Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘পুলিশ হত্যারও তদন্ত হবে’

পত্রিকা: ‘পুলিশ হত্যারও তদন্ত হবে’

15
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

২০২৪-এ গণ অভ্যুত্থানের সময় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতায় অনেক ছাত্র, সাধারণ মানুষ হতাহত হওয়ার পাশাপাশি পুলিশের স্থাপনাগুলোয় ব্যাপক হামলা, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশ সদস্যদের হত্যার ঘটনা ঘটেছিল। সেসব ঘটনা নিয়ে তদন্ত হতে পারে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত কয়েকটি সংবাদপত্রে এ নিয়ে খবর রয়েছে। এছাড়া জনপ্রশাসনে ব্যাপক পরিবর্তনের খবরও রয়েছে আজকের পত্রিকাগুলোতে।

খবরে বলা হচ্ছে, ২০২৪-এ ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের স্থাপনাগুলোয় ব্যাপক হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছিল এবং পুলিশ সদস্যদের হত্যা করা হয়েছিল।

পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছিল, ৪৪ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা যদিও এত কম সদস্যের মৃত্যুর বিষয়টি মানতে নারাজ, তাদের মতে, নিহতের সংখ্যা অনেক বেশি।

তারা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে তদন্তের দাবি ওঠালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। তবে নতুন সরকার আসার পর পুলিশ হত্যা এবং স্থাপনায় হামলার ঘটনাগুলোর তদন্তে গ্রিন সিগন্যাল মিলেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সূত্র বলেছে, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পুলিশের স্থাপনায় হামলা ও সদস্যদের হত্যা করার বিষয়টি আলোচনায় আসে।

দেড় বছরেও তদন্ত না হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সরকারের শীর্ষ মহলের কেউ কেউ। এসব ঘটনার মাত্র পাঁচটিতে মামলা হয়েছে; আটক হয়নি কেউ।

পুলিশের কোনো কোনো কর্মকর্তা এ বিষয়ে কথা বলার চেষ্টা করলেও সরকারের সহায়তা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ।

তবে পুলিশের একাধিক ইউনিট হামলার আগে ও পরের ভিডিও ফুটেজ এবং আলামত সংগ্রহ করে রেখেছে। অন্তর্বর্তী সরকার ‘সংকেত’ না দেওয়ায় পুলিশ সদর দপ্তর তদন্তের কাজ এগোতে পারেনি।

দেশ রূপান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় সংগঠন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন। সারা দেশে সংগঠনটির আওতাভুক্ত ইউনিয়নের সংখ্যা ২৫৩।

পরিবহন খাতে শ্রমিক সংগঠনের নির্দিষ্ট সংখ্যা জানা গেলেও মালিক সংগঠনের সঠিক হিসাব পাওয়া যায় না।

কেন্দ্রীয়ভাবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ বাস ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ট্রাক কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতি পৃথক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

এসব সংগঠনের আওতায় আবার দেশের প্রতিটি জেলায় একাধিক সংগঠন থাকার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর বাইরে ঠেলাগাড়ি, রিকশা-ভ্যানের মতো অযান্ত্রিক ও নসিমন-করিমনের মতো স্থানীয়ভাবে তৈরি পরিবহনের জন্যও রয়েছে আলাদা আলাদা সংগঠন।

শ্রম মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, দেশে সড়ক পরিবহন খাতে মালিক ও শ্রমিকদের সংগঠনের সংখ্যা ৯৩২। এসব সংগঠনের আয়ের প্রধান উৎস পরিবহন থেকে তোলা চাঁদার টাকা।

সংগঠনগুলোর দাবি, এ চাঁদা সংগঠন পরিচালনা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় খরচ করা হয়। যদিও এ ধরনের ব্যয় আদায়কৃত চাঁদার তুলনায় নগণ্য বলে মনে করেন খাতসংশ্লিষ্ট অনেকে।

