Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘বাংলাদেশের কেনা জ্বালানি চালানের তথ্য চেয়েছে তেহরান’

পত্রিকা: ‘বাংলাদেশের কেনা জ্বালানি চালানের তথ্য চেয়েছে তেহরান’

11
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Tehran seeks Bangladesh energy shipment details; অর্থাৎ বাংলাদেশের কেনা জ্বালানি চালানের তথ্য চেয়েছে তেহরান।

খবরে বলা হয়েছে, চলমান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বিঘ্নের মধ্যে বাংলাদেশগামী জ্বালানিবাহী জাহাজগুলো যাতে নিরাপদে হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে আসতে পারে, সে জন্য ইরানের কাছে কূটনৈতিক সহায়তা চেয়েছিল ঢাকা।

জবাবে ঢাকাকে চিঠি দিয়েছে তেহরান, যেখানে বাংলাদেশের ক্রয় করা জ্বালানির চালানের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।

চিঠি পাওয়ার একদিন পর বাংলাদেশের জ্বালানি বিভাগ বুধবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বাংলাদেশগামী ছয়টি জাহাজের একটি তালিকা ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে।

যেখানে প্রায় পাঁচ লাখ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি এবং প্রায় ৭৯ হাজার টন অপরিশোধিত তেল বহনকারী ছয়টি জাহাজের বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে।

ইরানকে দেয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে জ্বালানি লোডিংয়ের তারিখ, কার্গো ধারণক্ষমতা, উৎস ও লোডিং বন্দর, আইএমও শনাক্তকরণ নম্বর।

ছয়টি জাহাজের মধ্যে পাঁচটি এলএনজি চালান কাতার থেকে এবং অপরিশোধিত তেলের চালানটি সৌদি আরব থেকে আসবে।

জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসবে। ফলে এখানে যেকোনো বিঘ্ন বাংলাদেশের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়।

ইরান যুদ্ধকে ঘিরে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে এই সমুদ্রপথ এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

আইন মন্ত্রণালয় ওই সুপারিশ করেছে দাবি করে এর বিরোধিতা করেছে সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।

বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির বৈঠকে এই বিরোধিতা করেন জামায়াতের সদস্য।

সূত্রের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১১৩টির বিষয়ে সরকারি ও বিরোধী দল একমত হয়েছে।

তবে, গণভোট অধ্যাদেশসহ ২০টির বিষয়ে গতকালের মুলতবি বৈঠকেও একমত হতে পারেনি বিশেষ কমিটি।

এগুলোর মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অধ্যাদেশ সংশোধন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ সংশোধন এবং পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ সংশোধনের সুপারিশে আপত্তি জানিয়েছে বিরোধী দল।

ফলে এসব অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হলেও সিদ্ধান্ত হয়নি। বিশেষ কমিটিতে ঐকমত্য না হলে সেগুলো সংসদে তোলা হবে।

আজকের পত্রিকা

এ ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নারী-শিশুসহ ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আর আটজনকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

চালক, দুই সহকারীসহ নিখোঁজ ৩২ জন।

ঘাট সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়।

বাসটি যেখানে পড়েছে, সে স্থান অনেক গভীর।

এরপর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের কাছে থাকা উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে। উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর দলও অংশ নেয়।

ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ সাময়িক ব্যাহত হয়। উদ্ধারকারীদের ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় বাসটি দৃশ্যমান হয়।

সমকাল

প্রথম আলোর প্রধান খবর— স্বাধীনতার পর মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা বদলেছে পাঁচবার। খবরে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে পাঁচবার মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা বদলেছে।

সর্বশেষ গত বছরের জুন মাসে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনা হয়।

‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ ও ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ – অন্তর্বর্তী সরকারের করা এই সংজ্ঞাও বহাল থাকবে কি না, তা নিয়ে এখন আবার আলোচনা শুরু হয়েছে।

জামুকার সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী, দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৯৮ হাজার।

