Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন?

নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন?

15
0

Source : BBC NEWS

নতুন সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের বেশিরভাগই প্রথমবার মন্ত্রিপরিষদে স্থান পেয়েছেন

ছবির উৎস, PID

তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত প্রথম মন্ত্রিসভার আকার ‘ছোট হবে’ জানালেও শেষপর্যন্ত ৫০ সদস্যের মন্ত্রিপরিষদ ঘোষণা করেছে বিএনপি। নতুন এই সরকারে যারা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন, তাদের মধ্যে ৪১ জনই প্রথমবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ এমন দায়িত্ব পেলেন। এমনকি তারেক রহমান নিজেও প্রথমবার মন্ত্রিসভার সদস্য হয়েছেন।

অতীতে মন্ত্রণালয় চালানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে, দলটির এমন নয়জন নেতাকে এবার পূর্ণমন্ত্রী করা হয়েছে।

বুধবার সকালেও মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টনের প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। তবে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পাতায় নেতাদের ছবি ও নামসহ দপ্তরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটেও নতুন মন্ত্রীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

তাদের মধ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়টির ওয়েবসাইটে মন্ত্রী হিসেবে তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানকে আইনমন্ত্রী, খন্দকার আব্দুল মোকতাদিরকে বাণিজ্যমন্ত্রী এবং জহির উদ্দিন স্বপনকে তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তবে নতুন মন্ত্রিসভায় বড় চমক খলিলুর রহমান, যিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন।

অতীতে দলের একাধিক নেতাকে মি. রহমানের সমালোচনা ও ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা গেলেও শেষমেশ তাকেই টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী করে পররাষ্ট্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছে বিএনপি।

ফলে এটিকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হতে দেখা যাচ্ছে।

এর বাইরে, বিএনপি’র প্রয়াত নেতাদের অনেকের ছেলে-মেয়েও নতুন মন্ত্রিপরিষদে জায়গা পেয়েছেন।

দীর্ঘদিনের রীতি ভেঙে বঙ্গভবনে না করে মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেন। এরপর তাদের মধ্যে মন্ত্রণালয় বণ্টন করা হয়।

চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক, নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন।

নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান

ছবির উৎস, PID

সিনিয়র নেতারা কে কোন মন্ত্রণালয়ে?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নতুন মন্ত্রিপরিষদে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন নারী এবং দু’জন টেকনোক্রেট মন্ত্রী রয়েছেন।

বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেওয়া হয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

এর আগে, ২০০১ সালের বিএনপি সরকারের সময় মি. আলমগীর কৃষি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অতীতে তিনি বিএনপি সরকারের যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী অতীতে খালেদা জিয়ার সরকারে বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন। এবার তার কাঁধে পড়েছে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

বিএনপি নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি এর আগে বিএনপি সরকারের বাণিজ্য এবং পানিসম্পদমন্ত্রী ছিলেন।

বিএনপি'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থানীয় সরকারমন্ত্রী হয়েছেন

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলটির সিনিয়র নেতা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে। অতীতে তিনি একই মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন।

২০০১ সালে বিএনপি সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পদে ছিলেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি এবার একই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। সেইসঙ্গে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়এর দায়িত্ব থাকবে তার কাঁধে।

কুমিল্লা থেকে ষষ্ঠবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া বিএনপি নেতা কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বিএনপি’র সবশেষ সরকারের ধর্মপ্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তিনিও এ দফায় পূর্ণমন্ত্রী হয়ে পেয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরীকে দেওয়া হয়েছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। অতীতে তিনি এরশাদ সরকারের মন্ত্রী ছিলেন।

লালমনিরহাট-৩ আসন থেকে বিজয়ী বিএনপি নেতা আসাদুল হাবিব দুলু তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। বিএনপি’র ২০০১ সালের সরকারেও তিনি একই মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ছিলেন।

আর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের হাতে থাকছে জনপ্রশাসন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ

ছবির উৎস, BSS

নতুন মন্ত্রীদের কে কোন মন্ত্রণালয়ে?

আরও ১৬ জনকে প্রথমবার মন্ত্রী করেছেন তারেক রহমান।

তাদের মধ্যে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন পেয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

ঢাকা-১০ আসন থেকে বিজয়ী শেখ রবিউল আলমকে একইসঙ্গে দেওয়া হয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু; রেলপথ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তার নাম নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

ঝিনাইদহ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানকে দেওয়া হয়েছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। ২০২৪ সালের আটই অগাস্ট অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর তিনি এক বছরের বেশি সময় ধরে অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন।

প্রথমবার মন্ত্রী হয়ে বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়াল মিন্টু পেয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে, রাজশাহীর সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনুকে দেওয়া হয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

লক্ষ্মীপুর থেকে বিজয়ী বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি পেয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়।

নতুন সরকারে থাকা ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর সবাই প্রথমবার মন্ত্রিপরিষদে স্থান পেয়েছেন

ছবির উৎস, PID

এর বাইরে, আরিফুল হক চৌধুরিকে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; খন্দকার আব্দুল মোকতাদিরকে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং জহির উদ্দিন স্বপনকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জাকারিয়া তাহেরকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং ফকির মাহবুব আনামকে ডাক, টেলিযোগাযোগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের মধ্যে বিএনপি নেতা আমিন উর রশিদ একইসঙ্গে খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হয়েছেন।

আর সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা খলিলুর রহমানকে দেওয়া হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

এছাড়া নতুন মন্ত্রিপরিষদের পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকায় থাকা একমাত্র নারী আফরোজা খানম রিতা পেয়েছেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

বিএনপি নতুন সরকারের মন্ত্রিপরিষদে বড় চমক খলিলুর রহমান, যিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন

ছবির উৎস, Chief Adviser’s Press Wing

প্রতিমন্ত্রীরা কে কোথায়?

নতুন সরকারে যে ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর নাম রয়েছে, তাদের সবাই এবারই প্রথম মন্ত্রিপরিষদে জায়গা পেয়েছেন।

তাদের মধ্যে প্রয়াত বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন এবারের মন্ত্রিপরিষদে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন।

এছাড়া ভোটে না জিতলেও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক ফুটবলার মো. আমিনুল হক টেকনোক্র্যাট হিসেবে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন।

অন্য আলোচিতদের মধ্যে ববি হাজ্জাজকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, জোনায়েদ সাকিকে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং নুরুল হক নুরকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।

যশোর সদর আসন থেকে নির্বাচিত অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। খুলনা বিভাগীয় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মি. অমিত বিএনপির প্রয়াত সিনিয়র নেতা তরিকুল ইসলাম ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান নার্গিস বেগমের ছেলে।

নারীদের মধ্যে ফরিদপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং নাটোর-১ আসন থেকে বিজয়ী ফারজানা শারমিন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

তাদের মধ্যে মিজ ওবায়েদকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মিজ শারমিনকে সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে বিএনপি'র সংসদ সদস্যরা তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা নির্বাচন করেন

ছবির উৎস, BNP

এর বাইরে, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে খাদ্য এবং কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, কায়সার কামালকে ভূমি মন্ত্রণালয়, ফরহাদ হোসেন আজাদকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।

সেইসঙ্গে, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, হাবিবুর রশিদকে সড়ক পরিবহন, সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়; মো. রাজীব আহসানকে নৌ মন্ত্রণালয়, মো. আব্দুল বারীকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং মীর শাহে আলমকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।

এছাড়া মো. শরিফুল আলমকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়; আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ামকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুরকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, এম এ মুহিতকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, এম ইকবাল হোসেইনকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, ইয়াসের খান চৌধুরীকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং শেখ ফরিদুল ইসলামকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রাখা হয়েছে।