Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘সময়মতো যক্ষ্মার টিকাও মেলেনি, নিয়ন্ত্রণ নিয়ে শঙ্কা’

পত্রিকা: ‘সময়মতো যক্ষ্মার টিকাও মেলেনি, নিয়ন্ত্রণ নিয়ে শঙ্কা’

15
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৬ মিনিট

হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই এবার যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ; অন্তর্বর্তী সরকারের ২০ অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারিয়েছে এবং পাকিস্তানে হতে যাওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার খবর শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায় গুরুত্ব পেয়েছে।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে হামের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই এবার যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

গত মাসে করা স্বাস্থ্য বুলেটিনের তথ্য বলছে, সরকারের জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে জাতীয় কেস নোটিফিকেশন রেট নেমে এসেছে ১৬৯-এ, যা গত দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শনাক্তকরণ কমে যাওয়া মানে রোগ কমে যাওয়া নয়; বরং এটি সেবা ও নজরদারিতে ঘাটতির ইঙ্গিত হতে পারে।

স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত কর্মসূচির অধীন অপারেশন প্ল্যানের (ওপি) আওতায় প্রায় তিন দশক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছে। ২০২৪ সালের জুনে এই কর্মসূচি বন্ধ হয়ে যায়।

গত বছর নতুন করে ডিপিপি জমা দিলেও অনুমোদন হয়নি।

ফলে দীর্ঘ সময় বন্ধ রয়েছে ওষুধ ও টিকার কেনাকাটা। এতে মাঠ পর্যায়ের চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে।

এছাড়া, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে মার্কিন সহায়তা সংস্থা ইউএসএইড ও গ্লোবাল ফান্ডের অর্থায়ন বন্ধ হয়ে গেছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে গত জুনে নতুন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) করা হয়, যা এখনও অনুমোদন হয়নি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, দ্রুত অর্থায়ন ও প্রশাসনিক অনুমোদন না হলে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিতে বড় বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।

সমকাল

প্রথম আলোর প্রধান খবর— সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ, বিরোধী দলের ওয়াকআউট

এই খবরে বলা হয়েছে, সরকারি দলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সমঝোতা ও বিশ্বাস ভঙ্গ করে দিনদুপুরে ছলচাতুরির মাধ্যমে বিল পাস করার অভিযোগ এনেছে বিরোধী দল।

সংসদে এই অভিযোগ এনে প্রায় এক ঘণ্টার বিতর্ক শেষে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় তারা ওয়াকআউট করেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ অনুমোদন নিয়ে বিতর্কের সূচনা হয়।

অধ্যাদেশটি হুবহু অনুমোদনের সুপারিশ করেছিল জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। কিন্তু সেখানে সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ে এমন তিনটি সংশোধনী এনে আজ শুক্রবার বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ।

বিরোধী দল বলছে, গুম অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দমন কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো বিল আকারে আনা হয়নি। ফলে এগুলো কার্যকারিতা হারাচ্ছে। এটাকেও তারা বিশ্বাস ভঙ্গ বলে তুলনা করেছেন।

তারা বলছে, এসব অধ্যাদেশ বাদ করার মাধ্যমে আবারও ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে। এর দায় বিরোধী দল নেবে না।

প্রথম আলো

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম— 20 key ords lose validity; অর্থাৎ কার্যকারিতা হারাল ২০ অধ্যাদেশ।

এই খবরে বলা হয়েছে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, গণভোট, গুম প্রতিরোধ ও দুর্নীতি দমনে সংস্কারমূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ২০টি অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারিয়েছে।

সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জাতীয় সংসদে সেগুলো অনুমোদন না পাওয়ার কারণেই অধ্যাদেশগুলো কার্যকারিতা হারাল।

গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। তাই সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশগুলো অনুমোদনের সময়সীমা গতকাল শুক্রবার শেষ হয়ে গেছে।

বাকি ১১৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৭টি হুবহু এবং ১৬টি সংশোধিত আকারে পাশ হয়েছে।

এক্ষেত্রে সংসদের এবারের অধিবেশনে মোট ৯১টি বিল পাশ হয়েছে।

নিউ এইজ

এই খবরে বলা হয়েছে, চব্বিশের অভ্যুত্থানের পর মাঠপর্যায়ে পুলিশের সিদ্ধান্তহীনতা ও সমন্বয়হীনতার যে চিত্র সামনে এসেছে , তা থেকে বেরিয়ে আসতে পরিকল্পনা নিয়েছে নতুন সরকার।

তাই পুলিশকে ‘মব’ বা উচ্ছৃঙ্খল জনতার তৎপরতা মোকাবেলায় বিদেশি পুলিশের সহযোগিতায় বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

