Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘বিএনপির নয়া মন্ত্রিসভায় পুরাতনের পাশাপাশি থাকছে নতুন মুখ’

পত্রিকা: ‘বিএনপির নয়া মন্ত্রিসভায় পুরাতনের পাশাপাশি থাকছে নতুন মুখ’

15
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: 7 মিনিট

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ফলে দলগুলোর ভোটব্যাংকে পরিবর্তন; গণভোটের সঙ্গে সংসদ নির্বাচনের ভোটের হারে পার্থক্য; বিএনপির মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন – এ সংক্রান্ত খবর প্রাধান্য পেয়েছে ঢাকা থেকে প্রকাশিত শনিবারের পত্রিকায়।

এই খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর বিএনপি তাদের মন্ত্রিসভার আকার প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে। তাতে অভিজ্ঞ ও তরুণ, নির্বাচিতদের পাশাপাশি টেকনোক্রেট কোটায়ও যুক্ত হচ্ছেন কেউ কেউ।

এর মধ্যে ২০০১-২০০৬ মেয়াদের মন্ত্রিপরিষদের দায়িত্বে থাকা কয়েকজনকে এবারও অন্তর্ভুক্ত করার কথা বিবেচনা করছে বিএনপি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতির জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। স্পিকার হিসেবে ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাসকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, সালাহউদ্দিন আহমদকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং আ ন ম এহসানুল হক মিলন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকেও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি বিবেচনাধীন।

এছাড়া, পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে স্থায়ী কমিটি এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নাম বিবেচনা করা হচ্ছে।

নতুন মন্ত্রিসভায় নয়া মুখ হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালযয়ে রুহুল কবির রিজভী (টেকনোক্র্যাট), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ইসমাইল জবিউল্লাহ (টেকনোক্র্যাট), হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (টেকনোক্র্যাট) এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানির নাম বিবেচনায় আছে।

চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও আইনজীবী ফজলুর রহমানও আলোচনায় রয়েছেন।

এদিকে, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের নিয়ে ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের ঘোষণা আগেই দিয়েছিল বিএনপি। এর বাস্তবায়ন দেখা দেখা যাবে নতুন মন্ত্রিসভায়।

তার মধ্যে ববি হাজ্জাজ, আন্দালিব রহমান পার্থ, নুরুল হক নূর, ড. রেজা কিবরিয়া ও মোস্তফা জামাল হায়দারের নাম আলোচনায় আছে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অতীতের ভোটের সব হিসাবনিকাশ পাল্টে গেছে।

আসনভিত্তিক দলগুলোর ভোটব্যাংকেও এসেছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন।

বিএনপি ২০০-এর বেশি আসন পেলেও অন্তত ৫০টি আসনে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে ১০ হাজারের কম ভোটের ব্যবধানে। পাশাপাশি পাঁচ হাজারের কম ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে ২১টি আসনে।

এমনকি অতীতে বিএনপির দুর্গখ্যাত জেলাগুলোতেও দলটি আসন হারিয়েছে।

অন্যদিকে, প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের দুর্গখ্যাত গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, গাজীপুর, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জের মতো জেলার আসনগুলোতে একচেটিয়া আসন লাভের কারণে জয়ের ব্যবধান অনেক বড় হয়েছে।

জাতীয় পার্টির দুর্গ হিসেবে পরিচিত রংপুর বিভাগে এবার লাঙ্গল প্রতীক কোনো আসনে জয়ী হতে পারেনি। এমনকি দেশের কোনো জেলার আসনেই দলটির প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেনি।

ইসি কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জামায়াত এই নির্বাচনে ৬৮টি আসন পেলেও দলভিত্তিক হিসেবে উপস্থিত ভোটের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ ভোট পেতে পারে।

সমকাল

এতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

অন্যদিকে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের হার ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ।

অর্থাৎ একই দিন দুটিরই ভোটগ্রহণ হলেও ভোট পড়ার হারে দশমিক ৮২ শতাংশ পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।

এর মধ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়েছে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে রায় পড়েছে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ। আর ‘না’ এর পক্ষে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন ভোট দিয়েছেন।

যুগান্তর

এই খবরে বলা হয়েছে, কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও গত কয়েকটি নির্বাচনের তুলনায় শান্তিপূর্ণ ছিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

তবে নির্বাচনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও জামায়াত একে অপরের বিরুদ্ধে কারচুপি, জালিয়াতি এবং কেন্দ্র দখলসহ নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে।

এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশনে এসে জামায়াতের ক্ষোভ জানানোর পাশাপাশি বিএনপির একাধিক প্রার্থী অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

সার্বিক বিষয়ে ইসির ভাষ্য, অতীতের যে কোনো মানদন্ডে অত্যন্ত ভালো ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে।

দেশ রূপান্তর

এই খবরে বলা হয়েছে, প্রায় দুই যুগ পর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি।

এবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি একাই জয় পেয়েছে ২০৯টি। জোটের শরিকেরা পেয়েছে আরও ৩টি আসন। সব মিলিয়ে পরবর্তী সংসদে বিএনপি জোটের আসনসংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২১২।

তবে আরও দুটি আসনে জয়লাভের সম্ভাবনা আছে বিএনপির। আদালতের নির্দেশে এ দুটি আসনের ফল ঘোষণা স্থগিত রয়েছে।

দলটির ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিএনপির বিজয়ী সদস্যদের মধ্যে ধর্ম, লিঙ্গ, নবীন-প্রবীণের বৈচিত্র্য রয়েছে। সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে যাঁরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের সবাই জয়ী হয়েছেন। এবার নির্বাচিতদের মধ্যে ছয়জন নারী সদস্য রয়েছেন; যা অন্য দলে নেই।

