Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘পুলিশে ব্যাপক রদবদল, প্রশাসনে পরিবর্তন আসন্ন’

পত্রিকা: ‘পুলিশে ব্যাপক রদবদল, প্রশাসনে পরিবর্তন আসন্ন’

6
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। সরকারের প্রাথমিক ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনা সফল করার জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

পরিবর্তনের অংশ হিসেবে, সরকার সোমবার নয়জন সচিবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করেছে এবং আরও তিনজন সচিবকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করেছে।

স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, পুলিশ ও প্রশাসনে শিগগিরই আরও রদবদল করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সব পরিবর্তনে নিরপেক্ষ প্রশাসন এবং নিরপেক্ষ আইন প্রয়োগকারী ব্যবস্থার জন্য জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।

যোগ্যতা এবং কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে পরিবর্তনগুলো আনতে হবে। অন্যথায়, অতীতে ভোগ করা দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে, তারা বলেছেন।

নিউ এজ

খবরে বলা হচ্ছে, গত শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে তার কার্যালয়ে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অবতারণা করেছেন রাষ্ট্রপতি। গতকাল সোমবার সাক্ষাৎকারে প্রথম পর্ব প্রকাশিত হয়। আজ প্রকাশিত হলো দ্বিতীয় পর্ব।

সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ই অগাস্ট যখন বিক্ষোভকারীরা গণভবন অভিমুখে, তখন তাকে জানানো হয়, যেকোনো মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসবেন। ১২টার সময় তাকে জানানো হলো, উনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন বঙ্গভবনে আসার।

এর আগে তারা আঁচই করতে পারনেননি কী ঘটতে যাচ্ছে। তবে উনি যখন এখানে আসবেন বলছেন এবং হেলিকপ্টারও রেডি, তখন আমরা ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে ধারণা করতে পারি।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জানানো হলো, না, উনি আসছেন না। আসছেন না যখন জেনেছি, তখন আমরাও সতর্ক ছিলাম। কিছুক্ষণ পরেই শুনলাম, উনি দেশ ছেড়েছেন।

একসময় জানতে পারলাম, উনি অলরেডি দেশের বাইরে চলে গেছেন। সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে সামগ্রিক ঘটনাপ্রবাহের খুব দ্রুত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছিলাম।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, রাজস্ব বাবদ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) প্রায় দুই লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা আয় হয়েছে সরকারের। যদিও পরিচালন ও উন্নয়ন খাত মিলিয়ে এ সময়ে আড়াই লাখ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় হয়েছে।

আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় ৩৩ হাজার ৩৪০ কোটি টাকার ঋণ নিতে হয়েছে সরকারকে। রাষ্ট্রীয় কোষাগারের এ নাজুক অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই। তার ওপর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বকেয়া এবং ঋণ পরিশোধের চাপ।

এ অবস্থায় নতুন সরকারের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য অর্থের সংস্থান কীভাবে হবে তা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। বিদ্যমান বাস্তবতায় জনপ্রত্যাশা পূরণ করা নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীল অনেকেই।

অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা গ্রহণের সময় উত্তরাধিকার সূত্রে বিএনপি সরকারের কাঁধে চেপেছে ২৩ লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণ।

বণিক বার্তা

খবরে বলা হচ্ছে, ঢাকা সিটি করপোরেশন থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) পর্যন্ত স্থানীয় সরকারের কোনো পর্যায়েই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নেই।

গত এক-দেড় বছরের এই শূন্যতায় সেবা পেতে নানা পর্যায়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নাগরিকদের। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নতুন সরকারের দায়িত্ব এখন এসব নির্বাচন দ্রুত শেষ করে সব জায়গায় জনপ্রতিনিধি বসানো।

জানা গেছে, সিটি করপোরেশনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা করছে সরকার।

এরপর ধাপে ধাপে পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করার পরিকল্পনা হচ্ছে। যদিও এই রোডম্যাপ এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি।

তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে নির্বাচন কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

এছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্বাচন দিতে আইনি জটিলতা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

মামলার কারণে কোন কোন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন আয়োজনে আইনি বাধা রয়েছে , সে তথ্য এবং স্থানীয় সরকারের কতটি প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনের সময় পার হয়েছে, সেসব তথ্য হালনাগাদের কাজ শুরু করেছে মন্ত্রণালয়।

আজকের পত্রিকা

সংসদ নির্বাচনে অন্যতম প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড প্রদানে জোর তৎপরতা শুরু করেছে সরকার। ইতোমধ্যে এই কর্মসূচির পরীক্ষামূলক বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দল-মত-নির্বিশেষে যোগ্য সবাই এই কার্ড পাবে।

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নতুন প্রধানমন্ত্রী তার নির্বাচনী বিভিন্ন জনসভা এবং আলোচনায় এই কার্ডের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের দ্বিতীয় দিনেই এ কার্ড বাস্তবায়নের কাজে গঠন করা হয়েছে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি।

ওদিকে নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতিতে যে নয় বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে ইশতেহার দিয়েছিলেন, তার অন্যতম ছিল ফ্যামিলি কার্ড।

ওই সময় দলের তরফে বলা হয়েছিল, প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রতি মাসে ২০০০ হাজার থেকে ২৫০০ টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

এই অর্থ ও পণ্য-সেবার পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে। প্রতি পরিবারে কেবল একটি কার্ড ইস্যু করা হবে বলে জানা গেছে।

মানবজমিন

খবরে বলা হচ্ছে, মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা উত্তর, দক্ষিণসহ দেশের ছয়টি সিটি করপোরেশনে আগের প্রশাসকদের সরিয়ে নতুন প্রশাসক হিসেবে বিএনপি নেতাদের নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

গত রোববার এক প্রজ্ঞাপনে স্থানীয় সরকার বিভাগ জানায়, করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

তবে মেয়রের বদলে সরকার প্রশাসক বসালেও সিটি করপোরেশনগুলোতে কাউন্সিলর না থাকায় ভোগান্তি যাবে না নগরবাসীর। গত দেড় বছরের মতো বিভিন্ন নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিতই থাকতে হবে। কারণ, ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকে ১৪ ধরনের নাগরিক সেবা দেওয়া হয়।

গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের সব কাউন্সিলরকে বরখাস্ত করায় এই সেবা কার্যত বন্ধ। ফলে দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। নির্বাচন না হলে এমন সংকট আরও দীর্ঘায়িত হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, প্রশাসক নিয়োগে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা না থাকায় পরবর্তী নির্বাচন কবে হবে বলা যাচ্ছে না। নির্বাচন কমিশন ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে এখনও প্রাথমিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেনি।

সমকাল

খবরে বলা হচ্ছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর যেসব মামলা হয়েছে, সেগুলো পুনরায় যাচাই-বাছাই করতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরীহ মানুষ যাতে ভোগান্তির শিকার না হন, সে জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর গতকাল সোমবার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। বেলা সাড়ে ১১টায় শুরু হয়ে বৈঠক শেষ হয়ে বেলা আড়াইটায়।

পরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সালাহউদ্দিন আহমদ। বৈঠকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে জানিয়ে একে একে সেগুলো তুলে ধরেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ৫ আগস্টের পর বেশ কিছু মামলা হয়েছে, কিছু সুবিধাবাদী মানুষ এসব মামলা করেছে। ব্যবসায়ী-সাংবাদিকসহ সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষদের নামে মামলা করা হয়েছে।

এসব মামলা যাচাই-বাছাই করা হবে এ জন্য যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নিরীহ মানুষ যাতে ভোগান্তিতে না পড়েন, সে জন্য এসব মামলা পুনরায় যাচাই করতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, ভারতীয় প্রতিষ্ঠান আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ চুক্তিতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে এ চুক্তি বাতিলের পরামর্শ দিয়েছেন সরকারের নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের আইনজীবী ফারহাজ খান।

