Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘নবীন এমপিদের কারণে সংসদ কার্যক্রম ব্যাহত’

পত্রিকা: ‘নবীন এমপিদের কারণে সংসদ কার্যক্রম ব্যাহত’

13
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

টাইমস অফ বাংলাদেশ পত্রিকার খবর- Rookie MPs disrupt house business অর্থাৎ নবীন এমপিদের কারণে সংসদ কার্যক্রম ব্যাহত

নবগঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নতুন সদস্যদের অনভিজ্ঞতা ও নিয়মভঙ্গের কারণে সংসদীয় কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বারবার প্রক্রিয়াগত ভুল, সময় না মেনে কথা বলা এবং নিয়ম না জানার কারণে স্পিকারকে হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে।

সংসদের প্রথম অধিবেশন চলাকালে দেখা গেছে, কিছু সদস্য অনুমতি ছাড়াই বক্তব্য দিতে চাইছেন, নির্ধারিত আলোচ্যসূচি থেকে সরে যাচ্ছেন এবং সময়সীমা অতিক্রম করছেন। এসব ঘটনায় সংসদ পরিচালনায় শৃঙ্খলা ও দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংসদের ৩০০ সদস্যের মধ্যে ২১৯ জনই প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন, যা সংসদের ইতিহাসে সবচেয়ে অনভিজ্ঞ সংসদগুলোর একটি। এই নবীনতার কারণে আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় ধীরগতি ও বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

যদিও শুরুতে কিছু প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল, তবুও সংসদীয় নিয়ম-কানুন বোঝা ও অনুসরণে অনেক সদস্য এখনও সমস্যায় রয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, নিয়মিত ও কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণের অভাব এই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

টাইমস অব বাংলাদেশ
সমকাল

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র দুই মাসে ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে সরকার গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। নির্বাচনে অর্জিত বিজয়কে তিনি গণতন্ত্রের পুনরুত্থান হিসেবে উল্লেখ করেন।

মাহদী আমিন জানান, সরকার ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে হাজারো পরিবারকে মাসিক আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু করা হয়েছে এবং অনেক ক্ষুদ্র কৃষকের ঋণ মওকুফ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্বল্প সময়ে সংসদে বহু অধ্যাদেশ নিষ্পত্তি করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যাদেশ যাচাই করে বিল আকারে উত্থাপনের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি সরকারের কার্যক্রম স্বচ্ছভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

প্রথম আলো

এই খবরে বলা হচ্ছে- রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সংঘবদ্ধ অপরাধ ও পাল্টাপাল্টি হত্যার ঘটনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে ‘অ্যালেক্স ইমন’ নামে পরিচিত ইমন হোসেন হত্যাকাণ্ডের পর। ১২ই এপ্রিল প্রকাশ্যে ধাওয়া করে কুপিয়ে হত্যার এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ জানায়, ইমনের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও মাদকসহ ১৮টি মামলা ছিল, তবে কোনো মামলারই বিচার শেষ হয়নি।

এই ঘটনার সঙ্গে অনেকেই মিল খুঁজছেন ব্রাজিলের আলোচিত সিনেমা সিটি অফ গড-এর শেষ দৃশ্যের। সেখানে যেমন অপরাধী চক্রের সদস্যরা আইনের বাইরে থেকে সহিংসতার শিকার হয়, তেমনি মোহাম্মদপুরেও অপরাধীরা একে অন্যের হাতে নিহত হচ্ছে, বিচারহীনতার চক্র চলছেই।

ঢাকা মহানগর পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদপুরে বর্তমানে প্রায় ৫০টি অপরাধী দল সক্রিয়, যার মধ্যে ১৭টি বড় দল। এসব দলের সদস্যরা মাদক ব্যবসা, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত। গত প্রায় ২০ মাসে এসব সংঘর্ষে অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ ইমনের পর আরও এক ব্যক্তি হত্যার শিকার হন মাদক ব্যবসার বিরোধে।

