Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিং, কী স্বপ্ন দেখবেন তা ঠিক করে দিতে পারে যে কৌশল

ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিং, কী স্বপ্ন দেখবেন তা ঠিক করে দিতে পারে যে কৌশল

7
0

Source : BBC NEWS

এক ব্যক্তির উপর পরীক্ষা-নীরিক্ষা চলছে।

স্বপ্ন নিয়ে আমাদের কৌতূহল দীর্ঘদিনের। কোথা থেকে আসে, কেন আমরা স্বপ্ন দেখি, এর অর্থই বা কী- এই প্রশ্নগুলোর উত্তর মানুষ শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে খুঁজে চলেছে।

এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর হয়ত শীঘ্রই মিলতে পারে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। ঘুম নিয়ে গবেষণা করেন এমন বিশেষজ্ঞদের মতে খুব তাড়াতাড়াই হয়ত আমরা স্বপ্নকে শুধুমাত্র ব্যাখ্যাই করতে পারব না, সেগুলোকে রূপও দিতে পারব।

‘স্লিপ ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা স্বপ্ন প্রকৌশল নিয়ে ইদানিং গবেষণা চলছে। এই উদীয়মান ক্ষেত্রে গবেষণারত বিজ্ঞানীরা মনে করেন, ঘুমের ঠিক আগে আমাদের মনে কিছু নির্দিষ্ট চিন্তা ঢুকিয়ে দিতে পারলে আমরা হয়ত ঘুমের মধ্যে আমাদের কী অভিজ্ঞতা হয়, সেগুলিকে একটা দিশা দিতে পারব।

প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে এই ধরনের অভ্যাস শেখার ক্ষমতা বাড়ায় এবং সৃজনশীলতা জাগিয়ে তুলতে পারে। শুধু তাই নয় মানসিক আঘাতের সঙ্গে লড়াই করতেও সাহায্য করতে পারে।

একজন নারী ঘুমাচ্ছেন- প্রতীকী ছবি।

ছবির উৎস, Getty Images

স্বপ্ন ‘গড়া’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের ব্রেইনট্রিতে থাকেন উইল ডাউড। তিনি একজন লেখক ও শিল্পী। তিনি নিজেকে একজন “আধা পেশাদার স্বপ্নদর্শী” বলে মনে করেন।

এক অবক্ষয়জনিত রোগে তার দৃষ্টিশক্তি এবং হাঁটাচলা প্রভাবিত হয়েছে। মি. ডাউড পড়তে পারেন না। ‘ড্রিম ইনকিউবেশন’ নামক এক কৌশল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে শুরু করেন তিনি।

‘ড্রিম ইনকিউবেশন’ হলো ঘুমানোর আগে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়, সমস্যা বা প্রশ্নের উপর মনোযোগ দেওয়ার মাধ্যমে স্বপ্নের বিষয়বস্তুকে প্রভাবিত করার কৌশল। এর জন্য মি. ডাউড যে পদ্ধতি ব্যবহার করতেন তার মধ্যে একটা হলো ঘুমানোর সময় মস্তিষ্কে ছোট ছোট অডিও প্রম্পট (কোনো বিষয়ে অডিও বার্তা) পাঠানো।

“আমি কি সাহিত্যের মাধ্যমে আমার স্বপ্ন প্রোগ্রাম করতে পারি? এই ভাবনাটাই ঘুরছিল মাথায়,” বলেছিলেন তিনি।

ঘুমানোর সময় কবিতা পাঠের রেকর্ডিং ব্যবহার করে তিনি তার রাতকে প্রাণবন্ত চিত্রকল্পে মোড়া এক সফরে বদলে ফেলতে সক্ষম হয়েছেন। এইভাবেই কখনো তিনি স্বপ্নে বন্যায় বিধ্বস্ত এক রহস্যময় শহর পেরিয়েছেন, কখনো বা চাঁদের আলোয় ঢেউয়ের উপর দিয়ে শেয়ালের সঙ্গে ছুটেছেন।

এই বিষয়টাকে স্বপ্নে ইন্ধন যোগানোর সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি।

তার কথায়, “আমি একে জেট প্লেনে ইন্ধন দিয়ে স্বপ্ন দেখার সঙ্গে তুলনা করতে চাই।”

