Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘৭০ ভাগ মানুষের রায় অস্বীকার করে ফ্যাসিবাদ চায় বিএনপি’

পত্রিকা: ‘৭০ ভাগ মানুষের রায় অস্বীকার করে ফ্যাসিবাদ চায় বিএনপি’

13
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপি ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অস্বীকার করে ফ্যাসিবাদ কায়েম করে এক ব্যক্তির কাছে সব ক্ষমতা দিতে চায়।

তিনি বলেন, গণভোটকে অস্বীকার করা মানে শুধু ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অস্বীকার করা নয়, এর মধ্য দিয়ে আবার তারা সেই ফ্যাসিবাদী কায়দায় এক ব্যক্তির কাছে সব ক্ষমতা দিতে চায়। আমরা ১৬ বছর এক ব্যক্তির শাসন দেখেছি। হাজার হাজার ভাইকে জীবন দিতে হয়েছে। ফ্যাসিবাদ তাড়াতে আর কারও জীবন দিতে হোক, তা আমরা চাই না।

গতকাল শনিবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল-পূর্ব সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গণভোটের জনরায় প্রত্যাখ্যানের প্রতিবাদ এবং গণভোটের সিদ্ধান্তের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বায়তুল মোকাররম থেকে পল্টন হয়ে বিজয়নগর ও নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে কাকরাইল গিয়ে শেষ হয়।

দেশ রূপান্তর
যুগান্তর

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ২০টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ আইনে রূপ দিচ্ছে না বিএনপি সরকার। ফলে সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগ, গণভোট, দুদক, গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার কমিশন ও তথ্য অধিকারসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ তামাদি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়কে কেন্দ্র করে সংসদ অধিবেশন শুরুর আগেই রাজপথে নেমেছে বিরোধী দল। বিশ্লেষকদের মতে, এতে দেশের রাজনীতিতে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে এবং রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে সরকারের আন্তরিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

গবেষক আলতাফ পারভেজ বলেন, অধ্যাদেশগুলো পর্যালোচনায় গঠিত সংসদীয় কমিটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবগুলো অনুমোদন করেনি। ফলে সেগুলো সংসদে না উঠেই বাতিল হওয়ার পথে। তার মতে, এতে সংস্কার প্রক্রিয়া কার্যত থেমে গেছে এবং দীর্ঘদিনের প্রস্তুতিও বাস্তবায়ন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে শুধু ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু রাষ্ট্র ও প্রশাসনিক কাঠামোর প্রত্যাশিত সংস্কার হয়নি। তার ভাষায়, এতে দেশ আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।

সমকাল

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অধ্যাদেশ সংসদে বিল আকারে উত্থাপন না হওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন ও মানবাধিকার কমিশন আগের আইনে পরিচালিত হবে। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ না উঠলে এ বিষয়ে তদন্তের ক্ষমতাও পাবে না মানবাধিকার কমিশন।

সংসদের বিশেষ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, পুলিশ কমিশনসহ কিছু অধ্যাদেশ সংশোধন করে আনা হবে, তবে দুদক, মানবাধিকার কমিশন ও গুম-সংক্রান্ত অধ্যাদেশসহ মোট ১৬টি বিল আকারে তোলা হবে না। এতে এসব অধ্যাদেশ ১১ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

কমিটিতে থাকা বিরোধী দলের সদস্যরা এ সিদ্ধান্তে ভিন্নমত দিয়েছেন। সরকারদলীয় এক এমপিও কয়েকটি অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করার পক্ষে মত দিলেও তা চূড়ান্ত প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

আজকের পত্রিকা

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলোর বাস্তবায়ন ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা বাড়ছে। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কার এড়িয়ে গিয়ে ক্ষমতার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। তাদের দাবি, এই অবস্থান জুলাই চেতনা ও গণভোটের প্রত্যাশার পরিপন্থী এবং কাঠামোগত পরিবর্তন বিলম্বিত করছে।

তবে বিএনপি বলছে, তারা সংস্কারের বিপক্ষে নয় এবং জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিএনপিকে ‘সংস্কারবিরোধী’ হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যা সঠিক নয়। তার ভাষায়, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সংস্কার নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য।

এদিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম অভিযোগ করেছেন, সরকার দলীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যাদেশ বাতিল করতে যাচ্ছে।

নয়া দিগন্ত

‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন এবং গণভোটের ফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবিতে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট। রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় এক সমাবেশে নেতারা বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট উপেক্ষা করে দেশে আবারও স্বৈরাচারী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না।

সমাবেশে জামায়াতের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, জুলাই বিপ্লবের চেতনা অস্বীকার করা মানে জনগণের আত্মত্যাগকে অস্বীকার করা। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার পরিবর্তনের অঙ্গীকার থেকে সরে এসে ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করছে।

খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, দলটি নির্বাচনের আগে গণভোটের পক্ষে থাকলেও এখন অবস্থান বদলেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, জনগণের রায় অবজ্ঞা করা হলে রাজপথেই তার জবাব দেওয়া হবে।

মানবজমিন

দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের সপ্তাহে দুদিন দলীয় কার্যালয়ে বসার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সঙ্গে সাংগঠনিক কার্যক্রম ও সরাসরি আলাপ-আলোচনায় গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও সপ্তাহে অন্তত একদিন কার্যালয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন।