স্থানীয়দের মতে, চার দশকের বেশি সময় ধরে এলাকায় অপরাধের এই ধারা চলছে। সময়ের সঙ্গে অপরাধের ধরন বদলেছে, নতুন নতুন গ্রুপ তৈরি হয়েছে, কিন্তু পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরো-এর ‘সিটি অব গড’ বস্তির মতোই মোহাম্মদপুরেও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘদিনের ব্যর্থতা পরিস্থিতিকে জটিল করেছে। পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প হিসেবে শুরু হলেও ইতিহাস, সামাজিক বৈষম্য ও দুর্বল আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার কারণে এলাকা ধীরে ধীরে অপরাধপ্রবণ হয়ে ওঠে।

সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, মোহাম্মদপুর কি সত্যিই ঢাকার ‘সিটি অব গড’ হয়ে উঠছে, নাকি কার্যকর আইন প্রয়োগ ও সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে এখনো পরিস্থিতি বদলানো সম্ভব।

কালের কণ্ঠ

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত আড়াই থেকে তিন মাসে হামে ও হামের উপসর্গে দুই শতাধিক শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রতিদিনই নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর খবর আসছে, যা পরিস্থিতিকে প্রায় মহামারির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, নিয়মিত টিকা না পাওয়ায় অন্তত ৩০ লাখ শিশু গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে। টিকা ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনা ও নীতিগত ভুল সিদ্ধান্তকে এর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। এ নিয়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার, বর্তমান সরকার এবং আগের সরকারের মধ্যে দায় চাপানোর প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে আদালতে রিট, লিগ্যাল নোটিশ এবং দুদকে অভিযোগ দেওয়া হলেও এখনো পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো তদন্ত বা কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

জনস্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে দায় নির্ধারণ ও করণীয় ঠিক করতে তদন্ত কমিশন গঠনের সুযোগ থাকলেও এখন পর্যন্ত সে উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এত বড় সংকটের পরও কেন দায় নিরূপণের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে না।

দ্য ডেইলি স্টার

সরকার রাত থেকে জ্বালানি তেলের নতুন দাম কার্যকর করেছে, যেখানে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম রেকর্ড পর্যায়ে বাড়ানো হয়েছে।

নতুন দরে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বেড়ে ১১৫ টাকা হয়েছে। অকটেন ২০ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা বেড়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৮ টাকা বেড়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই দাম কার্যকর করা হয়।

জ্বালানি বিভাগ জানায়, ২০২৪ সালে স্বয়ংক্রিয় মূল্য সমন্বয় ব্যবস্থা চালুর পর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিলিয়ে দাম নির্ধারণ করা হচ্ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববাজারে দাম কমলেও দেশীয় বাজারে এ মূল্যবৃদ্ধি করা হলো।

জ্বালানি বিভাগের একজন মুখপাত্র জানান, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং সরবরাহ অনিশ্চয়তার কারণে দাম স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হয়নি। তার মতে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে অনিশ্চয়তা আমদানিতেও প্রভাব ফেলেছে।

এর আগে ইরান হঠাৎ করে হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা করে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে নতুন চাপ তৈরি করেছে বলে জানানো হয়।

যুগান্তর

দেশে জ্বালানি তেলের সংকটে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। পেট্রোলপাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও অনেকেই তেল পাচ্ছেন না। প্রতিদিনই রেশনিং করা তেল নিতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

এদিকে জানা গেছে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন দেশীয় প্রতিষ্ঠান থেকে হঠাৎ করে পেট্রোল ও অকটেন নেওয়া বন্ধ করেছে। প্রায় ১০ দিন আগে এ বিষয়ে চিঠি দেওয়ায় স্থানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিপাকে পড়েছে।

সরকারি সূত্র বলছে, ডিপোগুলোতে অকটেন মজুতের জায়গা সংকট তৈরি হয়েছে, এমনকি উপচে পড়ার মতো অবস্থাও হয়েছে। এই কারণেই বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে জ্বালানি নেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একদিকে তেলের জন্য মানুষের দীর্ঘ ভোগান্তি, অন্যদিকে মজুত থাকার পরও সরবরাহ না বাড়ানো প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। তারা মনে করছেন, জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় এমন সিদ্ধান্তের সঠিক ব্যাখ্যা না দিলে জনমনে অসন্তোষ আরও বাড়তে পারে।