নতুন সরকারকে আর্থসামাজিক ও সংস্কারের মতো নানা জটিল বিষয়ের সমাধান করতে হবে।

সংসদের ভেতরে অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী বিরোধী দলকে মোকাবেলা করতে হবে।

প্রথম আলো

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর— World leaders congratulate the BNP; অর্থাৎ বিএনপিকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন।

এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ায় বিএনপি এবং দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীম ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফসহ বিদেশি নেতারা অভিনন্দন জানিয়েছেন।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন তারা।

এর মধ্যে নরেন্দ্র মোদীই প্রথম বিদেশি নেতা, যিনি গতকাল তারেক রহমানের সাথে কথা বলেছেন এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এছাড়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ অভিনন্দন জানিয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার

ইসি সূত্রে এতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করা হবে আজ শনিবার।

আর আগামী সোমবার বিজয়ীদের শপথ পড়ানো হতে পারে।

ইতোমধ্যে সারাদেশের রিটার্নিং অফিস থেকে বিস্তারিত ফলাফল ইসিতে এসে পৌঁছেছে। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর সংবলিত আসনভিত্তিক ফলাফলের মূল প্রামাণ্য দলিল এখনো ইসিতে আসেনি বলে জানা গেছে।

এসব দলিলের হার্ড কপি সরাসরি বহন করে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের বিশেষ দূতের মাধ্যমে কমিশনে আসার কথা রয়েছে।

এই ফলাফল পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) কমিশনের পাঁচ সদস্যের স্বাক্ষর শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজি প্রেসে পাঠানো হবে গেজেট আকারে প্রকাশের জন্য।

বণিক বার্তা

এতে বলা হয়েছে, নির্বাচনের ফল গণনাপরবর্তী সময়ে ১১ দলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

তিনি বলেছেন, তার দল ইতিবাচক রাজনীতি করতে চায় । কিন্তু সরকারের দিক থেকে বাধ্য করা হলে তারা রাজপথে নামবেন।

ভোটের পরদিন গতকাল শুক্রবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন দলটির প্রধান।

ব্রিফিংয়ের আগে বিকেলে ৫টায় নিজেদের নির্বাহী পরিষদ এবং রাত ৮টায় জোটের শরিক ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে দুটি বৈঠক করে জামায়াত।

ব্রিফিংয়ে জামায়াতের আমির আরও বলেন, ‘আমরা চাইলেও যদি তারা ইতিবাচক ধারার রাজনীতি না চায়, তাহলে জোর করে ইতিবাচক রাজনীতি করতে পারব না।’

শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘নির্বাচনে যাঁরা সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়েছেন, যেভাবেই পেয়ে থাকুন, এ ব্যাপারে আমাদের যথেষ্ট পর্যবেক্ষণ ও আপত্তি আছে।’

পত্রিকাটির ছয়জন এমপি পেয়েও শঙ্কায় এনসিপি শিরোনামে আরেকটি খবরে বলা হয়েছে, ভোটের ফল ঘোষণার পর নতুন বাস্তবতার সম্মুখীন হয়েছে এনসিপি। ছয় আসনে জয় নিয়ে প্রথমবার জাতীয় সংসদে যাওয়ার আনন্দ ছাপিয়ে তাদের ঘিরে ধরেছে নিরাপত্তার শঙ্কা।

এনসিপির অভিযোগ, দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং হুমকি দিচ্ছেন। বাধ্য হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন দলের অনেক নেতাকর্মী।

এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে তারা।

আজকের পত্রিকা

এই খবরে বলা হয়েছে, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই নিজস্ব চিন্তা-চেতনা বিবেচনায় জনপ্রশাসনকে ঢেলে সাজানো হবে।

গত ১৭ বছরে নানাভাবে উপেক্ষিত সৎ, দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হবে জনবান্ধব প্রশাসন।

নির্বাচনে ভূমিধস বিজয় পাওয়া বিএনপির পক্ষ থেকে এরই মধ্যে প্রশাসনে গত দেড় বছরের প্রভাবশালী কর্মকর্তাদেরও খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।

তাদের মধ্যে কেউ কেউ প্রকাশ্যে দলটির সমর্থক পরিচয় দিলেও বাস্তবে অন্য একটি দলের পারপাস সার্ভ করেছেন বিভিন্ন সময়।

ফলে এ ধরনের কর্মকর্তার তালিকা ধরে ধরে কম গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে বদলি করা হবে।

এরপর পবিত্র রোজা ও ঈদের পর মাঠ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল করা হবে।

কালের কণ্ঠ

নিউ এইজের প্রথম পাতার একটি শিরোনাম— One killed, 31 injured in post-polls violence; অর্থাৎ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নিহত ১, আহত ৩১ জন।

এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংনদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, পটুয়াখালী, ঝিনাইদহ ও মেহেরপুর জেলায় নির্বাচন পরবর্তী হামলা ও সংঘর্ষে অন্তত একজন নিহত এবং ৩১ জন আহত হয়েছেন।

নিহত ব্যক্তির নাম মো. জসিম নায়েব (৩০), তিনি মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থক ছিলেন জসিম নায়েব।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার আধরা ইউনিয়নে সহিংসতার ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের ভাই মশিউর রহমান অভিযোগ করেছেন, বিএনপির প্রায় দুইশ মতো সমর্থক তাদের বাড়িতে গিয়ে তার ভাইকে গালিগালাজ করে এবং জসিমকে মারাত্মকভাবে মারধর করে।

পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও জসিমের জীবন বাঁচানো যায়নি।

নিউ এইজ