বর্তমানে অনেক নেতাকর্মী মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করতে সচিবালয়ে ভিড় করছেন এবং বিভিন্ন কাজে তদবির করছেন, যা মন্ত্রীদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করছে। এই প্রবণতা কমাতেই দলীয় কার্যালয়ে বসার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সরকার গঠনের পর নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিতি কমে গেলেও সম্প্রতি সেখানে আবার কর্মীদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। মার্চের শেষ দিকে তারেক রহমান কার্যালয়ে যাওয়ার পর সেখানে কর্মীদের উপস্থিতি ও সক্রিয়তা বাড়ে বলে জানিয়েছে দলীয় সূত্র।

বণিক বার্তা

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও জ্বালানি পাওয়ার নিশ্চয়তা না থাকায় অনেক চালক গাড়ি বের করছেন না। এতে ঢাকায় প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলের চলাচল কমেছে। অনেক গাড়ি পাম্পের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থাকায় কর্মঘণ্টাও নষ্ট হচ্ছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের হিসাবে ঢাকায় ৩ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি নিবন্ধিত প্রাইভেট কার রয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ৩০ শতাংশ বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে না।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের তথ্যেও গাড়ি চলাচল কমার ইঙ্গিত মিলেছে। মার্চ মাসে প্রতিদিন গড়ে ৫৪ হাজার যানবাহন এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করেছে, যা ফেব্রুয়ারির তুলনায় প্রায় চার হাজার কম।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে মার্চের শুরু থেকেই দেশের জ্বালানির বাজারে বিরাজ করছে অস্থিরতা।

এর মধ্যে ৬ মার্চ থেকে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে পাম্পগুলোতে ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ১০ লিটার এবং মাইক্রোবাসের জন্য ২০-২৫ লিটার তেল সংগ্রহের সীমা নির্ধারণ করে দেয় সরকার।

পরে ১৫ মার্চ থেকে এ সীমা তুলে দেয়া হয়। যদিও জ্বালানি সংকট পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। পাম্পগুলো তেল সংগ্রহের জন্য এখনো ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের।

প্রথম আলো

চলতি বছরে দেশে হামে মৃত্যুর সংখ্যা গত দুই দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, তবে গত ২০ দিনে সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে ৯৮ শিশু। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায়ও চারজন সন্দেহজনক ও দুজন নিশ্চিত রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

গত দুই সপ্তাহে বিভিন্ন হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬১ বলে জানা গেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্তের হিসাব রাখা হলেও মৃত্যুর তথ্য নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় না। আগে প্রতি ১০ লাখে মৃত্যুহার ছিল ১ শতাংশ, যা এখন বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ২০ দিনে ৮২৬ জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং সন্দেহজনক আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬২৮। এই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে দেশে আক্রান্ত হয়েছিল ২ হাজার ৪১০ জন, এরপরের বছরগুলোতে তা ৪০০-এর নিচে নেমে আসে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে টিকাদান কর্মসূচি চালুর পর হামে এত মৃত্যুর ঘটনা আগে দেখা যায়নি। রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক হালিমুর রশিদও বলেছেন, তার ধারণায় এক বছরে এত মৃত্যু আগে হয়নি।

কালের কণ্ঠ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিতেও। জ্বালানিসংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও রাজস্ব ঘাটতির মতো চ্যালেঞ্জের মধ্যেই নতুন সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তুত করছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক হিসাবে বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৮ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৯৩ হাজার কোটি টাকা বেশি। তবে আয় বাড়ানো বড় চ্যালেঞ্জ হওয়ায় করের চাপ বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা, যা ব্যবসা ও ভোক্তা উভয়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রস্তাবিত হিসাবে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআর থেকে কর আদায়ের লক্ষ্য প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা। এই হিসাবে বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

এই ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ২ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে।

নিউ এইজ

নিউ এইজ পত্রিকার খবর- Section 144 imposed in Sunamganj over dispute on cutting haor dam অর্থাৎ সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার হাওরের বাঁধ কাটা নিয়ে দুই পক্ষের গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার পর শনিবার বিকেলে সেখানে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এর ফলে জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ডাকুয়ার হাওর এলাকায় পানি জমে বোরো ধান রক্ষায় উদ্বেগ তৈরি হয়। এ অবস্থায় শুক্রবার বিকেলে কাথইর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা পানি নিষ্কাশনের জন্য বাঁধ কাটতে গেলে অন্য ইউনিয়নের গ্রামবাসীরা বাধা দেয়।

বাঁধ কাটা হলে নিজেদের জমি প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় মোহনপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষ এ উদ্যোগ প্রতিরোধ করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা হস্তক্ষেপ করেন এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ উভয় পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন।

দ্য ডেইলি স্টার

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার শেষ পাতার খবর- Top 20 loan defaulters: 1% of Tk 92,627 crore recovered from six state banks অর্থাৎ রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি ব্যাংকে শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির কাছে বকেয়া ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯২ হাজার ৬২৭ কোটি টাকা, যা মোট খেলাপি ঋণের ৬৩ শতাংশ। তবে এ বিপুল অর্থের বিপরীতে আদায় হয়েছে মাত্র ৫৬২ কোটি টাকা, যা প্রায় ১ শতাংশের সমান।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক পর্যালোচনা বৈঠকের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি আদায় করেছে রূপালী ব্যাংক, এরপর জনতা, অগ্রণী ও সোনালী ব্যাংক। তবে সামগ্রিকভাবে আদায়ের হারকে হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এ অবস্থায় ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের বাস্তবসম্মত ঋণ আদায় পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, একটি বড় প্রতিষ্ঠান এককালীন অর্থ পরিশোধ করায় রূপালী ব্যাংকের আদায়ের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অধিকাংশ খেলাপি ঋণ আগের সরকারের সময়ের এবং অনেক ঋণখেলাপি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন, যা আদায়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।