Home LATEST NEWS bangla সর্বশেষ সংবাদ পত্রিকা: ‘আশাহত আওয়ামী লীগ’

পত্রিকা: ‘আশাহত আওয়ামী লীগ’

8
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র।

এক ঘন্টা আগে

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

এই খবরে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশটি সংসদে বিল আকারে পাশ হওয়ায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বেশ আশাহত হয়েছেন।

কারণ, ক্ষমতায় গেলে বিএনপি তাদের ব্যাপারে কিছুটা হলেও নমনীয় হবে এমন আলোচনা ছিল দেশের রাজনীতিতে।

বিশেষ করে, কিছু এলাকায় আওয়ামী লীগের দলীয় অফিস খুলতে পারায় এ আশাবাদ কিছুটা বেড়ে ছিল।

আওয়ামী লীগ রাজনীতি করতে পারবে, এমন ধারণা-ও জনগণের একাংশের মধ্যে তৈরি হয়েছিল।

দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে ও দলটির সূত্রে দৈনিকটি জানতে পেরেছে, সংসদে এই বিল পাশের পর তাদের ধারণা আপাতত বদলে গেছে।

বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ ইস্যুতে বিএনপির বিভিন্ন নেতাদের যে অবস্থান ও বক্তব্য ছিল, কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিল পাশ করার পর সেই হিসাব মেলাতে পারছেন না তারা।

মাঠের রাজনীতিতে ফেরার ‘পুরোনো পরিকল্পনা’ বদলে এখন আবার নতুন করে ছক কষতে হচ্ছে দলটির নেতাকর্মীদের।

বিলটি পাশের পর এ নিয়ে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের একাধিক বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

যুগান্তর

এই খবরে বলা হয়েছে, ‘অর্গানাইজড ক্রাইম ইনডেক্স-২০২৫’ অনুযায়ী, ১৯৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছয় ধাপ এগিয়ে এখন ৮৩তম স্থানে।

এ সূচকে উন্নতি মানে ইতিবাচক পরিবর্তন নয়; বরং এটি দেশে সংঘবদ্ধ অপরাধের বিস্তারকে নির্দেশ করে।

বৈশ্বিক এ সূচক অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বেড়েছে উদ্বেগজনক হারে।

বিশেষ করে আর্থিক অপরাধ, অবৈধ পথে মানবপাচার, অস্ত্র চোরাচালান, মাদক ব্যবসা ও নকল পণ্যের বিস্তার— সবগুলো ক্ষেত্রেই স্কোর বেড়েছে দশমিক ৫০।

এর মধ্যে সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মানব পাচারে। জোরপূর্বক শ্রম ও যৌন শোষণের উদ্দেশ্যে পাচারের শিকার হচ্ছে অনেক নারী ও কন্যাশিশু।

দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী— বিশেষ করে সংখ্যালঘু এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীরা এ মানব পাচারের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

আর্থিক অপরাধের ক্ষেত্রেও উত্থান দেখা যাচ্ছে সূচকে, যার বেশিরভাগই সংঘটিত হচ্ছে বেসরকারি খাতে।

একই সময়ে দেশের সীমান্ত এলাকায় নিয়মিতভাবে অস্ত্র চোরাচালান চলছে, যা নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য বড় হুমকি।

এছাড়া, নকল পণ্যের উৎপাদন ও বাজারজাত অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে।

সামগ্রিকভাবে এসব অপরাধের বিস্তার দেশের আইনশৃঙ্খলা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে বলে মনে করেন অপরাধ বিশ্লেষকরা।

বণিক বার্তা

এই খবরে বলা হচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকারের করা ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ সংশোধন করে বিল আকারে পাস করায় একীভূত পাঁচটি ব্যাংক আগের মালিকদের কাছে ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

একীভূত ব্যাংক পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার এ পর্যন্ত যে অর্থ দিয়েছে, তার সাড়ে ৭ শতাংশ পরিশোধ করে আগের মালিকরা এর নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের অভ্যন্তরীণ বৈঠকে এমন ধারা সংযোজনের বিপক্ষে মত দিয়েছিল।

