Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘সৌদিতে আটকা প্রায় ৫ হাজার ওমরাহযাত্রী’

পত্রিকা: ‘সৌদিতে আটকা প্রায় ৫ হাজার ওমরাহযাত্রী’

14
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে ওমরায় গিয়ে আটকে পড়েছেন কয়েক হাজার ওমরাহযাত্রী।

বিমানের টিকিট না পাওয়ায় নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পরও তারা দেশে ফিরতে পারছেন না। এতে থাকা-খাওয়াসহ নানা জটিলতায় দিন পার করছেন তারা।

এসব যাত্রীদের দ্রুত ফিরিয়ে আনতে অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেও কোনো সুরাহা পায়নি এজেন্সি মালিকদের সংগঠন হাব।

আর ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কাছে এ বিষয়ে কোনো তথ্যই নেই বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজনিত অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ৪৬টি ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট বেশি বাতিল হচ্ছে।

এ কারণে যারা সরাসরি ফ্লাইটে সৌদি আরবে ওমরাহ করতে গেছেন তাদের কেউ কেউ নির্ধারিত সময়ে ফিরতে পারলেও ফ্লাইট বাতিলের কারণে অনেকে দেশে ফিরতে পারছেন না।

এছাড়া, যারা ট্রানজিট ভিসায় গেছেন তারা জটিলতায় পড়েছেন বেশি।

ফিরতি ফ্লাইটের টিকিটের দাম সাধারণ সময়ে ২৫ থেকে ২৭ হাজার টাকা হলেও এখন ৯০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা দিয়ে টিকিট কিনতে হচ্ছে।

নয়া দিগন্ত

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের চাপ এসে পড়েছে বাংলাদেশেও, বিশেষ করে জ্বালানি খাতে। এই চাপ সামলাতে তেলের দাম না বাড়িয়ে দিনে ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার।

গতকাল শুক্রবার যশোরে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম জানান, জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সরকার প্রতিদিন জ্বালানি তেলে ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। চতুর্দিক থেকে চাপ থাকা সত্ত্বেও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা করেনি সরকার।

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, যুদ্ধের প্রভাবে এখন পর্যন্ত পৃথিবীর ৮০টা দেশ জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করেছে।

অনিন্দ্য ইসলাম দাবি করেন, আগামী এপ্রিল মাস পর্যন্ত জনগণের জ্বালানি তেলের চাহিদা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে সরকার।

মানবজমিন

প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর— বিকল্প জ্বালানি উৎসে সাড়া অনেক, তবে বিলম্বের শঙ্কা

এই খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বিকল্প উৎস থেকে তেল-গ্যাস আমদানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।

শুরুতে সরবরাহকারী অনেক প্রতিষ্ঠান আগ্রহ দেখালেও এখন পর্যন্ত নিশ্চিত সরবরাহের প্রতিশ্রুতি মিলেছে খুব কম।

একই ধরনের অনিশ্চয়তা রয়েছে সরকারি ও বেসরকারি খাতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির ক্ষেত্রেও।

ফলে আগামী দিনগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা কাটছে না।

যদিও ইরান জানিয়েছে, বাংলাদেশের জাহাজ জ্বালানি নিয়ে হরমুজ প্রণালি পার হতে পারবে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি স্থাপনায় একের পর এক হামলার কারণে কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে অপরিশোধিত তেলের ৮০ শতাংশ, এলএনজির ৬৫ শতাংশ এবং এলপিজির ৫১ শতাংশ এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে।

আবার পরিশোধিত ডিজেলের বড় অংশ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে এলেও সেসব দেশও মধ্যপ্রাচ্যের অপরিশোধিত তেলের ওপর নির্ভরশীল।

ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সরবরাহ সংকুচিত হওয়ার প্রভাব বিকল্প উৎসেও পড়েছে।

প্রথম আলো

এই খবরে বলা হয়েছে, এখন বোরো ধানের ভরা মৌসুম। এই ধানের চাষ পুরোপুরি সেচনির্ভর। ফেব্রুয়ারি থেকে মে— এই সময়ে জমিতে নিয়মিত এক দিন পরপর সেচ দিতে হয়।

এজন্য দেশে বর্তমানে ৭৫৪টি গভীর নলকূপ, ১০ লাখ ৩৯ হাজার ৩৩৭টি অগভীর নলকূপ এবং এক লাখ ৮৪ হাজার ৩৮৪টি লো-লিফট পাম্প আছে।