নয়া দিগন্ত

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থার আশঙ্কায় বাংলাদেশ সরকার বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ জোরদার করেছে। নীতিনির্ধারকরা বলছেন, তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবেলার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে বহুমুখী পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমান মজুদ দিয়ে এপ্রিল ও মে মাস পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করে সরবরাহ চেইন সচল রাখা হচ্ছে।

তবে পাম্পে দীর্ঘ লাইনের বিষয়ে তারা বলছেন, আতঙ্কে মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনছে এবং কোথাও কোথাও মজুদের প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার নজরদারি বাড়িয়েছে এবং অপ্রয়োজনীয় মজুদ না করতে জনগণকে আহ্বান জানিয়েছে।

আজকের পত্রিকা

ভিআইপিদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত দেহরক্ষী পুলিশ সদস্যদের নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের অনেকেই আগের আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক সুপারিশে নিয়োগ পেয়েছিলেন এবং সেই সময়ের মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অভিযোগের পর অন্তত ১২ জন দেহরক্ষীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং আরও প্রায় ৩০ জনের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, নতুন সরকারের শুরুতে আগের সরকারের দেহরক্ষীদের না রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত থাকলেও পরে তদবির ও সুপারিশের কারণে তা মানা হয়নি।

এ বিষয়ে পুলিশের বিশেষ শাখা জানায়, অভিযোগ পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাঁদেরও পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন করা হবে।

বণিক বার্তা

বাংলাদেশে এক দশকের বেশি সময় ধরে মোট স্থায়ী মূলধন গঠন জিডিপির ৩০ থেকে ৩২ শতাংশের মধ্যে থাকলেও এর বড় অংশ অর্থনীতিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না বলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এই বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩৮ বিলিয়ন ডলার। এই বিনিয়োগের মধ্যে অবকাঠামো, ভবন, শিল্পকারখানা ও যন্ত্রপাতি অন্তর্ভুক্ত, যা সাধারণত উৎপাদন বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান তৈরিতে সহায়ক হওয়ার কথা।

তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। অনেক মেগা প্রকল্প অলস পড়ে আছে বা প্রত্যাশিত আয় দিতে পারছে না। আবার বেসরকারি খাতের অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠান তাদের সক্ষমতার অর্ধেকও ব্যবহার করতে পারছে না, কিছু প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে এসব বিনিয়োগ দেশের জন্য সম্পদ না হয়ে অনেক ক্ষেত্রে বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত ব্যয়, নিম্নমানের অবকাঠামো, দুর্নীতি ও অদক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব ব্যাংক খাতেও পড়ছে, বাড়ছে খেলাপি ঋণ। ফলে উচ্চ বিনিয়োগের হার থাকা সত্ত্বেও তা প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারছে না।

নিউ এইজ

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী আবারও বন্ধ করে দেওয়ার পর শনিবার বাণিজ্যিক জাহাজগুলো ইরানি সামরিক বাহিনীর হামলা ও হুমকির মুখে পড়ে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা পর্যবেক্ষকরা।

তারা জানায়, স্বল্প সময়ের জন্য খুলে দেওয়া হলেও পরে ইরান আবার এই গুরুত্বপূর্ণ রুট বন্ধ করে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা অবরোধের প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও পণ্য পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ।

ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ নিয়ে অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা না করার হুঁশিয়ারি দেন।

ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা জানায়, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে গুলি চালিয়েছে, তবে জাহাজ ও ক্রু নিরাপদ আছে। অন্যদিকে একটি নিরাপত্তা সংস্থা জানিয়েছে, একটি খালি ক্রুজ জাহাজকে ধ্বংসের হুমকি দেওয়া হয়।

ডেটা অনুযায়ী, সাময়িকভাবে রুট খুললেও মাত্র কয়েকটি জাহাজ পার হতে পেরেছে, পরে অধিকাংশই ফিরে যায় এবং দিন শেষে প্রায় কোনো জাহাজ চলাচল করেনি।

একটি ভারতীয় পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানানো হয়েছে, যেখানে ইরানি নৌকাগুলো যোগাযোগ ছাড়াই কাছে এসে গুলি চালায়। অন্যদিকে মাল্টা পতাকাবাহী একটি ক্রুজ জাহাজ কাছাকাছি বিস্ফোরণের মতো শব্দ বা স্প্ল্যাশ অনুভব করার কথা জানায়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।