Source : BBC NEWS

এক ঘন্টা আগে
জাতীয় নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এই সময়েই অন্তর্বর্তী সরকার একের পর এক বড় অঙ্কের চুক্তি ও কেনাকাটার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।
তফসিল ঘোষণার পর সাধারণত সরকারের নিয়মিত কাজ চালানোর কথা থাকলেও, শেষ মুহূর্তে ব্যয়বহুল প্রকল্প ও চুক্তি অনুমোদনের তৎপরতা বেড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও চীনের সঙ্গে বিমান ও জাহাজ কেনার চুক্তি, নতুন বড় প্রকল্প অনুমোদন এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক সমঝোতা।
এর পাশাপাশি প্রস্তাবিত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে এক লাখ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের চাপ, বিপুল বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ ঋণ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও খেলাপি ঋণের বোঝাও বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব আর্থিক দায় নিয়েই নতুন সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে। শুরুতেই এই চাপ সামলানো তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন তারা।


টাইমস অফ বাংলাদেশ-এর আজকের খবর- Exit-time project spree raises alarm অর্থাৎ বিদায়ের মুখে প্রকল্প অনুমোদনের হিড়িকে উদ্বেগ।
১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে বড় উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শেষ মুহূর্তে একের পর এক প্রকল্প অনুমোদনের উদ্যোগকে ঘিরে জবাবদিহি, আর্থিক শৃঙ্খলা এবং ভবিষ্যৎ সরকারের ওপর বাড়তি চাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সবচেয়ে আলোচিত প্রস্তাবগুলোর একটি ছিল বাংলাদেশ ক্লিন এয়ার প্রকল্প (বিসিএপি)। প্রায় ৯৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি ২৫ জানুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। প্রকল্পটির দায়িত্বে ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
বিশ্বব্যাংকের ঋণের ওপর নির্ভরশীল এই প্রকল্পটি শেষ পর্যন্ত অনুমোদন পায়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিনির্ধারণী ক্ষমতা যখন প্রশ্নের মুখে, তখন দীর্ঘমেয়াদি ঋণনির্ভর প্রকল্প নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
সরকারি কর্মকর্তারা এটিকে নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ বলে উল্লেখ করলেও, প্রকল্পের সময়, ব্যয়ের পরিমাণ এবং বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরতা নিয়ে আলোচনা চলছে।
অনেকের মতে, নির্বাচনের ঠিক আগে একটি অনির্বাচিত সরকারের এমন সিদ্ধান্ত ভবিষ্যৎ সরকারের ওপর বাড়তি আর্থিক বোঝা চাপাতে পারে।

নিউজ এইজ পত্রিকার খবর – Inflation up for third month অর্থাৎ টানা তৃতীয় মাসেও বেড়েছে মূল্যস্ফীতি
চলতি বছরের জানুয়ারিতে টানা তৃতীয় মাসের মতো দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে এ সময়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
রোববার মাসিক হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ, নভেম্বরে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং অক্টোবরে ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, টানা ৪৭ মাস ধরে মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির তুলনায় কম রয়েছে। জানুয়ারিতে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ০৮ শতাংশ।
মূল্যস্ফীতির এই ঊর্ধ্বগতি চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য সরকারের সংশোধিত ৭ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৬ শতাংশ পয়েন্ট বেশি।
বিবিএস জানিয়েছে, সারাদেশে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণে মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৪ টাকা বেড়ে যায় এবং মাসজুড়েই তা বেশি ছিল।

