Source : BBC NEWS

এক ঘন্টা আগে
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বিসিবির ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটিতে তিন মন্ত্রীর ছেলে, এক প্রতিমন্ত্রীর বউ এ ধরনের খবর রয়েছে বুধবারের সংবাদ মাধ্যমে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের দিল্লি সফর ঘিরে অন্তহীন কৌতূহল। এছাড়া জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ে খবর রয়েছে ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্রগুলোতে।
খবরে বলা হচ্ছে, বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন কমিটি ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। তামিম ইকবালকে প্রধান করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তামিমের নেতৃত্বাধীন ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটিতে আছেন রাশনা ইমাম, আতহার আলী খান, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, রফিকুল ইসলাম বাবু, সালমান ইস্পাহানি, তানজিল চৌধুরী, মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, ইসরাফিল খসরু, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমদ ও ফাহিম সিনহা।
মির্জা ইয়াসির আব্বাস প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের ছেলে, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ছেলে এবং ইসরাফিল খসরু অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরুর ছেলে। রাশনা ইমাম প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের স্ত্রী।
দায়িত্ব পাওয়ার পর গতকাল সন্ধ্যায় অ্যাডহক কমিটির সদস্যদের নিয়ে সংক্ষিপ্ত করেন তামিম। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন তিনি। এই কমিটির মূল দায়িত্ব— তিন মাসের মধ্যে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা।

খবরে বলা হচ্ছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের দিল্লি সফর ঘিরে অন্তহীন কৌতূহল। কী বিষয়ে আলোচনা হবে এ নিয়েই দু’দেশের মধ্যে নানা জল্পনা। মঙ্গলবার বিকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুইদিনের সফরে দিল্লি পৌঁছেছেন।
ভারতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। পাশাপাশি তিনি সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস বিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে।
দিল্লি পৌঁছেই খলিল বৈঠক করেছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে। নানা কারণে এই বৈঠকটি আলোচিত এবং অর্থবহ হবে- এমনটাই আশা করা হচ্ছে।
খলিল-দোভাল এর আগেও একাধিকবার বৈঠক করেছেন। বেশ কিছু বিষয়ে তারা একমতও হয়েছেন। ঢাকায় নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এটাই প্রথম বৈঠক।
কূটনৈতিক তাৎপর্যপূর্ণ এই সফরে অন্তত চারটি বিষয় গুরুত্ব পাবে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- শরীফ ওসমান হাদি হত্যার সঙ্গে যুক্ত আসামিদের প্রত্যর্পণ।

‘প্রয়োজনে আগামী মাস থেকে তেলের মূল্যবৃদ্ধির চিন্তা: জ্বালানিমন্ত্রী’ প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, প্রয়োজন হলে সরকার আগামী মাস থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর চিন্তা করবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী মন্ত্রিসভায় আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মৌলভীবাজার-২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
জ্বালানিমন্ত্রীর কাছে সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম জানতে চান, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হবে কি না। জবাবে মন্ত্রী বলেছেন, ‘জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য একটা আইন আছে। সে আইন অনুসারে আমরা প্রতি মাসে দামের সমন্বয় করি। গত মাসে সমন্বয় করে দাম বাড়ানো হয়নি। আগামী মাসের দামের ওপর আমরা কাজ করছি।’
জ্বালানিমন্ত্রী আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করায় বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে। ফলে জ্বালানি তেলের দামের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

খবরে বলা হচ্ছে, দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি বাড়লেও বাজারে এর সংকট কাটেনি; বরং সরবরাহ ঘাটতির কারণে দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ এলপিজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে।
চালু থাকা অনেক স্টেশন সীমিতভাবে গ্যাস সরবরাহ করছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন এলপিজি বা অটোগ্যাসচালিত যানবাহনের চালকরা।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বর্তমানে দেশে দেড় থেকে দুই লাখ এলপিজিচালিত যানবাহন রয়েছে।
এসব যানবাহনের চালকরা অনেক ক্ষেত্রে এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে ঘুরেও খালি হাতে ফিরছেন।
এতে বাধ্য হয়ে তাঁরা সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) বা অকটেনের মতো বিকল্প জ্বালানির দিকে ঝুঁকছেন, যা অন্যান্য জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে।

খবরে বলা হচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলোপে যখন সংসদে বিল উত্থাপন করেছে ক্ষমতাসীন দল, সেই সময়ে তিন মাসের মধ্যে সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় সরকারকে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট।
সুপ্রিম কোর্টের পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিকে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দিয়ে ১৯৭৫ সালে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে যে পরিবর্তন আনা হয়েছিল, তা অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
গতকাল মঙ্গলবার হাইকোর্টের এ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে। এতে ২০১৭ সালে অধস্তন আদালতের বিচারকদের জন্য প্রণীত শৃঙ্খলাবিধিও অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
গত বছর ২ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়ে রায় দেন বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর রায় চৌধুরীর বেঞ্চ। গতকাল সেটিরই রায় প্রকাশিত হয়।

খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলাগুলোয় আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে হামের সংক্রমণ। সাম্প্রতিক সময়ে হাসপাতালে রোগী ভর্তির হার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
সন্দেহজনক হাম বা এ রোগের উপসর্গ নিয়ে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় আরো ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে অতিসংক্রামক হামে প্রাণ হারিয়েছে আরো এক শিশু।
এসব মৃত্যুর বেশির ভাগই ঢাকা বিভাগে। এ সময়ে সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৪১ শিশু। হাম শনাক্ত হয়েছে ২২৪ শিশুর দেহে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
সন্দেহজনক হাম নিয়ে রোগী ভর্তির হারও ঢাকা বিভাগে অনেক বেশি। এ সময় বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ২৫৬ শিশু। রাজধানী ঢাকায় সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা।

খবরে বলা হচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি অধ্যাদেশ এখনই আইনে রূপ নিচ্ছে না।
ফলে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে শুক্রবারের (১০ই এপ্রিল) পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে এগুলো বাতিল হয়ে যাচ্ছে।
এসব অধ্যাদেশের মধ্যে রয়েছে-সুপ্রিমকোর্টের বিচারক নিয়োগ ও সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, তথ্য অধিকার এবং রাজস্ব ও ব্যবস্থাপনার অধ্যাদেশ অন্যতম।
এসব অধ্যাদেশের মূল কথা হলো-গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নিশ্চিত করা। মানুষের অধিকার ও আইনের শাসনের সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ এসব প্রতিষ্ঠান দেশে স্বাধীনভাবে কাজ করবে। সেখানে সরকারের হস্তক্ষেপ থাকবে না।
সংসদে বিরোধী দল এবং বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে চায় না।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Fuel queues stretch despite improved stock’ অর্থাৎ ‘মজুত বাড়লেও জ্বালানি তেলের সারি দীর্ঘ হচ্ছে’।
খবরে বলা হচ্ছে,দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং কিছু কিছু জায়গায় লাইন আরও লম্বা হচ্ছে। যদিও গত সপ্তাহের তুলনায় জ্বালানির মজুত কিছুটা বেড়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের তথ্যমতে, গতকাল পর্যন্ত অকটেন ও পেট্রলের মোট মজুত ছিল যথাক্রমে ১০ হাজার ৫০০ টন ও ১৬ হাজার টন। যা ৯ থেকে ১১ দিনের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট।
এছাড়াও, আজ ২৫ হাজার টন অকটেন বহনকারী একটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। এই মাসের দ্বিতীয়ার্ধে একই পরিমাণ জ্বালানি বহনকারী আরেকটি জাহাজ আসার কথা আছে।
এসব জাহাজ এবং স্থানীয় কনডেনসেট উৎপাদনের মাধ্যমে ৬০ দিন পর্যন্ত অকটেন ও পেট্রলের সরবরাহ নিশ্চিত করার ব্যাপারে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এরপরেও গতকাল রাজধানীর তেজগাঁও, মহাখালী ও গুলশান লিঙ্ক রোড এলাকার পেট্রল পাম্পগুলোতে এক ফিলিং স্টেশন থেকে শুরু হয়ে পরেরটি পর্যন্ত দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। এ কারণে ওই এলাকাগুলোতে যান চলাচল ব্যাহত হতে দেখা যায়।

নিউ এইজের শিরোনাম ‘Power outlook bleak ahead of peak summer’ অর্থাৎ ‘গ্রীষ্মের আগেই বিদ্যুৎ সরবরাহের পূর্বাভাস হতাশাজনক’।
খবরে বলা হচ্ছে, উপসাগরীয় যুদ্ধের কারণে জ্বালানি আমদানি ব্যহত হচ্ছে। এর মধ্যে গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহের আগে এক মাসে বিদ্যুতের চাহিদা ২৫ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে। এতে গ্রামীণ এলাকাগুলোতে তিন থেকে তিন-থেকে চার ঘণ্টার লোডশেডিং দেখা দিয়েছে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বিদ্যু# উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডি) সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৬৯৯ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে জাতীয় গ্রিডে সর্বোচ্চ ১৪ হাজার ৯৩৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে, ফলে ৭৬০ মেগাওয়াট ঘাটতি দেখা দেয়।
এক মাস আগেও বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি ছিল না। ৪ মার্চ সর্বোচ্চ প্রায় ১২ হাজার ৭৭৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ১২ হাজার ৮৮৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছিল পিডিবি।
গত সপ্তাহে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে বয়ে যাওয়া মাঝারি তাপপ্রবাহ তাপমাত্রা প্রায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়িয়ে দেওয়ায় দেশব্যাপী বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।

খবরে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের বিচার নিশ্চিত করতে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালস (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২৬’-সহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা ১৪টি অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তর করতে বিল আকারে জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
তবে, বিরোধী দলের নোট অব ডিসেন্ট থাকা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬ সংসদে উত্থাপিত হলেও তা পাস হয়নি।
গতকাল মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দশম দিন সকালে আটটি এবং সন্ধ্যায় আরো ছয়টি বিল কণ্ঠভোটে পাস হয়।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা উত্থাপনের পর বিলগুলো সরাসরি কণ্ঠভোটে পাস হয়। আইসিটি বিল সংসদে পাস হওয়ার মাধ্যমে গুমকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।




