Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘নজরদারিতে অনেকে, চাঞ্চল্যকর তথ্য: দীর্ঘ হচ্ছে কুশীলবদের তালিকা’

পত্রিকা: ‘নজরদারিতে অনেকে, চাঞ্চল্যকর তথ্য: দীর্ঘ হচ্ছে কুশীলবদের তালিকা’

17
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

২ ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, এক/এগারোর সময়ে আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড, রাজনৈতিক দলের নেতাদের হয়রানি, ভোট কারচুপি, গুম, খুন, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অপকর্মের হোতাদের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে।

তালিকাভুক্তদের মধ্যে যারা দেশে আছেন তাদেরকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। বিমানবন্দরে তাদের বিষয়ে তথ্য দেয়া হয়েছে যাতে তারা দেশত্যাগ করতে না পারেন।

এছাড়া যারা বিদেশে আছেন তাদের বিষয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের ফেরানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত তিনজন সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও জেনারেল শেখ মামুন খালেদকে ইতিমধ্য রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। প্রথমদিকে তারা মুখ না খুললেও ধীরে ধীরে ওই সময় ঘটে যাওয়া নানা বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন গোয়েন্দাদের। এ সব তথ্য নিয়ে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা এগোচ্ছেন।

মানবজমিন

খবরে বলা হচ্ছে, সরকার গঠনের পর এবার বিএনপির মনোযোগ দলের দিকে। চলতি বছরই দলটির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বশীল নেতারা।

তারা বলছেন, সরকার গঠনের পর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে বিএনপি সরকার। দলের অনেকে সরকারে চলে গেছেন।

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা হয়েছেন অনেকে। এ কারণে দলের কর্মকাণ্ডে কিছুটা ভাটা পড়েছে।

নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের আগের মতো আনাগোনা নেই। এমন পরিস্থিতিতে দলীয় কর্মকাণ্ড চাঙা করতে দল পুনর্গঠনের কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি অঙ্গসংগঠনগুলো পুনর্গঠন করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নেতারা বলছেন, শুধু সরকারের সফল হলে চলবে না। বিরোধী দলকে রাজপথে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে দলকে শক্তিশালী করতে হবে।

দেশ রূপান্তর

খবরে বলা হচ্ছে, দেশে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে হামের উদ্বেগজনক বিস্তার ঘটেছে। এই সময়ে ৬৭৬ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৭৫ গুণ বেশি।

২০২৫ সালের একই সময়ে আক্রান্ত ছিল মাত্র ৯ জন, ২০২৪ সালে ছিল ৬৪ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগেই হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত এই রোগে মৃত্যুর কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। যদিও বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্রে ৪১ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ১৫ জন, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ছয়জন, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঁচজন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে চারজন এবং রাজশাহী, পাবনা ও গোপালগঞ্জে একজন করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় আরো আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

কালের কণ্ঠ

‘টিকা আছে , দেওয়া যাচ্ছে না’ আজকের পত্রিকার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, চলতি বছরের শুরুতেই দেশের বিভিন্ন স্থানে খুব ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত হামের রোগী শনাক্ত হয়।

অতি সংক্রামক রোগটি মার্চে এসে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

হাম টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে প্রায় শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য রোগ হওয়া সত্ত্বেও এর রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে।

নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি চললেও গত পাঁচ বছরে কোনো বিশেষ কর্মসূচি (ক্যাম্পেইন) হয়নি।

সরকারি কর্তৃপক্ষ বলছে, বর্তমানে হামের প্রায় ২ কোটি টিকা হাতে থাকলেও লজিস্টিক, জনবল ও অর্থসংকটের কারণে এখনই ক্যাম্পেইন শুরু করা যাচ্ছে না।

জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে হামের প্রকোপ অন্তত ১২ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে।

এটি কার্যত জনস্বাস্থ্য সংকটে রূপ নিয়েছে। হামে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছু শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সারা দেশে হাজারের বেশি শিশু রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছে।