বণিক বার্তা

খবরে বলা হচ্ছে, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রযন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে দ্রুত পরিবর্তন শুরু হয়েছে। জনপ্রশাসন, পুলিশ ও শিক্ষা প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে বড় রদবদল চলছে।

ইতিমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শকমন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও আইজিপি পদে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

চুক্তিতে থাকা ৯ জন সচিব ও জ্যেষ্ঠ সচিবের নিয়োগ বাতিল, কয়েকজন সচিবকে সংযুক্ত করা এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য হয়ে পড়ায় প্রশাসনে বড় ধরনের পুনর্বিন্যাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সংশিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এটি পরিবর্তনের প্রথম ধাপ। সামনে আরও সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

সচিবালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, চুক্তি বাতিল ও সংযুক্ত করার ফলে বর্তমানে অন্তত ১২টি সচিব ও সমপর্যায়ের পদ শূন্য হয়েছে। এসব পদে দ্রুত নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।

জেলা প্রশাসক (ডিসি) পর্যায়েও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতেও ধাপে ধাপে এর পরিবর্তন আসতে পারে।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি বেসরকারি খাত বর্তমানে কার্যত রুগ্ণ। গত কয়েক বছরের সামষ্টিক অর্থনীতির অস্থিরতা, উচ্চ সুদহার, তীব্র জ্বালানিসংকট এবং ডলারের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির চাপে পিষ্ট উদ্যোক্তারা।

অন্যদিকে গত দেড় বছরের অস্থির সময়ে শিল্পের প্রত্যাশিত বিকাশ না হওয়ায় দেশে নতুন বিনিয়োগ হয়নি বললেই চলে।

এমন এক ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের হারানো আস্থা ফেরাতে এবং স্থবির অর্থনীতিকে টেনে তুলতে নতুন সরকারের নীতির দিকে চাতক পাখির মতো তাকিয়ে আছেন উদ্যোক্তারা।

অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, সামষ্টিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের দ্রুত আস্থায় নিতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জন অসম্ভব হয়ে পড়বে।

দেশের জিডিপিতে বেসরকারি খাতের অবদান ৭৮ থেকে ৮৬ শতাংশ। আর কর্মসংস্থানের প্রায় ৯৫ শতাংশ আসে এই খাত থেকে।

অথচ বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে মাত্র ৬.১ শতাংশে, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের সরকারি হাসপাতালে বিপুলসংখ্যক রোগীকে শয্যার অভাবে মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হয় । কখনো ওয়ার্ডের মেঝেতে জায়গা হয় , অনেক ক্ষেত্রে বারান্দা, সিঁড়ির নিচে, এমনকি প্রক্ষালনকক্ষের বাইরে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হয় নিম্নবিত্তের মানুষকে।

দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের বড় পরিসংখ্যানগত প্রকাশনা ‘ হেলথ বুলেটিন ‘। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুনে হেলথ বুলেটিন ২০২৩ প্রকাশ করে সরকার। এর তথ্য অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালে মোট ৭১ হাজার ১০০ টি শয্যা রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তিন পর্যায়ে ভাগ করা যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র বাদে ৪২৯ টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ১০, ৩১, ৫০ ও ১০০ শয্যাবিশিষ্ট ৪৮৩ টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

মাধ্যমিক পর্যায়ে ১০০ থেকে ২৫০ শয্যার ৬২ টি জেলা , জেনারেল হাসপাতালসহ মোট ২০৫ টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিশেষায়িত পর্যায়ে আছে মেডিকেল কলেজ, ইনস্টিটিউট ও অন্যান্য মিলিয়ে ৬৪ টি হাসপাতাল; যার প্রতিটিতে শয্যা ২০০ থেকে ৩ হাজার।