দ্য ডেইলি স্টারের খবর- Govt to buy 14 Boeings for up to Tk 35,000cr অর্থাৎ ৩৫ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ে ১৪টি বোয়িং বিমান কিনবে সরকার
জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানি থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। এ জন্য মোট ব্যয় হতে পারে ৩০ হাজার কোটি থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
সরকার বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং বাংলাদেশের পণ্যের ওপর শুল্ক হ্রাসের উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই ক্রয় পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বাণিজ্য ও বেসামরিক বিমান চলাচল উপদেষ্টা এস কে বশির উদ্দিন গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এয়ারবাস ও বোয়িংয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক বিশ্লেষণ সম্পন্ন করা হয়েছে। এরপর উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে একটি দল বোয়িংয়ের সঙ্গে দাম নিয়ে আলোচনা করেছে।
তিনি বলেন, আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে। আলোচনা সফল হলে চুক্তি চূড়ান্ত হবে, অন্যথায় এই ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না।
বশির উদ্দিন আরও জানান, বিমান কেনার অর্থ ১০ থেকে ২০ বছরের মধ্যে পরিশোধ করা হবে। দীর্ঘমেয়াদি এই পরিশোধ ব্যবস্থায় বছরে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি থেকে ২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করতে হতে পারে।
সরকারের এই বড় অঙ্কের ক্রয় পরিকল্পনা দেশের অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ আর্থিক দায় নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে লাগাতার ধর্মঘটের প্রথম দিনেই গতকাল রোববার বিকেলে অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষণা দেয়, এই সরকারের সময়ে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা চুক্তি সই হবে না। এ ঘোষণার পর আন্দোলনকারী সংগঠন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ কর্মসূচি স্থগিতের প্রস্তুতি নেয়।
অবশ্য রাতে বন্দর কর্তৃপক্ষের একাধিক প্রশাসনিক পদক্ষেপের খবর প্রকাশ্যে আসে। এরপর রাত ৯টার দিকে আবার ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ৫ জনকে আটক, ১৫ জনের বাসা বরাদ্দ বাতিল ও ১৪ জনকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তাঁদের কর্মসূচি স্থগিত করা সম্ভব হয়নি। অবশ্য রাত সাড়ে ১২টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ ৯ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধর্মঘট স্থগিত করার কথা জানানো হয়।
নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা বাতিলসহ চার দফা দাবিতে গতকাল সকাল থেকে এ লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে শেষ মুহূর্তের হিসাব-নিকাশে ব্যস্ত রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা। আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন তথাকথিত ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থীরা।
এবার আওয়ামী লীগ অংশ না নেওয়ায় ভোটের মাঠে রাজনৈতিক সমীকরণ অনেকটাই বদলে গেছে। পাশাপাশি ভোটারদের মনোভাবের পরিবর্তন, বড় দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের উপস্থিতি এবং নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থানে অনেক প্রভাবশালী প্রার্থীর জয় অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।
রাজধানীর ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা আব্বাস অন্যতম আলোচিত প্রার্থী। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। অভিজ্ঞতায় এগিয়ে থাকলেও নাসীরুদ্দীনের তরুণ ভোটারদের মধ্যে প্রভাব নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে মির্জা আব্বাসের শিবির।
ঢাকা-১৩ আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির ববি হাজ্জাজ। ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি ও স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় মামুনুল হক শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তবে রাজধানীতে বিএনপির প্রার্থীর বিপক্ষে জয় পেতে তাঁকে কঠিন লড়াই করতে হবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।
সারা দেশের বিভিন্ন আসনে প্রভাবশালী প্রার্থীদের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা নির্বাচনকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ ভোট পড়তে পারে বলে ধারণা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন মনে করছে, প্রচারে বড় দুই দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে বাকযুদ্ধ হয়েছে। দু-একটি ছাড়া নির্বাচনের পরিবেশ-পরিস্থিতি নষ্ট করার মতো বড় ঘটনা ঘটেনি।
এতে ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের উৎসাহ রয়েছে। কিন্তু নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী দলের অংশ না নেওয়া, বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও পোস্টাল ব্যালটে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন না হওয়ায় নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে ভোট পড়ার হার নিয়ে এমনই ধারণা তৈরি হয়েছে।
তবে বৃহস্পতিবার ভোটের দিন রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের কার্যক্রমের ওপর ভোটার উপস্থিতি অনেকটাই নির্ভর করছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো থাকলে ভোট পড়ার হার ৬৫-৭০ শতাংশ (প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ) হতে পারে। আর প্রতিদ্বন্দ্বী দল ও প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে ভোটার উপস্থিতি কমে যাবে। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনে করতেন একটি পেশাদার বাহিনীর চেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত সেনাবাহিনীই তার ক্ষমতার জন্য বেশি নিরাপদ। গতকাল রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেয়া এক বিস্ফোরক জবানবন্দীতে এ কথা বলেন সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল (অব:) ইকবাল করিম ভূঁইয়া। একইসাথে তিনি তুলে ধরেন কিভাবে তৎকালীন সরকার ও একটি বিশেষ চক্র সেনাবাহিনীকে গুম-খুনের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে লিপ্ত করে বাহিনীর পেশাদারিত্ব ধ্বংস করেছিল।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো: গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই চাঞ্চল্যকর জবানবন্দী রেকর্ড করা হয়। ট্রাইব্যুনালের অপর সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো: শফিউল আলম মাহমুদ। সাবেক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত গুম-খুনের মামলায় প্রথম সাক্ষী হিসেবে এই জবানবন্দী দেন তিনি।

চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে লাভজনক স্থাপনা নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই চুক্তি করতে জোরেশোরে বিভিন্ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়া হচ্ছিল। কিন্তু গতকাল পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এ ইজারা চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা নেই। চুক্তির বিস্তারিত পর্যালোচনায় সময় চেয়েছে ডিপি ওয়ার্ল্ড।
যদিও বন্দরসংশ্লিষ্টরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের লক্ষ্য ছিল যেকোনোভাবে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে কনসেশন চুক্তি সই করা। কিন্তু বন্দরের জেটি থেকে শুরু করে বহির্নোঙর পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া কর্মবিরতি কর্মসূচির কারণেই শেষ পর্যন্ত সরকার এনসিটি ইজারা চুক্তি থেকে শেষ মুহূর্তে সরে গিয়েছে।



