Source : BBC NEWS

এক ঘন্টা আগে
পড়ার সময়: 7 মিনিট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির এগিয়ে থাকা, একাধিক প্রভাবশালী প্রার্থীর পরাজয় ও ভোটার উপস্থিতির হিসাব ছিল শুক্রবার ঢাকার পত্রিকাগুলোর প্রধান আলোচ্য বিষয়। পাশাপাশি নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক বার্তা, ফলাফল ঘিরে বিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ সমীকরণও গুরুত্ব পায় শিরোনামে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট শেষ হওয়ার পর প্রাপ্ত বেসরকারি ফলে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–নেতৃত্বাধীন জোট, যারা ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা অঞ্চলের বেশির ভাগ আসনে জয় পেয়েছে।
বিপরীতে খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলে ভালো ফল করেছে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ–নেতৃত্বাধীন জোট।
২২৯টি আসনের মধ্যে প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী বিএনপি জোট পেয়েছে ১৭০টি এবং জামায়াত জোট ৪৫টি আসন। ঢাকা বিভাগে তারেক রহমান, হাবিবুর রশীদ, ববি হাজ্জাজ ও তমিজ উদ্দিন বিজয়ী হন।
চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও বিএনপির আধিপত্য দেখা গেছে, যেখানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা জয়ী হয়েছেন।
সামগ্রিক ফলাফলে বিএনপি জোটের স্পষ্ট এগিয়ে থাকা ও আঞ্চলিকভাবে জামায়াতের শক্ত অবস্থান ফুটে উঠেছে।

গণভোটে এগিয়ে রয়েছে ‘হ্যাঁ’ ভোট। নির্বাচন কমিশন, বিভিন্ন জেলার রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় এবং প্রথম আলোর প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
২৯৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৫৬টি আসনে গণভোটের আংশিক ফলাফল গতকাল রাত একটা পর্যন্ত জানা গেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গতকাল বৃহস্পতিবার জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়।
যে ৫৬টি সংসদীয় আসনের গণভোটের ফলাফল জানা গেছে, তাতে মাত্র দুটি আসন (রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি) ছাড়া বাকি সব কটিতে ‘হ্যাঁ’ ভোট এগিয়ে আছে।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- No victory rallies, just offer prayers বিজয় মিছিল নয়, দেশজুড়ে দোয়ার আহ্বান তারেক রহমানের।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য বিজয়ের প্রেক্ষাপটে বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো ধরনের বিজয় মিছিল, সমাবেশ বা শোভাযাত্রা না করার নির্দেশ দিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, নির্বাচন একটি ঐতিহাসিক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ উপলক্ষে আজ জুমার নামাজের পর সারা দেশে বিশেষ দোয়া করার আহ্বান জানান তিনি।
রাত আড়াইটার দিকে বিএনপির চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি সালেহ শিবলী এ তথ্য জানান। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর তারেক রহমান গুলশানের কার্যালয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দেশের বিভিন্ন আসনের ফলাফল পর্যবেক্ষণ করেন এবং দলীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন।
এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের উসকানিতে সাড়া না দেওয়ার এবং শান্ত থাকার নির্দেশ দেন। কোনো ধরনের সহিংসতা বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এড়াতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
দলীয় সূত্র জানায়, কয়েকটি আসনের ফল প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা করছে বিএনপি। এসব এলাকায় বাড়তি নজর রাখা হচ্ছে।
এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাচনে বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর বিজয়ে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।

নির্বাচনে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। দেশের বিভিন্ন এলাকায় নারী ভোটাররা দল বেঁধে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিয়েছেন। পরিবার, প্রতিবেশী কিংবা সহকর্মীদের সঙ্গে একসঙ্গে এসে তারা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
অনেক নারী ভোটার জানান, আগে ভোট দিতে ভয় বা অনীহা থাকলেও এবার পরিবেশ শান্ত থাকায় তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেন্দ্রে এসেছেন। কেউ কেউ সন্তান কোলে নিয়েও ভোট দিতে এসেছেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবার নারী ভোটারের অংশগ্রহণ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি ছিল। সচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং সামাজিক পরিবর্তনের ফলে নারীরা আগ্রহ নিয়ে ভোটে অংশ নিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নারীদের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সারিতে দাঁড়ানো তরুণদের কারও হাতে ভোটার স্লিপ, কারও বা জাতীয় পরিচয়পত্র। জীবনে প্রথম ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা। চোখ-মুখে উচ্ছ্বাস, উত্তেজনা।
ভোট দেওয়ার পর সেলফি বা বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলা। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে দেখা গেছে এমন দৃশ্য। দেশের মোট ভোটারের প্রায় ৩৫ শতাংশ বা চার কোটির বেশি জেন – জি বা তরুণ ভোটার। তাদের একটি বড় অংশ গতকাল জীবনে প্রথম ভোট দিয়েছে। এই তরুণদের ভোটকেন্দ্রে স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি কেন্দ্রগুলোতে প্রাণের সঞ্চার করে।
ভোটের উৎসবকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দিতে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন কেন্দ্রে দেখা গেছে সারিতে দাঁড়ানো নতুন ভোটারদের। কেউ আসেন বন্ধুদের সঙ্গে দল বেঁধে, কেউবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ।

