Source : BBC NEWS
ছবির উৎস, Reuters
হেজবুল্লাহ নিশ্চিত করেছে যে, তারা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র এবং
ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। এই
গোষ্ঠী জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনীকে হত্যার প্রতিশোধ
হিসেবে এই হামলা করেছে তারা।
এদিকে, এর আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, হেজবুল্লাহর প্রজেক্টাইল হামলার জবাবে লেবাননকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালাচ্ছে তারা।
ইসরায়েলি
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হেজবুল্লাহর নিক্ষেপ করা প্রজেক্টাইল ইসরায়েলি ভূখণ্ডের উন্মুক্ত
স্থানে পড়েছে।
হেজবুল্লাহ
রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী একটি শিয়া মুসলিম সংগঠন,
যেটি লেবাননের সবচেয়ে শক্তিশালী
সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করে।
এটিকে
১৯৮০-এর দশকের গোড়ার দিকে ইসরায়েলের বিরোধিতা করার জন্য এই অঞ্চলের সবচেয়ে
প্রভাবশালী শিয়া শক্তি ইরান প্রতিষ্ঠিত করেছিল।
শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। হামলায় আলী খামেনিসহ অন্তত ৪৮ জন নেতা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাদের অভিযান ‘খুব ভালোভাবে দ্রততার সঙ্গে এগিয়ে চলেছে’ বলেও জানান তিনি।
আয়াতুল্লাহ খামেনির নিহত হওয়ার পর ইরানের বর্তমান নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন মি. ট্রাম্প।
তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে তিনি নিজেও রাজি আছেন বলে জানিয়েছেন।