বিরোধী দলও সংসদে এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে।

তবে ১৮(ক) ধারা সংযুক্ত করেই গত শুক্রবার সংসদে বিলটি পাস হয়।

বিলের ১৮(ক) ধারায় বলা হয়েছে, আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইন কিংবা এ আইনের অন্যান্য বিধানে যা কিছু থাকুক না কেন, ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ ২০২৫-এর আওতায় তালিকাভুক্ত হওয়ার আগের শেয়ার ধারক অথবা শেয়ার ধারকরা অথবা বাংলাদেশ ব্যাংক উপযুক্ত বিবেচিত ব্যক্তি ওই ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ-দায় পুনঃধারণ বা ধারণ করার জন্য রেজল্যুশন কর্তৃপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক বরাবর আবেদন করতে পারবে।

সমকাল

এই খবরে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে যথাসময়ে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি পাওয়ার অনিশ্চয়তায় ভুগছে আমদানিনির্ভর দেশগুলো।

বাংলাদেশও এর বাইরে নয়।

সংকট মোকাবেলায় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর কথা ভাবছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।

বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি তেলের চেয়ে কয়লা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন তুলনামুলক সাশ্রয়ী। কয়লা প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও নিশ্চয়তা আছে।

তাই গরম ও সেচে বাড়তি বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো জরুরি।

দেশে এখন দৈনিক কমবেশি প্রায় চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কয়লা থেকে উৎপাদন করা হচ্ছে। আর তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ হচ্ছে প্রায় তিন হাজার মেগাওয়াট।

বিপিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম এ নিয়ে বলেছেন, চেষ্টা করলে কয়লা থেকে দিনে আরো দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। গ্রীষ্মে কয়লা থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেষ্টা থাকবে।

তেলভিত্তিক দেড় হাজারে নামিয়ে কয়লাভিত্তিক উৎপাদন বাড়ানো হলে একদিকে সংকট যেমন মোকাবেলা করা যাবে বলে মনে করছেন এ খাতের বিশ্লেষকরা।

উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল তেল দিয়ে গড়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় হয়েছে ১৭ টাকা ৩৯ পয়সা। আর কয়লার ক্ষেত্রে এই খরচ ৬ টাকা ৭৩ পয়সা।

সংবাদ

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— US, Iran hold direct peace negotiations; অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সরাসরি শান্তি আলোচনা।

এই খবরে বলা হচ্ছে, যুদ্ধ বন্ধে গতকাল শনিবার পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হয়েছে।

ইরানে ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে এটি প্রথম সরাসরি আলোচনা।

হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে হওয়া ত্রিপক্ষীয় এই আলোচনা অতীতের চেয়ে ভিন্ন, যেখানে দুই পক্ষ আলাদা কক্ষে থেকে পরোক্ষভাবে আলোচনা করত।

তবে আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে উভয় পক্ষই আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি।

এদিকে, ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, আলোচনার সময় যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি নিয়ে ‘অতিরিক্ত দাবি’ করছে।

এছাড়া, আরও কিছু বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র অগ্রহণযোগ্য দাবি উত্থাপন করেছে।

ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিম বলছে, আলোচনায় মতবিরোধের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর মধ্যে ছিল হরমুজ প্রণালি।

পাকিস্তানি একটি সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে উভয় পক্ষের মধ্যে মেজাজ পরিবর্তন হতে দেখা গেছে এবং পরিস্থিতির পারদ ওঠা-নামা করেছে।

দ্য ডেইলি স্টার

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Govt considers not raising fuel taxes even if prices rise; অর্থাৎ জ্বালানি মূল্য বাড়লেও কর না বাড়ানোর চিন্তা সরকারের।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাজার স্থিতিশীল রাখার অংশ হিসেবে জ্বালানি তেলের খুচরা মূল্য বাড়লেও আমদানি পর্যায়ে বিদ্যমান শুল্ক ও কর অপরিবর্তিত রাখার বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার।

যদিও এতে সরকারের রাজস্ব কিছুটা কমবে। তবে মে ও জুন মাসে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জ্বালানির দাম তুলনামূলক কম রাখার কৌশল নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানির দাম বাড়িয়ে সমন্বয় করলে সামগ্রিক ব্যয় কাঠামোর ওপর এর প্রভাব পড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ে।

তবে শুল্ককর অপরিবর্তিত রাখলে সেই চাপ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

এ ধরণের উদ্যোগ নেওয়া হলে রাজস্ব আদায়ের ওপর কোন ধরণের প্রভাব পড়তে পারে, তার বিশ্লেষণসহ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে দ্রুত একটি প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