এইভাবেই তার স্বপ্নগুলো আগামী বইয়ের ভিত্তি হয়ে উঠেছে। শুধু তাই নয়, সমস্ত কিছু ছাপিয়ে তাকে কোথাও একটা মুক্তির অনুভূতি এনে দিয়েছে এই জাতীয় স্বপ্ন।

তিনি বলেছেন, “আমার মনে হয়েছিল আমি যেন অন্য এক জগতে চলে গিয়ে আবার ফিরে এসেছি।”

মস্তিষ্কে নির্দিষ্ট চিন্তা বা বিষয় ফিড করে স্বপ্নকে প্রভাবিত করা সম্ভব বোঝাতে প্রতীকী ছবি।

ছবির উৎস, Getty Images

নেপথ্যে থাকা বিজ্ঞান

‘ড্রিম ইনকিউবেশন’ নামে এই কৌশল নতুন কিছু নয়। প্রাচীন গ্রীক এবং থাই সংস্কৃতিতে স্বপ্ন কী নির্দেশ দিতে চেয়েছে তা বুঝতে মন্দিরে যেত মানুষ।

তবে স্বপ্নের বিষয়বস্তুকে বাইরে থেকে প্রভাবিত করার আগ্রহ তুলনামূলকভাবে আধুনিক। ২০০০ সালের গোড়ার দিকে এই নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়।

সেই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রবার্ট স্টিকগোল্ড লক্ষ্য করেন যে যারা ‘টেট্রিস’ নামক ভিডিও গেম খেলে ঘুমাতে যান, তারা প্রায়শই তাদের স্বপ্নে বিভিন্ন আকৃতির পতনশীল বস্তু দেখেন। এটা ‘টেট্রিস এফেক্ট’ নামে পরিচিতি লাভ করে।

একজন সোভিয়েত সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ‘৮০-র দশকে টেট্রিস নামে এই ভিডিও গেম তৈরি করেছিলেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এই গেম যেখানে টেট্রোমিনো আকারের (এক প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে জোড়া চারটে বর্গক্ষেত্রের সমন্বয়ে তৈরি জ্যামিতিক আকার) বস্তুকে সাজিয়ে খেলতে হয়।

অধ্যাপক স্টিকগোল্ড বলেছেন, “আমরা খুবই খুশি ছিলাম। আমরা প্রথমবার দেখাতে পেরেছিলাম যে আপনি স্বপ্নের বিষয়বস্তুকে প্রভাবিত করতে পারেন।”

বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি)-এর সঙ্গে কাজ করা বিজ্ঞানী ড. অ্যাডাম হার হোরোউৎজের মতো গবেষকরা এমন প্রযুক্তি তৈরি করছেন যা স্বপ্নকে ইচ্ছে মতো এবং আরো নির্দিষ্টভাবে পরিচালিত করতে পারে।

এর জন্য তিনি যে যন্ত্র তৈরি করেছিলেন তার নাম ডর্মিও। এই যন্ত্র ঘুমানোর সময় মানুষের শারীরবৃত্তীয় সংকেতগুলোকে পর্যবেক্ষণ করে এবং এমন প্রম্পট (নির্দেশ) দেয় যা কানে শোনা যায়।

উদাহরণস্বরূপ কেউ যখন ঘুম এবং জেগে থাকার মধ্যবর্তী এক অবস্থায় থাকে যাকে ‘হিপনাগোজিয়া’ বলে। সেই সময় ওই যন্ত্র প্রম্পট করল “জলের মতো বহমান একটা স্বপ্ন দেখুন। ঘুম এবং জেগে থাকার ওই মধ্যবর্তী পর্যায়ে আমরা ছবির একটা প্রবাহও অনুভব করতে পারি।”

এক গবেষণায় ৭০% এরও বেশি অংশগ্রহণকারী জানিয়েছেন যে তারা ডর্মিও ব্যবহার করে স্বপ্ন দেখার জন্য একটা নির্দেশ পাওয়ার পরে একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে স্বপ্নও দেখেছেন।

এই প্রসঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন ড. হোরোউৎজ। ছেলেবেলায় একবার মানসিক আঘাত পাওয়ার পর বারবার দুঃস্বপ্ন দেখতেন তিনি। তাকে আশ্বস্ত করতে ঘুমের সময় ফিসফিস করে কথা বলতেন তার মা। ফিসফিস করে বলা মায়ের সেই আশ্বাসবাণীই তাকে বিষয়টা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে।