এসবের বড় অংশই ডিজেলচালিত।

বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও হাওর এলাকায় ডিজেল ছাড়া সেচ প্রায় অসম্ভব।

তবে, কৃষকেরা জানাচ্ছেন ডিজেল পাচ্ছেন না তারা। বোরো ধানের জমিতে এখনই সেচ না দিলে ফলন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা আছে।

যদিও সরকার বলছে, দেশে সেচের জ্বালানির সংকট নেই। তেলের অভাবে কোথাও সেচকাজ ব্যাহত হয়নি।

সরকারের তরফে আশ্বস্ত করে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ এখন আর জ্বালানির জন্য এককভাবে মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল নয়। ইতোমধ্যে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বোরো উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। উৎপাদন কমে গেলে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। চালের বাজারেও এর প্রভাব পড়বে।

তারা কৃষির জন্য আলাদা ডিজেল বরাদ্দ, ড্রাম ব্যবহারকারীদের জন্য তেল বিক্রির স্পষ্ট নির্দেশনা, মাঠপর্যায়ে কঠোর নজরদারি, ডিজেলে ভর্তুকি ও বিদ্যুৎচালিত সেচ সম্প্রসারণের পরামর্শ দিয়েছেন।

সমকাল

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— Fuel hoarding rampant; অর্থাৎ ব্যাপক হারে তেল মজুত করা হচ্ছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধে দেশে জ্বালানির যে সংকট দেখা দিয়েছে, তার মধ্যে ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি মজুত করা এবং দীর্ঘ লাইনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার গতকাল শুক্রবার ৬৪ জেলার জন্য ভিজিল্যান্স টিম বা তদারকি টিম গঠন করেছে।

এই পদক্ষেপের অংশ হিসেবে বেশ কয়েকটি জেলায় অভিযান চালানো হয়। এসব অভিযানে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ৬৪ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।

এসব ঘটনায় জ্বালানি তেল উদ্ধারের পাশাপাশি মজুতকারীদের জরিমানা করা হয়েছে।

যদিও সরকার থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছিলো যে অতিরিক্ত তেল না নেওয়ার বিষয়ে, যা কি না কালোবাজারি ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি করে।

এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও ঢাকাসহ অন্যান্য স্থানেও গতকাল ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

নিউ এইজ

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম— Bangladesh eyes $1.6b ADB financing; অর্থাৎ এডিবির এক দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের দিকে বাংলাদেশের নজর।

এই খবরে বলা হয়েছে, নতুন ও চলমান বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে এক দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন পাওয়ার সুযোগ এসেছে বাংলাদেশের জন্য।

ইরান যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক ধাক্কা থেকে অর্থনীতিকে রক্ষার চেষ্টায় এই সুযোগ সামনে এলো।

এই অর্থায়নের মধ্যে এডিবির বিশেষ প্যাকেজ থেকে এক বিলিয়ন ডলার; আর অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও সরকারের কর্মসূচির অধীনে বাজেট সহায়তা হিসেবে ৬০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবিলা করতে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সহায়তা হিসেবে গত ২৩শে মার্চ এই বিশেষ প্যাকেজ চালু করে এডিবি।

এই তহবিল পেতে হলে সরকারকে একটি চাহিদা মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দিতে হবে, যেখানে জাতীয় বাজেটের ওপর যুদ্ধের প্রভাব এবং প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অর্থায়নের বিস্তারিত তথ্য থাকতে হবে।

এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এই ঋণ পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে এডিবি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইতোমধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করেছে।

দ্য ডেইলি স্টার

এই খবরে বলা হচ্ছে, বর্তমানে ঢাকার বুকে টিকে আছে মাত্র ৬৫টি খাল, তা-ও নানা সমস্যায় জর্জরিত। অনেকগুলো হয়ে পড়েছে সংকুচিত, নেই পানির প্রবাহ, প্রায় বিলুপ্ত হয়েছে এর জীববৈচিত্র্যও।

এসব খাল পুনরুদ্ধারে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) তাদের প্রণীত ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) ২০২২-৩৫-এ এক বিস্তৃত রূপরেখা দিয়েছে।