আজকের পত্রিকা

খবরে বলা হচ্ছে, বোরো মৌসুমের শুরুতে দেবাশীষ মণ্ডলের মতো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঠে কৃষকের ব্যস্ততা শুরু হয়েছে। সেই ব্যস্ততার ভেতরেই জমছে উদ্বেগ। কৃষকের স্বস্তি নেই। কারণ সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দিয়ে সার কিনতে হচ্ছে।

উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় অনেক কৃষক আবাদ কমানোর কথা ভাবছেন। সরকার আসে, সরকার যায়; সারের সিন্ডিকেট থেকে মুক্তি নেই কৃষকের।

সরকারি হিসাবে সারের সংকট নেই। বিএডিসি বলছে, গুদামে সার রাখার জায়গা পর্যন্ত নেই। অথচ মাঠ পর্যায়ে চিত্র ভিন্ন। সরকার নির্ধারিত এক বস্তা ইউরিয়া সারের দাম ১ হাজার ২৫০ টাকা হলেও কৃষককে গুনতে হচ্ছে ১ হাজার ৪৫০ থেকে ১ হাজার ৪৬০ টাকা।

ডিএপি সারের ক্ষেত্রেও চিত্র একই। বস্তাপ্রতি ২০০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে, যা শুধু উৎপাদন খরচই বাড়িয়ে দিচ্ছে না; খাদ্য নিরাপত্তাকেও শঙ্কায় ফেলছে।

কৃষকের অভিযোগ, কৃষিপণ্য উৎপাদনের মৌসুমে ডিলাররা সারের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে অতিরিক্ত দাম আদায় করছেন। নজরদারির অভাবে বেপরোয়া ডিলার-খুচরা বিক্রেতা চক্র সারাদেশে সারের দামে অরাজকতা তৈরি করেছে।

রয়েছে সরবরাহে ঘাটতির অভিযোগ। অভিযানের খবর পাওয়া গেলেও তা মাঠে স্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারছে না।

 সমকাল

খবরে বলা হচ্ছে, রমজান মাস ও ঈদকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী-ক্রেতাদের পণ্য কেনাবেচার ব্যস্ততা বেড়ে যায়। এই সুযোগে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে অপরাধচক্র।

পেশাদার ও মৌসুমি অপরাধীরা ছিনতাই, চুরি-ডাকাতি-লুট, চাঁদাবাজি, টিকিট কালোবাজারি, জালনোট কারবার এবং মার্কেটগুলোতে পকেটমার ও মলম পার্টি-অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়।

অসাধু ব্যবসায়ীরা খাবারের ভেজাল বৃদ্ধি করে। মার্কেট, টার্মিনাল ও ইফতারের সময় ভিড় কাজে লাগিয়ে মোবাইল-টাকা চুরি করে। রাস্তাঘাট, যানবাহনসহ বিভিন্ন স্থানে নানাবিধ ছদ্মবেশি প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়েন সাধারণ মানুষ।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে বিভিন্ন স্থানে সক্রিয় হয়ে ওঠে এসব অপরাধীরা। প্রতি বছরের ন্যায় এবারো ঘটছে নানাবিধ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। অপরাধচক্রের সদস্যরা অনেকে ধরা পড়ছে পুলিশের জালে।

অন্যান্য সময়ের তুলনায় রোজা, ঈদ অথবা বড় কোনো ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান এলে বেড়ে যায় এসব অপরাধীদের দৌরাত্ম্য। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোজা ও ঈদকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের অপরাধের অভিযোগ পাওয়া যায়।

মানবজমিন

খবরে বলা হচ্ছে, পরিবারের কেউ সরকারের পেনশনভোগী থাকলে সে পরিবার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাবে না। তেমনি বাড়িতে এসি ব্যবহারকারী বা গাড়িসহ বিলাসবহুল সম্পদের মালিকও এ সুবিধা পাচ্ছেন না।

নিম্ন, মধ্যম ও উচ্চ আয়ের মধ্যে ছয় শ্রেণির মানুষকে সুবিধার বাইরে রেখে সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড নীতিমালা’ চূড়ান্ত করা হয়েছে।

