Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে বিচার বিভাগ’

পত্রিকা: ‘আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে বিচার বিভাগ’

11
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।

২ ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৬ মিনিট

এই খবরে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ এবং সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ রহিত করার সুপারিশ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি।

যার ফলে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি নিয়োগ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ রহিতের সিদ্ধান্তে আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে বিচার বিভাগ।

অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ যাচ্ছে আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে।

উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষমতা আবার চলে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে।

বিলুপ্ত হবে গত ১১ই ডিসেম্বর উদ্বোধন করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়।

ফলে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করার বিষয়ে জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা আপাতত পূরণ হচ্ছে না।

বিচারপতি নিয়োগ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের উদ্যোগ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন হুমকির মুখে ফেলবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আইনজীবীরা।

তারা বলছেন, উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগে আইন করার কথা বলা আছে সংবিধানে। কিন্তু এত বছরেও তা করা হয়নি।

সমকাল

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম— প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে হোঁচট

এই খবরে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ, অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, তদন্ত ও গোপন অনুসন্ধান ক্ষমতা বাড়াতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইনে সংশোধন এবং গুমের মতো অপরাধ প্রতিরোধে আইনি সংস্কার এনেছিল অন্তর্বর্তী সরকার।

এজন্য কিছু অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল; কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই অধ্যাদেশগুলো এখনই সংসদে অনুমোদন করা হচ্ছে না।

ফলে ১০ই এপ্রিলের পর থেকে এসব অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারাচ্ছে।

ক্ষমতাসীন দল বিএনপি বলছে, তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং ভিন্নমতসহ যেভাবে জুলাই সনদ সই হয়েছিল, সেভাবে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এছাড়া, দুদক, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মতো স্বাধীন প্রতিষ্ঠানে সংস্কার, গুম প্রতিরোধে করা অধ্যাদেশসহ কিছু বিষয় যাচাইবাছাই করে আরও শক্তিশালী করে পরবর্তী সময়ে আইন করার সুপারিশ আছে।

তা কবে নাগাদ এবং কতটা ‘শক্তিশালী’ আইন হয়, তা এখন দেখার বিষয়।

প্রথম আলো

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— 94 deaths in 19 days: govt। হামের উপসর্গ নিয়ে ১৯ দিনে ৯৪ জনের মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে এই খবরে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত ১৫ই মার্চ থেকে গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে ৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের অধিকাংশই শিশু।

এই ১৯ দিনে হামে শনাক্ত নয়জনের মৃত্যু হয়েছে।

একই সময়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭১ জনে। আর সন্দেহজনক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭৯২ জনে।

এই পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে, হামের প্রাদুর্ভাব কতটা গুরুতর পরিস্থিতে রূপ নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এই প্রাদুর্ভাবের পেছনে টিকা দিতে না পারাকে দায়ী করছেন।

বিশেষ করে টিকাদান কর্মসূচির মধ্যে দীর্ঘ বিরতি, নিয়মিত টিকাদানে বারবার ব্যাঘাত এবং সরবরাহের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেছেন তারা।

এই অবস্থায় আগামীকাল রোববার থেকে হাম সংক্রমণে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।

এদিকে, গত ২৮শে মার্চ পর্যন্ত দেশের ৫৬ জেলায় হামের রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। যা ব্যাপক সংক্রমণের ইঙ্গিত দেয়। এর মধ্যে বাকি ৮ জেলায়ও হামের রোগী শনাক্ত হয়ে থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দ্য ডেইলি স্টার

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে হামের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। প্রতিদিনই নতুন করে মৃত্যুর খবর আসছে, যা জনমনে আতঙ্ক তৈরি করেছে।

বিশেষ করে ৬ মাসের নিচের শিশুদের আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

দেশে প্রতিরোধযোগ্য একটি রোগে এত শিশুমৃত্যু নতুন করে স্বাস্থ্যব্যবস্থার দুর্বলতাকে সামনে এনে দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই সংকট আরও গভীর হবে। শিশুমৃত্যু ঠেকাতে টিকাদান এবং সচেতনতার বিকল্প নেই।

