Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র নাকি দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা’

পত্রিকা: ‘শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র নাকি দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা’

8
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

২ ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: 8 মিনিট

বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনের আগে গতকাল রাতের প্রথম প্রহরে বেশকিছু কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ব্যালট পেপার খোলা, ফলাফল শিটে স্বাক্ষর, ভোটারদের অর্থ বিতরণের অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদপত্র এসব নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আজ। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট ২০২৬। দীর্ঘদিনের কর্তৃত্ববাদী শাসন, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান এবং অন্তর্বর্তী শাসনের পর এ ভোটকে তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং রাষ্ট্রের সামনের দিনের গতিপথ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোও এরই মধ্যে একে ‘জেন জি আন্দোলন-পরবর্তী প্রথম নির্বাচন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। আরব বসন্তের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে গণ-আন্দোলন ও শাসন পরিবর্তনের পরবর্তী সময়েই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের গতিপথ নির্ধারিত হয়।

দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে আজ ভোটগ্রহণ হবে। ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ এবং হিজড়া (তৃতীয় লিঙ্গ) ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন।

সারা দেশে স্থাপন করা হয়েছে ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোট কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রে থাকছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষ। প্রায় ২৪ হাজার ভোট কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বণিক বার্তা

খবরে বলা হচ্ছে, আজ বৃহস্পতিবার কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রে ফেরার ভোট। এক সঙ্গে দুটি ভোট। একটি বহু প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং অন্যটি সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে গণভোট। আজকের দিনটিই ভোটারদের।

দেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের আজকের মতামতের ওপর নির্ভর করবে কারা সংসদে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবে। কোন রাজনৈতিক দল বা জোট সরকার গঠন করবে।

গণভোটের ইতিবাচক ফলাফলের বাধ্যবাধকতায় সংবিধান সংশোধন হবে, নাকি সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা জোটের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ওপর বিষয়টি নির্ভর করবে।

এ নির্বাচনে ৫০টি নিবন্ধিত দল অংশ নিলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে বিএনপি ও জামায়াত। এক সঙ্গে দুটি ভোট হওয়ার কারণে আজ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।

দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ৪২ হাজার ৬৫১টি কেন্দ্রে আজ ভোট গ্রহণ করা হবে। এই ২৯৯টি আসনের মোট ভোটার ১২ কোটি ৭২ লাখ ৯৮ হাজার ৪১৬ জন।

বাকি একটি আসন শেরপুর-৩-এ একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে। আসনটির ভোটকেন্দ্র ১২৮টি। ভোটার চার লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এই আসনের নির্বাচনে নতুন তফসিল ঘোষণা করা হবে।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। একই সঙ্গে যে কোনো সংঘাত এডিয়ে জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন তিনি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ আহ্বান জানান নাসির উদ্দিন। তিনি নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি ও কমিশনের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

ভাষণের শুরুতেই সিইসি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণ করেন। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন সিইসি।

তিনি বলেন, নির্বাচনে ভোটদান আমাদের শুধু নাগরিক অধিকারই নয়, বরং এটি একটি দায়িত্ব। দেশের ভোটাররা সচেতনভাবে এই দায়িত্ব পালন করবেন। রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও ভোটারদের প্রতি শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহবান জানান।

সমকা‍ল

খবরে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের ঠিক এক দিন আগে সারা দেশে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটল। সংঘর্ষে বিভিন্ন দলের নেতা – কর্মীরা যেমন আহত হয়েছেন, তেমনি ভোটের দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মকর্তারাও আক্রান্ত হলেন।

গত মঙ্গলবার রাত থেকে গতকাল বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত ১০ জেলায় সংঘাতে ৪২ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ১১ জেলায় দলের নির্বাচনী কার্যালয়, নেতাদের বাড়ি ও ভোটকেন্দ্র পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আর চট্টগ্রামের রাউজানে একটি গ্রামে সারিবদ্ধ হয়ে মুহুর্মুহু গুলি চালিয়েছে ২০-২৫ জনের সশস্ত্র দল।

