Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘তারুণ্যনির্ভর মন্ত্রিসভা’

পত্রিকা: ‘তারুণ্যনির্ভর মন্ত্রিসভা’

9
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: 7 মিনিট

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার শপথ নিয়েছে গতকাল। নতুন-পুরোনো মিলিয়ে ৪৯ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রগুলোর প্রথম পাতায় নতুন মন্ত্রিসভা, সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ ও বিরোধী দলের খবর স্থান পেয়েছে।

খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের পর পঞ্চমবারের মতো সরকার গঠন করেছে বিএনপি। প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তিনি। বাবা সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর সন্তান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে বিরল রেকর্ড গড়লেন।

অভিজ্ঞতা আর তারুণ্যের মিশেলে ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া মন্ত্রী মর্যাদায় ৫ জন উপদেষ্টা ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় ৫ জনকে উপদেষ্টা নিয়োগ দিয়েছেন তিনি।

মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী ও ২৪ জনকে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের বেশির ভাগই বয়সে তরুণ।

৪১ জনই এবার প্রথম মন্ত্রী হয়েছেন। তবে চারদলীয় জোট সরকারে দায়িত্ব পালন করা কয়েকজন সিনিয়র নেতাকে না রাখা হলেও ঠাঁই পেয়েছেন ক্লিন ইমেজধারীরা।

গতকাল সকালে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি’র ২০৯ জন সংসদ সদস্য শপথ নেন। এবারই প্রথম সংসদ ভবনের দক্ষিণপ্লাজার উন্মুক্ত স্থানে শপথ নেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন।

শপথ অনুষ্ঠানে বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন।

মানবজমিন

খবরে বলা হচ্ছে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথগ্রহণের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন। তার শপথের পর প্রথমে মন্ত্রী এবং পরে প্রতিমন্ত্রীরা শপথগ্রহণ করেন।

রেওয়াজ ভেঙে বঙ্গভবনের বদলে এবারের শপথ অনুষ্ঠান হয় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। গতকাল বিকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাদের শপথ পড়ান।

নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভায় পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন ২৫ জন ও প্রতিমন্ত্রী ২৪ জন। যার মধ্যে ৪০ জনই নতুন মুখ। এতে স্থান পেয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতারাও।

মিত্র দলের দুজনকে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পাহাড়সম অভিপ্রায় নিয়ে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হলো।

সকালে জাতীয় সংসদে সংসদ-সদস্যরা শপথ নেন। শপথ নেওয়ার পর সংসদীয় দলের সভায় তারেক রহমানকে সংসদনেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত করেন বিএনপি দলীয় সংসদ-সদস্যরা।

যুগান্তর

‘শুরুতেই জটিলতার মুখে সংস্কার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া’ প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হয়েছে, বিএনপি থেকে নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।

বিএনপির মিত্র দল থেকে নির্বাচিত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরাও একই পথ অনুসরণ করেছেন।

দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সদস্য শপথ না নেওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদের গঠন পূর্ণতা পায়নি।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নের মধ্য দিয়ে বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন খাত, বিশেষ করে সংবিধানের মৌলিক সংস্কারের যে উদ্যোগ নিয়েছিল, তা বাস্তবায়ন করার কথা নির্বাচিত সরকারের।

কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত না হওয়ায় নির্বাচিত সরকারের যাত্রার শুরুতেই এই সংস্কার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া জটিলতার মুখে পড়ল। এটি নিয়ে সামনে রাজনৈতিক সংকট তৈরি হতে পারে এমন আশঙ্কাও রয়েছে।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা মনোনীত হয়েছেন। একই সঙ্গে দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের উপনেতা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম চিফ হুইপ মনোনীত হয়েছেন।

জামায়াতের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা গতকাল দুপুর ১২টার দিকে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন।

এরপর শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে প্রধান বিরোধী দলের কক্ষে জামায়াতে ইসলামীর সংসদীয় দলের প্রথম সভা হয়। এরপর ১১ দলীয় ঐক্যের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে বৈঠক হয়, সেখানে ৭৭ জন সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

