Source : BBC NEWS
ছবির উৎস, EPA
ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প,
যদিও তিনি এটাও বলেছেন যে, আর বেশি আগাতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র।
হোয়াইট হাউসে কিছুক্ষণ আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে
গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তারা আত্মসমর্পণ না করলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবকাঠামোতে
হামলা চালিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, “আর যদি তারা তা না করে, তাহলে তাদের কোনো
সেতু থাকবে না। কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকবে না। কিছুই থাকবে না।”
তিনি আরও বলেছেন, তিনি এর বেশি এগোবেন না। কারণ এর থেকেও বড় আরো কিছু বিষয় আছে।
ট্রাম্প বলেন, “আমার হাতে যদি সুযোগ থাকতো তাহলে আমি কী করতাম?
আমি সেখান থেকে তেল নিয়ে আসতাম। কারণ নিয়ে আসার জন্যই ওখানে আছে। আমরা যদি সেটা করতে চাই, তাহলে
তারা কিছুই করতে পারবে না”।
এরপরই তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে
আমেরিকার জনগণ চায় আমরা দেশে ফিরে আসি। যদি আমার ওপর নির্ভর করত, আমি তাদের সব তেল
নিয়ে নিতাম, সেটি নিজের কাছে রাখতাম। অনেক অর্থ উপার্জন করতাম এবং একই সঙ্গে ইরানের
জনগণের দেখভালও করতাম”।
ইরানের উপর ব্যাপক বোমাবর্ষণ চলার মধ্যেই ট্রাম্প বলেন, এসব বোমাবর্ষণ বন্ধ হয়ে গেলে ইরানের লোকজনই সবচেয়ে অখুশী হবে।”
ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়া হবে না, সেই কথা আবারো মনে করিয়ে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ”তারা হলো উদ্মাদ আর উদ্মাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র দেওয়া যায় না।”
ইরানে মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত হওয়া ও বিমান সেনা উদ্ধার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি ‘লাকি শট’ বা ভাগ্যক্রমে গুলি লেগেছিল। তবে তিনি আবার বলেন, ”এই মুহূর্তে হয়তো আমাদের বেশ কিছু হেলিকপ্টারে তাদের গুলির দাগ আছে।”
গতকালই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া না হলে ইরানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সেতু গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ট্রুথ স্যোশালে দেওয়া হুমকিতে তিনি অশালীন শব্দ ব্যবহার করেছিলেন। সেই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি আসলে বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাতে চেয়েছিলেন।
”আমার ধারণা, আপনারা শব্দটা আগেও শুনেছেন,” তিনি সাংবাদিকদের বলেন।



