Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক: একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী জবাবদিহির মুখে’

পত্রিকা: ‘বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক: একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী জবাবদিহির মুখে’

21
0

Source : BBC NEWS

প

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৬ মিনিট

খবরে বলা হচ্ছে, সরকার গঠনের এক মাস পার হতেই জবাবদিহির মুখে বিএনপির একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী। শনিবার বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তারা জবাবদিহিতার মুখে পড়েন বলে যুগান্তরকে নিশ্চিত করেন একাধিক সংসদ সদস্য।

তারা জানান, দলীয় সংসদীয় কমিটির ওই সভায় অন্তত ৬ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর কাছে তাদের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনায় তাদের দিকনির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, আলোচনার একপর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীর কাছে তেল, বিদ্যুৎ সরবরাহের বর্তমান পরিস্থিতি ও ঘাটতি বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে কীভাবে মোকাবিলা করা হবে সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এছাড়া বৈঠকে ঈদযাত্রাকালে সংঘটিত দুর্ঘটায় মৃত্যু নিয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে সড়ক, নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের গাফিলতি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।

যুগান্তর

‘পুরনো পোশাকই ফিরছে পুলিশে’ মানবজমিনের শিরোনাম। এ খবরে বলা হচ্ছে, ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে বিতর্কিত কার্যক্রমের অভিযোগে পরিবর্তন আনা হয় বাংলাদেশ পুলিশের পোশাকে।

গত বছরের নভেম্বরে ১৪১ কোটি টাকার কার্যাদেশের মাধ্যমে গাঢ় নীল রং পরিবর্তন করে পুলিশের জন্য আয়রন গ্রে রঙের নতুন পোশাক নির্ধারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার।

তবে পরিবর্তিত এই পোশাকের রং নিয়ে শুরু থেকেই চাপা ক্ষোভ ছিল বাহিনী সদস্যদের মধ্যে। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থেকে কনস্টেবল পর্যায়ের সদস্যদের কাছ থেকেও অভিযোগ আসে নতুন পোশাকের রং ও মান নিয়ে।

যা নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে খোদ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশনও। লিখিত জরিপ নেয়া হয়েছে বাহিনীর প্রতিটি সদস্যদের কাছ থেকে।

এই মতামতের ভিত্তিতে আবারো পরিবর্তন আনা হচ্ছে পুলিশের পোশাকে।

সব ঠিক থাকলে আগের নীল ও মেট্রোপলিটন এলাকায় হালকা সবুজ রংয়ের পোশাকেই সাধারণ মানুষের মাঝে দেখা যাবে পুলিশ সদস্যদের।

মানবজমিন

খবরে বলা হচ্ছে, উত্তর আফ্রিকার লিবিয়া থেকে সাগরপথে গ্রিস যাওয়ার পথে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে অন্তত ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে।

তাদের মধ্যে সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের চারজনসহ তিন উপজেলার ১০ জন রয়েছেন বলে স্বজনরা নিশ্চিত করেছেন। খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকটের কারণে তারা প্রাণ হারিয়েছেন।

স্থানীয় সাংবাদিক উমেদ আলী জানান, তাঁর ভাগনে নুরুজ্জামান সরদার ময়না এ ঘটনায় মারা গেছেন। একই গ্রামের রোহান আহমেদ জানিয়েছেন, তিনিও একই বোটে ছিলেন। তাঁর চোখের সামনে এই চারজনসহ অন্যদের লাশ সাগরে ফেলে দেওয়া হয়।

নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চারজন, দোয়ারাবাজারের একজন ও জগন্নাথপুরের পাঁচজন রয়েছেন বলে স্থানীয় নানা সূত্রে জানা গেছে।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বরাতে জানা গেছে, দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রায় খাবার ও পানির সংকটে অসুস্থ হয়ে পড়েন যাত্রীরা। পরে অনেকেই মারা যান। পাচারকারীদের নির্দেশে মৃতদেহগুলো সাগরে ফেলে দেওয়া হয়।

সমকাল

খবরে বলা হচ্ছে, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে শয্যা না পেয়ে গত ১০ই মার্চ থেকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত ১৮ দিনে মারা গেছে ৫১ শিশু।

তারা সবাই আইসিইউ শয্যার জন্য ‘অপেক্ষমাণ তালিকায়’ ছিল। তারা সিরিয়াল পেয়েছে মৃত্যুর পর। তাদের বেশির ভাগই মারা গেছে রাজশাহী হাসপাতালের সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায়।

তাদের প্রত্যেককে জরুরি ভিত্তিতে আইসিইউতে নেওয়ার জন্য চিকিৎসকরা সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু তাদের কাউকেই হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করাতে পারেননি অভিভাবকরা।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, গতকাল সকালের পর অপেক্ষমাণ আরো দুটি শিশু মারা গেছে। যদিও এই দুই শিশুর নাম-ঠিকানা দেয়নি দায়িত্বরত সূত্রটি।

কালের কণ্ঠ

‘ঋণখেলাপি ছিলেন, এখন সংসদে’ প্রথম আলোর শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, ঋণখেলাপির তালিকায় নাম থাকা অনেকে এবারের সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী হয়েছেন।

মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিতে শুরুতে ৩১ জনকে সুযোগ দিয়েছিলেন আদালত।

চূড়ান্ত বিচারে ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে বিএনপির মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর (কুমিল্লা-৪) প্রার্থিতা বাতিল হয়। তিনি নির্বাচন করতে পারেননি।

