Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু ইরানে কোথায় লুকিয়ে ছিলেন, কীভাবে উদ্ধার হলো?

মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু ইরানে কোথায় লুকিয়ে ছিলেন, কীভাবে উদ্ধার হলো?

12
0

Source : BBC NEWS

উদ্ধার অভিযানে 'কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান' এবং বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কয়েকশ সেনা অংশ নেন বলে জানা যাচ্ছে

ছবির উৎস, US Air Force via Getty Images

৩ ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৬ মিনিট

দু’দিন ধরে ব্যাপক তল্লাশি অভিযানের পর অবশেষে উদ্ধার করা হয়েছে ইরানে গুলিতে ভূপাতিত মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু’কে।

‘দুঃসাহসিক’ এক অভিযানের মাধ্যমে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে রোববার সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালের এক পোস্টে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

উদ্ধার হওয়া মার্কিন ক্রু ‘নিরাপদ ও সুস্থ’ আছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এখনো উদ্ধারকৃত ওই বিমান সেনার কোনো ছবি প্রকাশ করা হয়নি।

উদ্ধার অভিযানে ‘কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান’ এবং বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কয়েকশ সেনা অংশ নেন বলে জানা যাচ্ছে।

অভিযান চলাকালে মার্কিন সেনাদের সঙ্গে ইরানি সেনাদের সংঘর্ষ হয়েছে। ইরান জানিয়েছে, মার্কিন হামলায় তাদের বেশ কয়েকজন নাগরিক হতাহত হয়েছেন।

এদিকে, অভিযান চলাকালে একাধিক মার্কিন বিমান ধ্বংসের দাবি করেছে তেহরান।

যদিও যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে দু’টি বিমান ধ্বংস করে দিয়েছেন, যাতে সেগুলো ‘শত্রুদের হাতে না পড়ে’।

উল্লেখ্য যে, গত শুক্রবার গুলিতে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের একটি পাহাড়ি এলাকায় যুদ্ধবিমানটি ভূপাতিত হয়।

ইরানের দাবি, নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে তারা অত্যাধুনিক মার্কিন যুদ্ধবিমানটিকে ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।

বিধ্বস্ত হওয়ার সময় বিমানটিতে একজন পাইলট ও একজন ক্রু ছিলেন। ঘটনার পরপরই তাদেরকে উদ্ধারে বিশেষ তল্লাশি অভিযান শুরু করে মার্কিন বাহিনী।

অভিযানের প্রথমদিকে পাইলটকে উদ্ধার করা হলেও অপর ক্রুর কোনো খোঁজ পাচ্ছিলেন না মার্কিন সেনারা। তাকে উদ্ধারে গত দু’দিন ধরে তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়।

অন্যদিকে, ইরানও নিখোঁজ মার্কিন সেনাকে ধরার চেষ্টা চালাচ্ছিল।

তাকে জীবিত অবস্থায় ধরিয়ে দিতে পারলে প্রায় ৫০ হাজার পাউন্ড বা ৬৬ হাজার মার্কিন ডলার সমমূল্যের পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেয় ইরানের সামরিক বাহিনী।

এরপর দেশটির সেনাদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও নিখোঁজ মার্কিন ক্রু’র সন্ধান পেতে তৎপরতা চালিয়ে আসছিলেন।

এমন পরিস্থিতির মধ্যে ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু’কে কীভাবে উদ্ধার করল যুক্তরাষ্ট্র? উদ্ধারের আগে কোথায় লুকিয়ে ছিল ওই ক্রু?

দুইটি সি-১৩০ বিমান ও দুইটি ব্লাক হক হেলিকপ্টার ভুপাতিত করার দাবি ইরানের

অভিযানে অংশ নেয় ‘কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান’

বিধ্বস্ত বিমানের ক্রু সদস্যদের উদ্ধার করা মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য সবচেয়ে জটিল ও সংবেদনশীল অভিযানগুলোর মধ্যে একটি। এটি ‘যুদ্ধকালীন অনুসন্ধান ও উদ্ধার’ (সিএসএআর) নামে পরিচিত।

এই মিশনে অংশ নেওয়া সামরিক বাহিনীর সদস্যদের ‘উচ্চরত প্রশিক্ষণ’ দেওয়া হয়।

এমন অভিযান সাধারণত হেলিকপ্টারের সাহায্যে পরিচালিত হয়, যেগুলো শত্রু এলাকায় তুলনামূলক কম উচ্চতায় ওড়ে।

সেই সঙ্গে অন্যান্য সামরিক বিমানও অভিযানে রাখা হয় মূলত তল্লাশিকাজের নিরাপত্তা টহলের জন্য।

নিখোঁজ ক্রু’কে উদ্ধার করতে দক্ষিণ ইরানের পাহাড়ি এলাকায় ‘কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান’ পাঠিয়েছিল মার্কিন সামরিক বাহিনী।

অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কয়েকশ’ মার্কিন সেনা।

“আমরা তাকে পেয়েছি! আমার প্রিয় আমেরিকার ভাইয়েরা, গত কয়েক ঘণ্টায় মার্কিন সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম দুঃসাহসিক একটি অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেছে,” রোববার ট্রুথ সোশ্যালে বলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

উদ্ধার হওয়া মার্কিন সেনাকে ‘সম্মানিত একজন কর্নেল’ বলে অভিহিত করেছেন ট্রাম্প। বিমান ভূপাতিত হওয়ার সময় তিনি আহত হন।

“তিনি আহত হয়েছেন, কিন্তু পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন,” সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে যোগ করেন ট্রাম্প।

ইরানে আবারও হামলায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন

ছবির উৎস, Press Association

দু’দিন কোথায় ছিলেন ক্রু ?

ট্রাম্প বলেছেন, ভূপাতিত হওয়ার পর মার্কিন ওই ক্রু ইরানের ‘দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে’ লুকিয়ে ছিলেন।

“আমাদের শত্রুরা তাকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল, তারা ঘণ্টায় ঘণ্টায় আরও কাছে চলে আসছিল,” বলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

উদ্ধারের বেশ আগেই ক্রু’র অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছিল। তবে উদ্ধার অভিযান ‘বিপন্ন করতে চাননি’ বলে সে বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

নিখোঁজ ক্রু’কে সন্ধান পাওয়ার পর তার গতিবিধির ওপর ‘দিনরাত ২৪ ঘণ্টা’ নজর রাখছিলেন উদ্ধার অভিযানের পরিকল্পনাকারী ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তারা।

তাকে উদ্ধারের বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়।

“আমরা আমেরিকার কোনো যোদ্ধাকে পেছনে ফেলে রেখে যাব না!” বলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বিধ্বস্ত যুদ্ধবিমানের পাইলট ও ক্রু’দেরকে বিশেষ পরিস্থিতির জন্য ‘উচ্চমানের প্রশিক্ষণ’ দেওয়া হয় বলে জানাচ্ছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা।

“তাদের প্রধান অগ্রাধিকার হলো বেঁচে থাকা এবং ধরা না পড়া,” বিবিসিকে বলেন ‘ডিফেন্স প্রায়োরিটিজে’র সামরিক বিশ্লেষণ বিভাগের পরিচালক জেনিফার কাভানাঘ।

নিখোঁজ ক্রু'দের উদ্ধারে গত দু'দিন ধরে জোর তল্লাশি অভিযান চালিয়ে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র

ছবির উৎস, Getty Images

উদ্ধার অভিযান ঘিরে সংঘর্ষ

ইরানে গুলিতে ভূপাতিত মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় ক্রু’কে উদ্ধারে পরিচালিত তল্লাশি অভিযান চলাকালে ইরানের সেনাদের সঙ্গে মার্কিন বাহিনীর সংঘর্ষ হয় বলে জানতে পেরেছে বিবিসি।

তবে অভিযানে মার্কিন সেনাদের কেউ হতাহত হননি বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা।

দক্ষিণ ইরানের পাহাড়ি যে এলাকায় মার্কিন যুদ্ধবিমানের ক্রু নিখোঁজ হয়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল, সেখানেই বিমান হামলার ঘটনাটি ঘটে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের নিয়ন্ত্রণাধীন বার্তা সংস্থা তাসনিমের এক খবরে স্থানীয় গভর্নরের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোহগিলুয়েহ ও বোয়ের-আহমাদ প্রদেশের পার্বত্য এলাকায় হামলায় তিনজন নিহত হন।

আহতদের মধ্যে আরও কয়েক জন পরে মারা গেছেন। বিমান হামলার ঘটনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছে ইরান।

বিবিসি ভেরিফাই বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলে নিশ্চিত করেছে যে, সামাজিক মাধ্যমে আসা এই ছবিটি যুক্তরাষ্ট্রের এফ-১৫ই যুুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষ

ছবির উৎস, Iran STATE MEDIA

মার্কিন বিমান ও ড্রোন ধ্বংসের দাবি

উদ্ধার অভিযান চলাকালে একাধিক মার্কিন বিমান ও ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান।

“এক যৌথ অভিযানে (এরোস্পেস, স্থল বাহিনী, পপুলার ইউনিটস, বাসিজ ও পুলিশ বাহিনী) শত্রু বিমান ধ্বংস করা হয়েছে,” ইরানি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রোববার এক খবরে বলেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের নিয়ন্ত্রণাধীন বার্তা সংস্থা তাসনিম।

