতের ওপর চাপ বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পরিস্থিতি শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তা নয়, বরং বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রফতানি খাতের জন্যও নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।

দক্ষিণ এশিয়া বিশ্ব পোশাক উৎপাদনের একটি বড় কেন্দ্র, যেখানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের কারখানাগুলো থেকে ইউরোপের বিভিন্ন ফ্যাশন ব্র্যান্ডে নিয়মিত পোশাক সরবরাহ করা হয়।

এসব পণ্যের একটি বড় অংশ জরুরি সরবরাহের ক্ষেত্রে আকাশপথে ইউরোপসহ বিভিন্ন বাজারে পাঠানো হয়। তবে সংঘাতের পর মধ্যপ্রাচ্যের বেশির ভাগ আকাশসীমা বন্ধ থাকায় সেই সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন তৈরি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে দুবাইয়ের মতো ব্যস্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও কয়েক দিন কার্যত বন্ধ রাখতে হয়। পাশাপাশি কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস ও ইত্তিহাদসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান বিমান সংস্থাগুলো বিপুলসংখ্যক যাত্রী ও কার্গো ফ্লাইট বাতিল করেছে।

ফলে আকাশপথে পণ্য পরিবহনে নির্ভরশীল সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন চাপ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নয়া দিগন্ত

জুলাই–আগস্ট গণ–অভ্যুত্থানের পর নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। তবে শুরু থেকেই অধিবেশন উত্তপ্ত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

গণভোটে পাস হওয়া জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে সংসদে ওয়াকআউটও করতে পারেন জামায়াত–এনসিপি জোটের সংসদ সদস্যরা।

সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, প্রথম অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন, স্পিকার প্যানেল গঠন এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।

ডেপুটি স্পিকার পদে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর একজনকে মনোনয়নের প্রস্তাব দিয়েছে সরকারদলীয় বিএনপি। তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অবস্থান দেখে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে দলটি।

এবারের অধিবেশনকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্ন। গণভোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন সংসদকে প্রথম ছয় মাস সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবেও কাজ করার কথা রয়েছে।

এ নিয়ে শপথ গ্রহণকে ঘিরে ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে, কারণ বিএনপি জোটের সংসদ সদস্যরা এখনো সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি, যদিও জামায়াত জোটের সদস্যরা দুই ধরনের শপথই গ্রহণ করেছেন।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনের পর সাপ্তাহিক ছুটির কারণে কার্যক্রম ১৫ ও ১৬ মার্চ চলবে। এরপর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অধিবেশন প্রায় ১৩ দিনের জন্য মুলতবি থাকতে পারে এবং ২৯ মার্চ আবার অধিবেশন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আজকের পত্রিকা

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তিপত্র ছাড়াই অন্তত আট হাজারের বেশি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এসব লাইসেন্সের অধিকাংশই আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা–কর্মী ও তাদের স্বজনদের নামে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বর্তমান সরকার তদন্ত শুরু করেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দেওয়া অন্তত ৮ হাজার ১৭৩টি পিস্তল ও রিভলবারের লাইসেন্স মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়াই ইস্যু করা হয়েছে।

আগ্নেয়াস্ত্র নীতিমালা অনুযায়ী এ ধরনের অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার আগে জেলা প্রশাসকের সুপারিশসহ প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে অনাপত্তিপত্র নিতে হয়। কিন্তু ওই সময় বহু ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জেলাগুলোর লাইসেন্স সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করতে গিয়ে এই অনিয়ম ধরা পড়ে। বর্তমানে জেলাভিত্তিক তদন্ত কমিটি গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট লাইসেন্স বাতিল, অস্ত্র জব্দ এবং প্রয়োজন হলে মামলা করার কথাও বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, অনাপত্তিপত্র ছাড়া লাইসেন্স দেওয়ার পাশাপাশি আরও কিছু অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে, যা যাচাই–বাছাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারের তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে মোট আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে ৫৩ হাজার ৭০২টি, যার মধ্যে আওয়ামী লীগের শাসনামলের ১৫ বছরে দেওয়া হয়েছে ১৯ হাজার ৫৯৪টি।

দ্য ডেইলি স্টার

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- Govt looking at fuel source options অর্থাৎ জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজছে সরকার।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বিঘ্নের আশঙ্কা মাথায় রেখে বিকল্প উৎসের বিষয়ে কাজ করছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, মার্চ মাসের জ্বালানি সরবরাহ ইতোমধ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় এপ্রিল ও মে মাসের সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রস্তুতিও চলছে।

গতকাল সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই সরকার বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে ভাবছে। সংঘাত দীর্ঘ হলে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে পারে—এই আশঙ্কা মাথায় রেখে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সরকারি কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশ মূলত মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে, যা প্রধানত হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। অন্যদিকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়াসহ কয়েকটি এশীয় দেশ থেকে আমদানি করা হয়।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কর্মকর্তারা বলছেন, বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অপরিশোধিত তেল সাধারণত হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়, যার বড় অংশই এশিয়ার বাজারে যায়। ফলে ওই পথে সরবরাহ বিঘ্নিত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

কালের কণ্ঠ

জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে অন্তত চারজন পাইলটের বিরুদ্ধে গুরুতর যোগ্যতা-জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভ্যন্তরীণ তদন্তে দেখা গেছে, কেউ প্রয়োজনীয় উড়ানঘণ্টা পূরণ না করেই কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স (সিপিএল) পেয়েছেন; কেউ লগবুকে একই উড়ান সময় দুই কলামে দেখিয়ে ঘণ্টা বাড়িয়েছেন; আবার কারো ক্ষেত্রে পরস্পর সাংঘর্ষিক উড়ান সনদ পাওয়া গেছে।

বিমান কর্তৃপক্ষ অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত শেষে একটি কমিটি গঠন করে।

তদন্ত প্রতিবেদনে আশঙ্কা করা হয়েছে, অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক এভিয়েশন সেফটির মানও প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন আইসিএও বা ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এভিয়েশন সেফটি এজেন্সির নজরদারি, এমনকি নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।