Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘বড় ঝুঁকিতে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার’

পত্রিকা: ‘বড় ঝুঁকিতে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার’

13
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা এখনো চলছে। থেমে নেই ইরানও। তারাও ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে এতে মধ্যপ্রাচ্যে এক ধরনের অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত সবগুলো পত্রিকা ইরান নিয়ে প্রধান শিরোনাম করেছে।

খবরে বলা হচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনার দাবি নাকচ করেছে ইরান। হামলা আরও জোরদার করেছে তারা। গত রোববার রাতে ও গতকাল সোমবার উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা।

হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এরপর গতকাল ট্রাম্প হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ইরানে কঠোর হামলা হবে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে চীন।

তবে এর মাঝেই ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প।

দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনে ট্রাম্পের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘তারা (ইরানের নতুন নেতৃত্ব) কথা বলতে চাইলে আমি রাজি আছি। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলব।’

তবে এই দাবি অস্বীকার করেছে ইরান। আল জাজিরার খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় পারমাণবিক আলোচনা শুরু করার বিষয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর নাকচ করে দিয়েছেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি।

আজকের পত্রিকা

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের শ্রমবাজার অনেকটাই মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক। মোট অভিবাসীর ৬৭ শতাংশই যায় সৌদি আরবে।

শ্রমবাজারের দ্বিতীয় স্থানে কাতার, চতুর্থ কুয়েত, ষষ্ঠ আরব আমিরাত এবং সপ্তম স্থানে রয়েছে জর্দান। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় প্রতিটি দেশেই যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বড় ঝুঁকিতে পড়েছে এ শ্রমবাজার।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরান। এতে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত প্রায় ৬০ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

ইতোমধ্যে আরব আমিরাতে একজন ও বাহরাইনে একজন প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। কুয়েতে চারজন ও বাইরাইনে তিনজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। অনেকেই জরুরি প্রয়োজনে দেশে ফিরতে পারছেন না।

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ বা সীমিত থাকায় অনেকে ছুটি শেষে যথাসময়ে ফিরতে পারছেন না। কারও কারও ভিসার মেয়াদ প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

কালের কণ্ঠ

‘জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, সরবরাহে বিঘ্ন, দুশ্চিন্তা বাংলাদেশেও’ প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে একদিকে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম বাড়ছে; অন্যদিকে সরবরাহ নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

দুশ্চিন্তায় চন্তায় পড়েছে বাংলাদেশও। মূল্যবৃদ্ধি স্থায়ী হলে, সরবরাহে সংকট তৈরি হলে বাংলাদেশেও ঘাটতি তৈরি হতে পারে, দাম বেড়ে যেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরুর পর ইরান পাল্টা জবাব দিচ্ছে। এতে অনেকটা অচল হয়ে গেছে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম পথ ইরানের হরমুজ প্রণালি।

হামলার পর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন ও রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে কাতার। অন্যদিকে ইরানের ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো তাদের সবচেয়ে বড় শোধনাগার রাস তানুরা সতর্কতার অংশ হিসেবে বন্ধ করে দিয়েছে।

শতভাগ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র বলছে, দেশের জ্বালানি তেলের প্রায় আমদানিনির্ভর। এর মধ্যে অপরিশোধিত জ্বালানির পুরোটা আসে সৌদি আরব ও আরব আমিরাত থেকে। তবে পরিশোধিত জ্বালানি আসে বিভিন্ন দেশ থেকে।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি বিদেশি এয়ারলাইন্সের পাশাপাশি দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলো ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করেছে। তিনদিনে একের পর এক ফ্লাইট স্থগিতের কারণে এখন পর্যন্ত ঢাকা থেকে ১০২টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

একই সময়ে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ২৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। শতাধিকের উপরে ফ্লাইট বাতিল হওয়াতে মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।

ঢাকার শাহ্‌জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনদিন ধরে যাত্রী ও তাদের স্বজনরা ভিড় করছেন। বিমানবন্দর ও এয়ারলাইন্সগুলো কবে ফ্লাইট পরিচালনা স্বাভাবিক হবে সেটি বলতে পারছেন না।

বিশেষ করে বাতিল ফ্লাইটগুলো কখন রিসিডিউল করা হবে সেটিও নিশ্চিত না। এতে করে যাত্রীদের ভোগান্তি ও দুর্ভোগ ক্রমেই বাড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এ সব দেশে যারা যাতায়াত করেন তাদের বেশির ভাগই শ্রমিক। অনেক শ্রমিকের ভিসার মেয়াদের সীমাবদ্ধতাসহ ছুটিজনিত সমস্যা রয়েছে।

মানবজমিন

খবরে বলা হচ্ছে, ইরানের ড্রোন হামলায় গতকাল কাতার এনার্জির জ্বালানি স্থাপনা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়। ফলে সংস্থাটি সাময়িকভাবে এলএনজি উৎপাদন ও সরবরাহ সংক্রান্ত কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালিও বন্ধ রয়েছে। এ প্রণালি হয়ে এলএনজি পরিবহন এক মাস বন্ধ থাকলে এশিয়ার স্পট মার্কেট এলএনজির দাম ১৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ এলএনজি রফতানিকারক দেশ কাতার। সারা বিশ্বে চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ এলএনজি সরবরাহ করে দেশটি, যার সবটাই রফতানি হয় হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে।

বাংলাদেশেও এলএনজির বড় সরবরাহকারী দেশ কাতার। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে আগামী দুই-তিন সপ্তাহ যদি কাতারের এলএনজি উৎপাদন ও রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকে, তাহলে বিকল্প হিসেবে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি সংগ্রহ করতে গেলে আর্থিকভাবে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

 বণিক বার্তা

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘RUSSIA-UKRAINE WAR: Over 100 Bangladeshis sent to the front, 34 dead: report’.