জঙ্গি দমনে প্রশিক্ষিত ইউনিটগুলোকেই মব নিয়ন্ত্রণ ও দাঙ্গা দমনের কৌশলে দক্ষ করে তোলা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এখনো অনেক সদস্য বাস্তব পরিস্থিতিতে কোন পর্যায়ে কী মাত্রায় শক্তি প্রয়োগ করতে হবে, এ নিয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। তাদের মধ্যে অস্বস্তি ও একধরনের ভয় কাজ করছে।

এ সুযোগে বিভিন্ন স্থানে উচ্ছৃঙ্খল গোষ্ঠীগুলো এখনো মব সৃষ্টি করে সহিংসতা ছড়াচ্ছে, যদিও সংখ্যা আগের তুলনায় কম।

এতে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি এসব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশও সমস্যায় পড়ছে।

আজকের পত্রিকা

এই খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ— এ তিন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালে ধারণক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত বাস চলাচলের কারণে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে, এর প্রভাবে যানজট বাড়ছে পুরো নগরে— তা বলা হয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের এক পর্যবেক্ষণে।

এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে নতুন সরকার।

যানজট নিরসনের লক্ষ্যে অতিরিক্ত বাসের রুট পারমিট বাতিলেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুরনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ বাসগুলোকে এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সরকারের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।

এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে টার্মিনালগুলোর চাপ যেমন কমবে, রাজধানীর সার্বিক পরিবহন ব্যবস্থায়ও শৃঙ্খলা ফিরবে বলে তারা মনে করছেন।

এই তিন টার্মিনালে মোট ধারণক্ষমতা মাত্র ১ হাজার ২৫০টি বাসের হলেও বর্তমানে সেখানে চলাচল করছে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার।

বণিক বার্তা

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৭০টির-ও বেশি। উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে ‘হায়ার এডুকেশন অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট)’।

চার হাজার কোটি টাকার এই গবেষণা প্রকল্পে অভিযোগের শেষ নেই।

গবেষণার দিকে নজর না দিয়ে বড় অঙ্কের অর্থ লোপাট ও এর ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও হিট প্রকল্পের কয়েকজন কর্মকর্তা।

বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ইতোমধ্যে এ প্রকল্প নিয়ে অসন্তুষ্টির কথা জানানো হয়েছে। ফলে বিপুল অঙ্কের ঋণের বোঝার এ প্রকল্পের উদ্দেশ্যই ব্যাহত হওয়ার পথে।

কালের কণ্ঠ

হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি বাংলাদেশি জাহাজ— সংবাদের প্রধান শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে গেছে।

প্রায় ৪০ দিন আটকে থাকার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি।

তবে গতকাল শুক্রবার সকালে এই নৌপথের কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়।

তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি।

ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

জাহাজটিতে ৩৭ হাজার টন সার রয়েছে।

সংবাদ

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান সংবাদ— US-Iran talks ‘on track’ amid truce violations; অর্থাৎ, যুদ্ধ বিরতি লঙ্ঘনের মাঝেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা ‘সঠিক পথে’।

এই খবরে বলা হয়েছে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা দিলেও মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বন্ধ হয়নি পুরোপুরি। এ নিয়ে শঙ্কার মধ্যেই ওয়াশিংটন-তেহরানের ঐতিহাসিক আলোচনার জন্য প্রস্তুত পাকিস্তানের ইসলামাবাদ। আজ শনিবার হবে আনুষ্ঠানিক এই আলোচনা।

মূলত, লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত বোমাবর্ষণ এবং আলোচনার শর্তাবলী নিয়ে বিরোধের কারণেই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি নিয়ে শঙ্কা বাড়ছিল। তবে পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলছেন, পরিকল্পনা অনুযায়ীই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই শান্তি আলোচনা।

এই আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, যিনি গতকাল পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

অন্যদিকে, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ইসলামাবাদে পৌঁছেছে।

দ্য ডেইলি স্টার

এই খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে জ্বালানির বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে। ফলে সরকারকে অতিরিক্ত ৩৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হতে পারে, যা বাজেট ও রিজার্ভ দুটির ওপরই চাপ তৈরি করবে।

এই ভর্তুকি একদিকে যেমন সরকারের বাজেট ঘাটতি বাড়ানোর দিকে যাবে, অন্যদিকে সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর প্রভাব ফেলবে।

গতকাল শুক্রবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক চিত্র তুলে ধরে দেওয়া বিবৃতিতে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

দেশ রূপান্তর