তাদের মতে, টিকা না পাওয়া, টিকাদানের হার কমে যাওয়া, মায়েদের অ্যান্টিবডির ঘাটতি, অপুষ্টি ও ডায়রিয়া, দেরিতে চিকিৎসা নেওয়া, ভুল ও অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও নিউমোনিয়াসহ জটিল সংক্রমণসহ কয়েকটি কারণে হাম এখন বেশি প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনও বলেছেন, মূলত টিকা না পাওয়ার কারণে সমস্যা বাড়ছে।

তিনি জানান, চার বছর টিকাদানে ঘাটতি ছিল। এখন তা পূরণে সরকার কাজ করছে।

দেশ রূপান্তর

এতে বলা হয়েছে, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো আজ শনিবার ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ করতে যাচ্ছে বিরোধী জোট।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও সংস্কারের দাবিকে কেন্দ্র করে ঘোষিত এই কর্মসূচি দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের সূচনা বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সংসদকেন্দ্রিক রাজনীতির পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে রাজপথে নামছে বিরোধীরা। দেশের রাজনীতিতে এটা গুরুত্বপূর্ণ মোড়। এতে আবার উত্তপ্ত হতে পারে রাজপথ।

বিরোধীদলীয় জোটের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণ সৃষ্টি হতে পারে বলেও মনে করছেন অনেকে।

আজকের পত্রিকা

এতে বলা হয়েছে, যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধ থাকায় সৌদি আরব থেকে সার আমদানিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় সারবাহী জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার উদ্যোগ নিতে সরকারকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)।

যদিও সংকট মোকাবেলায় সারের বিকল্প উৎসও খুঁজতে শুরু করেছে সরকার।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নন-ইউরিয়া সার আমদানির জন্য চীন, মরক্কো ও আরব আমিরাতের সঙ্গে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে এবং শিগগিরই চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে, ইউরিয়ার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পুরনো উৎসের পাশাপাশি ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া ও ব্রুনাইয়ের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে।

বণিক বার্তা

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে মোট ১৭ লাখ মেট্রিকটন বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যার মধ্যে রয়েছে ১৬ লাখ মেট্রিকটন ডিজেল এবং এক লাখ মেট্রিকটন অকটেন।

এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক তিনটি পৃথক দরপত্র ও সরাসরি ক্রয়পদ্ধতির মাধ্যমে ডিজেল ও অকটেন সংগ্রহের প্রস্তাব আজ শনিবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল সভায় উপস্থাপন করা হবে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে মোট ১১ লাখ মেট্রিকটন জ্বালানি তেল আমদানি করা হবে।

এই তেল আমদানির মাধ্যমে সরকার আগামী কয়েক মাসের জন্য পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতে চায়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, আগাম আমদানির মাধ্যমে বাজারে কোনো ধরনের সঙ্কট তৈরি না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার।

নয়া দিগন্ত

এই খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের প্রভাব এখন দেশের কৃষকের ঘরে।

পরিবহনে তেলের অভাবে বিভিন্ন এলাকায় টমেটো, তরমুজ, আনারসসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফল ও সবজি বাজারের মুখ দেখার আগে খেতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

অনেকে উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দামে বিক্রি করছেন ফসল। কখনো বা বিক্রি করার সুযোগই পাচ্ছেন না।

এতে একদিকে যেমন কৃষকের আর্থিক ক্ষতি বাড়ছে, অন্যদিকে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

যুগান্তর

এই খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের জেরে বিপাকে পড়েছেন রাইড শেয়ারের চালকরা।

পাম্পে পাম্পে ঘুরে তেল নিতেই দিনের অর্ধেক সময় পার হয়ে যাচ্ছে। বাকি সময়ে যাত্রী পরিবহন করে দিনের আয় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। সংসারের ভরণপোষণ, বাসাভাড়া, সন্তানদের পড়াশোনাসহ অন্যান্য খরচ মেটাতে অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন।

রাইড শেয়ারের চালকরা জানান, আগে যেখানে প্রতিদিন ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা আয় হতো, এখন তা নেমে এসেছে অর্ধেকে।

মানবজমিন