ইস্পাহানের দক্ষিণে ধ্বংস হওয়া বিমানগুলোর মধ্যে দু’টি মার্কিন সামরিক পরিবহন বিমান এবং দু’টি ‘ব্ল্যাক হক’ হেলিকপ্টার রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, গত শুক্রবারের প্রকাশিত এক ভিডিও ফুটেজে কয়েকজন ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্ল্যাক হক’ হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে গুলি চালাতে দেখা যায়।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, গুলিবর্ষণকারী ব্যক্তিরা ইরানের পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী যাযাবর উপজাতির সদস্য।

রোববার ইস্পাহানে একটি ইসরায়েলি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছেন ইরানি সেনারা।

অনলাইনে প্রথম প্রকাশিত যাচাইকৃত ভিডিও ও একাধিক ছবিতে মধ্য ইরানের একটি পার্বত্য এলাকায় ধোঁয়া ওঠা বিমানের ধ্বংসাবশেষ দেখা যাচ্ছে।

ঘটনাস্থলটি ইসফাহান শহর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত বলে জানা যাচ্ছে।

ইরানে এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনা ওয়াশিংটনের জন্য একটি বড় ধাক্কা বলে বিবেচনা করা হচ্ছিল

ছবির উৎস, Getty Images

ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, দক্ষিণ ইসফাহানের একটি পরিত্যক্ত বিমানবন্দর থেকে মার্কিন বিমান ও হেলিকপ্টার পালিয়ে যাওয়ার সময় সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।

ইরানি সেনারা মার্কিন যুদ্ধবিমান ও পরিবহন ধ্বংসের দাবি করলেও সেটি প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সিবিএস নিউজের খবরে বলা হয়েছে, উদ্ধার অভিযানে ব্যবহৃত দু’টি পরিবহন বিমান ইরানের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি বিমানবন্দরে অবস্থান করছিল।

সেখান থেকে উড্ডয়ন করতে না পারায় যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে সেগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে বলে দাবি করেছেন কর্মকর্তারা।

বিমানগুলো যেন ‘শত্রুদের হাতে না পড়ে’ সেজন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তারা।

তবে মার্কিন বাহিনী কিংবা ইরানের সামরিক বাহিনীর কোনটি দাবিগুলোর কোনোটিই স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি বিবিসি।

গত ৮ই মার্চ তোলা একটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারের ছবি

ছবির উৎস, Reuters

সিআইএ’র ‘বিভ্রান্তিকর’ প্রচারণা

মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএসের খবরে বলা হয়েছে, উদ্ধার অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

জানা যাচ্ছে, বিমান ভূপাতিত হওয়ার পর পাহাড়ি এলাকায় ওই মার্কিন ক্রু’র অবস্থান শনাক্ত করে তারা সেটি পেন্টাগনকে জানিয়েছিল। সেই তথ্য ধরেই পরে তাকে উদ্ধার করা হয়।

এদিকে, অভিযান চলাকালে ইরানের অভ্যন্তরে ‘বিভ্রান্তিকর’ একটি প্রচারণা চালিয়েছে সিআইএ।

উদ্ধার অভিযান চলাকালেই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাটি খবর ছড়িয়ে দেয় যে, বিমানের ক্রু’কে ইতোমধ্যেই খুঁজে পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তাকে ইরান থেকে বের নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও খবর ছড়িয়ে দেয় তারা।

সিআইএ’র এমন প্রচারণার কারণে ইরানের তল্লাশি কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ছবির উৎস, Getty Images

‘মার্কিন অভিযান ব্যর্থ’ দাবি তেহরানের

নিখোঁজ মার্কিন ক্রু’কে উদ্ধারের অভিযানকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে সাহসী ও সফল অভিযান’ বলে উল্লেখ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

রোববার ট্রাম্পের ওই দাবির পরই ওই মার্কিন অভিযানকে ব্যর্থ দাবি করেছে ইরান।

দেশটির কেন্দ্রীয় সামরিক সদর দপ্তর খাতামুল আম্বিয়া মুখপাত্র এক বিবৃতিতে অভিযানকে ব্যর্থ দাবি করেন।

তিনি জানান, ভূপাতিত বিমানের পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন বাহিনী মরিয়া হয়ে প্রচেষ্টা চালিয়েছে, কিন্তু ‘আল্লাহর অশেষ কৃপায় ইরানি বাহিনীর প্রচেষ্টায় তা ব্যর্থ হয়েছে’।

সেই ব্যর্থতা ঢাকার জন্য বিধ্বস্ত বিমানের ক্রু’কে উদ্ধারের বিশেষ অভিযানের বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘পরাজয় ঢাকার চেষ্টা করছে’ বলে দাবি করেছে ইরান।