Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘দেশের আবহাওয়ায় চরম ভাব বাড়বে’

পত্রিকা: ‘দেশের আবহাওয়ায় চরম ভাব বাড়বে’

14
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।

Published এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

এ বছরের মাঝামাঝি থেকে এল নিনো সক্রিয় হলে দেশের আবহাওয়ায় চরম ভাব দেখা দিতে পারে; গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধির শঙ্কা; দেশের হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন প্রায় চার হাজার হামে আক্রান্ত শিশু ভর্তি থাকতে দেখা যাচ্ছে এবং অনুকূল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিশ্চিত করে স্থানীয় নির্বাচন দেওয়ার খবর শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায় গুরুত্ব পেয়েছে।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আবহাওয়া ও জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের মাঝামাঝি থেকে এল নিনো সক্রিয় হতে পারে। এতে দেশের আবহাওয়ায় চরম ভাব দেখা দিতে পারে।

বিভিন্ন আবহাওয়া মডেল ইঙ্গিত দিচ্ছে, এটি শক্তিশালী বা ‘সুপার এল নিনো’তে রূপ নিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এল নিনো সক্রিয় হলে বাংলাদেশে বর্ষাকাল বিলম্বিত হতে পারে। বর্ষায় বৃষ্টিপাত কমতে পারে। ঘন ঘন তাপপ্রবাহ দেখা দিতে পারে। তাই এটি অর্থনীতি, কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

বাংলাদেশে এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগের বড় কারণ ২০২৪ সালের অভিজ্ঞতা। ওই বছর দেশের ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘ তাপপ্রবাহ দেখা যায়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, টানা ৩৬ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৩৬ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। তীব্র গরমে স্কুল বন্ধ রাখতে হয়েছিল। বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে গিয়েছিল। হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা হাসপাতালে বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবার যদি শক্তিশালী এল নিনো তৈরি হয়, তাহলে আরও দীর্ঘ তাপপ্রবাহ দেখা দিতে পারে।

সমকাল

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান খবর— Consumers stare at higher power bills; অর্থাৎ গ্রাহকের ওপর উচ্চ বিদ্যুৎ বিলের চাপ

এতে বলা হয়েছে, ইউনিটপ্রতি দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি আবাসিক গ্রাহকদের জন্য দীর্ঘদিন ধরে চালু থাকা ধাপভিত্তিক (স্ল্যাব) সুবিধার কাঠামোও পরিবর্তন করতে চাইছে সরকার। যার ফলে বিদ্যুতের গ্রাহকদের উচ্চ বিলের সম্মুখীন হতে হবে।

আর এই পদক্ষেপে মধ্যম আয়ের গ্রাহকদের খরচ ব্যাপকভাবে বেড়ে যেতে পারে।

ক্রমবর্ধমান জ্বালানি আমদানি খরচ, অলস পড়ে থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জ এবং ডিস্ট্রিবিউটরদের ক্রমবর্ধমান পরিচালন লোকসানের কারণ দেখিয়ে পাইকারি মূল্য ১৭-২১ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)।

এর মধ্যে ট্রান্সমিশন অপারেটরসহ ছয়টি ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি গ্রাহক পর্যায়ে বিভিন্ন স্ল্যাবে বিদ্যুতের দাম ১৫-২৯ শতাংশ বৃদ্ধির আবেদন জানিয়ে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিইআরসি) প্রস্তাব জমা দিয়েছে।

প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে দেশের চার কোটি ৯৫ লাখ গ্রাহকের বেশিরভাগের মধ্যেই এর প্রভাব পড়বে। যারা ইতোমধ্যে জ্বালানি তেল, এলপিজি এবং অন্যান্য পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে চাপে রয়েছেন।

যদিও স্ল্যাব কাঠামোতে এ ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব করার ক্ষমতা ডিস্ট্রিবিউটরদের নেই। আর পিডিবি বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব করতে পারে, কিন্তু ঘাটতি কীভাবে আদায় করা হবে, তা নির্ধারণ করে দিতে পারে না।

দ্য ডেইলি স্টার

এই খবরে বলা হয়েছে, সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে না আসায় সারাদেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে হামের রোগী আসছে, ভর্তিও হচ্ছে। প্রতিদিন প্রায় চার হাজার হামে আক্রান্ত শিশু ভর্তি থাকতে দেখা যাচ্ছে।