নতুন সংজ্ঞায় কে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’, আর কে ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’, সে জন্য পুরো তালিকা যাচাইবাছাই করতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় পরিবর্তন আনার পর অন্তর্বর্তী সরকার আরও ৯ মাস ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু নতুন সংজ্ঞা অনুযায়ী, শ্রেণিবিভাজন করার কাজটি তেমন এগোয়নি।

নতুন সংজ্ঞার আলোকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) গত ৯ মাসে ৪০ জনকে ‘মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’ করার সুপারিশ করেছে।

বিষয়টি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের তিনজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

তারা বলেছেন, নতুন সংজ্ঞা মেনে শ্রেণিবিভাজন করা অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ। তাছাড়া, এই সংজ্ঞা নিয়েও বিতর্ক আছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন সংজ্ঞা বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন তারা।

সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বললেন, সবকিছু ভালোভাবে জেনে তারপর এসব বিষয়ে কথা বলবেন।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের সাতই অগাস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়।

এরপর মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসে ২০১৮ সালে, এরপর ২০২৫ সালে। এছাড়া ১৯৮০ ও ২০২২ সালে সামান্য পরিবর্তন হয়।

প্রথম আলো

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর— Fuel queues eating into earning hours; অর্থাৎ জ্বালানি নিতে দীর্ঘ অপেক্ষায় উপার্জনের সময় কমে যাচ্ছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, গত চার বছর ধরে ঢাকায় রাইড শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন আব্দুল আলিম (৪৫)।

ঈদের ছুটিতে আরও বেশি আয়ের আশায় তিনি ঝিনাইদহে বাড়িতে না গিয়ে ঢাকায় থেকে যান। কিন্তু তেল সংকটের কারণে প্রত্যাশিত আয় হয়নি আব্দুল আলিমের।

গতকাল বুধবার রাজধানীর বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে সকাল ১১টা থেকে প্রায় ৫ ঘণ্টা অপেক্ষার পর তিনি তেল নিতে পারেন।

জ্বালানি সংগ্রহে আব্দুল আলিমের মতো অবস্থা অন্যান্য চালকদের-ও।

এদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীর অন্তত ১০টি পাম্প ঘুরে দেখেছে দৈনিকটির প্রতিবেদক, কোথাও কোথাও তেল নেই, তাই পাম্প বন্ধ।

কোথাও কোথাও নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল দেওয়া হচ্ছে। তবে, দুয়েকটি পাম্প চাহিদামতো তেল সরবরাহ করছিল।

ট্রাস্ট এনার্জির সহকারী পরিচালক মেজর (অব.) আবুল আলা মুহাম্মাদ তৌহিদ জানান, তাদের যে পরিমাণ তেল পাওয়ার কথা, বর্তমান পরিস্থিতির কারণে তারচেয়ে কম পাচ্ছে। তবে যে পরিমাণ পান, তাৎক্ষণিকভাবে তা গ্রাহকের মাঝে বিতরণ করে দেন।

এ সময় তিনি বলেছেন, ‘আজকেও সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত আমরা তেল দিতে পেরেছি। তারপর কিছু সময় বন্ধ রেখেছি। এখন দুপুর আড়াইটা থেকে আবার তেল দেওয়া শুরু করেছি।’

দ্য ডেইলি স্টার

এই খবরে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে পাম্পে কড়া নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার কারণও চিহ্নিত করা হয়েছে।

সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এদিন সচিবালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, পাম্প পর্যায়ে হয়তো কেউ কেউ তেল মজুদ করার চেষ্টা করছে, আমাদের সরকার সেগুলো একটু দেখার চিন্তা করছে।

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন তেলের দাম বাড়ছে না।

দাম যেহেতু বাড়ছে না, মজুদ করে রাখার প্রবণতা আসলে তাদের জন্য খুব বেশি সুবিধা হবে না।

মানবজমিন

এই খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কাছ থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এক্ষেত্রে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম ধরা হয়েছে ১৯ দশমিক ৭৭ ডলার।

