Source : BBC NEWS

এক ঘন্টা আগে
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
এই খবরে বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ পাওয়া সাড়ে নয় হাজারের বেশি সদস্যের নিয়োগপ্রক্রিয়া যাচাই করতে পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে সরকার। কারো বিরুদ্ধে অসংগতি পেলেই নেওয়া হবে ব্যবস্থা।
এই পুলিশ সদস্যদের মধ্যে দেড় হাজার উপপরিদর্শক (এসআই) পদে এবং কনস্টেবল পদে আট হাজারের বেশি নিয়োগ পেয়েছিলেন।
তারা গোপালগঞ্জসহ বৃহত্তর ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের বাসিন্দা।
অভিযোগ রয়েছে, তাদের অনেকে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী অথবা দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্য।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জেলা কোটা লঙ্ঘন এবং স্থায়ী ঠিকানার তথ্য গোপন করে রাজনৈতিক প্রভাবে অনিয়মের মাধ্যমে এসব
উপপরিদর্শক ও কনস্টেবলকে নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Iran grants safe Hormuz passage to bangladesh-bound energy vessels; অর্থাৎ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশগামী জ্বালানি জাহাজ চলাচলে ইরানের সম্মতি
এই খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের মধ্যেও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশের মতো ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ রাষ্ট্রগুলোর জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান।
দেশটির ‘বন্ধু রাষ্ট্রের’ এই তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত, চীন, রাশিয়া, ইরাক ও পাকিস্তানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের তেলবাহী জাহাজ চলাচলে ইরান যে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে তা দেশের বিদ্যমান জ্বালানি সংকট মেটাতে ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তেহরানের এই সিদ্ধান্তের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ এখন আগের মতোই চাহিদা অনুযায়ী অপরিশোধিত তেল, এলএনজি এবং পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করতে পারবে।
বাংলাদেশের মোট জ্বালানির ৮০ শতাংশই আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে হরমুজ প্রণালি হয়ে।
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি আনার বিষয়ে এর আগেই তেহরানের সাথে কূটনৈতিক যোগাযোগ চালিয়ে যায় ঢাকা।

এই খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের বিকল্প উৎস খুঁজছে বাংলাদেশ।
এতদিন কাতার, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর নির্ভরশীল থাকলেও এখন সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ভারত, অ্যাঙ্গোলা ও থাইল্যান্ড থেকেও সংগ্রহ করা হচ্ছে তেল-গ্যাস।
নতুন করে যোগাযোগ করা হয়েছে ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে।
এসব দেশের বন্দর থেকে এরই মধ্যে জ্বালানি তেল ও গ্যাস নিয়ে এসেছে ২১টি জাহাজ।
মালয়েশিয়া থেকে এলপিজিবোঝাই এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে এলএনজি বোঝাই আরও একটি জাহাজ আসবে এই মাসে।
বেশি দামে কেনা হলেও এসব দেশ থেকে পণ্য আনতে পাড়ি দিতে হচ্ছে না হরমুজ প্রণালি। তাই বিকল্প এই আট দেশের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, রাশিয়া ও ইরাকের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিল বাংলাদেশ। অর্থ ও সময় সাশ্রয় না হওয়াতে সেটি সফল হয়নি।

এই খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের বার্ষিক জ্বালানি আমদানি ব্যয় প্রায় ৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার বাড়তে পারে, যা ২০২৫ সালের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা জিরো কার্বন অ্যানালাইটিকসের (জেডসিএ) এক বিশ্লেষণে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
দেশে বর্তমানে বছরে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় হয়।
বিশ্ববাজারে তেলের, গ্যাসের এবং কয়লার দামের বিদ্যমান ধাক্কা অব্যাহত থাকলে তা বাংলাদেশের ২০২৪ সালের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় এক দশমিক এক শতাংশের সমান ব্যয় তৈরি করবে বলে জেডসিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জেডসিএর মতে, আমদানি ও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা এবং জ্বালানি রূপান্তরে বিলম্ব হওয়ায় খরচ আরো বাড়ছে।
এই বাড়তি ব্যয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় চাপ তৈরি করতে পারে। এতে আমদানি সক্ষমতার সময়কাল পাঁচ দশমিক সাত মাস থেকে কমে চার দশমিক নয় মাসে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে।
একই সঙ্গে বাড়তি আমদানি ব্যয় দেশীয় মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি করবে, যা মূল্যস্ফীতি বাড়াতে পারে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদের হার বাড়াতে বাধ্য করতে পারে।