অনেক হাসপাতালে হামের মতো সংক্রামক রোগের জন্য নির্ধারিত শয্যার চেয়ে রোগী বেশি। এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য অনেক হাসপাতালের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির ঘাটতি রয়েছে।

কোন হাসপাতালে কত রোগী আছে, কত শয্যা খালি, আইসিইউ খালি আছে কি না—এসব তথ্য সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র প্রকাশ করে না। অথচ কোভিড ১৯ মহামারির সময় এসব তথ্য দেওয়া হতো, যা রোগী ব্যবস্থাপনার জন্য দরকার।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশেষ উদ্যোগ নিলেই হাসপাতালে রোগীর চাপ কমানো সম্ভব। সরকার টিকা দেওয়া ছাড়া হামের রোগী কমাতে আর কোনো বিশেষ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এর জন্য সাধারণ মানুষের কাছে সঠিক বার্তা পৌঁছে দিতে হবে, স্পষ্ট করে করণীয় সম্পর্কে বলতে হবে।

তারা মনে করছেন, হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় যে মাত্রায় প্রচার চালানো দরকার, তা হচ্ছে না। পাশাপাশি প্রতিটি হাসপাতালেরও কিছু করণীয় আছে।

প্রথম আলো

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দেশের বিদ্যুৎ সঞ্চালনে নিয়োজিত রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ তিন অর্থবছর ধরে ধারাবাহিক লোকসানের মুখে রয়েছে।

এ সময় কোম্পানিটি দেড় হাজার কোটি টাকারও বেশি লোকসান করেছে।

একই সঙ্গে সঞ্চালন খাতের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে ঋণের দায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা।

ক্রমবর্ধমান এ ঋণের চাপ এবং ধারাবাহিক লোকসানের ফলে আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে প্রতিষ্ঠানটি।

বর্তমানে ৭৪ হাজার কোটি টাকার ডজন খানেকের বেশি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে পাওয়ার গ্রিড। বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার ঋণ পরিশোধে অক্ষমতার কথা জানিয়েছে পাওয়ার গ্রিড।

এছাড়া, পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি, সঞ্চালন ব্যবস্থাপনায় ব্যয়ভার এবং সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার চাপ কোম্পানির কার্যক্রমকে আরো সংকটের মুখে ফেলছে বলে সম্প্রতি সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বণিক বার্তা

এই খবরে বলা হচ্ছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে এবং ঝরে পড়া রোধে সরকারের একটি ভালো উদ্যোগ ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি।

কিন্তু বিভিন্ন জেলায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আধা পাকা ও কাঁচা কলা, পচা ডিম, বাসি পাউরুটিসহ নিম্নমানের খাবার বিতরণের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে প্রায়ই।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কিছু অসাধু ঠিকাদারের (খাবার সরবরাহকারী) কারণে ভালো এই উদ্যোগ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ছে।

এর বাইরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষা প্রশাসনেরও গাফিলতি রয়েছে।

এক্ষেত্রে অসাধু ঠিকাদারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি তদারকি আরও বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী।

আজকের পত্রিকা

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরে বা খুব শিগগিরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেওয়া হবে বলে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিরা ঘোষণা দিলেও নিজেদের গুছিয়ে এবং মাঠের উপযুক্ত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে অগ্রাধিকার দিয়েই এগোচ্ছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি।

এবার দলীয় প্রতীক না থাকায় ভোটারের কাছে প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেজ সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে। আর এই সুযোগ অনেকেই নিতে চাইবে।

এজন্য নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে দল গোছানোর পাশাপাশি কোন্দল মেটানো, নিতপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন, আইনশৃঙ্খলা, রাজনৈতিক পরিস্থিতি, এসব বিবেচনায় নিতে হচ্ছে তাদের।

দলটির হাইকমান্ড চায় না, কোনোভাবেই জাতীয় নির্বাচনের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ক্ষুণ্ন হোক।

তাই মাঠের উপযুক্ত প্রেক্ষাপট তৈরির পরই নির্বাচন কমিশনকে তফসিল ঘোষণার সবুজসঙ্কেত দেওয়া হবে বলে একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন।