নিউ এইজ পত্রিকার আজকের খবর- Many voters unaware of referendum details অর্থাৎ গণভোটের বিষয়বস্তু না বুঝেই ভোট দিয়েছেন অনেকে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটে অনেক ভোটার বিষয়বস্তু না বুঝেই ভোট দিয়েছেন বলে জানা গেছে। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র উঠে এসেছে।
ভোটারদের অনেকেই জানান, দলীয় নেতাকর্মী, ভোটকেন্দ্রের এজেন্ট কিংবা পরিবারের সদস্যদের নির্দেশে তারা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়েছেন। কেউ কেউ স্বীকার করেছেন, ব্যালট পেপারের প্রশ্ন না পড়েই এক সেকেন্ডের মধ্যে ভোট দিয়েছেন।
শাহজাহানপুর এলাকার একটি কেন্দ্রে ভোট দেওয়া শিক্ষার্থী সুভা সিদ্দিকী বলেন, মায়ের কথামতো ভোট দিয়েছেন তিনি। একই কেন্দ্রে ভোট দেওয়া মসাম্মৎ হ্যাপি আক্তার জানান, না পড়েই নিজের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোট দিয়েছেন।
খিলগাঁওয়ের একটি কেন্দ্রে ভোট দেওয়া জয়নাল আবেদিন বলেন, ছেলের নির্দেশেই ভোট দিয়েছেন তিনি। আর বাবুল মিয়া ও খলিল মিয়া জানান, এক মিনিটেরও কম সময়ে গণভোটের ভোট দিয়েছেন তারা।
তবে কিছু ভোটার বলেছেন, তারা ব্যালট পেপার পড়ে বুঝে ভোট দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গণভোট বিষয়ে পর্যাপ্ত সচেতনতার অভাবের কারণেই অনেক ভোটার না বুঝে ভোট দিয়েছেন।

বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংসতার ঘটনা ছাড়া উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট।
বৃহস্পতিবার ভোর থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তাবলয় এবং সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।
তবে ভোটের মাঠে সংঘাত-সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা এবং ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের মতো বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংসতা ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়।
এসব সংঘর্ষে বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অন্তত ১১৫ জনের আহত হওয়ার খবর জানিয়েছেন যুগান্তর প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রগুলো। এসব ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
নির্বাচনি বিশৃঙ্খলায় যুক্তদের তাৎক্ষণিকভাবে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। ২৮ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত সারা দেশে ২৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান ও জরিমানা করেছে।

বাংলাদেশে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে ‘সুপরিকল্পিত প্রহসন’ ও ‘প্রতারণামূলক’ আখ্যা দিয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, জনগণের ভোটাধিকার ও সংবিধানের চেতনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আওয়ামী লীগবিহীন ও ভোটারবিহীন একটি নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর থেকেই ভোটকেন্দ্র দখল, গোলাগুলি, ভোট কেনাবেচায় টাকার ছড়াছড়ি, ব্যালট পেপারে সিল প্রদান এবং ফলাফল শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর গ্রহণের মধ্য দিয়ে ‘প্রহসনের সূচনা’ হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে সারাদেশের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল একেবারেই নগণ্য বলে দাবি করেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য উদ্ধৃত করে শেখ হাসিনা বলেন, সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের হার ছিল মাত্র ১৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। তার দাবি, ভোটগ্রহণের উৎকর্ষ সময়ে জনগণের এই কম অংশগ্রহণই প্রমাণ করে যে আওয়ামী লীগবিহীন এই নির্বাচন জনগণ বর্জন ও প্রত্যাখ্যান করেছে।

বড় কোনো সংঘাত আর সংঘর্ষ ছাড়াই গতকাল বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ভোটার ও প্রার্থীরা।
অনেকেই প্রথমবারের মতো ভোট দিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তবে নির্বাচন চলাকালে দেশ জুড়ে অসুস্থ হয়ে ছয়জনের মারা যাওয়ার খবর এসেছে।
সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোট শুরু হয়ে একটানা চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ২৯৯ আসনে সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে এবার গণভোট হয়।
শেষ সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটকেন্দ্রের সীমানার মধ্যে কাউকে আর ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তবে লাইনে যারা ছিলেন, তারা ভোট দেওয়ার সুযোগ পান।
এবার ভোটাররা গণভোটের মাধ্যমে সংবিধানের বেশ কিছু মৌলিক পরিবর্তন আনার প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষে ‘হ্যাঁ’-‘না’ ভোট দিয়ে নিজেদের মত জানালেন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে তা হবে সংবিধানের মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়নের সূচনা। রাতে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া সর্বশেষ তথ্যমতে, সারা দেশে ভোট পড়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ।

নানা জল্পনা-কল্পনা ও সহিংসতা মুক্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
গতকাল সূর্য ওঠার আগেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা সশস্ত্রবাহিনীর (সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী) ভূমিকা ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
ভোট কেন্দ্রের বাইরে নির্বিঘ্নে ভোটারদের নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্রবাহিনীর নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার কারণে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছাড়াই সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পন্ন হয়েছে।
নির্বাচনের পর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সশস্ত্রবাহিনীর প্রশংসায় ভাসছে দেশ।
সকাল সাড়ে ১০টায় সেনাপ্রধান প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আদমজী ক্যান্টেনমেন্ট কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেয়া শেষে ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন। আমি মনে করি যে আজকে আমাদের জাতির জীবনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন, আনন্দের দিন। আমরা গত দেড় বছর ধরে এ দিনটির অপেক্ষায় ছিলাম। একটা সুষ্ঠু নির্বাচন। আজকে আলহামদুলিল্লাহ, সে নির্বাচন হচ্ছে।”