সংক্রমণ বেশি ঢাকা , নরসিংদী , গাজীপুর , ময়মনসিংহ , রাজশাহী , পাবনা , চাঁপাইনবাবগঞ্জ , চট্টগ্রাম , খুলনা ও ভোলায়।

আজকের পত্রিকা

‘ডিজেল নিয়েই দুশ্চিন্তা’ প্রথম আলোর শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, মার্চে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা গেলেও মজুত প্রায় শেষের দিকে চলে এসেছে।

তাই এপ্রিলে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ধরে রাখতে হলে সূচি মেনে আমদানি নিশ্চিত করতে হবে।

চাহিদার অতিরিক্ত অকটেন আসার নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। তবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জ্বালানি তেল ডিজেল নিয়েই দুশ্চিন্তা বেশি। বিকল্প উৎস থেকে ডিজেল আমদানির চেষ্টা করছে সরকার।

জ্বালানি তেল আমদানির কাজটি করে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সংস্থাটির সূত্র বলছে, ২৯ মার্চ সরবরাহ শেষে ডিজেলের মজুত আছে ১ লাখ ৩৩ হাজার টন।

বর্তমান চাহিদার বিবেচনায় এটি ১০ দিনের মজুত। এপ্রিলে ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৪ লাখ টন। যদিও আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ৯৫ হাজার টন ডিজেল আসতে পারে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সূত্র বলছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে নির্ধারিত সময়ে জ্বালানি তেল আসছে না।

মার্চে জ্বালানি তেল নিয়ে মোট ১৬টি জাহাজ আসার কথা। এর মধ্যে এসেছে ১০টি। বাকি ৬টি ডিজেলের জাহাজ গতকাল পর্যন্ত সময়সূচিও নিশ্চিত করেনি।

প্রথম আলো

এই খবরে বলা হচ্ছে, চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০ মাসে অতিরিক্ত ২০ হাজার ১৩৬ কোটি টাকা ভর্তুকি চেয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। আরও ২ হাজার কোটি টাকা করে অতিরিক্ত চাওয়া হয়েছে।

নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রাখা, সেচ মৌসুম ও গ্রীষ্মকালীন চাহিদা মোকাবিলা এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এ অর্থ প্রয়োজন বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ।

সম্প্রতি অর্থ বিভাগের কাছে পাঠানো প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নতুন উৎপাদন ইউনিটগুলোর বকেয়া পরিশোধ এবং প্রাথমিক জ্বালানির ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে জরুরি ভিত্তিতে এই অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে বকেয়াসহ ভর্তুকি বাবদ মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৯ হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৭হাজার কোটি টাকা, যা সংশোধিত বাজেটে কমিয়ে ৩৬ হাজার কোটি টাকা করা হয়।

সমকাল

খবরে বলা হচ্ছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের প্রথম ভারত সফরে প্রাধান্য পাবে তিন ইস্যু। আগামী ৭ এপ্রিল দুদিনের সফরে দিল্লি যাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভারতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটি প্রথম সফর। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির তার সফরসঙ্গী হওয়ার কথা রয়েছে।

দেশে জ্বালানি নিশ্চিতে ভারত থেকে তেল-গ্যাস আমদানির বিষয়ে গুরুত্বসহকারে আলোচনা হবে। বর্তমানে ভারতে বাংলাদেশের কনস্যুলারগুলো থেকে ভারতীয়দের জন্য ভিসা প্রদান করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে ভারত কনস্যুলার থেকে বাংলাদেশিদের জন্য স্বল্প পরিসরে ভিসা প্রদান করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশিদের জন্য বন্ধ রয়েছে ভারতের ভ্রমণ ভিসা।

এ অবস্থায় আগের মতো দুই দেশের মধ্যে সব ধরনের ভিসা চালুর বিষয়টিও এই সফরের অন্যতম আলোচনার ইস্যু।

চলতি বছর মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া গঙ্গা নদীর পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে নতুন করে ভাবছে ভারত। সফরের মূল আলোচনায় এই চুক্তি ও পানির নায্য হিস্যার বিষয়টিও তুলবে বাংলাদেশ।