ওই চুক্তি নিয়ে সোমবার বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত চার মন্ত্রীর বৈঠকে তিনি ওই পরামর্শ দেন। ফারহাজ খান এজন্য সরকারকে আন্তর্জাতিক আদালতে যেতেও বলেন। তার মতে, নির্বাহী আদেশ দিয়ে এ চুক্তি বাতিল সম্ভব নয়।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পাঁচ দিনে আদানি নিয়ে দ্বিতীয় দফা বৈঠক করলেন সরকারের ওই চার মন্ত্রী।

এর আগে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বৈঠক হয়েছিল। বিদ্যুৎমন্ত্রী সোমবারের ওই বৈঠকের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, আদানির ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আলাপ-আলোচনা হচ্ছে, দেখা যাক।

যুগান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, ঢাকার একটি শিল্পাঞ্চলে দুপুর গড়িয়ে বিকেল। কারখানার জেনারেটরের শব্দে বাতাস ভারী। বিদ্যুৎ থাকলে যে মেশিনগুলো ঘণ্টায় লাখ টাকার পণ্য উৎপাদন করে, সেগুলো দাঁড়িয়ে আছে।

ম্যানেজার বললেন- ‘লাইনে বিদ্যুৎ আছে, কিন্তু ভোল্টেজ পড়ে যাচ্ছে। গ্যাসও ঠিকমতো আসছে না।’ দেশের জ্বালানি খাতের সঙ্কট আজ এই এক দৃশ্যেই ধরা পড়ে: কাগজে বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত, বাস্তবে অচল উৎপাদন।

বাংলাদেশে গত এক দশকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা ও সক্ষমতা দ্রুত বেড়েছে। স্থাপিত ক্ষমতা ২৫-২৮ হাজার মেগাওয়াটের বেশি।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- যখন সক্ষমতা এত, তখন লোডশেডিং কেন? কেন শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ কমে যায়? কেন সরকারকে হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয়?

নয়াদিগন্ত

খবরে বলা হচ্ছে, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় নিয়মিতই বৈষম্যের শিকার হন দলিত ও পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী। সামাজিক নিগ্রহ ও অস্পৃশ্যতার শিকার এসব ব্যক্তির করা অভিযোগের প্রতিকারও সুদূর পরাহত।

মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হিসেবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

যেখানে সব নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার সুরক্ষা, রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক, সামাজিক সাম্য ও তাদের মানবসত্তার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে।

তবে, পাঁচ দশকের বেশি সময়ের বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। দলিত, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতি অবহেলা, তাদের নিরাপত্তাহীনতা, উচ্ছেদের খবর শোনা যায় প্রতিনিয়ত।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম মুখ্য লক্ষ্য ছিল সমাজের সব ক্ষেত্রে বৈষম্য নিরসন। কিন্তু এত রক্তক্ষয়ের পরেও রাষ্ট্রক্ষেত্রে বৈষম্য দূর হয়েছে কি না, সে প্রশ্ন উঠছে।

দেশ রূপান্তর

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‌‘New ICT chief prosecutor vows sincerity, justice’

খরে বলা হচ্ছে, নবনিযুক্ত চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম গতকাল বলেছেন, তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাগুলো আন্তরিকতা, দ্রুততা এবং আইন অনুসারে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত বা আহত ব্যক্তিদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন।

আইন মন্ত্রণালয় থেকে গেজেট প্রকাশের পর, গতকাল বিকেলে আমিনুল ইসলাম দায়িত্ব নেন। এরপর তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি তাজুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন। ২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাঁকে আইসিটির চিফ প্রসিকিউটর নিযুক্ত করা হয়েছিল।

আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। জুলাইয়ের বিদ্রোহে যারা শহীদ ও আহত হয়েছেন তাদের আকাঙ্ক্ষার সাথে সঙ্গতিপূর্ণভাবে আমি আমার দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করব।’