তার কথায়, “এটা আমার স্বপ্নগুলোকে বদলাতে শুরু করে। এভাবেই আমি সেই দুঃস্বপ্নগুলো কাটিয়ে উঠতে থাকি এবং আর তেমন ভয় পেতাম না।”

ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিং বা স্বপ্ন প্রকৌশল একটা সম্পূর্ণ নতুন বৈজ্ঞানিক সীমানা খুলে দিতে পারে বলে বিশ্বাস করেন তিনি।

ড. হোরোউৎজ জানিয়েছেন, একবার সফলভাবে স্বপ্ন পরিচালনা করতে পারলে, এমন সাবজেক্ট গ্রুপ তৈরি করা যেতে পারে যার উপর ভিত্তি করে পুরো বিষয়টাকে পর্যবেক্ষণ এবং বৈজ্ঞানিকভাবে তুলনা করা সম্ভব। সাধারণত শিক্ষামূলক সামগ্রী সংকলনের উদ্দেশ্যে সাবজেক্ট গ্রুপের মতো গোষ্ঠী তৈরি করা হয়।

অপারেশন থিয়েটারের ছবি- প্রতীকী।

ছবির উৎস, Getty Images

মানসিক আঘাতের সঙ্গে মোকাবিলা

স্বপ্ন কারো কারো কাছে শোক প্রশমনের জন্য অপ্রত্যাশিত ভূমিকা পালন করে। ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা মেয়ার লুকাস তার কিশোর পুত্র জেনকে হারানোর পর থেকে বছরের পর বছর ধরে দুঃস্বপ্ন দেখতেন।

কিন্তু যখন স্তন ক্যান্সারের জন্য তার অস্ত্রোপচার হয়েছিল, সেই সময় অ্যানেস্থেসিয়া (অস্ত্রোপচারের জন্য সংজ্ঞাহীন করতে ব্যবহৃত)-র পর সংজ্ঞা ফিরে পেয়ে তার সন্তান জেনকে নিয়ে একটা সুন্দর স্বপ্ন দেখার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। ওই স্বপ্ন তাকে সান্ত্বনা দিয়েছিল। এরপর দুঃস্বপ্ন দেখার সেই ধারাবাহিকতাতেও ছেদ আসে।

মেয়ার লুকাস বলেছেন, “আমি আড়াই বছরে একটাও দুঃস্বপ্ন দেখিনি। এটা আমার জীবনকে বদলে দিয়েছে।”

তার এই অভিজ্ঞতা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের গবেষণার একটা ক্ষেত্র।

ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. পিলেরিন সিক্কা বলেন যে যদিও অ্যানেস্থেসিয়া ‘স্বাভাবিক’ ঘুমের মতো নয়, কিন্তু অনেক রোগীই অস্ত্রোপচারের পর অস্বাভাবিকভাবে ইতিবাচক স্বপ্ন দেখার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। অস্ত্রোপচারের পরে যেভাবে কাউকে জাগিয়ে তোলা হয়, তার থেকেও ধীরগতিতে যদি কাউকে জাগ্রত করা যায়, তাহলে সেটা চিকিৎসায় বড়সড় প্রভাব ফেলে।

এই পদ্ধতিতে একদিন পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার (পিএসটিডি), সাধারণ উদ্বেগ এবং বিষণ্নতার মতো বিষয়গুলোর সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য ব্যবহার করা যাবে বলে বিশেষজ্ঞদের মত।

ড. পিলেরিন সিক্কার কথায়, “(অ্যানেস্থেসিয়া )এটা অস্ত্রোপচার ছাড়াও এক ধরনের স্বতন্ত্র থেরাপি হতে পারে। দেখা যাবে হয়তো একদিন স্বপ্নের ক্লিনিক তৈরি হয়েছে।”

স্বপ্ন প্রকৌশলের নৈতিকতা নিয়েও বিতর্ক বেঁধেছে - প্রতীকী ছবি

ছবির উৎস, Horacio Villalobos#Corbis/Corbis via Getty Images

নৈতিকতা নিয়ে বিতর্ক

স্বপ্ন প্রকৌশলের প্রতি বৈজ্ঞানিক আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এর নৈতিক ব্যবহার নিয়ে বিতর্কও বেড়েছে।