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর এলাকায় গতকাল দিনদুপুরে ২০-২৫ জনের একটি সশস্ত্র দল মুহুর্মুহু গুলি চালায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায় , একটি গ্রামে সারিবদ্ধ হয়ে সামনের দিকে গুলি ছুড়তে ছুড়তে এগোতে থাকে সন্ত্রাসীরা।

রাজধানীর ঢাকা -৬ আসনের ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের জুবলি স্কুল কেন্দ্রে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীর পোলিং এজেন্টের ডকুমেন্টসে স্বাক্ষর করতে গেলে তাঁদের আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ।

আজকের পত্রিকা

খবরে বলা হচ্ছে, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় থেকে সিভিল প্রশাসনকে সহায়তা দিতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছেন।

তবে নির্বাচন ঘিরে সেনাবাহিনী এই প্রথম আসল মেজাজে ফিরেছে বলে জনমনে আলোচনা উঠেছে। সবাই বলছেন, সাধারণ মানুষ এখন যেভাবে স্বস্তি অনুভব করছে, সেনাবাহিনীর দায়িত্ব এমনই হওয়া উচিত।

বাহিনীর সদস্যরা যেমন সাধারণ মানুষের চলাচলে বাধার সৃষ্টি করছে না, ঠিক তেমনি দুর্বৃত্তদের রেহাইও দিচ্ছে না। বুধবারও রাজধানীজুড়ে সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সতর্কভাবে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। এতে সাধারণ মানুষ বলছেন, সেনাবাহিনী এভাবে দায়িত্ব পালন করলে ভোটে কারচুপি রোধ করা যাবে।

অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর সেনাবাহিনীকে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে মাঠে নামানো হয়। এরপর সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়।

যুগান্তর

খবরে ব‍লা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সই হওয়া পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি কার্যকর হলে দেশটি থেকে সাড়ে চার হাজার শ্রেণির পণ্য আমদানিতে শুল্ক (কাস্টমস শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক) শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে বাংলাদেশকে।

চুক্তি কার্যকর হওয়ার দিন থেকেই এই সুবিধা কার্যকর হবে। বাকি ২ হাজার ২১০ শ্রেণির পণ্যে ধাপে ধাপে শুল্ক প্রত্যাহার করতে হবে।

আমদানিতে শুল্কছাড় দেওয়া হলেও মূল্য সংযোজন কর বা মূসক বা ভ্যাট, অগ্রিম কর ও অগ্রিম আয়করে ছাড় দেওয়া হয়নি। আমদানি পর্যায়ে এসব কর পরিশোধ করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হওয়া পণ্যে যে রাজস্ব আদায় হয়, তার ৩৮ শতাংশ আমদানি শুল্ক থেকে এবং ৬২ শতাংশ আসে বিভিন্ন কর থেকে।

অন্যদিকে চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের ১ হাজার ৬৩৮ শ্রেণির পণ্য রপ্তানিতে ১৯ শতাংশ পাল্টা শুল্ক দিতে হবে না। এসব পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশ সুবিধা পাবে। তবে দেশটির স্বাভাবিক আমদানি শুল্ক (এমএফএন) বহাল থাকবে।

গত সোমবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সই হওয়া পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি পর্যালোচনা করে এই চিত্র পাওয়া গেছে।

প্রথম ‍আলো

খবরে বলা হচ্ছে, রাতের প্রথম প্রহরেই বেশকিছু কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ব্যালট পেপার খোলা, ফলাফল শিটে স্বাক্ষর, ভোটারদের অর্থ বিতরণ ও জামায়াত নেতাকে প্রিজাইডিং অফিসার করা নিয়ে উত্তেজনা দেখা দেয়।