পরে সংসদ চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিলেও জামায়াত, এনসিপিসহ ১১ দলের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা কেন এই শপথ নিয়েছেন, সেই ব্যাখ্যা দেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সরকারি দল এই শপথ না নিয়ে জুলাইকে উপেক্ষা করেছে।

আজকের পত্রিকা

খবরে বলা হচ্ছে, সকালে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ; বিকেলে বিএনপির মন্ত্রিসভার সদস্য। তিনি আলোচিত ড. খলিলুর রহমান।

অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা সমস্যাবিষয়ক হাই-রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার বিএনপি সরকারে যোগ দিয়েছেন টেকনোক্র্যাট কোটায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে।

গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে ড. খলিলকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে বিএনপি। বিশেষ করে রাখাইনের মানবিক করিডোর প্রশ্নে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তাঁকে পদ থেকে অপসারণের দাবি ওঠে।

প্রশ্ন ওঠে তাঁর নাগরিকত্ব নিয়েও। একজন বিদেশি নাগরিকের কাছে জাতীয় নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল দপ্তর দেওয়া নিয়ে ড. ইউনূস সরকারের সমালোচনা হয়। এতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে বিএনপি।

সমকাল

খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করা হয়েছে। এ ছাড়া বিএনপির সংসদ সদস্যরা শুল্কমুক্ত গাড়ি বা প্লট না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের সরকারি দলের সভাকক্ষে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ শেষে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা শেষে বিএনপির সংসদ সদস্যরা জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় তারেক রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করা হয়।

এ ছাড়া শুল্কমুক্ত গাড়ি বা প্লট না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া বিএনপির নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তবে তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।

সংসদকেই সার্বভৌম হিসেবে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বিএনপি। সংবিধানে সংবিধান সংস্কার পরিষদ বলে কিছু না থাকা এবং গণভোটের বিধান সংসদে পাস করানোর প্রক্রিয়াকে আমলে নিয়ে দলটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়নি।

গতকাল সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের আগে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি এবং সংবিধানে এটা এখনো ধারণ করা হয়নি। গণভোটের রায় অনুযায়ী, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে সেটা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যকে কে শপথ নেয়াবেন, সে বিধান করতে হবে।’

অন্যদিকে সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে—উভয় শপথই নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের নির্বাচিতরা।

বণিক বার্তা

খবরে বলা হচ্ছে, নির্বাচনের পর নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় এবং তাৎক্ষণিক চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ।

চাল, ডাল, তেল, চিনি, পেঁয়াজ, আলু, ডিম, মুরগি ও সবজিসহ প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পণ্যের দামে অস্থিরতা সাধারণ মানুষের জীবনে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে।

নিন্ম ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাসিক ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তাদের সঞ্চয় ভেঙে খরচ চালাতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সাথে সাথেই বাজার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।

গত এক বছরে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি তেলের দাম, ডলার সঙ্কট, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেল, গম ও চিনির দামের ওঠানামা দেশের খুচরা বাজারে প্রতিফলিত হয়েছে।

নয়াদিগন্ত

খবরে বলা হচ্ছে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।

গতকাল মঙ্গলবার পৃথক পৃথক বার্তায় নতুন প্রধানমন্ত্রীকে সরকার গঠনের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে ভারত, চীন, জাপান, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।

ইতিমধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে সপরিবার ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

তারেককে লেখা এক চিঠিতে মোদি বলেছেন, ‘আমি এই সুযোগে আপনাকে, ডা. জুবাইদা রহমান এবং আপনার মেয়ে জাইমাকে, উভয়ের সুবিধাজনক সময়ে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। ভারতে আপনার জন্য উষ্ণ অভ্যর্থনা অপেক্ষা করছে।’

নিউ এজ

খবরে বলা হচ্ছে, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাওয়া আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকে তার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারে শপথ নেওয়ার পরপরই এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে খসরু এসব কথা বলেন। দুর্নীতিকে প্রবৃদ্ধির অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সরকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করার জন্য ব্যবসায়িক পরিবেশ সহজীকরণ এবং ব্যবসা করার খরচ কমানোর ওপর মনোযোগ দেবে।

‘নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ’ নয়াদিগন্তের শিরোনাম।