গত বছরের ডিসেম্বরে একই কোম্পানির কাছ থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ ১০ দশমিক ৩৭ ডলার হিসেবে এক কার্গো এলএনজি কিনেছিল বাংলাদেশ।

প্রতি এমএমবিটিইউতে এই খরচ পড়ায় একটি কার্গোতে ৮৩৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার ৫১২ টাকা করে দুই কার্গো এলএনজি কিনতে মোট ব্যয় হবে ১ হাজার ৬৬৬ কোটি ৭৯ লাখ ১৩ হাজার ২৪ টাকা।

চলতি বছরের ২৪-২৫ এপ্রিল এবং ২৭-২৮ এপ্রিল সময়ের জন্য এ দুই কার্গো এলএনজি কেনা হচ্ছে।

মূলত, মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট যুদ্ধের প্রভাবে অঞ্চলটি থেকে জ্বালানি সরবরাহ প্রায় বন্ধ রয়েছে। এর প্রভাবে বিশ্ববাজারে সব ধরনের জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে। এ কারণে গত বছরের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ দাম দিয়ে এবার এলএনজি কিনতে হচ্ছে।

বণিক বার্তা

মজুদ বাড়াতে বিভিন্ন উৎস থেকে আরো জ্বালানি তেল কেনা হচ্ছে।

গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জ্বালানি তেল নিয়ে বিশেষ সভা ও মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি।

এ সময় মন্ত্রিপরিষদসচিব উল্লেখ করেন, ‘আমাদের এর আগে সাধারণত ১৫ দিনের মজুদ থাকত।

এখন পর্যন্ত আমাদের এক মাসের মজুদ রয়েছে।

এখন অনেকটা প্যানিক বায়িং হচ্ছে। মানুষের মধ্যে আস্থা ফেরত এলে এটা হয়তো কয়েক দিন পরেই কেটে যাবে।’

কালের কণ্ঠ

এতে বলা হয়েছে, ২০২৭ সাল থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এগিয়ে এনে এপ্রিলের পরিবর্তে ডিসেম্বর মাসে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকার।

একই সাথে পরীক্ষার বিষয় ও সময় কমানোর উদ্যোগ এবং দেশের সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্তও চূড়ান্ত হতে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে আগামী সপ্তাহেই আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানা গেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষাবর্ষের সময় বাড়ানো এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম আরো আগে শুরু করার লক্ষ্যেই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এগিয়ে আনার এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

নয়া দিগন্ত

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতিতে যেতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যে আলোচনার কথা বলা হচ্ছে, কী নিয়ে কথা হতে পারে, সে বিষয়ে দেশ দুইটি একটি তালিকা দিয়েছে।

এর মধ্যে যুদ্ধবিরতির জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৫ দফা দাবি তুলেছেন।

অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতিতে নারাজ স্পষ্টভাবে এ কথা জানিয়ে ইরান স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের জন্য পাঁচ দফা দাবি দিয়েছে।

ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ‘শান্তির জন্য’ ইরানকে যে ‘পরিকল্পনা’ দেওয়া হয়েছে, তাতে আলোচনার জন্য এক মাসের একটি যুদ্ধবিরতির কথা বলা হয়েছে।

এ আলোচনার মূল ভিত্তি হবে ইরানের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারবে না।

হরমুজ প্রণালি একটি মুক্ত সামুদ্রিক অঞ্চল হিসেবে গণ্য হবে।

ট্রাম্পের নতুন প্রস্তাবটি কার্যকর হলে ইরান বর্তমান শাসনব্যবস্থা বহাল রাখতে পারবে।

একই সঙ্গে দেশটির ওপর বছরের পর বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের জারি থাকা সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে।

অন্যদিকে, ইরানের ৫ দফার মধ্যে আছে দেশটির ইরানের বিরুদ্ধে আর কখনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে অটল-নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে হবে।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করে দিতে হবে।

যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে পূর্ণ আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

দেশ রূপান্তর