নয়া দিগন্ত

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ।

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলা হয়েছে, সাশ্রয়ী মূল্য ও টেকসই সরবরাহব্যবস্থা নিশ্চিতের মাধ্যমে জ্বালানি পাওয়ার উৎস বৈচিত্র্যপূর্ণ করার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানিনিরাপত্তা জোরদারের যে প্রচেষ্টা বাংলাদেশের রয়েছে, তাতে ভূমিকা রাখবে এই সমঝোতা স্মারক। পাশাপাশি এটা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বৃহত্তর জ্বালানি সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচন করবে।

এর আওতায় দুই দেশের মধ্যে তেল, গ্যাস, ভূতাপীয় ও জৈবশক্তি বিষয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্ঞান ও দক্ষতাবিনিময় এবং গবেষণা সহজ হবে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য বাংলাদেশের আমদানির ক্ষেত্রে এটা সহায়ক হবে।

এই সমঝোতা স্মারক এমন এক সময়ে স্বাক্ষরিত হলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশ তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুতর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

এতে বলা হয়েছে, হাওর এলাকা হিসেবে পরিচিত সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় ইজারা নিয়ে ১৫০ শতাংশ জমিতে বোরো ধান চাষ করেছিলেন পঞ্চাশ বছর বয়সী কৃষক সুধীন চন্দ্র দাস। তিনি এপ্রিলের শেষের দিকে ফসল কাটার আশা করেছিলেন।

তবে ফসল ঘরে তোলার আগেই ২৭শে এপ্রিল ও ২রা মে দুই দফা অতিরিক্ত বৃষ্টিতে তার ধানক্ষেতের তিন-চতুর্থাংশ নষ্ট হয়ে যায়।

এই ফসল চাষ করার জন্য সুধীন কৃষি ব্যাংক থেকে ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্যোগ তাকে ঋণ পরিশোধের অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

এবার বোরো ধান কাটার আগে হাওরাঞ্চলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে এবং সুধীনের মতো কৃষকরা আরও বেশি ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েছেন।

যার ফলে আগামী দিনে চাল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

কৃষকের ঋণ সমস্যা নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি কৃষি সচিব রফিকুল আই মোহাম্মদ।

তবে তিনি বলেছেন, সরকার একটি তিন স্তরের পরিকল্পনা করছে, যার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পর্যায়ক্রমে শস্য বীমা প্রকল্পের আওতায় আনার বিষয়টি রয়েছে।

তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে কৃষকদের ত্রাণ সহায়তা দেওয়ার কথা বলেছেন কৃষি সচিব। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা আসন্ন ঈদুল আজহার আগেই নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা পাবেন।

নিউ এইজ

এই খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কুকুরের কামড়ে গাইবান্ধায় পাঁচজনের মৃত্যুর খবর আলোচনায় আসে। কুকুর কামড়ালে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকা নিতে যান। কিন্তু টিকা না পেয়ে বাইরে থেকে টিকা কিনে দেন। তবে সেই টিকায় কাজ হয়নি।

যদিও গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. দিবাকর বসাক দাবি করেছেন, আক্রান্তরা টিকা নিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাননি।

এদিকে, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়েই চলেছে। প্রতিদিন কেউ না কেউ তাদের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রাণও যাচ্ছে কারও কারও।

রাজধানীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১,২০০ থেকে ১,৪০০ মানুষ কুকুর-বিড়ালে আক্রান্ত হয়ে টিকা নিতে ভিড় করছেন।

তবে ২০২২ সাল থেকেই বন্ধ রয়েছে বেওয়ারিশ কুকুরের টিকা কার্যক্রম। থমকে আছে কুকুরের জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমও।

বর্তমানে দেশে কী পরিমাণ বেওয়ারিশ কুকুর রয়েছে তারও নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই।

এছাড়া, দেশে কুকুর-বিড়াল পালনের হারও বেড়েছে। তবে নেই কোনো নীতিমালা।

নতুন করে আতঙ্ক বাড়িয়েছে জলাতঙ্কে রোগে আক্রান্তের হার ও মৃত্যু বৃদ্ধি।

দেশ রূপান্তর