এই খবরে বলা হয়েছে, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে গেছে জাতীয় সংসদে।

এসব অধ্যাদেশের মধ্যে বিরোধী দলের আপত্তি সত্ত্বেও বাতিল করা হয়েছে ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ।

এগুলোর মধ্যে নির্বাচনের আগে বিএনপি কয়েকটির পক্ষেও ছিল।

তবে সংসদে তারা এগুলো আইনে পরিণত করার বিপক্ষে অবস্থান নিল।

সরকারি দল বলেছে, যেসব অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে, সেগুলো যুগোপযোগী করে নতুন বিল আনা হবে।

তবে বিরোধী দল বলছে, এসব অধ্যাদেশ বাতিলের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের পুনর্জন্মের সুযোগ রইল। এর দায় তারা নেবে না।

আর বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিএনপি সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোটসহ কয়েকটি অধ্যাদেশের পক্ষে থাকলেও সংসদে এগুলো পাস না হওয়ায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা নিয়ে সন্দেহ উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

আজকের পত্রিকা

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ‘ধর্ম অবমাননার অভিযোগ’ তুলে আস্তানায় হামলা চালিয়ে ‘পীর’ শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীরকে (৬৫) বেধড়ক পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

গতকাল শনিবার দুপুরে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের ফিলিপনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

ওই সময় শামীম রেজার আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন গণমাধ্যমকর্মীদের বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিহত ব্যক্তির একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল। তাতে ইসলাম ধর্ম নিয়ে ‘আপত্তিকর’ বক্তব্য দেওয়া রয়েছে।

কিন্তু ভিডিওটি অনেক আগের। ভিডিওটি সম্প্রতি ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে এলাকাবাসী তার আস্তানায় হামলা চালায়।

এলাকাবাসীর মারধরে শামীম রেজার ১০ জন অনুসারীও আহত হন। তারা পলাতক অবস্থায় বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, দৌলতপুর থানা পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতেই এই হামলা, ভাঙচুর, আগুন ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছে।

কালের কণ্ঠ

প্রথম আলোর প্রধান সংবাদ— ৬ শিশু হাসপাতালের ভবন পড়ে আছে, বিপুল ব্যয়

এই খবরে বলা হচ্ছে, দেশের বিভিন্ন জেলায় বিপুল ব্যয়ে আধুনিক হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হলেও বছরের পর বছর তা অব্যবহৃত পড়ে আছে।

যেমন রংপুর, খুলনা, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট ও কুমিল্লায় হাসপাতাল ভবন আছে, কিন্তু কার্যক্রম চালু হয়নি। শিশু হাসপাতালের উদ্দেশ্যেই ভবনগুলো করা হয়।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই ছয়টি হাসপাতালের নির্মাণকাজ শেষ করলেও জনবল, আসবাব, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অর্থ বরাদ্দ না থাকায় রংপুর ছাড়া বাকি পাঁচটি হাসপাতাল স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো প্রতিষ্ঠান ভবন বুঝে নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক মঈনুল আহসান বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ছাড়াই আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এসব হাসপাতালের ভবন তৈরি করা হয়। হাসপাতাল কীভাবে চলবে, তা চিন্তা করা হয়নি।

হাসপাতালগুলো দ্রুত চালু করতে সব প্রক্রিয়া শেষ করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

প্রথম আলো

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, জ্বালানি সংকটে দেশের পাইকারি বাজারগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যদ্রব্য আর কাঁচামাল আনা-নেওয়ায় দূরপাল্লার ট্রাকগুলো ট্রিপ কমিয়ে দিয়েছে।

তেল সংকটের অজুহাতে বেড়েছে ভাড়া-ও। ট্রাকভাড়ার সঙ্গে সমন্বয় করে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম-ও।

আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাইলেই এখন সময়মতো ট্রাক পাচ্ছেন না তারা, এমনকি ট্রাকগুলো নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে যাওয়া কিংবা আসতে পারছে না।

ফলে পণ্য আনা-নেওয়ায় বেশ ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের।

বাজারে পর্যাপ্ত পণ্য না আসায় কৃত্রিমভাবেও বেড়ে যাচ্ছে খাদ্যপণ্য ও কাঁচামালের দাম।

মানবজমিন