নারায়ণগঞ্জ, সিলেট, ঝিনাইদহ ও পটুয়াখালীসহ দেশের বেশকিছু স্থান থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে সিদ্ধিরগঞ্জের ধনকুন্ডা কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সাবেক জামায়াত নেতার ব্যালট খোলার অভিযোগ নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সিলেটে বেশকিছু কেন্দ্রে রাতেই নানা অনিয়মের অভিযোগে উত্তেজনা দেখা দেয়।

ঝিনাইদহে আগাম স্বাক্ষরিত ২৩টি ফলাফল শিট জব্দের ঘটনায় প্রিজাইডিং অফিসারকে অপসারণ করা হয়। কলাপাড়ায় ৫০ লাখ টাকাসহ একজনকে আটক করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় ভোটের আগের রাতে একটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার খোলার অভিযোগ নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ব্যালট পেপার খোলা হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়।

মানবজমিন

খবরে বলা হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামী অবৈধ আর্থিক লেনদেন এবং ভয় দেখানোর মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করছে বিএনপি।

অপরদিকে জামায়াত নির্বাচন কমিশনে একটি অভিযোগ জমা দিয়েছে। এছাড়াও তাদের দলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, জামায়াত বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের প্রভাবিত করার জন্য অর্থ ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিনি নির্বাচন কমিশন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলিকে এই ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

অপরদিকে এদিকে, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের যেসব নির্বাচনী এলাকায় জামায়াতের ভালো করার সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে বডি ক্যামেরার ‘অস্বাভাবিক সংখ্যা’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

১১ দলীয় জোটের নেতারা গতকাল বুধবার নির্বাচন কমিশনে সিইসির সঙ্গে বৈঠক করেন।বৈঠকের পর জুবায়ের গণমাধ্যমকে বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত সদস্যরা হামলার শিকার হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী বুথ ভাঙচুর করা হয়েছে।

নিউ এজ

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Cast votes responsibly’.

খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ নিজ ভোটাধিকার সচেতনভাবে প্রয়োগ করতে দেশের সব শ্রেণি-পেশার ভোটারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

‘গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ উপলক্ষ্যে গতকাল দেওয়া এক বাণীতে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এ যুগান্তকারী গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি শুধু একটি নির্বাচন বা সাংবিধানিক প্রক্রিয়া নয়; বরং দেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক ধারা ও জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছার প্রতিফলনের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।

প্রধান উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, গণভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রকাঠামো ও শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে তাদের সুস্পষ্ট মতামত ব্যক্ত করবেন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সেই মতামত বাস্তবায়নের জন্য যোগ্য, দায়বদ্ধ ও জনআকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। এভাবে জনগণ সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণে অংশীদার হবেন।

দ্য ডেইলি স্টার

খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই অভ্যুত্থানের দেড় বছরের মাথায় দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন বাস্তবতা, নতুন আবহ এবং নতুন সমীকরণ।

রাজপথের আন্দোলন, ছাত্র-যুবকদের আত্মত্যাগ, ক্ষমতার পালাবদল এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগ- সব কিছুর সম্মিলিত প্রভাবে এবারের নির্বাচনকে অনেকেই বলছেন ‘জুলাই জাগরণের ভোট’। শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ চরিত্র নির্ধারণের এক গণরায়।

মাঠপর্যায়ের তথ্য বলছে, সরকারপক্ষ ঘোষিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের প্রশ্নে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রবণতা শক্তিশালী। অন্য দিকে সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপি আত্মবিশ্বাসী, আর জামায়াতে ইসলামী বেশ কয়েকটি অঞ্চলে অপ্রত্যাশিত উত্থান ঘটিয়েছে। সব মিলিয়ে একটি বহুমাত্রিক প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের আভাস স্পষ্ট।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি যদি প্রার্থী বাছাই ও কেন্দ্রভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারে, তা হলে উল্লেখযোগ্য আসনে তারা এগিয়ে থাকবে।

অপরদিকে এই নির্বাচনে জামায়াত ‘কিংমেকার’ হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ত্রিমুখী লড়াইয়ে জামায়াতের ভোট ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।