২০২১ সালে, মার্কিন বিয়ার ব্র্যান্ড ‘কুর্স’ ‘ড্রিম ইনকিউবেশন’ নিয়ে একটা বিজ্ঞাপন তৈরি করে। ওই বিজ্ঞাপনে দর্শকদের ঘুমানোর আগে পাহাড়ি উপত্যকা, জলপ্রপাত এবং বিয়ারের ক্যান হাতে কথা বলতে পারে এমন মাছের পরাবাস্তব ছবি দেখে ঘুমানোর কথা বলা হয়েছিল।

মূলত, তাদের বিজ্ঞাপন দেখে ঘুমাতে যাওয়ার কথাই বলে চেয়েছিল এই ব্র্যান্ড। উদ্দেশ্য ছিল মানুষ যাতে তাদের পণ্য নিয়ে স্বপ্ন দেখে।

এই প্রচারের পরে অধ্যাপক স্টিকগোল্ড এবং হার হোরোউইৎজ সহ কয়েকজন বিজ্ঞানী তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। বিজ্ঞাপনের জন্য এই ‘ড্রিম ইনকিউবেশন’ কৌশলের ব্যবহারের সমালোচনা করে একটা খোলা চিঠি লিখেছিলেন তারা।

ড. স্টিকগোল্ড বলেছেন, “ঘুমের সময় অন্তত বিজ্ঞাপন ইন্ডাস্ট্রির আমাদের একলা ছেড়ে দেওয়া উচিত। এটাই আমাদের গোপনীয়তার শেষ ঘাঁটি।”

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন গবেষক ড. ডেইরড্রে ব্যারেটের মতো কয়েকজন বিশেষজ্ঞ মনে করেন অন্যান্য বিজ্ঞানীরা যে শঙ্কার কথা বলেছেন সেই ভয় অতিরঞ্জিত এবং সাধারণ বিজ্ঞাপনের তুলনায় স্বপ্নে প্রভাব ফেলার জন্য ব্যবহৃত এই পদ্ধতির প্রভাব ততটা তীব্র নয়।

বিজ্ঞাপন নিয়ে চিন্তা ভাবনার সময় ‘কুর্স’ নামক ওই ব্র্যান্ড ড. ব্যারেটের সঙ্গে পরামর্শ করেছিলেন। তার কাছে এটা ড্রিম ইনকিউবেশনের ধারণার সঙ্গে দর্শকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার একটা সুযোগ ছিল।

বিবিসি কুর্স ব্র্যান্ডের মূল কোম্পানি মোলসন কুর্সের সঙ্গে এই সমালোচনার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানার জন্য যোগাযোগ করেছিল কিন্তু তারা কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

স্বপ্ন প্রকৌশলের নৈতিক ব্যবহার নিয়ে বিতর্কও বেড়েছে।

ছবির উৎস, Horacio Villalobos#Corbis/Corbis via Getty Images

স্বপ্ন দেখা

ড. হোরোউইৎজের কাছে, স্বপ্নের প্রকৌশল কেবল বিজ্ঞান বা প্রযুক্তির বিষয় নয়, বরং মানব জীবনের একটা উল্লেখযোগ্য অংশকে পুনরুদ্ধার করার সমান।

“প্রতিদিনের এক তৃতীয়াংশ জুড়লে বছরের এক তৃতীয়াংশ দাঁড়ায় যা জুড়লে আবার জীবনের এক তৃতীয়াংশ হয়,” বলেছেন তিনি।

“স্বপ্ন এমন এক জায়গা যেখানে আরো অনেক কিছু করা যায়, আরো চিন্তা-ভাবনা করা সম্ভব, অনেক কিছু গড়ে তোলাও যায়। তাই, আমি এই বিষয়টাকে এইভাবে ব্যাখ্যা করব যে আমি আর আমার মনস্তাত্ত্বিক অভিজ্ঞতার এক তৃতীয়াংশকে হারাতে চাই না।”

এই ক্ষেত্রে গবেষণা যত এগিয়েছে তাতে স্বপ্নের জগৎ কিন্তু মনের একটা নিষ্ক্রিয় সীমানাতে আটকে নেই। স্বপ্ন ক্রমে একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বপ্ন একদিকে যেমন একাংশের কাছে আরো গভীরে গিয়ে গবেষণা করার জায়গা যা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যকে শক্তিশালী করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে তেমনি কারো কাছে তাদের পণ্য বিক্রি করার জন্য আরেকটা প্ল্যাটফর্ম।

বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে দ্য ডকুমেন্টারির একটা পর্বের উপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদন।