Home rss tech bengali এই সহজ পরিবর্তনগুলো করে গুগল ফটোসকে কীভাবে কম বিরক্তিকর বানালাম

এই সহজ পরিবর্তনগুলো করে গুগল ফটোসকে কীভাবে কম বিরক্তিকর বানালাম

4
0

আমি Google Photos খুবই পছন্দ করি, তবে সত্যি বলতে—এটি কখনও কখনও বিরক্তিকর হয়ে উঠতে পারে। অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন, হঠাৎ তৈরি হওয়া কনটেন্ট এবং নিজে থেকেই চালু হয়ে যাওয়া ভিডিও—সব মিলিয়ে অ্যাপটি আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি কিছু করে ফেলে। এটিকে কম বিরক্তিকর এবং ব্যবহার আরও স্বস্তিদায়ক করতে আমি কীভাবে এই অতিরিক্ত ঝামেলাগুলো কমিয়েছি, তা এখানে জানাচ্ছি।

—

## মেমরি ও প্রিন্ট-সংক্রান্ত অ্যালার্ট কমিয়ে দিন

সবচেয়ে বিরক্তিকর বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হল হঠাৎ আসা মেমরি নোটিফিকেশন। Google যখনই নস্টালজিক হয়ে পড়ে, তখন প্রতিবার তার জন্য আমাকে মনে করিয়ে দেওয়ার দরকার নেই।

একইভাবে, Google Photos প্রায়ই আপনার ছবিগুলো প্রিন্ট করার জন্য আপনাকে উৎসাহিত করে। আপনি প্রিন্ট অর্ডার করুন বা না-ই করুন, এই রিমাইন্ডারগুলো সহায়ক ফিচারের চেয়ে বিজ্ঞাপনের মতোই বেশি মনে হয়।

এগুলো বন্ধ করতে আপনার প্রোফাইল ছবিতে ট্যাপ করুন, তারপর **Photos settings → Notifications**-এ যান এবং নিচের টগলগুলো বন্ধ করে দিন:

– Time-based memories
– Themed memories
– Printing promotions
– Print drafts
– Prints for you

—

## স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হওয়া কনটেন্ট বন্ধ করুন

Google Photos শুধু আপনার ছবি সংরক্ষণ করে না—এটি নানা ধরনের কনটেন্ট *তৈরিও* করে। কোলাজ, অ্যানিমেশন, হাইলাইট রিল—কখনও কখনও এগুলো কোনও সতর্কতা ছাড়াই সামনে চলে আসে। ফিচারটি ভালো উদ্দেশ্যেই তৈরি, তবে আমি এটি নিজে থেকে চাইনি।

সৌভাগ্যবশত, এটি বন্ধ করা যায়। **Photos settings → Preferences → Creations**-এ যান এবং নিচের টগলগুলো বন্ধ করে দিন:

– Animations
– Cinematics
– Collages
– Color pops
– Stylised photos

আপনি চাইলে এগুলো পরেও নিজে হাতে তৈরি করতে পারবেন—তবে গ্যালারি স্ক্রল করার সময় এগুলো আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হবে না।

—

## শেয়ার করার আগে Quick Edit প্রম্পট বন্ধ করুন

কোনও ছবি শেয়ার করতে গেলেই যে ছোট্ট বিষয়টি আমাকে বারবার বিরক্ত করত, তা হল Quick Edit স্ক্রিন। এটি ডিফল্টভাবে সামনে আসে এবং শেয়ার করার আগে ছবি ক্রপ বা এনহ্যান্স করতে চাই কি না, তা জানতে চায়। কখনও কখনও এটি কাজে লাগে, তবে বেশিরভাগ সময়ই এটি অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব তৈরি করে।

আপনারও যদি একই সমস্যা মনে হয়, তাহলে **Photos settings → Sharing**-এ যান এবং **Quick edit before sharing** বন্ধ করে দিন। প্রয়োজনে আপনি এখনও নিজে হাতে ছবি এডিট করতে পারবেন—তবে প্রতিবার ‘share’ বোতামে ট্যাপ করার সময় আর অতিরিক্ত ধাপ পেরোতে হবে না।

—

## Photo Grid-এ অটোপ্লে বন্ধ করুন

ভিডিও এবং মোশন ফটো মাঝে মধ্যে নিজে থেকে চালু হওয়া মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু পরপর একাধিক ছবি থাকলে বিষয়টি বেশ অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে। তাছাড়া, স্থির থাম্বনেল দ্রুত স্ক্যান করাও সহজ।

অটোপ্লে বন্ধ করতে **Photos settings → Preferences → Photo grid playback**-এ যান এবং **Videos** ও **Motion photos** বন্ধ করে দিন। এতে গ্রিড আরও পরিষ্কার, সরল এবং কম বিভ্রান্তিকর দেখাবে।

—

## Gemini-এর Query Access থেকে বেরিয়ে আসুন

Gemini-এর “Ask Photos” ফিচারটি আসলে বেশ উপযোগী। “আমার সন্তানের জন্মদিনের পার্টি” বা “বন্ধুদের সঙ্গে সমুদ্রসৈকতে ভ্রমণ”-এর মতো কিছু লিখলে এটি সেই ছবিগুলো খুঁজে বের করতে পারে। কিন্তু আপনি যতবার কোনও অনুরোধ করবেন, Google ততবারই তা অ্যাক্সেস করতে পারবে। সংস্থাটি জানায়, এই ডেটা আপনার অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত নয় এবং তা সুরক্ষিত রাখতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবু বিষয়টি অনেকের কাছেই ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপের মতো মনে হতে পারে।

এর জন্য আপনাকে পুরো ফিচারটি ছেড়ে দিতে হবে না। **Photos settings → Preferences → Gemini features in Photos**-এ যান। **Allow us to access your queries** বন্ধ করে দিন এবং চাইলে আপনার Ask Photos-এর ইতিহাস পর্যালোচনা বা মুছে ফেলতে পারেন।

—

## অন্যান্য অ্যাপের অপ্রয়োজনীয় কনটেন্ট লুকিয়ে রাখুন

স্ক্রিনশট, মিম এবং এলোমেলো GIF-এর কারণে আপনার টাইমলাইন হয়তো আপনার পছন্দের তুলনায় অনেক বেশি অগোছালো দেখায়। এই কনটেন্টের বেশিরভাগই আপনার মূল Photos ট্যাবে থাকার দরকার নেই।

ভালো খবর হল, কিছু মুছে না ফেলেই আপনি ফিডটি পরিষ্কার করতে পারেন। **Photos settings → Preferences → Photos view**-এ গিয়ে **Hide clutter from other apps** চালু করুন। বিকল্প হিসেবে **Customize by app** বেছে নিয়ে কোন কোন অ্যাপের কনটেন্ট লুকিয়ে রাখতে চান, তা নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন। এর ফলে আপনার টাইমলাইনে শুধু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কনটেন্টই দেখা যাবে। বাকি সবকিছু দেখতে Collections ট্যাবে যান।

—

### শেষ কথা

এই ফিচারগুলো বন্ধ করার পর Google Photos-কে আর অতিরিক্ত কিছু করার চেষ্টা করছে বলে মনে হয়নি। এখন মেমরি স্ক্রল করা, মুহূর্ত শেয়ার করা এবং নিজের ছবিগুলো ব্রাউজ করা অনেক বেশি শান্ত ও স্বস্তিদায়ক মনে হয়—যেমনটা হওয়া উচিত।

আপনি যদি নিজের গ্যালারির ওপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে চান এবং অ্যাপটিকে কম বিরক্তিকর করে তুলতে চান, তাহলে উপরের সেটিংসগুলো দিয়ে শুরু করতে পারেন। কোন পরিবর্তনটি আপনার জন্য সবচেয়ে বেশি পার্থক্য তৈরি করেছে, তা জানাতে পারেন।

This article is AI-generated content. Please verify the information independently before taking any action based on this article.