ড্যাপের প্রাক্কলিত হিসাব অনুযায়ী, জীববৈচিত্র্যসহ প্রতিটি খাল পুনরুদ্ধারে লাগবে এক-দেড় হাজার কোটি টাকা।

তবে যেসব খালে ভূমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন নেই সেখানে ব্যয় কম হবে।

সব মিলিয়ে ঢাকার খালগুলো পুনরুদ্ধার করতে ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি লাগতে পারে।

ড্যাপসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, খালের জায়গা দখল করে থাকা স্থাপনা অপসারণ করা ছাড়া পুনরুদ্ধারের কোনো বিকল্প নেই।

এছাড়া, সিএস ম্যাপ অনুযায়ী কোথাও কোথাও খালের প্রস্থ এতটাই কম যে নৌ-চলাচল তো দূরের কথা, স্বাভাবিক পানিপ্রবাহও বাধাগ্রস্ত হয়। এসব ক্ষেত্রে খাল প্রশস্ত করতে অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণ ও ভবন অপসারণ প্রয়োজন হবে, যা ব্যয় আরো বাড়িয়ে দেবে।

বণিক বার্তা

এই খবরে বলা হচ্ছে, আগের চেয়ে কঠোর হচ্ছে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষা।

নকল ও প্রশ্ন ফাঁস রোধে থাকবে বিশেষ অভিযান।

নজরদারির জন্য পর্যায়ক্রমে সব পরীক্ষাকেন্দ্রে বসবে সিসি ক্যামেরা। তাৎক্ষণিকভাবে পরিদর্শন করা হবে দেশের যেকোনো কেন্দ্র।

এদিকে, আগামী ২১শে এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। তার আগে পরীক্ষা নিয়ে বিশেষ নির্দেশনা দিতে প্রতিটি শিক্ষা বোর্ডে যাবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

একই সঙ্গে বোর্ড চেয়ারম্যান বা তার প্রতিনিধিদের পরীক্ষার আগে প্রতিটি কেন্দ্র পরিদর্শন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দিতে হবে।

এবারের এসএসসি পরীক্ষা থেকে অতি প্রয়োজনীয় ছাড়া থাকছে না ‘ভেন্যু কেন্দ্র (পরীক্ষা কেন্দ্রের সহযোগী কেন্দ্র)’।

যদি কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম প্রমাণিত হয়, তবে কেবল পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে নয়, কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়া, পরীক্ষার খাতায় কোনো ধরনের ‘গ্রেস মার্ক’ বা অনুকম্পার সুযোগ থাকছে না।

কালের কণ্ঠ

এই খবরে বলা হচ্ছে, ঢাকার যানজট সমস্যা নিরসনে স্বল্প মেয়াদে বাস্তবায়নযোগ্য ২৬টি প্রস্তাব নিয়ে কাজ করবে সরকার, যা বাস্তবায়নের মাধ্যমে এপ্রিল মাসের শেষ নাগাদ ঢাকার যানজট সমস্যার অনেকটাই নিরসন করা সম্ভব হবে।

পরে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পর রাজধানীর যান চলাচল পরিস্থিতিতে ‘ব্যাপক পরিবর্তন’ আসবে।

গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করা হয়।

গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়নের মতো কিছু বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে প্রস্তাবে।

বিশেষজ্ঞের মতে, যানজট কমাতে প্রস্তাবগুলো কার্যকর। তবে একে সফল করতে বিশেষ করে প্রযুক্তিগত বিষয়গুলোর নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ অপরিহার্য।

আজকের পত্রিকা

এই খবরে বলা হয়েছে, সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও শেখ মামুন খালেদকে গ্রেফতারের পর ওয়ান-ইলেভেনের অন্য ‘কুশীলবদের’ মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

তাদের মধ্যে বিদেশে অবস্থানকারীরা যেমন সতর্ক অবস্থানে চলে গেছেন, পাশাপাশি দেশে অবস্থানকারীরা চলে গেছেন আত্মগোপনে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাবেক ওই দুই শীর্ষ কর্মকর্তার গ্রেফতারের পর কেউ কেউ দেশ ছাড়ারও চেষ্টা করছেন।

তবে তাদের বিদেশ যাত্রার ওপর রয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

তারা কেউ বিমানবন্দর অতিক্রম করতে গেলে বাধার মুখে পড়বেন বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে।

যুগান্তর