খবরে বলা হচ্ছে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধে শতাধিক বাংলাদেশিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন সম্মুখ সারিতে যুদ্ধ করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, যুদ্ধে শেষ হওয়ার আগে অনেককে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল। অনেক আর্থিক কারণে আটকা পড়ছেন।

দ্য ডেইলি স্টারকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে ব্যাংককভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ফোর্টিফাই রাইটসের পরিচালক জন কুইনলি ও ইউক্রেন-ভিত্তিক ট্রুথ হাউন্ডসের সহ-নির্বাহী পরিচালক ওকসানা পোকালচুকরে একটি যৌথ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বাংলাদেশ ও ইউক্রেনের ২৪ জনের সাক্ষাৎকারের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। যার মধ্যে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি, নিহতদের পরিবার এবং শ্রীলঙ্কা ও নেপালের যুদ্ধবন্দী রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কমপক্ষে ১০৪ বাংলাদেশিকে নিয়োগ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। যার মধ্যে ইউক্রেনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কমপক্ষে ৩৪ জন মারা গেছেন।

তবে গবেষকরা বলেছেন, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। তারা কয়েক ডজন নিহত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে।

দ্য ডেইলি স্টার

খবরে বলা হচ্ছে, ইরানের রাজধানী তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবর প্রচারিত হওয়ার পর হোয়াইট হাউসের বাইরে বিক্ষোভ করেছেন যুদ্ধবিরোধীরা।

নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারসহ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এ বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযানের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

সু জনসন নামের একজন বিক্ষোভকারী বলেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই ট্রাম্প এ হামলার অনুমোদন দিয়েছেন। এটি তাকে একজন ফ্যাসিস্ট করে তুলছে এবং দেশকে একটি ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করছে।

দ্য টার্কিশ রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন কর্পোরেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইউরোপজুড়ে ব্যাপক যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে।

রোববার গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে মার্কিন দূতাবাসের বাইরে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন। এ সময় তারা ইরানের পতাকা তুলে ধরেন। তাদের হাতে থাকা একটি ব্যানারে লেখা ছিলো ‘তারা মধ্যপ্রাচ্যে সর্বনাশ করছে। গ্রিস গণহত্যা থেকে মুক্তি পাক।’

বিক্ষোভে বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন অংশগ্রহণ করে।

শনিবার, লন্ডনেও মার্কিন-ইসরায়েলি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মানুষ জড়ো হয়েছিল।

খামেনির মৃত্যুতে করাচিসহ পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি প্রধান শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। শত শত বিক্ষোভকারী মার্কিন কূটনৈতিক ভবনে হামলা চালানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

নিউ এইজের

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের প্রতিটি জেলায় একটি ‘জিরো কমপ্লেইন (অভিযোগশূন্য) থানা’ গড়ে তোলার কথা ভাবছে পুলিশ। গতকাল সোমবার ৬৪ জেলার পুলিশ সুপারের সঙ্গে পুলিশের নবনিযুক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ভার্চুয়াল বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সেখানে জিরো কমপ্লেইন থানার ধারণা, কীভাবে বাস্তবায়ন করা যাবে, সেসব বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন আইজিপি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। বৈঠকে আইজিপি বলেন, আইনশৃঙ্খলা ঠিক না হলে বিনিয়োগ আসবে না। হবে না কর্মসংস্থান।

এ সময় ‘মব কালচার’ বা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া বা প্রক্রিয়াগত সমস্যার কারণে তারা কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকলে মব কালচার বা এ ধরনের পরিস্থিতি হতো না। তাই বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করতে পুলিশের ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।

সমকাল

খবরে বলা হচ্ছে, বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে সংসদের ডেপুটি স্পিকারের পদ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সরকারি দল। তবে ওই আসনে কে বসছেন তা নিয়ে ইতিমধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জামায়াতের একজন নায়েবে আমির এবং দুজন আইনজীবী সংসদ-সদস্যের নাম এখন আলোচনার শীর্ষে রয়েছে।

যদিও এ প্রশ্নে দলীয়ভাবে জামায়াত এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা আব্দুল হালিম।

বিরোধী দল থেকে একজন ডেপুটি স্পিকার নিয়োগের বিষয়টি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পরপরই আলোচনায় আসে। কয়েক সপ্তাহ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা না থাকলেও সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে বিষয়টি সামনে আনেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

যুগান্তর

‘কূটনৈতিকপাড়ায় নিরাপত্তা জোরদার’ দেশ রূপান্তরের শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানী ঢাকায় বিদেশি দূতাবাসগুলোর অধিকাংশের অবস্থান বারিধারা, গুলশান ও বনানীতে। এই পুরো কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চায় না নবনির্বাচিত সরকার।

তাই চলমান বৈশ্বিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে মার্কিন দূতাবাসসহ কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গতকাল সোমবার এ কথা বলেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন গতকাল সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন। রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের লক্ষ্যে নিয়মিত বাহিনীর পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।

এ ছাড়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মূলত সম্ভাব্য যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এই আগাম সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।