আরও যারা কার্ডের সুবিধা পাচ্ছেন না, তারা হলেন-পরিবারের কোনো সদস্য সরকারি চাকরিজীবী থাকলে এবং বাণিজ্যিক লাইসেন্সের মালিক বা বড় ব্যবসা থাকলেও এ কার্ড পাওয়ার অযোগ্য হবেন।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ নামে এ নীতিমালা করেছে। এ কর্মসূচির মূল দর্শন হচ্ছে-‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’। নীতিমালাটি খুব শিগগিরই প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে।

সূত্র মতে, নীতিমালায় কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে সাত ব্যক্তি-শ্রেণির মানুষকে অগ্রাধিকার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

যুগান্তর

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘ Govt aims to gradually issue 2cr family cards’. অর্থাৎ পর্যায়ক্রমে দুই কোটি ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার।

খবরে বলা হচ্ছে, আগামী ১০ মার্চ থেকে ফ্যামিলি কার্ড প্রোগ্রামের পাইলট পর্ব শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। সরকারের চূড়ান্ত লক্ষ্য পর্যায়ক্রমে দুই কোটি পরিবারকে মাসিক নগদ সহায়তার আওতায় আনা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৪টি উপজেলায় চার মাসের পাইলট প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এতে কমপক্ষে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট যোগ্য পরিবারগুলো তাদের মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি স্থানান্তরের মাধ্যমে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা পাবে।

পাইলট প্রকল্পের সময়, ৬ হাজার ৫০০ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন নির্দেশিকা ২০২৬ খসড়া এবং ফ্যামিলি কার্ড নীতিমালা পত্র অনুসারে, এই প্রকল্পটি পর্যায়ক্রমে দেশব্যাপী সম্প্রসারণের আওতায় আনা হয়েছে।

গতকাল তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং পাইলট পর্ব চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এটি বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রতিশ্রুত। এই কর্মসূচির জন্য মাসে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে, যা বছরে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা।

এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সামাজিক ব্যয়ের প্রতিশ্রুতিদাতা হয়ে উঠবে। বার্ষিক বরাদ্দের পরিমাণ চলতি অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ১২ শতাংশের কাছাকাছি হবে।

দ্য ডেইলি স্টার

খবরে বলা হচ্ছে, ২০০৯ সালে রাজধানীর পিলখানা এলাকায় অবস্থিত ত‍‍ৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে বাংলাদেশ রাইফেলস বিদ্রোহের শিকারদের পরিবার অপরাধী এবং ষড়যন্ত্রকারীদের শাস্তি দাবি করেছে। ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত ওই বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন।

নিহতদের পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ১৭ বছর পরও ন্যায়বিচার এখনও অধরা রয়ে গেছে। তারা বিএনপি নেতৃত্বাধীন নবগঠিত সরকারকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

নিহত বিডিআর প্রধান মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের ছেলে রাকিন আহমেদ নিউ এজকে বলেন, ‌’এখন, আমাদের প্রধান দাবি হল হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা অপরাধী এবং ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের আওতায় আনা।’

বিডিআর বিদ্রোহে নিহত কর্নেল মুজিবুল হকের স্ত্রী নেহরিন ফেরদৌসী বলেন, গত ১৭ বছর ধরে তারা ন্যায়বিচারের জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি ‘আমরা আর কোনো দেরি দেখতে চাই না। আমরা অপরাধীদের নাম জানতে চাই এবং তাদের অন্যায়ের জন্য শাস্তি দেখতে চাই।’

২০০৮ সালের ২৯শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এই বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। সেবার নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে।

বিডিআর বিদ্রোহের ১৭তম বার্ষিকী আজ। এই দিনটি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। আজ দুপুর ১টায় ঢাকার বনানী সামরিক কবরস্থানে নিহত কর্মকর্তা এবং অন্যান্যদের কবরে পরিবারের সদস্যরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।