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে জ্বালানি সরবরাহে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা কমার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
কারণ বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা, ঈদের দীর্ঘ ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নতা দেখা দিয়েছে। সেই সঙ্গে জ্বালানির চাহিদা তুঙ্গে থাকায় চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
বিপরীতে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধে কারণে বাংলাদেশের জ্বালানির চালান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে এপ্রিল মাসের আমদানি নিয়ে, কারণ পরিকল্পিত চালানের মধ্যে মাত্র সীমিত সংখ্যক চালান নিশ্চিত করা হয়েছে।
আর মার্চ মাসের জন্য পরিকল্পিত ১৭টি চালানের মধ্যে ছয়টি এখনও নিশ্চিত হয়নি।
এদিকে, জ্বালানির অভ্যন্তরীণ যে চাহিদা তা নিয়ে পাম্প মালিকদের অভিযোগ, ঈদের দীর্ঘ ছুটি অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে। কারণ, বেশ কয়েকদিন ধরে ব্যাংক বন্ধ থাকায় টাকা দিতে না পারায় সরবরাহ প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়েছে।
তাদের মতে, এক-দুইদিন কোনো রকমে চালিয়ে নিয়ে যাওয়া গেলেও লম্বা ছুটির কারণে সরবরাহ প্রক্রিয়া ঠিক রাখা যাচ্ছে না।
এদিকে, ঈদের ছুটির শেষে মঙ্গলবার সব সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো খুললেও গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবসে সরকারি ছুটি ছিল। আজ শুক্রবার ও আগামীকাল শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, মহান স্বাধীনতা দিবসে রাজবাড়ীর প্রতিটি মোড়ে উৎসবের আমেজ থাকার কথা যেখানে, সেখানে এখন শোকের মাতম।
গত বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে প্রায় অর্ধশত যাত্রী-আরোহী নিয়ে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে সৌহার্দ্য পরিবহনের বাস পড়ে যাওয়ায় বিশাদ ছেয়েছে এলাকাজুড়ে।
এই দুর্ঘটনায় স্বজনের সঙ্গে অনেক পরিবারের স্বপ্ন-আশা সব তলিয়ে গেছে সর্বনাশী নদীতে।
তাৎক্ষণিকভাবে কয়েকজন জানালা-দরজা দিয়ে লাফিয়ে নামতে পারলেও বেশিরভাগ যাত্রীসহ বাসটি মুহূর্তের মধ্যেই তলিয়ে যায় নদীতে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিআইডব্লিউটিসি, ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দলের চেষ্টায় বাসটি পন্টুনে তোলা হয়।
সে সময় নারী ও শিশুসহ ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাস উদ্ধারের পরও নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যায় উদ্ধাকারী দল।
গতকাল বিকেল পর্যন্ত ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আরও কয়েকজনের সন্ধানে সন্ধ্যার আগেও চলছিল অভিযান।