যুগান্তর

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘ Bangladesh races to secure fertiliser amid Hormuz uncertainty’ অর্থাৎ হরমুজ প্রণালিতে অনিশ্চয়তার মাঝে সার সংগ্রহে বাংলাদেশের তৎপরতা’।

খবরে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জুনের পর সরবরাহ ঘাটতি এড়াতে সরকার প্রচলিত ও বিকল্প উভয় উৎস থেকে সার, বিশেষ করে ইউরিয়া সংগ্রহের জন্য জরুরি ভিত্তিতে চেষ্টা চালাচ্ছে।

যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অস্থিতিশীলতার মধ্যে, তালিকাভুক্ত ১৭টি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হরমুজ প্রণালি দিয়ে সার সরবরাহ করতে পারবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

এ কারণে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) এই অত্যাবশ্যকীয় কৃষি উপকরণ সংগ্রহের জন্য বিশ্বব্যাপী সরবরাহকারীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে একটি আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছে।

বিসিআইসি চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমান বলেছেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় দেশের কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ইউরিয়া সার কেনার টেন্ডার আন্তর্জাতিক বাজারে উন্মুক্ত করে দিয়েছে।

 দ্য ডেইলি স্টার

নিউ এইজের শিরোনাম ‘Bangladesh govt struggles to tame fuel demand’ অর্থাৎ ‌’জ্বালানি চাহিদা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার’।

খবরে বলা হচ্ছে, শুক্রবার থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার লিটার মজুত করা জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু পারস্য উপসাগরে চলমান যুদ্ধের কারণে পেট্রোলিয়াম পণ্যের সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় সরকার এখনও এর উচ্চ চাহিদা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে।

সোমবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, দেশে ১ লাখ ৪০ হাজার লিটার ডিজেল মজুত রয়েছে , অকটেন ২২হাজার ৫৩৯ লিটার এবং পেট্রল ৪৬ হাজার ১৪৬ লিটার।

গত রোববার নড়াইলে এক ট্রাক চালকের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডার জেরে একটি পেট্রল পাম্পের স্টেশন ম্যানেজার নিহত হওয়ার একদিন পর এই সংবাদ সম্মেলনটি ডাকা হয়।

এদিকে, সার্বিক বিতরণ ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনার কারণে রাজধানীসহ অন্যান্য শহরের ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন এবং ভোক্তাদের দুর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে।

নিউ এইজ

খবরে বলা হচ্ছে, দেশের জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধির হার এখন সাড়ে ৪ শতাংশের ঘরে। আমদানি প্রবৃদ্ধির হারও ৩ দশমিক ৯১ শতাংশ। আর রপ্তানি প্রবৃদ্ধি গত আট মাস ধরে টানা নেতিবাচক।

ব্যাংক খাতে আমানত প্রবৃদ্ধির হারও ১০ শতাংশে সীমাবদ্ধ। সম্প্রসারণ নয়, বরং সংকোচনের মুখে রয়েছে কর্মসংস্থান সৃষ্টি।

অর্থনীতির মৌলিক সূচকগুলোর নাজুক পরিস্থিতির মধ্যেও সরকারের ঋণ বাড়ছে তীব্র গতিতে। গত বছরের জানুয়ারির তুলনায় চলতি বছরের জানুয়ারিতে এক বছরের ব্যবধানে সরকারের ব্যাংক ঋণ প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে।

যদিও একই সময়ে দেশের বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের ঘরে। অর্থাৎ গত এক বছরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির তুলনায় সরকারি ঋণ বেড়েছে পাঁচ গুণ। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরেও সরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ১৫ শতাংশে সীমাবদ্ধ ছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি শেষে দেশের ব্যাংক খাত থেকে সরকারের নেয়া ঋণের স্থিতি ছিল ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা। চলতি বছরের জানুয়ারি শেষে তা ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১৯৩ কোটি টাকায় ঠেকেছে।

বণিক বার্তা