বাকি ৩০ জন পেরেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৯ জন সংসদ সদস্য (এমপি) হয়েছেন, যাঁরা ইতিমধ্যে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম থেকে বিএনপির দুজন প্রার্থী বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন। তবে নির্বাচন কমিশন এখনো তাঁদের নামে প্রজ্ঞাপন জারি করেনি। যদিও তাঁরা আশা করছেন, শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি হবে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২-এর ১২ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

কিন্তু দেখা যায়, নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য প্রার্থীরা কিছু টাকা পরিশোধ করে ঋণ নিয়মিত করে ফেলেন। এবং আদালতের স্থগিতাদেশ পেয়ে অনেকেই নির্বাচনে প্রার্থী হন।

নির্বাচনে জিততে না পারলে অনেক ক্ষেত্রে তাঁরা আর ঋণ পরিশোধ করেন না।

জিতে গেলে ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা করে ফেলেন। সংসদ সদস্য হিসেবে প্রভাব তখন কাজে লাগে।

সব মিলিয়ে অবস্থা দাঁড়িয়েছে এই যে আইন ঋণখেলাপিদের সবাইকে প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত রাখতে পারছে না। একবার নির্বাচনে জিতে যাওয়ার পর ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে কারও সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়েছে, এমন নজির খুঁজে পাওয়া যায়নি।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাপী, বিশেষত এশিয়ার অনেক দেশেই জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের এ সংকটের লক্ষণগুলো দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি আমদানি করে সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে উদ্যোগ নিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় স্পট মার্কেট থেকে বেশি দাম দিয়ে এলএনজি কিনছে সরকার।

এপ্রিলের জন্য প্রয়োজনীয় এলএনজির সব কার্গো সরবরাহের নিশ্চয়তার কথা জানিয়েছে পেট্রোবাংলা। এজন্য মোট নয় কার্গো এলএনজি কেনা হচ্ছে। বুধবার এসব কার্গো সরবরাহ পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে পেট্রোবাংলা।

যদিও এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন ক্রেডিট রেটিং সংস্থা এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল রেটিংসের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুসারে, জ্বালানির জন্য আমদানিনির্ভরতার কারণে বাংলাদেশ বড় ঝুঁকিতে রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলংকার মতো দেশগুলো সামষ্টিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের কিছু লক্ষণ দেখালেও আমদানীকৃত জ্বালানির ওপর অত্যধিক নির্ভরশীলতা এবং দুর্বল বৈদেশিক অবস্থানের কারণে ‘অধিক ঝুঁকিতে’ রয়েছে।

বণিক বার্তা

নিউ এইজের শিরোনাম ‘Govt tags officials to petrol pumps, BGB to depots’, অর্থাৎ ‘সরকার পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার, ডিপোতে বিজিবিকে নিয়োগ দিচ্ছে’।

খবরে বলা হচ্ছে, জ্বালানি তেলের মজুত ঠেকাতে একদিকে মোতায়েন করা হয়েছে বিজিবি, অন্যদিকে পেট্রলপাম্পগুলো তদারকির জন্য সরকার থেকে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি–সংকট দেখা দেওয়ায় জ্বালানি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ গতকাল শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

বিভিন্ন স্থানে তেল মজুতের ঘটনা ধরা পড়ার প্রেক্ষাপটে গতকাল শুক্রবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক অনলাইন সভায় ট্যাগ অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়।

সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করবে।

এই দুই মেট্রোপলিটন এলাকা বাদে জেলা ও বিভাগীয় শহরে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতিটি পেট্রলপাম্পের জন্য একজন সরকারি কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসার হিসেবে নিয়োগ করবেন।

এছাড়া, বিজিবির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে রাজধানীর বিজিবি সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে রংপুর, রাজশাহী, মৌলভীবাজার ও কুমিল্লায় তিনটি করে, সিলেট ও ​​কুড়িগ্রামে দুটি করে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সুনামগঞ্জ ও ঢাকায় একটি করে অস্থায়ী ঘাঁটি স্থাপন করা হবে।

নিউ এইজ

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Bangladesh $68b in 10yrs due to misinvoicing Says Global Financial Integrity report’ অর্থাৎ ‘ভুল চালানের কারণে ১০ বছরে বাংলাদেশের ৬৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি, গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি রিপোর্ট’

খবরে বলা হচ্ছে, ২০১৩ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এক দশকে বাংলাদেশ আনুমানিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছে। উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর সাথে বাণিজ্যে গরমিলের দিক থেকে শীর্ষ ১০টি উন্নয়নশীল এশীয় দেশের মধ্যে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ।

ওয়াশিংটনভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি (জিএফ) ২৭শে মার্চ প্রকাশিত ‘ট্রেড-রিলেটেড ইলিসিট ফিনান্সিয়াল ফ্লোজ ইন ডেভেলপিং এশিয়া ২০১৩-২০২২’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতার প্রতি চলমান চ্যালেঞ্জের বিষয়টি তুলে ধরেছে।

বছরে এই অর্থের পরিমাণ ৬ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার, যা বিশ্বের বাকি অংশের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যের ১৬ শতাং। এর প্রধান কারণ হলো বাণিজ্যে ভুল চালান তৈরি।

দক্ষিণ, পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ২৪টি উন্নয়নশীল দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে করা এই সমীক্ষা অনুসারে, মোট অর্থের মধ্যে প্রায় ৩২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোতে প্রবাহিত হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার