Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি বাড়ার শঙ্কা’

পত্রিকা: ‘জ্বালানি সংকটে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি বাড়ার শঙ্কা’

14
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।

২ ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

জ্বালানি সংকটে দুর্ভোগ বাড়তে পারে ঈদযাত্রায়; জ্বালানি সংগ্রহে বাংলাদেশের সামনে দুই সম্ভাবনা; অর্থপাচারকারীদের বিরুদ্ধে দেশে ছাড়াও বিদেশে মামলা হবে এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির খবর গুরুত্ব পেয়েছে শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায়।

এই খবরে বলা হয়েছে, ফিলিং স্টেশনে (তেলের পাম্প) যানবাহনের দীর্ঘ সারির কারণে জ্বালানি না পেয়ে বাস বন্ধ থাকার ঘটনা ঘটছে।

জ্বালানি সংকট না কাটলে ঈদযাত্রায় নিশ্চিত ভোগান্তি হবে বলে মনে করেন নীলাচলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফতাবউদ্দিন মাসুদ।

যেমন, ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আসা-যাওয়ায় ৩৫০ লিটার ডিজেল লাগে। পথে তেল কেনায় যাতে সময় নষ্ট না হয়, সেজন্য আগে বাসের ট্যাঙ্ক পূর্ণ করে ৪০০ লিটার ডিজেল একসঙ্গে ভরা হতো।

কিন্তু সংকট শুরুর পর একসঙ্গে ১০০ লিটারের বেশি ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। এই তেলে কক্সবাজার যাওয়া যায় না। পথে আবার তেল নিতে হয়।

এর মধ্যে পাম্পে ব্যক্তিগত যানবাহনের দীর্ঘ সারির কারণে তেল নিতে বাড়তি দুই-তিন ঘণ্টা সময় লাগছে।

এ কারণে শুধু যাত্রীদের ভোগান্তি নয়, বাসের শিডিউলও এলোমেলো হচ্ছে।

তার মধ্যে ঈদে গাড়ির চাপ বাড়বে। তখন যানজটও বাড়বে। এর সঙ্গে তেলের জন্য লাইন ধরার সময় যুক্ত হলে, ঈদযাত্রায় ব্যাপক দুর্ভোগ হবে।

বাস মালিকদের ভাষ্য, সরকারের রেশনিং পদ্ধতি চালুর কারণে ভোগান্তি বেড়েছে। চাহিদা অনুযায়ী তেল না পেলে ঈদে অচলাবস্থা তৈরি হবে।

যদিও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম মালিকদের আশ্বস্ত করেছেন, আগামীকাল রোববার থেকে তেলের জোগান বাড়বে। সংকট থাকবে না।

সমকাল

এই খবরে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় মজুত থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের ওপর জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে।

সৃষ্ট এ পরিস্থিতিতে সংকট থেকে রেহাই পেতে বাংলাদেশের জন্য দুটি নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

ঢাকায় গতকাল শুক্রবার ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমী জাহানাবাদী জানিয়েছেন, বাংলাদেশি তেলবাহী জাহাজ নিরাপদে হরমুজ পার হতে দিতে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধ তিনি তেহরানে পৌঁছে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে তার দেশের কর্মকর্তারা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন।

অন্যদিকে, রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্যও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ ছাড়ের অপেক্ষা করছে ঢাকা।

এর মধ্যে রাশিয়া বাংলাদেশকে জ্বালানি সরবরাহে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এই অনুমতি পাওয়া গেলে বাংলাদেশের জন্য জ্বালানি সংগ্রহের একটি নতুন উৎস তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

তবে অর্থনীতিবিদ ড. মইনুল ইসলাম মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র খুব সহজে ছাড় দিতে রাজি হবে না।

এছাড়া, আরেকটি বিকল্প ভাবনার বিষয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কর্মকর্তারা বলছেন, প্রয়োজনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরসহ হরমুজ প্রণালির একটু বাইরে ওমান উপসাগরের দিকে অবস্থিত জ্বালানি টার্মিনালগুলো ব্যবহার করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে।

পাশাপাশি, তেলবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে।

আজকের পত্রিকা

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশ থেকে পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধারে ফৌজদারি ও দেওয়ানি কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ফৌজদারি ও দেওয়ানি আইনের আওতায় এই কার্যক্রম চলবে।

পাচার করা সম্পদের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, সেই তথ্যের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় সংস্থাগুলোর মাধ্যমে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

এর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাইয়ের পাশাপাশি দালিলিক প্রমাণ সংগ্রহ করা হবে।

এসব তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেলেই ফৌজদারি ও দেওয়ানি কার্যক্রমের শেষ ধাপে দেশে ও বিদেশে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

ইতোমধ্যে দেশের ভেতরে বহুবিদ তদন্তের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মামলা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এখনও কোনো মামলা হয়নি।

তবে বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত পরিচালনা ও তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে পাচার করা সম্পদ জব্দের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

যুগান্তর

নির্বাচনী রাজনীতিতে ফেরার পথ খুঁজছে আওয়ামী লীগ— প্রথম আলোর প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ার পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাইরে থাকা আওয়ামী লীগ এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কীভাবে নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করা যায়, সেই কৌশল খুঁজছে।

এর মাধ্যমে ধীরে ধীরে নির্বাচনী রাজনীতিতে ফিরে আসা তাদের লক্ষ্য।

দলটির দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, স্থানীয় নির্বাচনের পাশাপাশি তাদের আরেকটি লক্ষ্য পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচন।

বিশেষ করে আইনজীবী সমিতিগুলোর নির্বাচনে কিছুটা জায়গা তৈরি করতে চায় তারা।

দলটির একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ভার্চুয়ালি নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। এর মধ্যে অন্তত দুটি কর্মসূচিতে আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীদের দেশে ফেরার তাগিদ দিয়েছেন।

পাশাপাশি স্থানীয় নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের নেতারা মনে করছেন, পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফিরে আসতে হলে স্থানীয় নির্বাচনে আগে যুক্ত হতে হবে।

সে লক্ষ্যেই কারাগারে থাকা নেতাকর্মীদের জামিনের বিষয়টিতে জোর দেওয়া হবে।

একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য সরকার ও আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্রথম আলো

এই খবরে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের কারণে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল সরবরাহ, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তি অবকাঠামোর ওপর চাপ বাড়ছে।

বিশেষ করে হিলিয়াম ও ব্রোমিনের মতো উপাদান সরবরাহে বিঘ্ন, তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং মধ্যপ্রাচ্যে ডেটা সেন্টার ও ক্লাউড অবকাঠামোর ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ব প্রযুক্তি শিল্পে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তা সেমিকন্ডাক্টর ও চিপ উৎপাদন এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।

আর তাতে স্মার্টফোন থেকে ল্যাপটপ, ইলেকট্রনিক পণ্য থেকে গাড়ি, সার্ভার থেকে ব্যাংকিং— প্রযুক্তিনির্ভর বহু খাতেই ব্যয় বাড়বে এবং ব্যাহত হবে সেবা।

একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ই-কমার্স, অনলাইন লেনদেন, শিল্প উৎপাদন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা চাপে পড়ে বিশ্ব অর্থনীতির গতি শ্লথ করে দিতে পারে; যার শেষ ধাক্কা গিয়ে লাগবে সাধারণ ভোক্তার জীবনযাত্রার ব্যয়ে।

চিপ উৎপাদনের কাঁচামাল এক অঞ্চল থেকে আসে, জ্বালানি অন্য অঞ্চল থেকে, উৎপাদন হয় আরেক দেশে আর ব্যবহার হয় পুরো পৃথিবীতে। ফলে একটি আঞ্চলিক যুদ্ধও খুব দ্রুত বৈশ্বিক প্রযুক্তি অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দিতে পারে। ইরান যুদ্ধ সে বাস্তবতারই একটি নতুন উদাহরণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বণিক বার্তা

এই খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কায় বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয় বাড়ার ফলে দেশের মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন করে চাপ তৈরি হচ্ছে।

একই সঙ্গে বিনিয়োগ কমে যাওয়া, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির গতি কমে যাওয়ার ঝুঁকিও দেখা দিয়েছে।

এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে সামষ্টিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) প্রকাশিত ‘ইকোনমিক আপডেট অ্যান্ড আউটলুক, ফেব্রুয়ারি ২০২৬’ প্রতিবেদনে অর্থনীতির কিছু সূচকে সামান্য স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত মিললেও রাজস্ব আয়, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন ব্যয়ের দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংঘাতের প্রভাব যুক্ত হলে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কালের কণ্ঠ

এতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ ও ফল চ্যালেঞ্জ করে ৩৫টি সংসদীয় আসনের পরাজিত প্রার্থী গত দুই সপ্তাহে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন।

এসব আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করে ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

এছাড়া, বিজয়ী প্রার্থীদের প্রতি নোটিশ জারি করেছে আদালত।

মামলার নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, বিএনপির ২১ জন প্রার্থী, জামায়াতে ইসলামীর ১২ জন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও এলডিপির একজন করে প্রার্থী নিজ নিজ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে এসব মামলা দায়ের করেন।

পরাজিত আরো প্রার্থী ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

ইত্তেফাক

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া যুদ্ধাপরাধীদের নামে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে সিপিবি, বাসদ, উদীচিসহ বিভিন্ন সংগঠন ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

এটিকে মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ ও বর্বর নির্যাতনের শিকার কয়েক লাখ নারীর আত্মত্যাগের সঙ্গে চরম বিশ্বাসঘাতকতা বলে উল্লেখ করেছেন তারা।

ত্রয়োদশ সংসদ অধিবেশনে যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুজাহিদ, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ অন্যান্য যুদ্ধাপরাধীদের নাম শোক প্রস্তাবে যুক্ত করা হয়।

প্রস্তাব উত্তাপনের সময় তাদের নাম ছিল না। পরে জামায়াতে ইসলামীর অনুরোধে তাদের নাম যুক্ত করার কথা জানানো হয়।

সংবাদ

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান খবরের শিরোনাম— ‘Stop the war‘; অর্থাৎ ‘যুদ্ধ বন্ধ কর’।

এই খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও ইরান সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে যুদ্ধ বন্ধে আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

তিনি এমন সময়ে এই আহ্বান জানালেন, যখন লেবাননে হামলা বাড়িয়েছে ইসরায়েল।

জাতিসংঘ মহাসচিব এখন লেবানন সফর করছেন; গতকাল শুক্রবার আন্তোনিও গুতেরেস এই আহ্বান জানান।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে আক্রমণ করলে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে লেবানন।

পরে জাতিসংঘ প্রধান লেবাননে বাস্তুচ্যুত ৮ লাখের বেশি মানুষকে সাহায্য করার জন্য একটি মানবিক তহবিল গঠনের আবেদন জানান।

এদিকে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবে তেলের দাম বাড়ায় রাশিয়ার জ্বালানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করার পরপরই মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, আমেরিকা আগামী সপ্তাহে (চলতি সপ্তাহে) খুব কঠোরভাবে ইরানকে আঘাত করতে চলেছে।

দ্য ডেইলি স্টার

এই খবরে বলা হচ্ছে, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাক্রম সংশোধন এবং অনুমোদনের প্রক্রিয়া বেশ দীর্ঘ এবং জটিল, যা শিক্ষার মানে প্রভাব ফেলে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা।

শিক্ষাক্রমের দ্রুত পরিবর্তনের চেয়ে ধারাবাহিক পরিবর্তন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং শিখন মূল্যায়ন উন্নত করার ওপর মনোযোগ দেওয়া উচিত বলেও মনে করেন তারা।

এই অবস্থায় প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত একটি নতুন শিক্ষাক্রমের ওপর কাজ চলতি বছরের জুলাই থেকে শুরু করতে পারে সরকার, যা ২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে চালু করা হবে।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনের সাম্প্রতিক নির্দেশের পর জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তারা গত বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত প্রস্তাবিত ২০২৮ সালের জাতীয় পাঠ্যক্রমের ওপর কাজ করার জন্য বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল গঠনের প্রস্তাব পাঠিয়েছেন।

এনসিটিবি কর্মকর্তারা আরও জানান, ২০২৭ সালের শিক্ষাবর্ষের জন্য তারা এই বছরের জুনের মধ্যে ২০১২ সালের পাঠ্যক্রম পর্যালোচনা করে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রকাশ করার কথা রয়েছে।

এদিকে, জুলাইয়ের বিদ্রোহের পর ২০২৪ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২২ সালের শিক্ষাক্রম বাতিল করে ২০১২ সালের পাঠ্যক্রমে ফিরে আসে।

নিউ এইজ