ফেরিঘাটে অব্যবস্থাপনা, সড়ক, অরক্ষিত পন্টুন— প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে বাস পড়ে যাওয়ার ঘটনায় নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি ও ঘাট পরিচালনার বিশৃঙ্খলার চিত্র সামনে এসেছে।
রেলিংবিহীন অরক্ষিত পন্টুন, ঢালু ও খানাখন্দে ভরা সংযোগ সড়ক, ফেরিতে আগে উঠতে যানবাহনগুলোর প্রতিযোগিতা এবং অব্যবস্থাপনার কারণে ফেরিঘাটটি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।
যার কারণে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) বলছে, ফেরিটি প্রস্তুত হওয়ার আগেই বাসটি পন্টুনে এসেছে।
নিরাপত্তার স্বার্থে পন্টুনগুলোতে রেলিংয়ের ব্যবস্থা করার কথাও জানিয়েছেন তিনি। যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে।
এই ঘটনায় রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে, কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষ, দৌলতদিয়ায় ফেরির পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ে যাওয়াসহ শতাধিক ছোট-বড় সড়ক, রেল ও নৌ-দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে এবারের ঈদযাত্রা।
তবে সরকারি পরিসংখ্যানে এসব দুর্ঘটনার প্রকৃত তথ্য উঠে আসছে না বলে অভিযোগ বিশেষজ্ঞদের।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে কেবল ১০০ জন।
যদিও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য বলছে, ১৭ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত সড়কে মৃত্যু হয়েছে ২৭৪ জনের।
আরেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির হিসাবে, ১৪ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত সড়কে ২৮৫ জন প্রাণ হারিয়েছে।
২০২৩ সাল থেকে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের তথ্য প্রকাশ করে আসছে বিআরটিএ। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে জেলা পর্যায়ের কার্যালয়গুলোর ওপর নির্ভর করে সরকারি এ সংস্থা।
পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিআরটিএর কার্যালয়গুলো যানবাহন ও চালকের লাইসেন্স দেয়া, ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, যানবাহনের মালিকানা বদলির মতো সাধারণ সেবাগুলোই ঠিকমতো দিতে পারে না; সেখানে দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহ সংস্থাটির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে।
প্রয়োজনীয় ও দক্ষ জনবলের অভাবে বিআরটিএ দুর্ঘটনায় হতাহতের প্রকৃত তথ্য সংগ্রহে ব্যর্থ হচ্ছে বলেও মনে করছেন তারা।

এতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে ধীরগতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) এক প্রতিবেদনে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে শ্রমবাজারে চাহিদা কমে যেতে পারে। ফলে প্রবাসী কর্মীদের আয় হ্রাস পাবে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে রেমিট্যান্স প্রবাহের ওপর।
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
কারণ, এ অঞ্চলের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শ্রমশক্তি মধ্যপ্রাচ্যে নিয়োজিত।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বার্ষিক ৩০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্সের প্রায় অর্ধেকটা আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো ধরনের অস্থিরতা সরাসরি বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
এডিবির বিশ্লেষণে আরো বলা হয়েছে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে ২০২৬-২৭ সময়ে উন্নয়নশীল এশিয়ার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সর্বোচ্চ এক দশমিক তিন শতাংশ পয়েন্ট পর্যন্ত কমে যেতে পারে।
একই সঙ্গে জ্বালানির বাজারে অস্থিরতার কারণে মূল্যস্ফীতি তিন শতাংশের বেশি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার, ২৬শে মার্চে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বীর শহীদদের স্মরণ করা হয়েছে বিনম্র শ্রদ্ধায়।
দিবসের নানা কর্মসূচি থেকে উচ্চারিত হয়েছে সমৃদ্ধ দেশ গড়ার শপথ।
এদিন সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানোর পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজ আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিচ্ছি। সেই লক্ষ্যে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে একটা সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করবো।
এছাড়া, দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং জামায়াতে আমির ডা. শফিকুর রহমান।
এ সময় তারা স্বাধীনতাযুদ্ধের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং দেশের শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় মোনাজাত করেন।
এদিকে, দীর্ঘ দেড় যুগ পর স্বাধীনতা দিবসে অনুষ্ঠিত হয়েছে সশস্ত্রবাহিনীর কুচকাওয়াজ।




